সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: July 11, 2023

নাগরিক তথ্য বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : এতদ্দ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, নাগরিক তথ্য বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ভূমি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ২। এমতাবস্থায়, ভূমিসেবা গ্রহণে জাতীয় পরিচয়পত্র সিস্টেমের কারিগরি বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আজ বৈঠক করে। এখন পর্যন্ত ভূমিসেবা সংক্রান্ত সিস্টেম হতে নাগরিকদের তথ্য ফাঁস (Data breach) সংক্রান্ত কোনো তথ্য নির্বাচন কমিশন অথবা আইসিটি বিভাগ থেকে পাওয়া যায়নি। ৩। উল্লেখ্য, ভূমিসেবায় জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই সহ অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সকল তথ্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের আওতাভুক্ত বাংলাদেশ জাতীয় ডাটা সেন্টারে সংরক্ষিত আছে। ৪। ভূমি মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সকলকে আশ্বস্ত করছে যে, ভূমিসেবা ডিজিটাইজেশন কার্যক্রমে ডাটা নিরাপত্তাকে (Data Security) অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করা হয় এবং এর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুরু থেকেই বিদ্যমান। Public Notice On news about citizens’ data regarding the website of the Ministry of Land. It is hereby informed that the Ministry of Land has become aware of news published in various media outlets about citizens’ data regarding the website of the Ministry of Land. 2. In light of this situation, the Ministry of Land held a meeting today with the Election Commission to discuss the technical aspects of the national identity card system for land services. Thus far, no information has been received from the Election Commission or the ICT Division regarding any breach of citizens’ data from the land service system. 3. It should be noted that the verification of national identity cards and other related activities are currently ongoing in the land service. Additionally, all Ministry of Land data is stored in the Bangladesh National Data Center, which operates under the Bangladesh Computer Council. 4. The Ministry of Land assures everyone that data security is treated with the utmost importance in the land service digitization program, and adequate security measures have been in place since its inception.

Read More »

রংপুর দিনাজপুর অঞ্চলে আমন ধানের ফসল বৃদ্ধিতে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর দিনাজপুর অঞ্চলে আমন ধানের ফসল বৃদ্ধিতে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয় রংপুর এর আয়োজনে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় গতকাল মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টায় রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে কর্মশালায় ব্রি এর মহাপরিচালক ড. মোঃ শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএআরসি এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএডিসির চেয়ারম্যন, এনডিসি আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ , ডিএই এর মহাপরিচালক কৃষিবিদ বাদল চন্দ্র বিশ^াস, বারি এর মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার, বিনা এর মহাপিরচালক ড. মির্জা মোফজ্জল ইসলাম, বিএএম ডাব্লিউ আরআই এর মহাপরিচালক ড. গোলাম ফারুক সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

Read More »

রংপুরে বাক্কো’র বিভাগীয় পর্যায়ে বিপিও সামিত বাংলাদেশ উদযাপন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে বাক্কো’র বিভাগীয় পর্যায়ে বিপিও সামিত বাংলাদেশ ২০২৩ উদযাপন ও চাকুরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল মঙ্গলবা (১১ জুলাই) বিকাল ৩টায় রংপুর টাউন হলে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে রংপুর জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইন্সপায়ার্ড আইটি’র প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ মুহীয়ুদ্দিন ফাহাদ, বিটিভির সিনিয়র রিপোর্টার কুমার বিশ্বজিৎ রায়, বাক্কো’র সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন, বাক্কো’র পরিচালক মসনাদ ই আহমেদ, বাক্কো’র লোকাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট সাব কমিটির চেয়ারম্যান মৃধা মোঃ মাহাফুজ উল হক চয়ন সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের পাশাপশি ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন, সিভি সংগ্রহ ও চাকুরি মেলা একইসাথে চলতে থাকে।

Read More »

শিখা সংসদ রংপুরের কার্যকরি কমিটি গঠন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন শিখা সংসদ রংপুরের তিন বছর মেয়াদী ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিখা কার্যালয়ে সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। আবারো ৩ বছরের জন্য সভাপতি বিপ্লব প্রসাদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক নির্বাচিত হয়েছেন। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ-সভাপতি নিপুন রায়, বীরমুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন, মোস্তাকিমুর রহমান রুপম, মাহবুবর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক পার্থ বোস, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হীরা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল মিয়া, নাট্য সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর, সহ-নাট্য সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, কোষাধ্যক্ষ হাসানুজ্জামান নান্নু, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বপন কুমার পাল, সহ- সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক উত্তম কুমার দেব কুটু, প্রচার সম্পাদক নুরুল ইসলাম মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক বাপন সরকার, সমাজসেবা সম্পাদক রীতা সিদ্দিকী, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহবুব রহমান, নিরঞ্জন ঘোষ, তপন শর্মা, জীবন কৃষ্ণ ঘোষ, আহসান আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ, নাফিসা নুসরাত মৌ ও জাফর আলী। কমিটির প্রধান উপদেষ্টা বেনী মাধব বণিক, উপদেষ্টা নন্দ কিশোর বণিত, রশিদ আহমেদ, গোলাম সরওয়ার মির্জা, মমতাজ আর্জমান্দ বানু মঞ্জুরী, হোসনে আরা বেগম, রামকৃষ্ণ সোমানী, চিত্তরঞ্জন রায়, মাহতাব লিটন, কামরুল হুদা ভোম্বল ও মোস্তফা কামাল বিন মজিদ রাঙ্গা। এ কমিটি আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখিত কমিটি গঠনে প্রস্তাবক ও অনুমোদন প্রদান করেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বীরেন্দ্র নাথ সরকার ও মাধব চন্দ্র সরকার।

Read More »

জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত লক্ষ্য অর্জনে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জিল্লুর রহমান / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১১ জুলাই, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আজ সময় এসেছে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৩ ও অভীষ্ট-১৭-এর আলোকে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত ঈপ্সিত লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করার। যে প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হবে জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের কার্যকর অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা।’ এই উদ্দেশ্য পূরণে সুস্পষ্ট বৈশ্বিক অঙ্গীকারের পাশাপাশি লক্ষ্য-অভিমুখী, নিবেদিত কূটনৈতিক তৎপরতার কোন বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য ও কূটনীতি’ বিষয়ক দু’দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং কভিড-১৯ মহামারির প্রভাব মোকাবেলায় অতীতের সাফল্য বিবেচনা করে বাংলাদেশ এই প্রচেষ্টায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সরকার প্রধান আরো বলেন, ‘কভিড-১৯ মহামারি প্রমাণ করেছে, আমরা যতই নিজেদের পরস্পর বিচ্ছিন্ন ভাবি না কেন, আমাদের সকলের ভাগ্য আসলে একসূত্রে গাঁথা। আমরা কেউই সুরক্ষিত নই যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা সকলের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারছি।’ বৃহত্তর স্বার্থে আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্যে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর মন্ত্রী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরেন। প্রথমত; তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে আমাদের সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। দ্বিতীয়ত; সুপারিশে তিনি বলেছেন, নিরাময়যোগ্য সংক্রামক রোগ নির্মূল করতে এবং ক্রমবর্ধমান অসংক্রামক রোগের বিস্তাররোধে বিদ্যমান উত্তম চর্চা বিনিময়ে আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যকে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূলধারায় যুক্ত করতে এবং পানিতে ডুবে যাওয়া ও দুর্ঘটনার মত প্রাণঘাতী জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় রোধে আমাদের মনোযোগী হতে হবে বলে তিনি তার তৃতীয় সুপারিশে উল্লেখ করেন। চতুর্থত; তিনি বলেন, আমাদের নিজ নিজ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও গবেষণা অবকাঠামোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে, বিশেষকরে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেড়ে যাওয়া বিভিন্ন গ্রীষ্মম-লীয় রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেষ ও পঞ্চম সপুারিশে বলেছেন, মা, শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৩ অর্জনের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করে এ অঞ্চলে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা আগামী ৭৫ বছর এবং তারও পরে যেন অর্থপূর্ণভাবে সমগ্র মানবতার সেবা করে যেতে পারে সে লক্ষ্যে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ১১ সদস্য রাষ্ট্র হলো বাংলাদেশ, ভুটান, গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও তিমুর-লেস্তে। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, মিয়ানমারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. থেতখাইং উইন, ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রী লিয়নপো দাশো দেচেন ওয়াংমো, মালদ্বীপের স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী সাফিয়া মোহাম্মদ সাইদ, থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী বিজয়ভাত ইসরাভাকদি এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ড. বরদান জং রানা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার এবং সূচনা বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে একটি অডিও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনাও প্রদর্শিত হয়। ২০২০ সালের শুরুর দিকে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও কভিড-১৯ মহামারি আঘাত হানে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে তাঁর দেশ মানুষের প্রাণহানি হ্রাস এবং অর্থনীতি সচল রাখতে সক্ষম হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায়, বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে টিকা ক্রয় এবং প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়েছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশের শতভাগ লোককে বিনামূল্যে কভিড-১৯ টিকা প্রদান করেছি। তিনি বলেন, সামগ্রিক কভিড ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ও রয়েছে। সরকার প্রধান বলেন যে, এমনকি চ্যালেঞ্জিং কভিড-১৯ মহামারি চলাকালীনও বাংলাদেশ প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে আশ্রয় চাওয়া ১২ লাখ রোহিঙ্গাদের কথা ভুলে যায়নি। তিনি বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় বাংলাদেশ তাদের নিয়মিত চেক-আপ, টিকাদান এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, তবে এটা ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, আমাদের দেশে বসবাসরত এই বিশাল জনগোষ্ঠী সবসময়ই আমাদের অঞ্চলের জন্য একটি মানবিক সংকট এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়। মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই পারে এই সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে এবং আমি আশা করি যে মিয়ানমার খুব শিগগিরই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেবে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর তাঁর সরকারের কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাঁরা সারা দেশে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের কাজ শুরু করেছিল যা প্রতি ৬ হাজার মানুষের জন্য একটি। তিনি বলেন, ২০০১ সালে তাঁর সরকারের মেয়াদকালের শেষে প্রায় ৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং আরও আড়াই হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণাধীন ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মসূচি বাতিল করে দেয় এবং এই সুবিধাগুলোর অনেকগুলো অব্যবহৃত হয়ে পড়ে। ২০০৯ সালে, যখন আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে, তারা প্রায় শুরু থেকেই কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করেছিল। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে বলতে চাই যে এখন গ্রামীণ এবং শহর উভয় এলাকায় প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি পর্যায়ের স্বাস্হ্য সেবা কেন্দ্র রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ ৩০টি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে এবং ডায়াবেটিস রোগীদের বিনামূল্যে ইনসুলিন দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এই মুহুর্তে প্রতিটি ক্লিনিকে প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন সেবা-প্রার্থী আসে, যার মধ্যে ৮০ শতাংশ মহিলা এবং শিশু। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রায় ৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাভাবিক প্রসবের পরিষেবা প্রদান করে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি আমার এবং আমার দেশের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের বিষয় যে সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক বাংলাদেশের উদ্ভাবনী স্বাস্থ্যসেবা মডেলকে স্বীকৃতি দিয়ে এবং এটিকে ‘শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি রেজুলেশন গৃহীত হয়েছে।’ তিনি বলেন, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। ‘এমডিজি পুরস্কার ২০১০’ হলো শিশুমৃত্যু হ্রাসে সাফল্যের একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে রক্ষা করতে টিকাদানের সম্প্রসারিত কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। ইউনিসেফের মতে, কভিডের সময়কালে শিশুদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে একটি ছিল। একই সঙ্গে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল ও অ্যান্থেলমিন্টিক ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ানো হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে পোলিও ও টিটেনাস মুক্ত ঘোষণা করেছে। কুষ্ঠরোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে, কালো জ্বর এখন প্রায় বিলুপ্ত। যক্ষ্মা এবং ম্যালেরিয়া নিয়ে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য হটলাইনসহ সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে টেলিমেডিসিন পরিষেবা চালু করা হয়েছে। সরকার প্রধান আরও বলেন, মা টেলিহেলথ সার্ভিসের মাধ্যমে গর্ভবতী মায়েদের মাতৃত্বকালীন ও প্রসবোত্তর সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রায় ৩৫০টি

Read More »

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দাপটে শতবর্ষী রংপুর হাইস্কুলের বেহাল দশা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয়, আওয়ামী লীগ নেতা কেএম ছায়াদত হোসেন বকুলের ক্ষমতার অপব্যবহারে শতবর্ষী রংপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দাঁড়প্রন্তে চলে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আদালতের রায়কে অমান্য করে সহকারী প্রধান শিক্ষককে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে নিজের আস্থা ভাজন শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়ে নিজের খেয়াল-খুশি মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন।এতে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে। সেই সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে হোটেল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কক্ষ ভাড়া দিয়ে অর্থলোটের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এনিয়ে রংপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এদিকে বরখাস্তের ভয়ে বকুলের অনিয়মের বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলছেন না বর্তমান শিক্ষকরা।জানা যায়, রংপুর সিটি বাজারের পার্শ্ববর্তী ১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রংপুর উচ্চ বিদ্যালয়। এক সময় রংপুর জেলার নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম ছিল এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। এ বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুযোগ পেতে ভর্তি যুদ্ধে নামতে হতো শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের চাপ সামলাতে প্রতিটি ক্লাসে ৩ থেকে ৪টি করে শাখা ছিল। দীর্ঘ প্রায় একশ বছর অতীত ঐতিহ্য নিয়ে চলেছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিয়ে গোটা দেশে আলো ছড়িয়েছে সাবেক শিক্ষার্থীরা। মানুষ গড়ার কারিগর সেই বিদ্যালয়টি এখন ধ্বংসের দাঁড়প্রান্তে।অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওই বছরই সাবেক প্রধান শিক্ষক ইয়াসিন আলী অবসরে যান। বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক থাকা স্বত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর ভাসতি জামাই হওয়ার সুবাদে ধর্মীয় শিক্ষক প্রয়াত আবুল মুযন আজাদ প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পান। এরপর থেকে নিজের খেয়াল খুশিমত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান কমার সাথে শিক্ষার্থীর হার কমতে থাকে। বর্তমানে এ ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১৩৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। ২০২২ সালের ২ মার্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল মুযন আজাদ অবসর গ্রহণ করলে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার কথা থাকলেও তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।এরই মধ্যে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অ্যাডহক কমিটির ৬ মাসের জন্য সভাপতি হন রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাসুরের ছেলে একেএম ছায়াদত হোসেন বকুল। ওই কমিটিতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক মোস্তাহারুল আরেফিন , অভিভাবক নারায়ণ কর্মকার ছিলেন । ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার পর বকুল ২০২২ সালের ১৮ জুন ম্যানেজিং কমিটির সভা করে সিদ্দিকুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পরিবর্তে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অসুস্থ্যতার জন্য ৩ মাসের ছুটি মঞ্জুর করেন এবং সিদ্দিকুর রহমানের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ মোঃ আল আমিনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেন।এনিয়ে সিদ্দিকুর রহমান ২০২২ সালের ২৯ জুন এবং একই সালের ৪ আগস্ট প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ৮ আগস্ট শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে চিঠি দিয়ে জানান। এরপরেও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বকুল দায়িত্ব না দিয়ে ই-মেইলের মাধ্যমে ৭ আগস্ট মিথ্যা অভিযোগ এনে সিদ্দিকুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।ওই বছর ১০ আগস্ট সিদ্দিকুর রহমান তার বিরুদ্ধে অনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করে ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বকুলের কাছে অনুরোধ করলে সেই অনুরোধও গ্রহণ করেনি তিনি। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বকুলের অনৈতিক কর্মকান্ড ও বেআইনীভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা এবং ন্যায্য অধিকার ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষকের দায়িত্ব না দেওয়ায় সিদ্দিকুর রহমান বরখাস্ত আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় চলতি বছরের ১৫ জুন রংপুর যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারক মোঃ হাফিজুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষক শাহ মোঃ আলামিনকে ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষকের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে অবলিম্বে সিদ্দিকুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদানের জন্য সভাপতিকে নির্দেশ দেন। ঈদুল অযাহার ছুটি’র পর রোববার (৯ জুলাই) সকালে স্কুলে গিয়ে সিদ্দিকুর রহমান দেখেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্দেশে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান এটি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বলতে পারবে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বকুলকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি সিদ্দিকুর রহমানের ফোন রিসিভ করেননি। কক্ষ তালাবদ্ধ থাকায় সিদ্দিকুর রহমান দিনভর বিদ্যালয়ে থেকে বাড়ি ফিরে যান।ভুক্তভোগী শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলেন। তারা সাময়িক থেকে পূর্ণাঙ্গ বরখাস্তের পরিকল্পনা করেছিলেন। ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে আমি আদালতের স্মরণাপন্ন হলে আদালত অবিলম্বে আমাকে ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য সভাপতিকে নির্দেশ দেন। ঈদুল আযহার ছুটি শেষে আমি স্কুলে এসেও আমার দায়িত্ব বুঝে পেলাম না।এদিকে ঐতিহ্যবাহী এ স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ নেই। সভাপতি তার খেয়াল খুশি মত বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর আমি অবসরে চলে যাব। আমি আমার ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চাই।বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে জটিলতা চলছে। আমি চাই আদালতের রায় বরখাস্ত হোক। সিদ্দিকুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করা হোক।বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মফিজ উদ্দিন সরকার বলেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে ভারপ্রাপ্ত প্রাধান শিক্ষক পদটি পাওয়ার দাবীদার সিদ্দিকুর রহমান। আদালত তার পক্ষে রায় দিয়েছে শুনেছি। এটি বরখাস্ত করবে ম্যানেজিং কমিটি, আমাদের শিক্ষকদের করার কিছুই করার নেই। এ ব্যাপারে একেএম ছায়াদত হোসেন বকুল বলেন, এ বিষয়ে আমার একার করার কিছুই নেই। আমি শিক্ষকদের সাথে বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

Read More »

বাজুস রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে নব নির্বাচিত চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আকবর আলীকে সংবর্ধনা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে নব-নির্বাচিত রংপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট মোঃ আকবর আলীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। রবিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় নব-নির্বাচিত রংপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট মোঃ আকবর আলীকে ফুলের তোরা দিয়ে সংবর্ধনা জানান বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) রংপুর জেলা ও বিভাগীয় শাখার সভাপতি মোঃ এনামুল হক সোহেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) রংপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু জাফ লিটন, সহ-সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন বাদশা, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল হালিম বুলু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম রাজু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরেফুল হক লাইজু, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ নুর ইসলাম বাবু, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ সফিকুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »