সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: May 25, 2023

উদ্ভাবনী নানা প্রযুক্তিই পারে দেশকে উন্নত করতে – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

জিল্লুর রহমান / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মে, ২০২৩ ইং, বৃহস্পতিবার উদ্ভাবনী নানা প্রযুক্তিই পারে দেশকে উন্নত করতে – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক প্রযুক্তি আমাদেরকে চড়া মূল্যে বিদেশ থেকে ক্রয় করতে হয়েছে। এখনো টেকনোলজিক্যাল অনেক বিষয়ে আমাদেরকে বাইরের দ্বারস্থ হতে হয়। এতে দেশের অর্থ ব্যয়ের সাথে সাথ নিজেদের মেধা কাজে লাগানোর সুযোগও পাওয়া যায় না। তাই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমেই আমাদের দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে হবে। তিনি আজ ঢাকায় এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) আয়োজিত “ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ” নামক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের মত বাংলাদেশেরও শিল্পায়ন শুরু হয়েছে পোশাক শিল্পের মাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে তিনি জাপানের উদাহরণ টেনে বলেন, জাপান এখন হাইটেক বা প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিজ্ঞানে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমাদেরকেও সেই পথে হাঁটতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এ সময় তিনি ডেঙ্গু রোগের বিস্তার প্রতিরোধ, নদীর দূষণ, যানজট সমস্যা , দূর্নীতি প্রতিরোধসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, সমসাময়িক অনেক দেশের তুলনায় আমাদের ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভালো হলেও আমাদেরকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সেজন্য বর্ষাকালে জমা পানিতে যেন এডিস মশা জন্মাতে না পারে সবাইকে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এটুআই প্রকল্পের পরিচালক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসকিন এ খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন এন্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এয়ার ভাইস মার্শাল এএসএম ফখরুল ইসলাম।

Read More »

নজরুল ছিলেন মানবতার কবি : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মে, ২০২৩ : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম খ্রিষ্টান, হিন্দু, ও মুসলমানের কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানবতার কবি। কবি নজরুল মানবতার কথা বলে গেছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘তাঁর (নজরুলের) সাহিত্যের মধ্যে আমরা সবকিছু পাই’। তাঁর প্রতিভা উপলব্ধি করতে হলে তাঁর সৃষ্টিকে প্রত্যক্ষ করতে হবে। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে ১২৪তম নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দক্ষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সনের ২৪ মে কবি নজরুলকে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। বঙ্গবন্ধু তাঁকে রষ্ট্রীয় মর্যাদা দেন। ‘বঙ্গবন্ধু কবি নজরুলকে ধারণ করে আমাদের মুক্তির চেতনায় স্থান দিয়েছিলেন’ উল্লেখ করে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সাহিত্যের মধ্যদিয়ে একটি জাতিকে কিভাবে জাগ্রত করা যায় সেটি নজরুলের সাহিত্য কর্মে ফুটে উঠেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের চাওয়া পাওয়াকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’কে জাতীয় সংগীত এবং নজরুলের ‘চল চল চল ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল’কে রণসংগীত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাদেরকে সম্মানিত করেছেন বঙ্গবন্ধু। তিনি বলেন, নজরুলের সাহিত্য চর্চাকে ছড়িয়ে দিয়ে তার প্রতি সম্মান দিতে হলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখরের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিকাশ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আহমেদুল বারী এবং রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীরও বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

Read More »

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির প্রতি সমর্থনমূলক : আব্দুল মোমেন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মে, ২০২৩খৃ : বাংলাদেশ আজ বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতিকে সমর্থন করে। কারণ দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে যারা সুষ্ঠু নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করবে ওয়াশিংটন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করার জন্য একটি আগাম সতর্কতা জারি করেছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের ঘোষণার প্রতি ঢাকার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “নতুন মার্কিন নীতি বরং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।” তিনি বলেন, “নীতিটি ভালো, এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।” তিনি আরো বলেন, এটি বাংলাদেশ সরকারের ওপর কোনো বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেনি যখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক চমৎকার রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা করছেন যে, নতুন মার্কিন ভিসা নীতি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্বাচন নিয়ে কোনও সহিংসতা না করতে সতর্ক করবে। কারণ “এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন দলের জন্য নয়, বরং বিরোধীদের জন্যও”। তিনি বলেন, সরকার অগ্নিসংযোগ, সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞ চায় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বুধবার বলেছে যে, তারা বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা সীমিত করবে যারা নির্বাচনকে ক্ষুণœ করবে। দৃশ্যত ২০২৪ সালের জানুয়ারির শুরুতে আসন্ন নির্বাচনকালে অশান্তি বৃদ্ধির আশঙ্কায় এটি একটি পূর্ব সতর্কতা। “ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আজ (বুধবার), আমি অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন এর অধীনে একটি নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করছি যা অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্যকে সমর্থন করবে। তিনি আরো বলেন, এ নীতিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুন্ন করার জন্য দায়ী বা জড়িত বলে মনে করলে যেকোন বাংলাদেশী ব্যক্তির জন্য ভিসা প্রদান সীমিত করতে সক্ষম করবে”। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হচ্ছে “বাংলাদেশের অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যকে সমর্থন করা” এবং গভীরভাবে ভিন্ন মেরুতে বিভক্ত দেশটির সরকারপন্থী বা বিরোধী সমর্থকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনের তদারকি করার জন্য নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তনের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে বলে এই ঘোষণাটি এসেছে এবং তারা বলছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসনের অধীনে কোনও নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার অঙ্গীকারও করেছে বিএনপি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর অবশ্য গত সপ্তাহে বলেছে, বাংলাদেশের পরবর্তী নির্বাচনে কোনো নির্দিষ্ট দলের অংশগ্রহণ নিয়ে ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন নয়। তবে তারা চায় নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হোক। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র “অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন” সমর্থন করছে এবং নীতিটি সরকার সমর্থক বা বিরোধী সমর্থকদের লক্ষ্যবস্তু করবে। মোমেন বলেন, ব্লিঙ্কেন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করলে তার মার্কিন সমকক্ষ তাকে সপ্তাহ আগে নতুন ভিসা নীতি সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। মোমেন তাকে পাঠানো ব্লিঙ্কেনের চিঠির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, “এই নীতি বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রধানমন্ত্রী হাসিনার বিবৃত প্রতিশ্রুতিকে সমর্থন করে এবং বাংলাদেশী নাগরিক বা সকল রাজনৈতিক দলের কর্মকর্তারা গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ দাবিকে ক্ষুন্ন করলে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারে। ” মোমেন বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় ভোটারদের ওপর বিশ্বাস রাখে। ব্লিঙ্কেন তার গতকালের ঘোষণায় বলেছেন যে, নীতির অধীনে বর্তমান ও সাবেক বাংলাদেশী কর্মকর্তা, সরকারপন্থী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্য এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ এবং নিরাপত্তা পরিষেবার সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যারা গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে চায় তাদের সকলকে আমাদের সমর্থন দিতে আমি এই নীতি ঘোষণা করছি।” পররাষ্ট্র দফতরের বিবৃতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতি জারি করার পরপরই মোমেন ব্রিফিং করেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার “মার্কিন অভিবাসন ও আইনের অধীনে থ্রিসি বিধান অনুসারে একটি ভিসা বিধিনিষেধ নীতি” সম্পর্কে মার্কিন ঘোষণার কথা বিবেচনায় নিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, “দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমুন্নত রাখার জন্য সকল স্তরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তার সরকারের দ্ব্যর্থহীন অঙ্গীকারের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এই ঘোষণাকে দেখতে চায়।” বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে একটি গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল দেশ হিসেবে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, “জনগণের ভোটাধিকারের অধিকারকে আওয়ামী লীগ সরকার একটি রাষ্ট্রীয় পবিত্রতা হিসাবে বিবেচনা করে যে দলের সেই অধিকার রক্ষার জন্য নিরলস সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল দেশ হিসেবে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, “জনগণের ভোটাধিকারের অধিকারকে আওয়ামী লীগ সরকার একটি রাষ্ট্রীয় পবিত্রতা হিসাবে বিবেচনা করে যে দলের সেই অধিকার রক্ষার জন্য নিরলস সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার রয়েছে। সরকার সব শান্তিপূর্ণ ও বৈধ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য সমাবেশ ও সংঘটনের স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেয়।” পররাষ্ট্র দফতর বলেছে যে, বাংলাদেশে নির্বাচনী সংস্কার প্রক্রিয়া সকল স্টেকহোল্ডারদের সম্পৃক্ত করে পরামর্শমূলক পদ্ধতিতে অব্যাহত রয়েছে এবং প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে, বিগত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে তালিকাভুক্ত ১০.২৩ মিলিয়ন ভুয়া ভোটারদের বাতিল করতে ফটো-ভিত্তিক ভোটার আইডি কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভোটারদের পাশাপাশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও এজেন্টদের মধ্যে আস্থা স্থাপনের জন্য স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের ব্যবহার চালু করা হয়েছে। “জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ স্বাধীনতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দক্ষতার সাথে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য সজ্জিত করা হয়েছে”। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের সংবিধান এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী সকল নির্বাহী ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের জন্য যেভাবে নির্দেশ দিবে সেভাবে সহায়তা করার জন্য নিয়োজিত থাকবে”। পররাষ্ট্র দফতর বলেছে যে, বাংলাদেশের জনগণ তাদের গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকারের বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন এবং “ভোটের কারচুপির মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট কেড়ে নিয়ে কোনো সরকার ক্ষমতায় থাকার নজির নেই”। এতে বলা হয়, ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর থেকে এটা স্পষ্ট যে, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অব্যাহত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে দেশের জনগণ অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। বিবৃতিতে উন্নয়নের পরিসংখ্যানগত বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, মাথাপিছু দারিদ্র্যহার ২০০৬ সালের ৪১.৫% থেকে ২০২২ সালে ১৮.৭% এবং চরম দারিদ্র্য একই সময়ের মধ্যে ২৫.১% থেকে ৫.৬% এ হ্রাস পেয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের জন্য একটি আন্তর্জাতিক রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হযেছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণ লাভের যোগ্যতা অর্জন করেছে যা “আওয়ামী লীগ সরকার পরপর তিন মেয়াদে গত চৌদ্দ বছর নির্বাচিত হওয়ার কারণে অর্জিত হয়েছে।” বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সরকার সন্তোষ প্রকাশ করছে যে, যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর অব্যাহত অঙ্গীকারের পাশে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছে।”

Read More »

ডিজিটাইজেশন সাংবাদিকতায় প‌্যাড কলমের যুগের অবসান ঘটিয়েছে : মোস্তাফা জব্বার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাইজেশন সাংবাদিকতায় প‌্যাড -কলমের যুগের অবসান ঘটিয়েছে। ডিজিটাল যন্ত্রের ব‌্যবহার ও ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন সাংবাদিকতার জন‌্য এখন অপরিহার্য। প্রচলিত মিডিয়া থেকে বহুগুণ বেশি তথ‌্য উপাত্ত ডিজিটাল মিডিয়াকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছে। তথ‌্য উপাত্ত পাঠক ও দর্শকের কাছে অডিও, ভিডিও কিংবা প্রিন্ট ভার্সনে গ্রহণযোগ‌্য করে উপস্থাপনের বিষয়টিও স্মার্ট যুগের সাংবাদিকতার জন‌্য বড় চ‌্যালেঞ্জ। মন্ত্রী আজ ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জার্নালিজম স্টুডেন্টস কাউন্সিল আয়োজিত ‘ থার্ড জার্নালিজম স্টুডেন্টস ফেস্ট-২০২৩’ অনুষ্ঠানে ডিজিটাল প্লাটফর্মে উপস্থিত থেকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ‌্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বাংলাদেশ জার্নালিজম স্টুডেন্টস কাউন্সিলের সভাপতি মো: হেদায়েতুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব‌্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ‌্যালয়ের জার্নালিজম ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ‌্যাপক রাকিব আহমেদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ‌্যাপক ড. মো: মফিজুর রহমান প্রমূখ বক্তৃতা করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশের জন‌্য স্মার্ট মানুষের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, স্মার্ট মানুষ মানে পোষাকে বা আচার আচরণে নয় স্মার্ট মানুষ হচ্ছে ডিজিটাল যন্ত্র ব‌্যবহারের দক্ষতা সম্পন্ন মানুষ। দেশের প্রথম ডিজিটাল সংবাদ সংস্থা আবাস এর চেয়ারম‌্যান, সাংবাদিক জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, ১৯৭২ সালে সাংবাদিকতা যখন শুরু করি তখন লাইব্রেরিতে কাজ করতে হয়েছে। এখন লাইব্রেরিতে যাওয়ার দরকার হয় না, সার্চ ইঞ্জিন ব্রাউজিং করে প্রয়োজনীয় তথ‌্য উপাত্ত পাওয়া যায়। ১৯৮৭ সালের ১৬ মে শীশার হরফের পরিবর্তে কম্পিউটারে বাংলা লেখার অভিযাত্রা শুরু করি। তখন কাগজের পত্রিকার বাইরে ছিল বেতার এবং বিটিভি। আজকের বাংলাদেশ সে অবস্থায় নেই। যে ডিজিটাল যন্ত্রে যুক্ত সে নিজেই সাংবাদিক। ২০১৯ সালে বার্সিলোনায় ওয়ার্ল্ড মোবাইল কংগ্রেসের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের এই অগ্রদূত বলেন, আমরা প্রযুক্তি যুগে বাস করছি, প্রযুক্তি আরও প্রসারিত হবে। সময়ের সাথে আমাদের প্রস্তুতি নিতেই হবে। তিনি বলেন, ইউরোপ – আমেরিকা মনে করে মানুষের স্বল্পতা তারা প্রযুক্তি দিয়ে পূরণ করবে কিন্তু আমাদের জন‌্য হচ্ছে, মানুষের বিকল্প প্রযুক্তি নয়। বরং আমরা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করবো এবং ব‌্যবহার করবো। অর্থাৎ প্রযুক্তি ও মানুষের মিশেলে আমাদের এগুতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ডিজিটাল বাংলাদেশের কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় গত ১৪ বছরে যে অগ্রগতি হয়েছে তা ধরে রাখতে হবে। ডিজিটাল সংযুক্তির মহাসড়কে চলার দক্ষতা নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব‌্যক্ত করে কম্পিউটারে বাংলাভাষার প্রবর্তক জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল তৃণমূল জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় পৌছে গেছে, এ বছর ঈদ যাত্রায় রেলের সব টিকিট অনলাইনে ক্রয়, জমির পর্চা এবং করোনাকালে ডিজিটাল সংযোগের মাধ‌্যমে মানুষের অচল জীবন যাত্রা সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ এলাকায় মোবাইল ফোনের ফোরজি নেটওয়ার্ক আমরা পৌছে দিয়েছি। দেশের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব‌্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ পৌছে গেছে। বঙ্গবন্ধু স‌্যাটেলাইট -২ উৎক্ষেপণ এবং তৃতীয় সাবমেরিন ক‌্যাবল সংযোগের উদ‌্যোগ আমরা গ্রহণ করেছি। দেশে ২০০৮ সালে মাত্র সাড়ে সাত জিবিপিএস ইন্টারনেট ব‌্যবহৃত হতো যা বর্তমানে ৪১০০ জিবিপিএস এ উন্নীত হয়েছে। দেশে সে সময় মাত্র আট লাখ ইন্টারনেট ব‌্যবহারকারির স্থলে বর্তমানে সাড়ে বারো কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব‌্যবহার করছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে আইটিইউ এবং ইউপিইউ এর সদস‌্যপদ অর্জন এবং ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ‌্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ বপন করেন। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সময়ে বঙ্গবন্ধুর রোপন করা বীজটিকে চারা গাছে রূপান্তর করেন। গত ২০০৯ সাল থেকে গত চৌদ্দ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে তা আজ বিরাট মহিরূহে রূপান্তরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা সাংবাদিকতার আগামীর চ‌্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Read More »

ডিজিটাল ব্যাংক চালুর পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বাংলাদেশ ব্যাংক শিগগির দেশে একটি ডিজিটাল ব্যাংক চালু করার পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার আজ এখানে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘শীঘ্রই আমরা দেশে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করব। আমরা খুব শীঘ্রই একটি অনলাইন রিয়েল-টাইম ক্রেডিট রেটিং সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা করছি।’ রাজধানীর একটি হোটেলে প্রথম ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট-২০২৩-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেড ‘ব্যাংকিং অন ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। আব্দুর রউফ তালুকদার তার বক্তব্যে জানান, তারা জাতীয় ডেবিট কার্ড প্রদানের খুব কাছাকাছি। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো কর্পোরেট গভর্ন্যান্স এবং নন-পারফর্মিং লোন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মীবাহিনীকে পরিকল্পনামাফিক সঠিকভাবে প্রশিক্ষিত করার মাধ্যমে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সংস্কৃতিগত পরিবর্তন আনতে হবে এবং নৈতিকতা ও ভালো অনুশীলন প্রয়োগ করতে হবে। নির্দেশিকা প্রবর্তন এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং সিইও’দের শক্তিশালী ভূমিকা সমস্যার সমাধান করতে পারে।’ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বলেন, ‘আমরা সফলভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়ন করেছি। এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প অর্জনে পদক্ষেপ নিচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (৪আইআর) যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) হস্তক্ষেপের কারণে সারা বিশ্বে ব্যাংকিং কার্যক্রম সামগ্রিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। সুতরাং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তনের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে ব্যাংকারদের ডিজিটালি প্রস্তুত হতে হবে। দেশের ব্যাংকিং শিল্পের ডিজিটাল রূপান্তর যাত্রার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট’-এ বাংলাদেশের ৪৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রায় ১৫০ জন অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা বিকাশের মূল প্রবণতাগুলির উপর আলোকপাত করাই সম্মেলনের লক্ষ্য । সম্মেলনে আলোকপাত করা বিভিন্ন কৌশলের বিশ্লেষণ, ব্যাঙ্কগুলোকে দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের পথ খুজতে সহায়তা করতে পারে। ব্যাংকিং শিল্পের রূপান্তর ও বিকাশের ক্ষেত্রে মূল্যবান ধ্যান-ধারনা তুলে ধরাই এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য।

Read More »

রংপুরে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বেসরকারি প্রাাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সহ ছত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তি টিফিনের দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। গতকাল দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মামুনুর রশীদ খোকন, রংপুর বিভাগের সভাপতি বখতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক ধরনী মোহন রায় সহ আটটি জেলার শিক্ষকবৃন্দ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে ৪১৫৯ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তাদের পাঠদান করে আসছে, গত ২০১২ সালে ১৩০০ বিদ্যালয় জাতীয় করণের জন্য যাচাই বাচাই করা হলেও তা সরকারিকরণ করা হয়নি। অতিবিলম্বে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোকে জাতীয়করণ ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তি টিফিনের দাবি জানানো হয়।

Read More »

বর্তমান পদ্ধতিতে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়: জিএম কাদের

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হবার সম্ভাবনা নেই দাবি করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সব ব্যবস্থা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকতে হবে। বর্তমানে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে তাতে করে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই দুই মাধ্যমের বাইরে এমন একটা পদ্ধতি খুঁজতে হবে যে পদ্ধতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব। বুধবার (২৪ মে) বিকেলে রংপুরে ৫ দিনের সফরে আসার পর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ডলার সংকটের কারণে দেশে রাজনৈতিক সংকট বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে জিএম কাদের বলেন, ডলার সংকট একটি ভয়াবহ সংকট। এটি সঠিকভাবে সমাধান না করতে পারলে, রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে। বর্তমান সরকারের জন্য ডলার সংকট আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। সরকার এটা করতে ব্যর্থ হলে এর মাসুল সরকারকেও যেমন দিতে হবে, তেমনি জনগণকেও দিতে হবে। সাবেক এই মন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় পার্টির সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই আগামী দিনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিকল্প বড় দল হিসেবে কিভাবে জনগণের ভোটে সরকার গঠন করা যায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে সারাদেশে দল গোছানোর কাজ চলছে। জিএম কাদের বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক না কারও সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে হবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সময় ও পরিস্থিতি বলে দেবে জাতীয় পার্টি কি করবে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্থফা, রংপুর জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির প্রমুখ।

Read More »

রংপুর মহানগর বিএনপির পদযাত্রা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: উচ্চ আদালতের নির্দেশেনা অধিনস্ত আদালত এবং সরকারের অবজ্ঞা, গায়েবী মামলায় নির্বচারে গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা ও পুলিশী হয়রানী , দ্রব্যমূল্যের উধ্বগতি , বিদ্যুতের লোড শেডিং , আওয়ামীলীগ সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নিতীর প্রতিবাদে এবং ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রংপুর মহানগর বিএনপির উদ্যোগে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বুধবার রংপুরে গ্রান্ড হোটেলা মোড়স্থ বিএনপির দলিয় কার্যালয়ের সামণ থেকে পদযাতা শুরু করার আগে রংপুর মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এ্যাড. মাহাফুজ উন নবী ডনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন রংপুর মাহনগর বিএনপির সদস্য রুহুল আমিন বাবলু, সুলতাম আলম বুলবুল, মাহনগর কৃষক দলের আহাবায়ক শাহ নেওয়াজ লাবু, রংপুর মহানগর মহিলা দলের সভাপতি এ্যাড. রেজেকা সুলতানা ফেন্সী, সাধারণ সম্পাদক আরজানা সালেক, রংপুর মহানগর যুবদলের আহবায়ক নুরন্নবী চৌধুরী মিলন , ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম লেলিন, সায়গঠনিক সম্পাদক জহির আলম নয়ন । পদযাত্রায় মহানগর বিএনপি সহ সকল সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন।

Read More »

রমেকের হিসাবরক্ষক নওশীনের অপসারণের দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রমেক) হিসাবরক্ষক পদে যোগদান করা উম্মে সুলতানা নওশীনের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে কর্মচারীসহ স্থানীয় সচেতন মহল। সেই সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বেধে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।বুধবার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিক্ষুব্ধ কর্মচারীরা। এ সময় কর্মচারীদের বিক্ষোভ মিছিলে এলাকাবাসীর ব্যানারে যোগ দেন আরও অনেকে। বিক্ষোভ মিছিলটি মেডিকেল কলেজের ভেতরে প্রবেশ করতে চেষ্টা করলে পুলিশ গেট বন্ধ করে দেয়। পরে বিক্ষোভকারীরা কলেজ গেটের সামনেই বিক্ষোভ করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা নওশীনের অপসারণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।বিক্ষোভ মিছিল সম্পর্কে রংপুর সিটি করপোরেশনের ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিনুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দেশের আলোচিত দুর্নীতিবাজ হিসেবে ইতোমধ্যে উনাকে রংপুর থেকে বদলি করা হয়েছে। উনি আবারও রংপুর মেডিকেল কলেজে আসছেন। এ কারণে কর্মচারী ও সচেতন এলাকাবাসী উনার অপসারণের দাবি জানিয়ে আমরা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। সেই সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. বিমল কুমার রায় জানান, আন্দোলনকারীরা আমার কাছে এসেছিলেন। ওনারা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থার নেওয়ার লক্ষ্যে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন।এদিকে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে কর্মসূচিতে থাকলেও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুজনেই গণমাধ্যমে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে এড়িয়ে যান।প্রসঙ্গত, এর আগে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ২০২০ সালে দুর্নীতি ও বিভিন্ন বিষয়ে সংবাদ প্রচার হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষক উম্মে সুলতানা নওশীনকে লালমনিরহাট জেলা সদর হাসপাতালে বদলি করা হয়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের স্টেনো-কাম-পিএ হিসেবে চাকরি করলেও নওশীনকে হিসাবরক্ষক পদে পদায়ন করা হয়।

Read More »

রংপুরে হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর মহানগরীর দর্শনামোড়স্থ অটো পার্টস ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মানিক হত্যার প্রতিবাদে ও সুবিচারের দাবিতে এলাকাবাসী ঢাকা-রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক বন্ধ করে মানববন্ধন করেছে। বুধবার সকালে নগরীর দর্শনা মোড়ের মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাসদ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, আক্কেলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গোলাম আজম, প্রভাষক শাহিনুর ইসলাম, শিক্ষক মোখলেছুর রহমান, আমিরুল, অটো রিক্সা ও চার্জার রিক্সা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার কবির সুমন, আক্কেলপুর তরুন সংঘের সভাপতি আব্দুর রহিম, এলাকাবাসী জোবায়দুল ইসলাম, আপেল মাহমুদ, মোখলেছুর রহমান, কায়সার আলম, আব্দুর রাজ্জাক, পলাশসহ প্রমূখ। মানববন্ধন সূত্রে জানা যায়, মনিরুজ্জামান প্রতিদিনের ন্যায় গত ১লা মে সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে দোকানে যায়। রাত্রে সাড়ে ১১টায় বাসায় ফেরার কথা থাকলেও বাসায় সেদিন আর ফেরেননি। পরের দিন জানতে পারা যায় তার বাসার পাশে পুকুরে একটি লাশ ভেসে আছে। জানতে পেরে পরিবারের লোক গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে। কে বা কাহারা মনিরুজ্জামানকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে যায়। গত ২ মে থানায় মামলা করা হলেও আসামীদের শনাক্তকরে ধরা হচ্ছেনা। তাই বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করছে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে আসামী ধরা না হলো এলাকাবাসীর পক্ষ হতে কঠোর কর্মসূচী পালন করবে বলে বক্তারা হুশিয়ারী দেন। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। পরে তাজহাট থানার অফিসার ইনচার্জ হোসেন আলীর আশ^াসের উপর আস্থা রেখে কর্মসূচীর সমাপ্ত করেন।এ সময় মনিরুজ্জামানের স্ত্রী তাহমিনা, মেয়ে মাশফিয়া, ছেলে রিফাতসহ কয়েকশত এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।এ ব্যপারে তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হোসেন আলী বলেন, আমরা ৭২ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের ধরার চেষ্টা করবো

Read More »