সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: September 7, 2023

রংপুরে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। বৃহস্পতিবার রংপুরে ঊষা সংস্থা পীরগাছা রংপুর এর উদ্যোগে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ডে বকসা বৃদ্ধাশ্রম প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঊষার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুন্নবী মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার মোঃ অহিদুল ইসলাম, ব্যাংকার মোঃ কামরুজ্জামান। এ ছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন চাঁদের আলোর সংগঠনের সদস্য মোছাঃ মনোয়ারা খাতুন, মোসাম্মদ ইক্তা হাছনা লুনা, মোছাঃ আর্ফিন নাহার বিউটি রংপুর। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদের আলোর নির্বাহী পরিচালক জানাবা মোছাঃ শাহাজাদী ইয়াসমিন কেয়া সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা জলবায়ুর বিরুপ প্রভাবের কারণে পৃথিবীবাসী যে ক্ষতিগ্রস্থহচ্ছে সেটা আলোচনায় উঠে এসেছে। এ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সবাইকে অংশগ্রহণ করা। তাহলে ধরিত্রী আবার সবুজে শ্যামলে ভরে উঠবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হবে। অনুষ্ঠান শেষে বকসা বৃদ্ধাশ্রমে নির্দিষ্ট স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

Read More »

রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক ক্রিকেট এসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক ক্রিকেট এসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু হয়েছ। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় রংপুর শেখ রাসেল স্টেডিয়াম হলরুমে রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক ক্রিকেট এসোসিয়েশনের প্রথম সভায় বক্তব্য রাখেন রংপুর রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক ক্রিকেট এসোসিয়েশনের আহবায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক এ্যাড আনোয়ারুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সদস্য দিনাজপুর ডিএসএ কাউন্সিলর সুব্রত মজুমদার ডলার, পঞ্চগড় ডিএসএ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত, ঠাকুরগাও ডিএসএ সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু, লালমনির হাট ডিএসএ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. খন্দকার আবু আহাদ লেলিন, গাইবান্ধ ডিএসএ সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন, কুড়িপ্রাম ডিএসএ সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেদওয়ানুল হক দুলাল রংপুর ডিএসএ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান জামান, নীলফামারী ডিএসএ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম হায়াত মিলটন, রংপুর ডিএসএ কার্যকরি সদস্য শুভ রহ্জন দেব বাবলু, রংপুর ডিএসএ কার্যকরি সদস্য আলহাজ আবু সালেক লিটন।

Read More »

রংপুরে তিস্তা চুক্তি সই ও মহাপরিকল্পনা বস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে তিস্তা চুক্তি সই ও মহাপরিকল্পনা বস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মলেনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকে ঘিরে স্তিাপাড়ের মানুষ আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসবেন। নির্ধারিত কোনো এজেন্ডা না থাকলেও ওই বৈঠকে নানা দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা থাকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিস্তা পানি বন্টন চুক্তির ফায়সালা ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের গুরুত্ব খোলাসা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তিস্তপাড়ের মানুষ। বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর উপলক্ষে তিস্তাপাড়ের মানুষের প্রত্যাশা শীর্ষক’ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিস্তা চুক্তি সই ও নিজের টাকায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন ‘তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ’ নেতারা। পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, আমরা আন্তঃ দেশীয় ব্যবস্থাপনায় তিস্তাচুক্তি সইসহ অববাহিকাভিত্তিক তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার দাবি করছি। একই সঙ্গে দেশীয় ব্যবস্থাপনায় তিস্তা নদীর মূলপ্রবাহে ব্যাপক খনন, ভাঙন রোধে কার্যকর পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন চেয়ে আসছি। এর একটিও বাস্তবায়িত না হওয়ায় বাংলাদেশ অংশের ১১৫ কিলোমিটার ব্যাপি তিস্তা অববাহিকার ২ কোটি মানুষের জীবনে নেমে এসেছে মহাদুর্যোগ। শফিয়ার রহমান বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে ৫৪টি অভিন্ন নদী। ওই ৫৪টি অভিন্ন নদীর মধ্যে উত্তরাঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ৩৬টি নদী। রংপুর বিভাগে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ১৮টি। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নতুন দুটি খাল খনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে তিস্তা ছাড়াও দুধকুমার, ধরলাসহ রংপুরের সব আন্তঃ সীমান্তনদী পানিশূন্যতায় বিরাণভূমিতে পরিণত হবে, হবে নদমা। খরাকালে হবে মরুভূমি, বর্ষাকালে নদী তীরবর্তী জনপদে শুরু হবে ভাঙনের তান্ডব। লাখো কোটি টাকার সরকারি, বেসরকারি সম্পদ, জমিজিরাত, ফসল সবকিছুই তিস্তাসহ অন্যান্য নদীর পেটে চলে যাবে। সমস্যা সমাধানে অববাহিকাভিত্তিক নদী ও পানি ব্যাবস্থাপনা গড়ে তুলতে ভারত- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে চুক্তি হয়েছে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত মিললেও যৌথনদী কমিশন এব্যাপারে এখনো কার্যকর সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারছে না। তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলির পানি বন্টনের বিষয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দৃশ্যমান করা খুবই জরুরি। সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য সাখাওয়াত হোসেন রাঙা, তানবীর হোসেন আশরাফী, স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য বখতিয়ার হোসেন শিশিরসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

রংপুর বিভাগীয় বৃক্ষ রোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ”গাছ লাগিয়ে যতœ করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি” এই স্লোগান সামনের রেখে (৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) রংপুর বিভাগীয় বৃক্ষ রোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন এবং আলোচনা সভা ও চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বিকালে রংপুর ক্রিকেট গার্ডেন সংলগ্ন মাঠে রংপুর জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ রংপুর এর আয়োজনে বিভাগীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি রংপরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবু জাফর। অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক ) এ.ডাব্লিউ.এম রায়হান শাহ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল লতিফ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন, রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, সামাজিক বন বিভাগের রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য- ১৫ দিন ব্যপী বৃক্ষমেলায় রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকা হতে এসে স্টল দিয়েছে। মেলায় মোট ৫৫টি স্টল অংশ নেয়।

Read More »

রংপুরে জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রিড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে ৫০ তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ( ফুটবল , হ্যান্ডবল, কাবাডি , দাবা ও সাতার ) এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ( ৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রংপুর শেখ রাসেল স্টেডিয়াম মাঠে রংপুরে জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রিড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু সাহেদ মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের শরির চর্চা শিক্ষক সঞ্জয় সার্নাল, রংপুর জিলা স্কুলের শরির চর্চা শিক্ষক ইমরান হোসেন, রংপুর কেরামতিয়া উচ্চা বিদ্যালয়ের শরির চর্চা শিক্ষক মোঃ সামসুল আলম, নিশবেদগঞ্জ স্কুল ও কলেজের শরির চর্চা শিক্ষক খন্দকার ফিরোজ হোসেন। উদ্বোধনী খেলায় রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ বনাম লায়ন্স স্কুল এ্যান্ড কলেজ অংশ গ্রহন করে। খেলায় মোট ২১ টি স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি টিম অংশ গ্রহন করেন। উল্লেক্ষ ঃ আগামী ১২ সেপ্টেস্বর চুড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

Read More »

বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে ভর্তি মন্ত্রিপরিষদ সচিব- ইসি রাশেদা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রাজধানীর বঙ্গবন্ধু ডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি হয়েছেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা। একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। ইসি রাশেদা ৪১২ নম্বর কেবিনে এবং মো. মাহবুব হোসেন বিএসএমএমইউ-এর কেবিন ব্লকের ৪১১ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিএসএমএমইউ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুর ১২টায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানাকে। তাকে ভর্তি করা হয়েছে বিএসএমএমইউ’র কেবিন ব্লকের ৪১২ নম্বর কেবিনে। এর আগে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে শারীরিক অসুস্থাতাবোধ করায় বিএসএমএমইউতে নিয়ে আসা হয় মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে। বিএসএমএমইউ-এর কেবিন ব্লকের ৪১১ নম্বর কেবিনে তিনি ভর্তি রয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের একান্ত সচিব কাজী শাহজাহান বলেন, স্যারের ডেঙ্গু হয়নি। জ্বর ও কাশি হওয়ায় আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে স্যার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আরও পড়ুন: এমন স্প্রে করতে পারবো না, যাতে মশা মারতে গিয়ে মানুষই মরে যায় এদিকে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বর নিয়ে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ইসি রাশেদা সুলতানা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ইসি রাশেদা জ্বর ও ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. আজাদের অধীন ভর্তি আছেন তিনি। মন্ত্রিপরিষদ সচিবও জ্বর-ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. আরাফাতের অধীনে ভর্তি আছেন তিনি। তারা দুজনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হতে পারেন বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা।

Read More »

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর ‘তথ্য’চেয়ে চিঠি, নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

আনিসুর রহমান / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বমুহূর্তে এসে ভুয়া জন্মসনদ নিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী সেখ মোহাম্মদ মহসিন। তার বায়োডাটার মাধ্যমিকের স্কুল সেকেন্ডারি সার্টিফিকেট, এলজিইডিতে প্রথম যোগদানের এলপিসির সত্যায়িত কপিসহ চার তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। সেখ মোহাম্মদ মহসিনের চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি মাসের ২৭ তারিখ। শুধু তাই নয়, সেখ মোহাম্মদ মহসিনের বিরুদ্ধে চাকরির মেয়াদের শেষ সময়ে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে। সেসব তদন্ত করার নির্দেশনাও দিয়েছে মন্ত্রণালয়। আ তা ছাড়া সেখ মোহাম্মদ মহসিনের দায়িত্ব পালনকালে এলজিইডির আইইউজিআইপি, কোভিড ১৯ রেসপন্স, সুপার ব্রিজ, জলবায়ু সহনশীল গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পসহ বেশ কয়েকটি চলমান প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি না থাকা ও অনিয়ম-দুর্নীতি ও অযোগ্যদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে এডিবি ও বিশ্বব্যাংক অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. আব্দুর রহমানের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশল সেখ মোহাম্মদ মহাসিন এর জম্ম তারিখের জটিলতা নিরশনের জন্য নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি জরুরি ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর যে সব তথ্য চাওয়া হয়েছে, সে গুলো হচ্ছে- সেখ মোহাম্মদ মহসিনের এস.এস.সি সাটিফিকেটের সত্যায়িত ছাড়ালিপি, এলজিইডিতে প্রথম গোগদানের এলপিসির সত্যায়িত কপি, এলজিইডিতে যোগদানের পর প্রথম জ্যেষ্ঠতা তালিকার কপি এবং এলজিইডির প্রকৌশলীদের খসড়া জ্যেষ্ঠতার তালিকা ২০২১ সালের কপি। সূত্রে জানা গেছে, সেখ মোহাম্মদ মহসিনের ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৬৩ সালে চট্টগ্রাম জেলায় জম্মগ্রহণ করেন। ২২ জুন ১৯৮৮ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু তিনি ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪ সালে জম্ম সনদ দেখিয়ে আরও এক বছর চাকরিতে থাকার পাঁয়তারা করেছেন। ইতোমধ্যে বিষয়টি স্থানীয় সরকার বিভাগ জানতে পেরেছে এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রধান প্রকৌশলী সেখ মোহাম্মদ মহসিনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রধান প্রকৌশলী। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। মন্ত্রণালয়ে চিঠি এখনো পাইনি। স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো অভিযোগে বলা হয়, অধিদপ্তরের এসব প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক পদে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নিয়োগ না দিয়ে জুনিয়র প্রকৌশলীদের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যেখানে প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো. মহাসিন সুপারিশ করেছেন। এসব নিয়োগ দিয়ে মোটার অংকের টাকা নিয়েছেন তিনি। সুপার ব্রিজ প্রকল্পে সেলিম মিয়াকে প্রকল্প পরিচালক পদে নিয়োগ প্রদান করে পরে বিশ্বব্যাংকের আপত্তিতে তিন মাস পর প্র্যতাহার করেছেন। এই প্রকল্পের মেয়াদ ৭ বছরে সম্পূর্ণ হয়েছে অথচ কাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশ। এই প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এই প্রকল্পের ৯০০ কোটি টাকা গত অর্থ বছরে ফেরত নিয়েছে। অপর দিকে কোভিড- ১৯ রেসপন্স প্রকল্পের পিডি নিয়োগ করা হয়, বান্দরবানে কর্মরত তৎকালিন নিবার্হী প্রকৌশলী নাজমুল শাহাদাত মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানকে। এই প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি গত দু বছরে হয়েছে মাত্র দুই শতাংশ। আড়াই হাজার কোটি টাকার বিশ্ব ব্যাংকের প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল দুই বছর। এই প্রকল্প এখনো আলোর মুখ দেখেনি। এ ছাড়া টাকার বিনিময়ে এডিবি রক্ষণে বাস্তবায়িত আইইউজিআইপি প্রকল্পের পরিচালক নিয়োগ করা হয়েছে গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল বারেককে। সেখানে অভিজ্ঞ এবং জ্যেষ্ঠতাও মানা হয়নি। প্রকল্পের কাজে অনিয়ম অর্থ লোপাটের মতো ঘটনা ঘটেছে। প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো. মহামিনের চাকরির মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এসে অধিদপ্তরে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের ভবন বানিয়েছেন। এ ছাড়া জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদায়নের ক্ষেত্রে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করেন প্রধান প্রকৌশলী ও তার নিয়োজিত সহকারীদের। তার বিরুদ্ধে, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি স্বেচ্ছচারিতার অভিযোগও আছে। প্রধান প্রকৌশলীসহ তার সেন্ডিকেটের লোকজন দিয়ে এলজিইডিকে ২০ বছর পেছনে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ। সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প/মাস্টাররেলে নিয়জিত প্রায় ৩৮৩২ জন কর্মচারী দীর্ঘ ২৫/৩০ চাকরি করা কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করণের আদেশ সর্বোচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন না করে মোটা অংকের ঘুষ-বাণিজ্য করার জন্য নতুনভাবে সার্কুলার দিয়ে কর্মচারী নিয়োগ করছে। এসব অপকর্মের সহযোগী হিসেবে প্রধান প্রকৌশলী সেখ মোহাম্মদ মহসিনকে সহযোগিতা করছেন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শফিকুর রহমান (প্রশাসন) (শৃঙ্খলা ও তদন্ত শাখা), মো. শরিফ উদ্দিন (শৃঙ্খলা ও তদন্ত শাখা)। এমনকি তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন লোকের দোহাই দিয়ে অপকর্ম করে আসছেন। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় পূর্বের আন্দোলনকে স্থাগিত করেন সেখ মোহাম্মদ মহসিন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরেও তিনি অতিরিক্ত আরও ৩টি গাড়ি ব্যবহার করেন নিজ পরিবারের জন্য। যার প্রতিদিনের তেল, ড্রাইভারসহ যাবতীয় খরচ এলজিইডি থেকে বহন করা হচ্ছে। তিনি প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার পরে এখনো ১টিও প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারেননি, যে ২/১ টি প্রকল্প পাস হয়েছে সেগুলো আগের প্রকল্প। জানা যায়, তিনি বেশ কিছু পদোন্নতি দিয়েছেন পিডি হিসেবে। অথচ ৯৪ ব্যাচের কর্মকর্তাদের দিয়ে তিনি নিয়ম বহির্ভুতভাবে নিজ এলাকার বেশ কিছু মসজিদ ও কবরস্থান নিয়েছেন সীতাকুণ্ডে, যা ডিপিপি বহির্ভূত। তিনি ক্ষমতার মদদে প্রথমেই আউট সোর্সিং নিয়োগ বন্ধ করেন, যা পূর্বের কোনো প্রধান প্রকৌশলী করেননি। তিনি নিজে এবং তার একটি সিন্ডিকিটের কাছে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ পিছিয়ে দিয়েছেন বলে বেশি ভাগ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিযোগ।

Read More »