সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 31, 2023

“৫১টি সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম উদবোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী”

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : “৫১টি সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম উদবোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী” আজ ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার, বেলা ৩ টায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের ১২ টি জেলা ও ৩৯ টি উপজেলায় মোট ৫১ টি সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের শুভ উদবোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়াসহ জুম অনলাইনে ৫১ টি জেলা ও উপজেলা সরকারি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসময় বলেন, “সরকারি চিকিৎসকগণ এযাবৎ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের বিকেলে চিকিৎসা সেবা নিতে প্রাইভেট হাসপাতাল/ ক্লিনিকে যেতে হতো। এই বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুধাবন করতে পেরেছেন এবং সেভাবে তিনি নির্দেশনাও দিয়েছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্যোগী হয়েছি। আমরা মনে করেছি, এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। সেজন্য আজ আপাতত পাইলটিং আকারে দেশের ১২ জেলা ও ৩৯ টি উপজেলার মোট ৫১ টি সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের শুরু করা হলো। এই কার্যক্রম মানুষের ভালো লাগলে আমরা এ বছরেই দেশের সকল সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু করা হবে।” ‘সরকারি হাসপাতালগুলো কিসের ভিত্তিতে কাজ করবে’ এই প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আমরা একটি নীতিমালা প্রনয়ণ করেছি। সেই নীতিমালা অনুযায়ী সব কাজ পরিচালিত হবে। নীতিমালায় একজন চিকিৎসক বা অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী কতদিন দায়িত্ব পালন করবেন, কীভাবে করবেন তা বিস্তারিত লেখা আছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসময় অনলাইন জুম এপে যুক্ত থাকা ৫১ জেলা উপজেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও ঐ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে সরাসরি কথা বলে অনুভূতি জানতে চান। এসময় যুক্ত সবাই এই কার্যক্রম শুরু করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। যেসকল সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের সুচনা হলো তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে, ঢাকা বিভাগের ১০জেলা মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল, রাজবাড়ি জেলা সদর হাসপাতাল, ঢাকার সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এছাড়াও রয়েছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। অন্যদিকে চট্টগ্রামের ৮ জেলায় প্রথম ধাপে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এগুলো হলো- ফেনী জেলা সদর হাসপাতাল এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল এবং পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতাল, নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে রয়েছে- জামালপুর জেলা সদর হাসপাতাল এবং সরিষাবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, শেরপুরের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। খুলনা বিভাগের চার জেলায় এই বৈকালিক সেবা চালু হয়েছে। এগুলো হলো- ঝিনাইদহ জেলা সদর হাসপাতাল, যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রাজশাহী বিভাগের তিন জেলায় বৈকালিক সেবা চালু হয়েছে। এগুলো হলো- নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতাল এবং সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রাজশাহীর পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় এই সেবা চালু হলো। এগুলো হচ্ছে- ঠাকুরগাঁও জেলা সদর হাসপাতাল, কুড়িগ্রাম জেলা সদর হাসপাতাল, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রংপুরের বদরগঞ্জ এবং গংগাচরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নীলফামারীর ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বরিশাল বিভাগের তিন জেলায় এই সেবা চালু হয়েছে। এগুলো হলো- ভোলা জেলা সদর হাসপাতাল এবং চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বরিশালের আগৈলঝড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সিলেট বিভাগের চার জেলায় এই সেবা চালু হচ্ছে। এগুলো হলো- সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল এবং ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিলেটের গোপালগঞ্জ এবং বিশ্বনাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইত্যাদি। এগুলোর বাইরে অন্যান্য সরকারি হাসপাতালের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে সেগুলোতেও বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি।

Read More »

এক কর্মস্থলে ৩ বছরের বেশি নয়, অনিয়মকারীদের বদলি প্রথম ধাপে

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : এক কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি থাকতে পারবেন না প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন অধিদপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তারা। যারা এরই মধ্যে দুই থেকে তিন বছর অতিক্রম করেছেন তাদের বদলির তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। বদলি হবে ধাপে ধাপে। মন্ত্রণালয়ের চলতি মাসের সমন্বয় সভায় এ তালিকা উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তাদের বদলি হবে প্রথম ধাপে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বদলি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাগো নিউজকে বলেন, যে সব কর্মকর্তার তিন বছর অতিক্রম হয়েছে তাদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গত সমন্বয় সভায় নতুন করে আলোচনা করা হয়। এ বিষয়ে সব প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের তালিকা দিতে বলা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, উপ-আনুষ্ঠানিক ব্যুরোসহ প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন শাখা-উপশাখায় বড় ধরনের তদবিরের মাধ্যমে বদলি হয়েছেন কর্মকর্তারা। ঢাকার এসব প্রতিষ্ঠানে বদলি হয়ে যুগের পর যুগ শিকড় আকঁড়ে ধরে পড়ে থাকছেন। একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে থাকায় এসব কর্মকর্তা জড়াচ্ছেন অনিয়ম-দুর্নীতিতে। কেউ কেউ সিন্ডিকেট তৈরি করে পাহাড়সম অর্থ উপার্জন করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। প্রাথমিকের মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে এসব কর্মকর্তার বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ধাপে ধাপে তাদের বদলির নির্দেশনা জারি করা হবে। ডিপিইর আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় সংক্রান্ত কাজ করে প্রকিউরমেন্ট বিভাগ। এ বিভাগে সহকারী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সোহাগ মিয়া ২০০৬ সালের মে মাস থেকে একই চেয়ারে রয়েছেন। এ বিভাগের আরেক সহকারী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আবু ইয়াছিন ২০০৮ সাল, একই পদে বিপ্লব বিশ্বাস আছেন ২০০৯ সাল থেকে। এই তিনজনের বিরুদ্ধেই অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ১৯৯৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দপ্তরে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. মোস্তফা ফারুক খান, অর্থ উন্নয়ন বিভাগের সহকারী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের উপ-পরিচালক ড. নুরুল আমীন চৌধুরী, পলিসি ও অপারেশনের উপ-পরিচালক মো. মহিউদ্দিন তালুকদার, প্রশাসন বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. জুলফিকার হারুন, একই পদে আব্দুল আলীম, অর্থ বিভাগে মো. নুরুল ইসলাম, অর্থ বিভাগে (অডিট) সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাম্মদ রোখসানা হায়দার, রুমানা সাবির, জান্নাতুল ফেরদৌস (সংযুক্ত), মো. মোশারফ হোসেন (সাময়িক বরখাস্ত) ও শাহ মো. মামুন অর রশীদ, মহাপরিচালকের পিএস হাবীবুর রহমান, ব্যক্তিগত সহকারী মো. হুমায়ন দীর্ঘদিন ধরে থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তাদের বদলি হয় না। সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় সভায় একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে থাকা কর্মকর্তাদের নিয়মিত বদলি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা সূত্রে জানা যায়, অধিদপ্তর/সংস্থায় কর্মরত উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালকসহ সব প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের তিন বছরের অধিককাল বিবেচনায় বদলি/দপ্তর পরিবর্তন করা হবে। চলতি মাসের সমন্বয় সভায় তিন বছর অতিক্রম হওয়া প্রাথমিকের সব দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের তালিকা উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা সেসব কর্মকর্তাদের তালিকা তৈরি করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ জাগো নিউজকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি এটি নতুন কিছু নয়। চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তাদের নিয়মিত বদলি করা হয়। কোথাও কোথাও সেটি নানা কারণে মানা হচ্ছে না। আমাদের এখানে যে সব কর্মকর্তার তিন বছর অতিক্রম হয়েছে তাদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গত সমন্বয় সভায় নতুন করে আলোচনা করা হয়। এ বিষয়ে সব প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের তালিকা দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের এখানে যারা দীর্ঘদিন ধরে একই দপ্তর বা শাখায় রয়েছে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চাকরিবিধি অনুযায়ী কর্মকর্তা বদলি একটি রুটিন কাজ। সেটি আগেও হয়েছে, আগামীতেও হবে।

Read More »

রংপুরে অনুষ্ঠতি হলো শিশু অধিকার বিষয়ক ইউপিআর প্রতিবেদন নিয়ে বিভাগীয় পরামর্শ সভা

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে শিশু বিষয়ক খসড়া ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর) প্রতিবেদন নিয়ে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) চাইল্ড রাইটস এ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ এবং জয়েনিং ফোর্সেস বাংলাদেশের পক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহায়তায় স্থানীয় সংস্থা ইউএসএস ইউপিআর প্রতিবেদন নিয়ে অনুষ্ঠিত পরামর্শ সভায় শিশু অধিকার নিশ্চিতে অঙ্গীকারসমূহের সফল বাস্তবায়নে সরকার, সাংবাদিক, বেসরকারি সংস্থাসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে অভিমত ব্যক্ত করেন বক্তারা। সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশু অধিকার বিষয়ক ইউপিআর খসড়া প্রতিবেদনের বিষয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী, শিশু, সমাজের নানা শ্রেণরি মানুষের সাথে মতবিনিময় এবং তাদের মূল্যবান বক্তব্য প্রতিবেদনে সন্নিবেশিত করা। সর্বোপরি ইউপিআর প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক মোঃ ফজলুল কবীর। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর হেড অব সেন্ট্রাল এ্যান্ড নর্দান রিজিয়ন আশিক বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক সৌমেন বড়–য়া, বিভাগীয় সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অনীল চন্দ্র বর্মন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাওসার পারভীন, জলঢাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার ভৌমিক। প্রধান অতিথি বলেন, “ শিশু অধিকার বাস্তবায়নে সরকারের অনেক অগ্রগতি রয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রয়েছে যারা বিভিন্ন অধিকার বিষয়ে কাজ করছে। আমাদের উদ্দেশ্য শিশু শ্রমকে বন্ধ করা। সকল শিশু বিদ্যালয়ে যাবে এবং শিক্ষা লাভের অধিকার উপভোগ করবে। সর্বোপরি, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখবে”। সভায় খসড়া প্রতিবেদনটির মুল বিষয়বস্তুর উপর সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা করেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর চাইল্ড প্রোটেকশন এবং জেন্ডার জাস্টিজ এডভাইজার রাশেদা আক্তার। তিনি শিশু অধিকার বাস্তবায়নে অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা এবং সুপারিশসমূহ উপস্থাপন করেন। পরামর্শ সভার উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর এডুকেশন স্পেশালিস্ট মন্জুর আল খালেদ। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিশু, কিশোর-কিশোরী, যুব, নারী-পুুরুষ, সাংবাদিক, সরকারের বিভিন্ন বিভাগে কর্মকর্তাগণ এবং বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

Read More »

একের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করায় সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কারাদণ্ড

আদালত প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : একের জমি অন্যের নামে রেকর্ড: দুই ভূমি কর্মকর্তার কারাদণ্ড, দুদকের মামলায় ঢাকার আদালত এই রায় দিয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজনের জমি অন্যজনের নামে রেকর্ড করে দেওয়ায় দুই ভূমি কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। দণ্ডিতরা হলেন ঢাকার সাবেক সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আশরাফ আলী হাওলাদার এবং সেটেলমেন্ট অফিসের সাবেক সার্ভেয়ার মো. মনিরুল ইসলাম। দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার এই রায় দেন। দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম জানিয়েছেন, আশরাফ আলীকে ৫ বছর কারাদণ্ডের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমনা করা হয়েছে। মনিরুলকে দুই বছর কারাদণ্ডের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড। রায়ের সময় মনিরুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আশরাফ আলী পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। রায় থেকে জানা যায়, ঢাকার উত্তরখানে একটি সম্পত্তি কিনেছিলেন কলাবাগানের বাসিন্দা স্বর্ণা খান। তিনি সম্পত্তির সরাসরি খোঁজ না রাখার সুযোগে ওই এলাকার নূরন্নবী ফিরোজ ওই সম্পত্তি ১৯৯১-১৯৯২ সালের একটি এওয়াজবদল দলিল মূলে দখল করে ঘর তুলে ফেলেন। সেই দখলের বিরুদ্ধে স্বর্ণা খান আপিল করলে তার নামে রেকর্ড হয়। রেকর্ডের বিরুদ্ধে নূরন্নবী ফিরোজ আপিল করলে আপিল অফিসার আশরাফ আলী ওই সম্পত্তি ২০০২ সালে নূরন্নবী ফিরোজের পক্ষে রেকর্ডের রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে স্বর্ণা খান আপিল করলে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার স্বপন কুমার বৈদ্য উভয় পক্ষের কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে স্বর্ণা খানের পক্ষে রেকর্ড সংশোধনের সুপারিশ করেন। তার সুপারিশের ফলে আশরাফ আলী ও মনিরুলের দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ পেলে ২০১১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক নূর হোসেন খান তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলাটি করেন।

Read More »