সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: July 14, 2023

বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেটকে মেনে নিতে পারে না : জয়

জিল্লুর রহমান / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০২৩ খৃ : বিএনপি নেতাকর্মীরা জনগণের ম্যান্ডেটকে মেনে নিতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টের সঙ্গে বিএনপি সন্ত্রাসীদের অপকর্মের একটি তথ্যচিত্রও প্রকাশ করেন জয়। তিনি বলেন,বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসের রাজনীতি নতুন কিছু নয়। বারেবারে বাংলাদেশের সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি নষ্টে জোটবদ্ধভাবে আঘাত করেছে তারা। ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির অপরাজনীতির শিকার সাধারণ মানুষ প্রথমবারের মতো সুযোগ পায় ঢাকা সিটি নির্বাচনে জবাব দেয়ার। আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফকে তারা বেছে নেন ঢাকার নগরপিতা হিসেবে।’ সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা জনগণের সেই ম্যান্ডেটকে মেনে নিতে পারেনি।’ তিনি বলেন, ‘১৯৯৪ সালে ঢাকার মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়কে চ্যালেঞ্জ করে হামলা করা হয়। যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে গঠিত বিএনপি সরকারের অধীনে ১৯৯৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকার প্রথম মেয়র নির্বাচন হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ব্যালট বিপ্লব ঘটায় নাগরিক সমাজ, জয়ী হন মোহাম্মদ হানিফ। কিন্তু জনগণের ম্যান্ডেটকে মেনে নিতে পারে না বিএনপি।’ তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯১ সালে জামায়াতের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। টানা তিন বছর তাদের দুঃশাসনের অতিষ্ট মানুষের ঢল নামে ঢাকা সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে। সে সময় মোহাম্মদ হানিফকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা করে ভোট চান দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। এরপরেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ব্যালট বিপ্লব ঘটায় নাগরিক সমাজ। জয়ী হন মোহাম্মদ হানিফ। কিন্তু জনগণের ম্যান্ডেটকে মেনে নিতে পারেনি বিএনপি।’ সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে তারা ভোটারদের ওপর হামলা চালায়। এরমধ্যে দিয়ে তারা গণমানুষের গণতন্ত্রের ওপর হিং¯্র থাবা বসায়। সে সময় ৩১ জানুয়ারি লালবাগে আওয়ামী লীগের বিজয় মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে প্রাণ হারান সাত জন, আহত হন শতাধিক। এদের মধ্যে ২৩ জন চিকিৎসা নিয়ে প্রাণে বাঁচলেও সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যান।’

Read More »

আইনজীবীদের অনন্য সংগঠন ডুলা আইন অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে— স্পীকার

জিল্লুর রহমান /দ দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৪ জুলাই , ২০২৩ খ্রি. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলএল.এম ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুলা) আইনজীবীদের গভীর মেলবন্ধনের সুযোগ করে দিয়েছে। ডুলাকে মেধাবী আইনজীবীদের অনন্য সংগঠন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইন অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি আজ রাজধানী ঢাকার হোটেল সোনারগাঁও তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলএল.এম ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুলা) আয়োজিত নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির “অভিষেক ও ঈদ পুনর্মিলনী- ২০২৩” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসকল কথা বলেন। স্পীকার বক্তব্যের শুরুতে ডুলার ৮ম কার্যকরী কমিটির নির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পীকার ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ নজরুল ইসলাম। ডুলার সভাপতি শেখ আলী আহমেদ খোকন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন “অভিষেক ও ঈদ পুনর্মিলনী- ২০২৩” এর আহবায়ক ড. মোঃ শাহজাহান সাজু। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আইন সমিতির সভাপতি মঞ্জুর মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এম ওয়াহিদুজ্জামান চাঁন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলএল.এম ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এ কে এম ফায়েজ এবং সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী। স্পীকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আইন বিভাগের ছাত্র। আইন বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা ডিগ্রি সম্পন্ন করে আইনজীবী, চাকুরী, রাজনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছেন। আইন বিভাগ অপার সম্ভাবনার নবদ্বার উন্মোচন করে দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রতিথযশা ও খ্যাতনামা আইনজীবীগণ ডুলার সদস্য। বিচারকার্যে গতিশীলতা আনয়ন, গণতন্ত্র ও সুশাসন এবং শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ডুলা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। প্রান্তিক পর্যায়ের গরীব ও অস্বচ্ছল জনগণকে বিনামূল্যে আইন সহায়তা, অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, নবাগত আইনজীবীদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সভা-সেমিনার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন স্পীকার। তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ অতিমারীর সময়ে ভার্চুয়াল আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে- যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকল আইনজীবীদের একযোগে কাজ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য বিজ্ঞ বিচারপতিগণ ও বিজ্ঞ আইনজীবীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »