সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 25, 2024

আসুন দেশের সমৃদ্ধির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী

আসুন দেশের সমৃদ্ধির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করি : প্রধানমন্ত্রী সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মার্চ ২০২৪ খৃ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক মুক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে সকল বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪তম দিবসে আসুন, সকল কুট-কৌশল-ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই। ” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘স্বাধীনতা দিবস’ এবং ‘জাতীয় দিবস-২০২৪’ এর প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে একথা বলেন। ভাষণটি আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, রেডিও স্টেশন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একযোগে সম্প্রচার করা হয়। তাঁর ১৭ মিনিটের কিছু বেশি সময়ের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে তাঁর সরকার কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প, দারিদ্র্য বিমোচন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাসসহ দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন করে বাংলাদেশকে ‘উদীয়মান অর্থনীতির দেশে’ রূপান্তরিত করেছে। “সুতরাং, এক সময়ের দারিদ্র্য-জ্বরাক্লিষ্ট বাংলাদেশ আজ সক্ষম উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে,” বলেন তিনি । ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ এখন বিশ্ব মঞ্চে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে,’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার সকল শর্ত পূরণ করেছে। আশা করা হচ্ছে ২০২৬ সাল নাগাদ বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে সামিল হবে। তিনি বলেন, “আজকে ২০২৪ সালে স্বাধীনতার ৫৩তম বার্ষিকীতে আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, আমরা দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেকাংশেই পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। এটা কোন অসার বাগাড়ম্বর দাবি নয়। বাংলাদেশ আজ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল বিশ্বে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমরা প্রমাণ করেছি রাজনৈতিক সদ্বিচ্ছা এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সীমিত সম্পদ দিয়েও একটি দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায়।” ‘১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ একুশ বছরের ইতিহাস এদেশের মানুষের নিপীড়ন আর বঞ্চনার ইতিহাস,’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সময় লুটপাট, দুর্নীতি, ইতিহাস বিকৃতি, মৌলবাদ এবং জঙ্গিবাদ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনাকে ধূলিস্যাৎ করে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর এবং পশ্চাদপদ দেশের তকমা পড়িয়ে দেওয়া হয়। নিদারুণ দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অকাল মৃত্যু এবং শিক্ষা, বাসস্থান, চিকিৎসার অভাব ছিল এদেশের মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। তথাপি ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে জনবান্ধব নীতি গ্রহণ করা শুরু করে এবং সর্বপ্রথম সাধারণ মানুষ বুঝতে পারেন তাঁদেরও সরকারি সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে বিগত ১৫ বছরের কিছু অধিকসময়ের দেশপরিচালনাকালে প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ, মহামারি, যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সর্বোপরি দেশি-বিদেশি শক্তির নানা ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে শুধু আমাদের দেশের নয়, গোটা বিশ্বের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছিল। সে ধকল কাটতে না কাটতেই ২০২২ সালের গোড়ার দিকে শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক অবরোধ-পাল্টা অবরোধ আরোপের ফলে আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশগুলি চরম সঙ্কটের মুখে পড়েছে। নিত্যপণ্যের উৎপাদন ও বিপণন যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি এসব পণ্যের স্বাভাবিক চলাচলও বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরসঙ্গে গত বছরের শেষে যুক্ত হয়েছে গাজায় ফিলিস্তিনের উপর ইসরাইলী বাহিনীর গণহত্যা। ২০১৩-১৪ সময়ে এবং ২০১৬ সালে বিএনপি-জামাতের দেশব্যাপী হরতাল-অবরোধ, অগ্নি-সন্ত্রাস, অগণিত মানুষ হত্যার মত নৃশংসতাকে মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ আখ্যায়িত করে সরকার প্রধান বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং তার মিত্ররা এবারও হরতাল-অবরোধ, অগ্নি সংযোগের মত সন্ত্রাসী কর্মকা-ের সূচনা করেছিল। কিন্তু জনগণের প্রতিরোধের মুখে এবার তারা পিছু হটতে বাধ্য হতে হয়। তবুও তাদের হাতে বেশ কয়েকজন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান এবং কয়েক ’শ কোটি টাকার সম্পদ বিনষ্ট হয়। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় নানা প্রতিক’লতা অতিক্রম করেও দেশকে আর্থসামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ায় তাঁর সরকারের সাফল্যের খন্ডচিত্র ও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দারিদ্র্যের হার ২০০৬ সালের ৪১.৫ শতাংশ হতে হ্রাস পেয়ে এখন দাঁড়িয়েছে ১৮.৭ শতাংশে এবং হতদরিদ্রের হার ২৫.১ হতে ৫.৬ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে। আজ খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ং-সম্পূর্ণ। বর্তমানে দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৯৩ লাখ মেট্রিক টন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতু, ঢাকায় মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু ট্যানেল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল, বিভাগীয় শহরগুলির সঙ্গে চার বা তারও

Read More »

রংপুরে গণহত্যা দিবস পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৫ মার্চ (কালরাত্রি) গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (২৫ মার্চ) সোমবার সকাল ১০টায় রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান । অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আবু জাফর, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি পঙ্কজ চন্দ্র রায়, রংপুর মেট্রাপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ সায়ফুজ্জামান ফারুকী, রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী, রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। বাঙালির স্বাধীনতার আকাক্সক্ষা মুছে দেওয়ার চেষ্টায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গণহত্যা শুরু করেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। তারপর নয় মাসের সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে এসেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে ব্যাপক গণহত্যা চালিয়ে বাঙালি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে, তারই নাম অপারেশন সার্চলাইট।

Read More »

রংপুরের ২ মার্কেট ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় রংপুরের জামাল মার্কেট এবং ছালেক মার্কেটকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করেছে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স রংপুর ও সিটি কর্পোরেশন। দুপুরে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই দুটি মার্কেটে সচেতনতামূলক অভিযানে গিয়ে এ ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিযানের নেতৃত্বে থাকা রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা। দেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন মার্কেট ও কলকারখানায় সম্প্রতি অগ্নিকা্েন্ডর ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স। শুরু হয়েছে দেশের বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন এবং অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখছেন। সেই ধারাবাহিকতায় রংপুরেও ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশন রংপুর নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা আছে কিনা তা দেখার জন্য অভিযানে বের হন। এসময় জাহাজকোম্পানী শপিং কমেপ্লেক্সসহ কয়েকটি মার্কেট অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নগরীর জামাল মার্কেট ও ব্যস্ততম মার্কেট হিসেবে পরিচিত ছালেক মার্কেটের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপন আইন ২০০৩ অনুযায়ী ওই মার্কেট দুটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করা হয়। সেই সঙ্গে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ঘোষণার সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। পরে মার্কেট দুটিতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সচেতনতামুলক অগ্নিনির্বাপনের ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফ করা হয়। ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স রংপুরের উপ-সহকারী পরিচাল বাদশা মাসউদ আলম বলেন, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাপনা দেখার জন্য বিভিন্ন মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মার্কেট কমিটির সদস্যদের অগ্নিনির্বাপনের প্রাথমিক বিষয়গুলো হাতে কলমে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসময় দুটি মার্কেট ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করা হয়েছে।রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, রংপুরের মার্কেট শপিংমল গুলোতে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাপনা কেমন আছে, সেটি দেখার জন্য সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানের সময় নগরীর জামাল ও ছালেক মার্কেট ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এরকম অভিযান চলমান থাকবে। অভিযানের পাশাপাশি মার্কেটগুলোতে তদন্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন ঢাকায় পাঠানো হবে। অভিযানের সময় রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রেসিডেন্ট রেজাউল ইসলাম মিলনসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

র‌্যাব ১৩ এর অভিযান গাঁজা ফেন্সিডিলসহ আটক দুই

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে র‌্যাব ১৩ এর অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ২৬১ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার গ্রেফতার দুই পেশাদার মাদক কারবারী। পৃথক দুই অভিযানে কুড়িগ্রমে ১০ কেজি গাঁজা ও লালমনিরহাটে ২৬১ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার এবং দুইজন পেশাদার মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব ১৩ ব্যাটালিয়ন সদর এর একটি আভিযানিক দল।এছাড়াও সোমবার রাতে বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় সাড়াশি অভিযান চালায় সংস্থাটি। এসময় তাঁরা গাইবান্ধার পলাশবাড়ি,রংপুরের মিঠাপুকুর থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরেন রংপুর র‌্যাবের উপ–পরিচালক মিডিয়া স্কোয়াড্রন লীডার মাহমুদ বশির আহমেদ। তিনি জানান মাদক কারবারীদের বিুদ্ধে চার টি মাদক মামলা রুজু করে র‌্যাব।

Read More »

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণই জাতির ভবিষ্যতের পাথেয় – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মার্চ, ২০২৪ ইং, সোমবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন দেশকে স্বাধীন করার জন্য। নিজেদের জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের প্রস্তুতি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। তাদের সেই ত্যাগ তিতীক্ষার ইতিহাসই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। তিনি আজ ঢাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে মুক্তিযুদ্ধে প্রথম ব্যারিকেড তৈরীর ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণ এবং জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। মন্ত্রী এ সময় ফার্মগেটে ২৫শে মার্চ কালো রাত্রিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চলাইটের গনহত্যার বিরুদ্ধে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নেতৃত্বে প্রথম ব্যারিকেড দেওয়ার ঘটনাকে জাতীয় জীবনে ঐতিহাসিক এবং তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় বলে উল্লেখ করেন। জাতীয় গৌরবোজ্জ্বল সেই স্মৃতি সংরক্ষণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। মোঃ তাজুল ইসলাম বিএনপি ও সামরিক শাসনামলে বঙ্গবন্ধুর নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টার কথা উল্লেখ করে বলেন, যে মানুষটি নিজের সমগ্র জীবন এবং রাজনীতি দেশের মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছেন তাকে আড়াল সেই অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বাংলাদেশের মানুষ। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ সময় মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই ধরনের স্মৃতিস্তম্ভ উৎসাহ ও অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে থাকবে। “গণহত্যার কালো রাত্রি ও আলোকের অভিযাত্রী” শিরোনামে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান। আরও বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রনায়ক মহিউদ্দিন খান আলমগীর, হামীম গ্রুপের চেয়ারম্যান একে আজাদ চৌধুরী, এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহমেদ, এমপি।

Read More »

১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪’ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মাচর্, ২০২৪ খৃ. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পর্যায়ে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪’ তুলে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার প্রদান করেন। এবার স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে তিন জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে একজন, চিকিৎসাবিদ্যায় একজন পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া সংস্কৃতিতে একজন, ক্রীড়া ক্ষেত্রে একজন এবং সমাজসেবায় তিনজন রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ এই পদক পেয়েছেন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে পুরস্কার পেয়েছেন কাজী আব্দুস সাত্তার বীর প্রতীক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর)। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন ড. মোবারক আহমদ খান, চিকিৎসা বিদ্যায় ডা. হরিশংকর দাশ। সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ রফিক উজ্জামান এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে ফিরোজা খাতুন এই পুরস্কার পেয়েছেন। সমাজসেবা/জনসেবা ক্ষেত্রে পুরস্কার পেয়েছেন অরণ্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী এবং এস এম আব্রাহাম লিংকন। পুরস্কার হিসেবে ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, সম্মানির অর্থের চেক ও একটি সম্মাননা পত্র দেয়া হয়। মন্ত্রি পরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন পুরস্কার বিতরণী পর্বটি সঞ্চালনা করেন এবং পুরস্কার বিজয়ীদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেন। স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪ বিজয়ীদের পক্ষে মোহাম্মদ রফিক উজ্জামান অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রি পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে দেশবরেণ্য কবি-সাহিত্যিক লেখকসহ দেশের বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

মানুষের কল্যাণে নীরবে যারা কাজ করছেন তাদের সম্মান দিন : প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মার্চ, ২০২৪ খৃ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নীরবে নিভৃতে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে পুরস্কারে সম্মানিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন, যাতে অন্যরা অনুপ্রাণিত হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে আহ্বান জানাচ্ছি যারা বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে ও অন্যান্য এলাকায় নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করে চলেছেন, তাদের খুঁজে বের করে পুরষ্কার দিয়ে সম্মানিত করার জন্য। তাদের জন্য নয়, বরং জনগণের কল্যাণের জন্য। কারণ, তারা কখনই সামনে আসেন না বা আসতে চান না। নিজস্ব উদ্যোগে বা স্ব-প্রণোদিত হয়ে যারা মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন অবদান রেখে যাচ্ছেন তাদেরকে পুরস্কৃত করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় কথা।’ প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে জাতীয় পর্যায়ে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪’ প্রদানকালে প্রধান অতিথি’র ভাষণে একথা বলেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য যারা স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন তাদের সবাইকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এই পুরস্কার প্রাপ্তির ফলে মানুষের জন্য কাজ করা ও দেশের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে আরো অনেকে অনুপ্রাণিত হবেন এবং দেশের কল্যাণে কাজ করবেন, সেটাই আমরা আশা করি।’ সরকার প্রধান তাঁর ভাষণে বিগত ১৫ বছর দেশ শাসনে আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য তুলে ধরে বলেন, অন্তত এইটুকু দাবি করতে পারি বাংলাদেশের সেই হারানো গৌরব আমরা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর যে মর্যাদা বাংলাদেশ অর্জন করেছিল এবং ‘৭৫-এ জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর যা হারিয়ে যায়। তিনি বলেন, জাতির পিতা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায় রেখে যান। সেখান থেকে আমরা আরো এক ধাপ উত্তরণ ঘটিয়ে দেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিতে পেরেছি। ২০২৬ সাল থেকে যা কার্যকর হবে। আজ জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিলে স্থান পেয়েছে। ‘জয় বাংলা’ আবার ফিরে এসে এখন আমাদের জাতীয় স্লোগানে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, ইতিহাস বিকৃতির যত চক্রান্তই হোক না কেন আজকের নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে চায়, বুঝতে চায়। সেই প্রেরণা নিয়েই সামনের দিকে চলতে চায় এবং জীবনকে গড়ে তুলতে চায়। আর এটাই আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় আশার বাণী। এরআগে গত ১৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্তরা হচ্ছেন: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে কাজী আব্দুস সাত্তার বীর প্রতীক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. মোবারক আহমদ খান, চিকিৎসা বিদ্যায় ডা. হরিশংকর দাশ, সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ রফিক উজ জামান, ক্রীড়ায় ফিরোজা খাতুন, সমাজ বা জনসেবায় অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এসএম আব্রাহাম লিংকন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন পুরস্কার বিতরণী পর্বটি সঞ্চালনা করেন এবং পুরস্কার বিজয়ীদের সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরেন। স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪ বিজয়ীদের পক্ষে মোহাম্মদ রফিক উজ জামান অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে দেশবরেণ্য কবি-সাহিত্যিক লেখকসহ দেশের বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কভিড-১৯ পরবর্তী ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং একে কেন্দ্র করে নিষেধাঞ্জা ও পাল্টা নিষেধাঞ্জায় বিশ^ব্যাপী খাদ্য পণ্য ও পণ্য পরিবহনের মূল্যবৃদ্ধিতে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতিতে কৃচ্ছতা সাধন এবং দলের নেতা-কর্মীসহ সামর্থ্যবানদের সাধারণ জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মানুষের যাতে কোন কষ্ট না হয় সেজন্য আমরা এই রমজান মাসে মানুষের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ করছি। আমরা ইফতার পার্টি বাদ দিয়েছি। আমাদের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সকলকে আহ্বান করেছি ইফতার পার্টি না করে ইফতার সাধারণ মানুষের মাঝে আপনারা বন্টন করেন। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইফতার পার্টি করা বড় কথা নয়, মানুষকে দেওয়াই বড় কথা। কাজেই, আমরা খাওয়ার বিষয়টা বাদ দিয়ে দেওয়ার দিকেই মনোযোগ দিয়েছি। মানুষের যাতে কোনো রকম কষ্ট না হয় সেদিকে আমরা লক্ষ রেখেছি। এই সময় ন্যায্যমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী প্রাপ্তিতে এক কোটি কার্ড করে দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। সরকার প্রধান বলেন, আজ ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের সেই কালরাতে গণহত্যার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ‘আর যারা সেই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের প্রতি জাতির ঘৃণা প্রকাশ করছি।’ শেখ হাসিনা এসময় ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনকে ‘গণহত্যা’ উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে যাচ্ছে। আমরা ফিলিস্তিনিদের সাথে আছি।

Read More »

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সংসদীয় কূটনীতিকে কাজে লাগাতে হবে– স্পীকার

সংসদ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা ২৫ মার্চ, ২০২৪ খ্রি. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, সংসদীয় কূটনীতি দ্বিপাক্ষিক, বহুপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক স্তরে সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে জটিল সমস্যা সমাধানে সহায়ক হিসাবে প্রমাণিত। তিনি বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সংসদীয় কূটনীতিকে কাজে লাগাতে হবে। তিনি রবিবার অপরাহ্নে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে ‘১৪৮তম আইপিইউ অ্যাসেম্বলি’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত গভর্নিং কাউন্সিলের ২১৩তম সেশনে ‘পার্লামেন্টারি ডিপ্লোম্যাসি: বিল্ডিং ব্রিজেস ফর পীস অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ শীর্ষক আলোচনায় অংশগ্রহণ করে এসব কথা বলেন। “সংসদীয় কূটনীতিকে এমন একটি বিশ্ব তৈরিতে সহায়ক হতে দিন যা দারিদ্র্য, ক্ষুধা, যুদ্ধ এবং মানবিক যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হতে পারে যাতে মানবতার কল্যাণে সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা যায়।”-জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে স্পীকার বলেন, বঙ্গবন্ধুর আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা, দারিদ্র‍্য ও শোষনমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এবং সংসদীয় কূটনীতি এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। স্পীকার বলেন, সংসদ গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু এবং জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ আইপিইউ, সিপিএ, পিইউআইসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামের সাথে জড়িত এবং সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি প্রচার করে। স্পীকার বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসাবে সংসদ সদস্যরা এমন একটি বিশ্ব তৈরি করার অনন্য ক্ষমতা পান যেখানে প্রতিটি নাগরিকের আশা- আকাঙ্ক্ষা অর্জনের সমান সুযোগ থাকে এবং কেউ পিছিয়ে থাকে না। তিনি বলেন, জনগণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য সারা বিশ্বের সংসদ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। স্পীকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ দারিদ্র্য ও শোষণমুক্ত একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য কাজ করে চলেছে যেখানে সবার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার সমান হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেকের জন্য মানবিক মর্যাদার জীবন নিশ্চিত করতে সংসদগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এসময় সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি, শফিকুল ইসলাম এমপি, মাহবুব উর রহমান এমপি, শাহাদারা মান্নান এমপি, নীলুফার আনজুম এমপি, এইচ এম বদিউজ্জামান এমপি, মো: মুজিবুল হক এমপি, আখতারুজ্জামান এমপি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

Read More »