সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: April 13, 2023

গাজীপুরে তথ্য গোপন করায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

গাজীপুরে তথ্য গোপন করায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : গাজীপুরে সম্পদের তথ্য গোপন করায় মুকুল গাজী নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১২ এপ্রিল) গাজীপুরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইদুজ্জামান বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মুকুল গাজী ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কলুপোতাপাড়া গ্রামের মুনসুর গাজীর ছেলে। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরীর কুনিয়া বড়বাড়ি (এমজি) বাজার এলাকায় সালমা কমপ্লেক্স এলাকায় বসবাস করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মুকুল গাজী দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে অর্জিত ৬০ লাখ ৩৮১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে কমিশনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন। তার গোপনকৃত সম্পদসহ মোট ৩ কোটি ২৬ লাখ ৬৮৭ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। তিনি অবৈধ সম্পদ অর্জনপূর্বক তা দখলে রেখে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের গাজীপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইদুজ্জামান জানান, তদন্তকালে মুকুল গাজী এবং তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে আরও কোনও সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলে তা আমলে নেওয়া হবে।

Read More »

অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম নেয় ৮৪ শতাংশ যা উদ্বেগের বিষয়- স্বাস্থ্য মন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুয়ায়ী একটি দেশে সিজারে বা অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম নেওয়ায় হার মাত্র ১৫ শতাংশ হওয়ার কথা। তবে বাংলাদেশে বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারে সন্তান জন্ম নেয় ৮৪ শতাংশ যা উদ্বেগের বিষয় বলে মন্তব্য করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ কাজটি প্রাইভেট মেডিকেল মাত্রাতিরিক্ত করছে বলে জানান তিনি। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি একথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালগুলোতে সিজারের হার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হলেও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে সেটি ৮০ শতাংশের কাছাকাছি। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ ইনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিস প্রদান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “দেশের ১২টি জেলা ও ৩৯টি উপজেলায় বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নামমাত্র ‘ফি’র মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। খুব দ্রুতই এই সেবা দেশের সকল হাসপাতালে চালু করা হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন শেষ পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী, নার্স, রোগী ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। কাজ শেষ পর্যায়ে আছে। আগামী সংসদে এটি পাস হলেই আইনটি কার্যকর হবে। দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া একটি সাংবিধানিক অধিকার।’ সেই বিষয়টি মনে রেখে দেশের স্বাস্থ্যখাত বর্তমানে নানাবিধ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘মায়েদের মাতৃত্বকালীন সেবার মান বাড়াতে আমরা বিশেষ নজর দিয়েছি।’ দেশের প্রায় চার হাজার ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৫০০টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রসূতি মায়েদের জন্য ৮ ঘণ্টার পরিবর্তে ২৪ ঘণ্টা সেবাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। খুব অল্প সময়ে আমরা দেশের সব হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা সেবাদান কর্মসূচির ব্যবস্থা চালু করব। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, প্রেসিডিয়াম মেম্বার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানুসহ প্রমুখ।

Read More »

বিচারক দুর্নীতি করলে তাকে বিচার বিভাগে রাখা হবে না- প্রধান বিচারপতি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : টাকা নিয়ে যে বিচার করে সে ডাকাতের চেয়েও খারাপ। প্রধান বিচারপতি বলেন, কোনো বিচারক দুর্নীতি করলে তাকে বিচার বিভাগে রাখা হবে না। বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বুধবার ঝিনাইদহে জেলার আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিমিয় করেন এবং ন্যায়কুঞ্জের ভিত্তিপ্রস্তার স্থাপন করেন। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বুধবার ঝিনাইদহে জেলার আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিমিয় করেন এবং ন্যায়কুঞ্জের ভিত্তিপ্রস্তার স্থাপন করেন। বিচার করতে গিয়ে কেউ দুর্নীতি করলে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে দেশের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, তারা ডাকাতের চেয়েও খারাপ। বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহে জেলার আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিমিয়কালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কোনো বিচারক দুর্নীতি করলে তাকে বিচার বিভাগে রাখা হবে না। যে জজ বিচার বিক্রি করবে তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। “ডাকাতরা ডাকাতি কালে সোনা-গয়না, টাকা-পয়সা নিয়ে যায়। আর যে বিচারক টাকা নিয়ে একজনের সম্পত্তি অন্যকে দেন তিনি ডাকাতের চেয়েও খারাপ।” দুর্নীতিকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, আঙুলে ক্যান্সার হলে কেটে বাদ দিতে হয়। তেমনি দুর্নীতবাজদেরও বাদ দিতে হবে। প্রধান রিচারপতি বলেন, দুর্নীতির জন্য এ দেশ স্বাধীন হয়নি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিদেশে বাংলাদেশের মর্যাদা বেড়েছে, প্রশংসিত হচ্ছে। তাই বিচার বিভাগকেও এগিয়ে যেতে হবে। দেশে যে পরিমাণ মামলা দায়ের হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে বলে তিনি জানান। পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আলোকিত জীবন গড়তে কনিষ্ঠ আইনজীবীদের এবং তাদের পথ চলায় সহযোগিতা দিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের প্রতি আহবান জানান। আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভায় জেলা জজ মো. নাজিমুদৌলা, আইনজীবী সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম, সরকারি কৌঁসুলি বিকাশ কুমার ঘোষ, পিপি ইসমাইল হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজিজুর রহমান, এস এম মশিউর রহমানসহ কয়েকজন আইনজীবী বক্তব্য রাখেন। এর আগে আদালতে আগত বিচার প্রার্থীদের বিশ্রামের জন্য জজ আদালত প্রাঙ্গণে ‘ন্যায়কুঞ্জ’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধান বিচারপতি। বিচারপ্রার্থীদের কষ্ট লাঘবে প্রতি জেলায় আদালত প্রাঙ্গণে ন্যায়কুঞ্জ স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান। বিচারপ্রার্থীরা রাষ্ট্রের মালিক, তাদের জন্য ন্যায়কুঞ্জ বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বুধবার দুপুরে মাগুরা জেলা জজ আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থীদের বিশ্রামাগার ন্যায়কুঞ্জের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা জানেন এ দেশের প্রায় ৪ কোটি মানুষ বিভিন্ন ‘লিটিগেশনের’ সাথে জড়িত। তাদেরকে নিত্যদিন আদালত প্রাঙ্গণে আসা লাগে। “তারা এ রাষ্ট্রের মালিক। তাদেরকে আমাদের বিচারিক সেবা দেওয়ার দায়িত্ব। যদিও রাষ্ট্রের মালিক তারাই, তারা যখন আদালতে আসেন স্থান সংকুলান হয় না, তারা কোথায় বসবে। ইতস্তত ঘুরতে থাকে। বিশেষ করে যখন মহিলা আসে দূরদূরান্ত থেকে সাক্ষ্য দিতে অথবা তাদের পরিজনদের, যারা আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকে, তাদের সাথে দেখা করার জন্য।” তারা যাতে এখানে এসে অস্বস্তিবোধ না করে সেটা সুরাহা করার জন্য তাদের বসার জায়গা অর্থাৎ বিশ্রামাগার করার সিন্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান প্রধান বিচারপতি। “সে অনুসারে আমরা এটার নাম দিই ন্যায়কুঞ্জ। এখানে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন লোকের বসার ব্যবস্থা থাকবে। দুটি টয়লেট থাকবে – একটি পুরুষদের জন্য, একটি মহিলাদের জন্য। “এ ছাড়া একটি ফাস্ট ফুডের দোকান থাকবে; এতে করে যারা এ রাষ্ট্রের মালিক এখানে এসে স্বস্তিতে কিছু সময় কাটাতে পারে বা বসতে পারে। আমাদের বিচারের জন্য এ আদালত এবং বিচারিক সেবা দেওয়ার জন্য বিচারকবৃন্দ। এই ধারণা থেকে এই ন্যায়কুঞ্জ করা।” তিনি জানান, দেশের প্রতিটি জেলার জজ আদালতে ন্যায়কুঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ থেকে প্রতিটি জেলায় ৫০ লাখ টাকা খরচ করা যাবে। এতে অতি সাধারণ মানুষ, যারা আদালতে আসবে, তাদের উপকারে আসবে। প্রধান বিচারপতি পরে আদালত চত্বরে একটি লিচু গাছ রোপন করেন। তিনি বিচারক ও আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন। এ সময় মাগুরার জেলা ও দায়রা জজ অমিত কুমার দে, জেলা প্রশাসক আবু নাসের বেগ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক হাসান জাহিদ, মাগুরা পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা, পাবলিক প্রসিকিউটর কাজী এস্কেন্দার আজম বাবলু, জিপি মাহাবুব মোর্শেদ বাবলা, মাগুরা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক শামীম খান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক সাজিদুর রহমান সংগ্রামসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »