সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 7, 2023

সুষ্ঠু নির্বাচন সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর করবে: সিইসি

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর হয়, সে জন্য আমাদের প্রয়াসের কোনো ঘাটতি থাকবে না। আমাদের সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে।’ শনিবার সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আওতাধীন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিইসি। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সরকারের জনপ্রশাসন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় কীভাবে সুদৃঢ় ও সহজ হবে, সেটি বের করে নির্বাচনের যে উদ্দেশ্য, অর্থাৎ অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনের ফল উঠে আসবে। আমরা সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব।’ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘আপনাদের অভিজ্ঞতা শুনতে চাইব, বিশেষ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি কতটা সম্পন্ন হয়েছে এবং কতটা ঘাটতি রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করব।’ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রথমবার সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছে কমিশন। এতে কমিশনের পক্ষ থেকে মাঠ কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

Read More »

নীতি নির্ধারণের জন্য সঠিক জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন তথ্য অতি গুরুত্বপূর্ণ – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

জিল্লুর রহমান / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বলতেই মোঃ তাজুল ইসলাম জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবার উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেছেন, যেকোনো জাতির সঠিক জনসংখ্যা নির্ধারণ অতি গুরুত্বপূর্ণ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবার মাধ্যমেই আমরা সেই তথ্যটা জানতে পারি। শুধু মোট জনসংখ্যা জানাই যথেষ্ট নয়, বিভিন্ন বয়সের শ্রেণীবিভাগ ও তথ্য উপাত্ত জানা জরুরী। যেকোনো নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন ধরনের মানুষের জন্য সেই নীতি নেওয়া হচ্ছে, কোন বয়সের মানুষের জন্য এবং কত সংখ্যক মানুষের জন্য নেওয়া হচ্ছে সেই তথ্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আজ ঢাকায় একটি অভিজাত হোটেলে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন জরুরি কারণ বয়স্ক মানুষের চাহিদা আর যুবকদের চাহিদা এক নয় আবার যুবকদের চাহিদা আর শিশু-কিশোরদের চাহিদা এক নয়। নানা বয়স, ধর্ম-বর্ণের মানুষের চাহিদা সনাক্তকরণ এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন তথ্যই সরকারের প্রয়োজন হয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ সময় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা স্বীকার করে জানান, সমস্যাগুলো চিহ্নিত হয়েছে এখন দ্রুত এই সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে কাজ শুরু করা হবে। মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য যে লড়াই করে গেছেন তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেই লক্ষ্য পূরণে অবিরাম এগিয়ে চলেছে। অনেক পথেই আমাদের যাত্রার অভিজ্ঞতা নতুন তাই হয়তো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে প্রত্যাশিত সেবায় ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে কিন্তু সেই সমস্যাগুলো সমাধান করে আমাদেরকে নাগরিক সেবায় ভোগান্তি দূর করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মোঃ শামসুল আরেফিন, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সচিব মোঃ মাহমুদুল হোসাইন খান, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ রাশেদুল হাসান, ইউনিসেফ এর চিফ অফ চাইল্ড প্রটেকশন মিস নাটালি ম্যাককলি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম। এদিকে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আজ সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর শুভ জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উদযাপন উপলক্ষে চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে এবং বঙ্গবন্ধুর সুখি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। মন্ত্রী এ সময় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য যে পথ নকশা তৈরি করেছেন যেমন ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ কিংবা ২১০০ সালের মধ্যে ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন এসবের সুফল পাবে আজকের শিশুরা। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন এবং এতে সভাপতিত্ব করেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের মহাসচিব কে, এম শহিদ উল্যা।

Read More »

বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আকাশ পথে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে : রাষ্ট্রপতি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৩ : রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অন্যান্য পরিষেবার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন আকাশ পথে যাত্রী চলাচলের ক্ষেত্রে সুযোগসুবিধা, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। আগামীকাল ‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং’ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, “হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এই টার্মিনাল এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক নতুন যুগে প্রবেশ করল। এর ফলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক যোগাযোগ, টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে বিমান পরিবহন সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রয়োজনে আকাশপথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের নতুন তৃতীয় টার্মিনাল ভবনটিতে অত্যাধুনিক ফ্যাসিলিটিজসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ এয়ার ট্রাফিক মুভমেন্টের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা দেশের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি মনে করি। নবনির্মিত এ টার্মিনালের মাধ্যমে বছরে অতিরিক্ত ১৬ মিলিয়ন যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে যা যোগাযোগ ও পরিবহন ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখী-সমৃদ্ধ, উন্নত, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের দূরদর্শিতা, সঠিক দিক-নির্দেশনা এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। আমি আশা করি, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দেশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাবে, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত করবে এবং নতুন নতুন গন্তব্য বাংলাদেশের আকাশপথের সঙ্গে যুক্ত হবে। তিনি বলেন, নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণের পাশাপাশি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নতুন আমদানি-রপ্তানি কার্গো কমপ্লেক্স নির্মাণের ফলে আকাশপথে ব্যবসা যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়ন ও এ খাতকে যুগোপযোগী করার নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট সকলে নিষ্ঠার সাথে কাজ করবেন- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আকাশ পথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সফলতা বয়ে আনবে।

Read More »

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফরকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রসঙ্গ কেউ তোলেননি : প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৩খৃ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে তাঁর সাম্প্রতিক সফরকালে কেউ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রসঙ্গ তোলেননি। তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে কেউই কোন কথা বলেনি। এ ধরনের কোন কথা হয়নি এবং কেউ এ ধরনের কথা আমাকে জিজ্ঞাসাও করেনি।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ অপরাহ্নে গণভবনে তাঁর সাম্প্রতিক জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেইক সুলিভান সহ অন্যান্য সরকার-রাষ্ট্রপ্রধান ও সংস্থার কর্তাব্যক্তিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে তার বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ নিউইয়র্কে যান। সেখানে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবস্থান করেন। ২৩ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ও ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সফর শেষে গত বুধবার দেশে ফিরে আসেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে কেউই কোন কথা বলেননি। এ ধরনের কোন কথা হয়নি এবং কেউ এ ধরনের কথা আমাকে জিজ্ঞাসাও করেনি। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক অভিজ্ঞতা ২০০৭-০৮ সালে হয়ে গেছে না আমাদের। তারপরেও আবার কেউ তা চাইতে পারে। আর সিষ্টেমটাতো বিএনপিই নষ্ট করে ফেলেছে। কাজেই এরকম কোন কথা হয়নি। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে জেইক সুলিভানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়। গত মাসে, তিনি নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে সাক্ষাতে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন এবং সেলফি তোলেন। প্রধানমন্ত্রী বিএনপি’র আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, তাদের যে আন্দোলন সেই আন্দোলনে তো আমরা বাধা দিচ্ছি না। তারা আন্দোলনের নামে লোক সমাগম করে যাচ্ছে, ভাল কথা। এতদিন চুরি চামারি করে যে অবৈধ অর্থ তারা বানিয়েছিল আর যত টাকা মানি লন্ডারিং করেছিল সেগুলোর এখন ব্যবহার হচ্ছে। অন্তত সাধারণ মানুষের হাতে কিছু টাকাতো যাচ্ছে। আমি সেভাবেই বিবেচনা করি। যত আন্দোলন করবে তাতে সাধারণ মানুষের পকেটে কিছু টাকা যাবে। তাই আমি বলেছি কিছু বলার দরকার নেই তারা আন্দোলন করতে থাকুক। কারণ এই টাকাগুলোতো বের হওয়াটাও দরকার। তিনি আবারও অগ্নিসন্ত্রাস ও মানুষের জানমালের ক্ষতি করার বিষয়ে তথাকথিক আন্দোলনকারিদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি মানুষের কোন ক্ষতি করার চেষ্টা করে, ঐ রকম অগ্নিসন্ত্রাস বা নাশকতার প্রচেষ্টা চালায় তাহলে তো ছাড়বোনা। কারণ আমাদের সাথে জনগণ আছে। তিনি জনগণের ওপর আস্থা রেখে বলেন, আমাদের কিছু করা লাগবেনা। জনগণকে ডাক দিলে তারাই ঠান্ডা করে দিবে। কারণ তারা যখন অগ্নিসন্ত্রাস করেছিল তখন সাধারণ মানুষই ওদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। এবারও তাই হবে। বিএনপি’র এই অর্থের উৎস সম্পর্কে সাংবাদিকদের খোঁজ নেওয়ারও আহবান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সংবাদ সম্মেলনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং বিএনপি’র আন্দোলন ছাড়াও আগামীর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, ডেঙ্গু সহ চলমান অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা, সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন, বিভিন্ন দূতাবাস এবং রাষ্ট্রদূতদের নিরাপত্তা প্রদানে সরকারের কার্যকর ভূমিকা সহ আসন্ন দূর্গাপূজাকে সামনে রেখে সাম্প্রদায়িত সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান পুনর্ব্যক্ত করে বিভিন্ন সমকালিন বিষয়ে খোলামেলা সকল প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের যে সংস্কারগুলো ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন পাশ করা, নির্বাচন কমিশন যেটা সম্পূর্ণ প্রধামন্ত্রীর দপ্তরে ওপর নির্ভরশীল ছিল সেটাকে আলাদা করে দিয়ে, পৃথক বাজেট বরাদ্দ দিয়ে তাদের আরো শক্তিশালী করা এবং জনগণের মাঝে ভোটের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং জনগণের ভোটের যে অধিকার ’৭৫ এ জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করা হয় তা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া- এই কাজগুলোতো আওয়ামী লীগই করেছে। আওয়ামী লীগ এবং তাদের জোট আন্দোলনের মাধ্যমে বহু রক্তের বিনিময়ে এসব অর্জন করেছে। তিনি বিদেশি কূটনীতিকদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই কথাটা আমি বলেছি তাদেরকে, আমাকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখাতে হবেনা। কারণ বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম আমরা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে করেছি এবং সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারপর সেভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পেরেছে বলেই জনগণ আমাদের বারবার ভোট দিয়েছে এবং একটানা ক্ষমতায় আছি বলেই আজকে অর্থনৈতিক উন্নতিটা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামল ছাড়া অন্য যারা ২৯ বছর ক্ষমতায় ছিল তারা দেশকে কি উন্নতি দিয়েছে? এমনকি জনগণের মুখে এক মুঠো ভাত পর্যন্ত তুলে দিতে পারেনি। সারাবছর দেশের উত্তরবঙ্গ এমনকি দক্ষিণের অনেক জায়গাতেও দুর্ভিক্ষ লেগে থাকতো। ‘বিএনপি যা বলে তার সবই মিথ্যা’ অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা যা বলে তার সবই মিথ্যা। মিথ্যা কথায় কেউ কান দেবেন না। মিথ্যা কথায় কেউ বিশ্বাস করবেন না। তাদের জন্মই হয়েছে অবৈধভাবে। আর টিকে আছে মিথ্যার ওপরে।

Read More »

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩ নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলো পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : হায়দারাবাদ, ৬ অক্টোবর ২০২৩ : মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিলের ব্যাটিং দৃঢ়তার পর বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুন্যে জয় দিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু করলো পাকিস্তান। আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ৮১ রানে হারিয়েছে নেদারল্যান্ডসকে। প্রথমে ব্যাট করে রিজওয়ান-শাকিলের ৬৮ রানের দু’টি ইনিংসের সুবাদে ৪৯ ওভারে ২৮৬ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাবে বিক্রমজিত সিংয়ের ৫২ ও বাস ডি লিডের ৬৭ রান সত্বেও ৪১ ওভারে ২০৫ রানে অলআউট হয় নেদারল্যান্ডস। হায়দারাবাদে টস জিতে প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নেদারল্যান্ডস। ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। ৩৮ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে পাকিস্তানের টপ অর্ডার। ফখর জামান ১২, ইমাম উল হক ১৫ ও অধিনায়ক বাবর আজম ৫ রান করেন। দশম ওভারেই চাপে পড়া পাকিস্তানকে বিপদমুক্ত করেন রিজওয়ান ও শাকিল। নেদারল্যান্ডস বোলারদের চাপে ফেলে পাল্টা আক্রমন করেন রিজওয়ান ও শাকিল। এতে ২০তম ওভারেই শতরান পেয়ে যায় পাকিস্তান। দলের রান দেড়শতে পৌঁছানোর আগেই ওয়ানডেতে শাকিল দ্বিতীয় ও রিজওয়ান ১৩তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন। ২৯তম ওভারে শাকিলকে ৬৮ রানে থামিয়ে নেদারল্যান্ডসকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন অফ-স্পিনার আরিয়ান দত্ত। ৫২ বল খেলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন শাকিল। চতুর্থ উইকেটে রিজওয়ানের সাথে ১১৪ বলে ১২০ রান যোগ করেন তিনি। শাকিল ফেরার ১৯ বল পরই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন রিজওয়ানও। পেসার বাস ডি লিডের বলে বোল্ড হন রিজওয়ান। ৭৫ বল খেলে ৮টি চারে ৬৮ রান করেন রিজওয়ান। ৩২তম ওভারে রিজওয়ান ফেরার পর ইফতিখার ৮ রানে থামেন। সপ্তম উইকেটে ৭০ বলে ৬৪ রান তুলে পাকিস্তানের রান আড়াইশ পার করেন মোহাম্মদ নাওয়াজ ও শাদাব খান। নাওয়াজ ৩৯ ও শাদাব ৩২ রানে ফিরেন। এরপর ২৫২ রানে অষ্টম উইকেট হারালেও শেষ দুই উইকেটে ৩৪ রান পায় পাকিস্তান। শেষ দুই ব্যাটার শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফের দৃঢ়তায় ৪৯তম ওভারে অলআউট হবার আগে ২৮৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। রউফ ১৬ রানে ফিরলেও ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন আফ্রিদি। নেদারল্যান্ডসের বাস ডি লিডে ৬২ রানে ৪ উইকেট নেন। বিশ^কাপে কোন ম্যাচে ৪ উইকেটের বেশি নিতে পারেনি নেদারল্যান্ডসের পক্ষে কোন বোলার। জয়ের জন্য ২৮৭ রানের লক্ষে খেলতে নেমে ৫০ রানে ২ উইকেট হারায় নেদারল্যান্ডস। তৃতীয় উইকেটে ৭৬ বলে ৭০ রান তুলে ডাচদের লড়াইয়ে রাখেন ওপেনার বিক্রমজিত সিং ও বাস ডি লিডে। জুটিতে বিক্রমজিত ওয়ানডেতে পঞ্চম অর্ধশতক পূর্ণ করেন। অর্ধশতকের পর বিক্রমজিতকে ইনিংস বড় করতে দেননি পাকিস্তানের স্পিনার শাদাব খান। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৭ বলে ৫২ রান করেন বিক্রমজিত। বিক্রমজিত ফেরার পর নেদারল্যান্ডসের ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামে। ৫১ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের মুখে ছিটকে পড়ে ডাচরা। এক পর্যায়ে ১৮৪ রানে নবম উইকেট হারায় তারা। এরমধ্যে ওয়ানডেতে তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরি পুর্ন করে ৬৭ রানে নওয়াজের বলে বোল্ড হন ডি লিডে। ৬৮ বল খেলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি। শেষ দিকে নয় নম্বর ব্যাটার লোগান ফন বিকের অপরাজিত ২৮ রানে ২শর কোটা পার করে ৪১তম ওভারে ২০৫ রানে অলআউট হয় নেদারল্যান্ডস। পাকিস্তানের রউফ ৩টি ও হাসান আলি ২টি উইকেট নেন। সংক্ষিপ্ত স্কোর : পাকিস্তান : ২৮৬/১০, ৪৯ ওভার (রিজওয়ান ৬৮, শাকিল ৬৮, ডি লিডে ৪/৬২) নেদারল্যান্ডস : ২০৫/১০, ৪১ ওভার (ডি লিডে ৬৭, বিক্রমজিত ৫২, রউফ ৩/৪৩) ফল : পাকিস্তান রানে ৮১ জয়ী। ম্যাচ সেরা:সৌদ শাকিল(পাকিস্তান)।

Read More »

ঋণ খেলাপি হয়ে ও পরিচালক মাহজাবিন মোরশেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিমের স্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহজাবিন মোরশেদ বেসিক ব্যাংকে ঋণখেলাপি। আর এ খেলাপি ঋণ পরিশোধে চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত মাহজাবিনসহ অন্যদের ৬০ দিন সময় দেয়। তিনি প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের একজন উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডার পরিচালক। আর প্রতিষ্ঠানটিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণশুনানির মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়। চট্টগ্রাম অর্থ আদালত সূত্রে জানা যায়, মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম ও মাহজাবিন মোরশেদসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গড়েছেন ক্রিস্টাল গ্রুপ। এছাড়া তিনি ও তার পরিবারের একাধিক সদস্য প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মালিকানায় আছে। ক্রিস্টাল গ্রুপ বেসিক, রূপালী, ফারমার্সসহ কয়েকটি ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। এর মধ্যে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণখেলাপি। এ ক্রিস্টাল গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আইজি নেভিগেশনকে ঋণ দিয়ে বিপাকে পড়েছে বেসিক ব্যাংক। এ প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা (সুদসহ) দাঁড়িয়েছে ১৮৩ কোটি ৭১ লাখ। এ পাওনা আদায়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালে চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতে মামলা করে। এ মামলার শুনানি শেষে আদালত সম্প্রতি মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম এবং স্ত্রী মাহজাবিন মোরশেদসহ অন্য পরিচালকদের ৬০ দিনের মধ্যে ব্যাংকের খেলাপি পাওনা পরিশোধের আদেশ দেন। এর আগে একটি আদেশে তাদের পাসপোর্ট আদালতে জমা দেয়ার আদেশ দেয়া হলেও তারা পাসপোর্ট জমা দেননি। প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দেয়া তথ্যানুসারে, মাহজাবিন মোরশেদ প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডোর পরিচালক। তার দুই ছেলে সামির সেকান্দার ও মেহের সেকান্দার, বড় পুত্রবধূ আফরা চৌধুরী এবং দেবরের বউ কানিজ ফাতেমা পরিচালক হিসাবে পরিচালনা পর্ষদে আছেন। সামির সেকান্দার কোম্পানির চেয়ারম্যান। এছাড়া উদ্যোক্তা হিসেবে একই পরিবারের সদস্য জাহিদ হোসেন মিয়া এবং রাশেদ মুরাদ ইব্রাহিম। ক্রিস্টাল গ্রুপের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি। পরিশোধে যথেষ্ট সময় পেলেও ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করেননি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশেষ সুবিধা দিলেও সেই সুবিধার আওতায় আবেদনও করেনি। বরং মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য চেষ্টা করেছেন। মোরশেদ মুরাদ ও মাহজাবিন মোরশেদ দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। কবে ফিরবেন, আদৌ ফিরবেন কিনা সেটিও কেউ জানে না চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম শেয়ার বিজেক বলেন, মুরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম, মাহজাবিন মোরশেদ এবং অন্য পরিচালকরা বেসিক ব্যাংকে ঋণখেলাপি। কোম্পানি আইন ১৯৯২ (২০১৮ সালে সংশোধিত) ১৭ ধারা বলা আছে, কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিংবা বিমা কোম্পানির পরিচালক যে ব্যাংকে ঋণখেলাপিতে পরিণত হয়েছেন, সেই ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি পরিচালককে দুই মাসের মধ্যে ঋণ পরিশোধে নোটিশ প্রদান করে। আর এ সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে পরিচালক পদ শূন্য হয়। এ বিষয়ে মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিমের সঙ্গে কথা হলে তিনি শেয়ার বিজকে বলেন, আমরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের পাওনা পরিশোধ করেছি। আমাদের ঋণ কম; সেই তুলনায় আমাদের সম্পদ বেশি। ফলে পাওনা পরিশোধে তেমন সময় লাগবে না। আমি সিঙ্গাপুরে আছি। দেশে এলে আলাপ করব।

Read More »