সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: April 10, 2023

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩০তম বৈঠক অনুষ্ঠিত

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩০তম বৈঠক অনুষ্ঠিত ঢাকা, ১০ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ: একাদশ জাতীয় সংসদের ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩০তম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, আব্দুস সালাম মূর্শেদী, জুয়েল আরেং, এ. এম. নাঈমুর রহমান এবং জাকিয়া তাবাসসুম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ক্যারম ফেডারেশন সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া, বিগত ২৯তম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সাফজয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্যারিস অলিম্পিক বাছাইপর্বে অংশগ্রহণ করতে না পারায় স্থায়ী কমিটি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাফুফে সভাপতির বক্তব্য সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বিধায় এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ব্যাখ্যা চাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অতিরিক্ত সচিব, যুব ও ক্রীড়া অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন সংস্থা প্রধানগণসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি চূড়ান্ত

প্রশাসনের ১৭ ব্যাচ মূল ধরে প্রক্রিয়া, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির কার্যক্রম চূড়ান্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রশাসনের ১৭ ব্যাচকে মূল ধরে এ প্রক্রিয়া করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। এক বছরের মাথায় অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতির জন্য ১শ’র কিছু বেশি কর্মকর্তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত পদোন্নতি ১০০ জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বলে জানা গেছে। গত বছর এপ্রিলে প্রশাসনের ১৫ ব্যাচকে মূল ধরে অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। সেবার যুগ্ম সচিবদের মধ্য থেকে ৯৪ কর্মকর্তা পদোন্নতি পান। এবারও পদোন্নতিতে ১শ’র ঘর পার হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনপ্রশাসনে বর্তমানে অর্গানোগ্রামভুক্ত অতিরিক্ত সচিব পদ ১শ’র কিছু বেশি। তবে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন সময়ে নতুন করে অনেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগে অতিরিক্ত সচিব পদ সৃষ্টি করা হলেও কেন্দ্রীয়ভাবে সব হিসাব এক করা হয়নি। এ জন্য অতিরিক্ত সচিবের পদের সংখ্যা ২শ’র মতো। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার পর্যন্ত অতিরিক্ত সচিব ছিলেন ৩২০ জন। প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত সচিব পদধারী কর্মকর্তারা অবসরে যাচ্ছেন। সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অতিরিক্ত সচিব থাকলেও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রশাসন চালানোর মতো কর্মকর্তা হাতেগোনা। এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের পদে অতিরিক্ত সচিবদের পদায়নে অনেক কর্মকর্তা দরকার জনপ্রশাসনের। বিসিএস প্রশাসনের অন্যান্য ব্যাচের চেয়ে ১৭তম ব্যাচ তুলনামূলক ছোট। এ ব্যাচের যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি-যোগ্য কর্মকর্তার সংখ্যা ৬৭ জন। এর বাইরে ইকোনমিক ক্যাডার থেকে প্রশাসন ক্যাডারে মিশে যাওয়া আরও দুটি ব্যাচের ৫৪ কর্মকর্তাকে এবং প্রশাসন ক্যাডারের আগের ব্যাচ থেকে পদোন্নতি বঞ্চিতদের (লেফট আউট) কয়েকজনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড থেকে কতজনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সংখ্যাটি ১০০ জনের বেশি, এটা নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র। পদোন্নতির প্রক্রিয়া গত মাসেই চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন আলোচ্য ব্যাচের কর্মকর্তারা। তবে মূল ব্যাচের বাইরের কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে বেশি সময় লেগেছে। যদিও শেষ দিকে দ্রুত কাজ শেষ করেছে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড। গত শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও এ-সংক্রান্ত কাজ করে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সমকালকে বলেন, ‘অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতির প্রক্রিয়া শেষ ধাপে আছে। চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে। আশা করি, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশাসনে কাজের পরিধি বেড়েছে। বিভিন্ন খাতে অনেক কর্মকর্তা দরকার। যোগ্যদেরই পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হয়েছে। ১শ’র মতো কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হতে পারে।

Read More »

দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৯ এপ্রিল, ২০২৩ : দেশের মোট জনসংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮ কোটি ৪০ লাখ ৭৭ হাজার ২০৩ জন, নারী ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৫৩ হাজার ১২০ জন, হিজড়া ১২ হাজার ৬২৯ জন এবং ব্যালেন্স পপুলেশন ৮৫ হাজার ৯৫৭ জন। রোববার জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ পিইসি (প্রাথমিক প্রতিবেদন) জরিপের আলোকে সমন্বয়কৃত জনসংখ্যা সম্পর্কিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধান অতিথি এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বিশেষ অতিথি ছিলেন। জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ এর প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন শুমারিতে গণনাকৃত ও পিইসির মাধ্যমে সমন্বয়কৃত মোট জনসংখ্যার তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের গণনাকৃত মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। চূড়ান্ত হিসেবে আরও ৪৬ লাখ ৭০ হাজার ২৯৫ জন যোগ হয়ে দেশের সমন্বয়কৃত মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। মোট জনসংখ্যার ৬৮.৩৪ শতাংশ গ্রামে এবং ৩১.৬৬ শতাংশ শহরে বাস করে। বিভাগভিত্তিক জনসংখ্যা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকার প্রাথমিক প্রতিবেদনে গণনাকৃত জনসংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৪২ লাখ ১৫ হাজার ১০৭ জন; সমন্বয়কৃত জনসংখ্যা হলো ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার ৯১৫ জন, যা দেশের মোট সমন্বয়কৃত জনসংখ্যার ২৬.৮৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বরিশাল বিভাগে, মোট সমন্বয়কৃত সংখ্যা জনসংখ্যার ৫.৪৯ শতাংশ। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে পুরুষের সংখ্যা ছিল ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ছিল ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং হিজড়ার সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৬২৯ জন। তবে চূড়ান্ত হিসেবে সমন্বয়কৃত পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ৪০ লাখ ৭৭ হাজার ২০৩ জন; নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৫৩ হাজার ১২০ জন। বিবিএস এর প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হিজড়া জনসংখ্যা খুব কম হওয়ায় তার এনইসি হিসাব করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ ১৭ হাজার ৫০৭টি থানার ৮৫ হাজার ৯৫৭ জনের আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের লিঙ্গসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য পাওয়া যায়নি। এজন্য তাদেরকে ব্যালেন্স পপুলেশন বলা হচ্ছে।

Read More »

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-রেজিস্ট্রারকে আইনি নোটিশ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : উপাচার্য-রেজিস্ট্রারকে আইনি নোটিশ চবি উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: বিতর্কিত প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করার প্রসঙ্গে বাংলানিউজে গত ১৫ মার্চ ‘চবির পালি বিভাগ: বিতর্কিত প্রার্থীকেই সবার আগে নিয়োগের সুপারিশ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় । এ সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগে বিতর্কিত প্রার্থীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশের বিষয়টি উল্লেখ করে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট ও চট্টগ্রাম জজ কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ রাসেল। একই বিভাগের শিক্ষক নিয়োগপ্রার্থী সজীব সিংহ ও বোধি মিত্র শ্রামনের পক্ষে এ নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে পালি বিভাগের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে যথাযথ প্রার্থীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ না দিলে পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। গত ৩০ মার্চ আইনি নোটিশটি পাঠানো হলেও সম্প্রতি বিষয়টি সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাসেল। নোটিশে বাংলানিউজে প্রকাশিত সংবাদটি হুবহু উল্লেখ করা হয়। গত ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত চবির পালি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়ম ভঙ্গ করে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয় সহকারী প্রক্টর অরূপ বড়ুয়ার স্ত্রী অভি বড়ুয়াকে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারা, নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদনের শর্তাবলী পুরণ না করাসহ সার্বিক বিষয়ে পালি বিভাগের সভাপতি ও ভাইভা বোর্ডের সদস্য শাসনানন্দ বড়ুয়া রুপন এ প্রার্থীর নিয়োগের বিষয়ে দ্বিমত পোষন করেন। তা সত্ত্বেও চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারের উপস্থিতিতে নিয়োগ বোর্ড বিতর্কিত প্রার্থী অভি বড়ুয়াকেই নিয়োগের জন্য সর্বপ্রথম সুপারিশ করে। এছাড়া দুই পদের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও নিয়োগের জন্য ৪ জনকে সুপারিশ করা হয় নিয়োগ বোর্ড থেকে। এর মধ্যে সুপারিশের তালিকায় এক নম্বরেই রাখা হয় সরকারী প্রক্টর অরূপ বড়ুয়ার স্ত্রী অভি বড়ুয়ার নাম। যদিও বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত দুই শিক্ষকের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই এখন। নোটিশে আরও বলা হয়, শিক্ষক নিয়োগে দূর্নীতি ও অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেশের প্রচলিত আইনবিরোধী এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য চরম অশনি সংকেত। যেখানে উচ্চতর যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থীরাই শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার দাবীদার, সেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম যোগ্য ও নিয়োগের শর্তাবলী পূরণে সক্ষমতা নেই এমন প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানকে শেষ করে দেওয়ার সুদুর প্রসারী কৌশল কোনোভাবে কাম্য নয়। এ ধরনের দুর্নীতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি সনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে দেওয়ার অপকৌশল। নোটিশে আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেলরা চবির পালি বিভাগের প্রভাষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য যোগ্যতার শর্তাবলী পুরন করে মৌখিক পরীক্ষায় ও মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তা স্বত্ত্বেও কয়েকজন অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার অপচেষ্টা করায় এ লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে পালি বিভাগের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে যথাযথ প্রার্থীদের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে এসব প্রার্থীরা। অন্যথায় তারা আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। আইনজীবী মোহাম্মদ রাসেল আরও বলেন, আমরা গণমাধ্যমের সুবাদে জানতে পেরেছি যে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে চবির পালি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আমার মক্কেলদের যাবতীয় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ না দিয়ে এমন একজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে যার কিনা আবেদনের যোগ্যতাও ছিলো না। এটাও জানতে পেরেছি যে যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তিনি বর্তমান একজন সহকারী প্রক্টরের স্ত্রী। তিনিই নাকি প্রভাব খাটিয়ে তার স্ত্রীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের ব্যবস্থা করেছেন। তাই আমরা লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি। আমরা চাই অযোগ্যদের নিয়োগ বাতিল করে যোগ্যদের যেন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কেএম নুর আহমদ বলেন, আমরা নোটিশ পেয়েছি। সবকিছু দেখেশুনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা প্রক্রিয়াধীন আছে।

Read More »