সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 26, 2024

স্পীকারের সাথে ইউনিসেফ বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধির বিদায়ী সাক্ষাৎ

সংসদ প্রদিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ জুন ২০২৪ খ্রি. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি’র সাথে আজ তাঁর কার্যালয়ে ইউনিসেফ বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা শিশু অধিকার, শিশু অপরাধসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের পথশিশুদের সামগ্রিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, পিতা-মাতা ও অভিভাবকবিহীন পথশিশুরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। স্পীকার বলেন, পথশিশুদের কাউন্সেলিং করার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সকলকে সচেষ্ট হতে হবে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবেলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি এসময় স্পীকারের নেতৃত্বদানকারী ভূমিকার প্রশংসা করেন। এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

বিপিজেএ এর ফল উৎসব আয়োজন প্রশংসনীয় উদ্যোগ—স্পীকার

সংসদ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ জুন, ২০২৪ খ্রি. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন প্রতিবছর ফল উৎসব আয়োজন করে আসছে। এই উৎসবে দেশীয় ফলের স্বাদ গ্রহণ করা যায়। তিনি বলেন, বিপিজেএ এর ফল উৎসব আয়োজন প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আজ জাতীয় সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘ফল উৎসব-২০২৪’ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মো: শামসুল হক টুকু এমপি, চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি, হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি ও হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু এমপি উপস্থিত ছিলেন। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ফল উৎসবে দেশের ফলের প্রাচুর্য উপলব্ধি করা যায়। এই ফল উৎসবে বিরল ফলের সমারোহ থাকে। এ সময় স্পীকার ফল উৎসবের আয়োজন করার জন্য পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজেএ) সভাপতি হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মশিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এমপি। দেশীয় ২৫টি জাতের ফল দিয়ে এই ফল উৎসব সাজানো হয়। এর মধ্যে ছিল আম, জাম, লিচু, লটকন, কাঁঠাল, কলা, ডেউয়া, পেঁপে, তরমুজ, পেয়ারা, আমলকি, আনারস, জামরুল, ড্রাগন ফল ইত্যাদি। অনুষ্ঠানে বিপিজেএ, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দসহ সংসদ বিটের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে আমি মারা যাব: প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৬ জুন, ২০২৪ খৃ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে মারা যাবেন। কাজেই তিনি যেন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে না হয়ে পড়েন সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এর সদস্যদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে কিন্তু আমাকে আর গুলি বোমা লাগবে না, এমনিতেই শেষ হয়ে যাব। কাজেই এরাই আমার প্রাণ শক্তি। এটুকু মনে রাখতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী আজ এসএসএফ’র ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কার্যালয়ের (পিএমও) শাপলা হলে আয়োজিত দরবারে প্রদত্ত ভাষণে একথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, একটি বিষয় আমি নিশ্চই বলবো, আমরা রাজনীতি করি। আমার আর কোন শক্তি নেই। শক্তি একমাত্র জনগণ। সেই জনগণের শক্তি নিয়েই আমি চলি। তিনি বলেন, কাজেই জনবিচ্ছিন্ন যাতে না হয়ে যাই, আমি জানি এটা কঠিন দায়িত্ব। তারপরেও এই দিকেও নজর রাখতে হবে যে এই মানুষগুলোর জন্যইতো রাজনীতি করি। মানুষদের নিয়েই তো পথ চলা। আর যাদেরকে নিয়েই দেশের মানুষের কাজ করি তাদের থেকে যেন কোনমতে বিচ্ছিন্ন হয়ে না যাই।’ সরকার প্রধান বলেন, মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হলে কিন্তু আমাকে আর গুলি বোমা লাগবে না এমনিতেই শেষ হয়ে যাব। কাজেই এরাই আমার প্রাণ শক্তি। এটুকু মনে রাখতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, এটা সবসময়ই এসএসএফ’র সদস্যদের তিনি বলেন এবং মাঝে মধ্যে রাগও করেন। কাজেই এই বিষয়গুলো একটু সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখা দরকার। কারণ, তিনি যখন সরকারে ছিলেন না এই দেশের মানুষ এবং দলীয় লোক, তারাই তাঁর পাশে ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি এই সময় এক দরিদ্র রিক্সাওয়ালার উপার্জনের সামান্য জমানো অর্থে তাঁদের দু’বোনের ঢাকায় যেহেতু কোন বাড়ি নেই এবং ধানমন্ডীর বাড়িটিও তাঁরা দান করেছেন সেজন্য তাঁর নামে একটি জমি কেনার এবং তাঁর কাছে হস্তান্তর করতে চাওয়ার একটি ঘটনার উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকবার তাকে নিষেধ করা সত্বেও সে শোনে নাই। সেই রিক্সাওয়ালার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী সেই দলিলটা তাঁর কাছে হস্তান্তর করতে চাইলে তিনি নিজে সেখানে গিয়ে তাদের বাড়ি তৈরি করে তার স্ত্রীর হাতে দলিল দিয়ে বলেন, এটা মনে করবেন আমারই বাড়ি, এখন আপনারা থাকবেন। অন্যদিকে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়ার জন্য দুইটি বাড়ি, গাড়ি, ক্যাশ টাকা অনেক কিছু রেখে যান। জাতির পিতার কন্যা বলেন, ‘এই সাধারণ মানুষগুলোর জন্যই আমার রাজনীতি, এদের ভাগ্যের পরিবতন ও জীবনমান উন্নত করাই আমার লক্ষ্য। তাই এইসব মানুষগুলোর কাছ থেকে আমি বিচ্ছিন্ন হতে পারি না। কারণ, এরাই আমার চলার সব শক্তি জোগায়। এটা সকলকে মনে রাখার জন্য আমি অনুরোধ করছি।’ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এসএসএফ’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বাঙালি জাতি যাতে বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসএসএফ’র প্রতিটি সদস্য সার্বক্ষণিক সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করে আসছে এবং বাংলাদেশে আগত বিদেশিরাও তাদের নিরাপত্তা প্রদানের প্রশংসা করেছেন। সরকার প্রধান তাঁর সরকারের বেকারত্বের হার ৩ ভাগে নামিয়ে আনা, স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রাম-গঞ্জে হাতের নাগালে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া, সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের নিম্ন স্তরের মানুষ ও হতদরিদ্রদের সাহায্য প্রদান, গৃহহীণ-ভূমিহীন মানুষকে বিনামূল্যে ঘর-বাড়ি প্রদানসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে হত দারিদ্রের হার ২৫ দশমিক ৫ ভাগ থেকে ৫ দশমিক ৬ ভাগে এবং দারিদ্রের হার ৪১ ভাগের বেশি থেকে ১৮ দশমিক ৭ ভাগে নামিয়ে আনার সাফল্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্রের হার ভবিষ্যতে আরো কমিয়ে আনার এবং অতিদারিদ্র একেবারে শূণ্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সৃষ্ট বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা না এলে তাঁর সরকারের প্রচেষ্টায় দারিদ্রের হার আরো কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। তাঁর সরকারের আমলে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতক্ষণ আমার নিশ্বাস আছে আমার এটাই চেষ্টা যে বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে যেন আরো উন্নত সমৃদ্ধ করে যেতে পারি। বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে আমাদেরকেও সেভাবেই চলতে হবে। গুলি, বোমা, গ্রেনেড হামলার শিকার হয়ে বার বার বেঁচে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকছেন তাদের জীবনও ঝুঁকিতে পড়ছে। তিনি বলেন, আল্লাহ আমাকে হয়তো একটা কাজ দিয়ে পাঠিয়েছেন ততক্ষণ আমি বেঁচে থাকবো। কিন্তু, আমার সঙ্গে যারা কাজ করে এবং যারা আমার নিরাপত্তায় নিয়োজিত তাদের জন্য আমি চিন্তায় থাকি। কারণ, যতবার আমার ওপর আক্রমণ হয়েছে প্রতিবারই আমার কিছু না কিছু নেতা-কর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে। তারা ‘মানববর্ম’ রচনা করে আমাকে গ্রেনেড হামলা থেকে রক্ষা করেছেন। কাজেই এসএসএফ যেহেতু আমার সবচেয়ে কাছে থাকে, আমি সবসময় তাদেরকে নিয়ে আমি চিন্তিত। সুত্র. বাসস

Read More »

বেসরকারি শিক্ষকদের অবসরভাতা প্রাপ্তির সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিক : শিক্ষামন্ত্রী

সংসদ প্রদিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সংসদ ভবন, ২৬ জুন, ২০২৪ : শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষকদের অবসরভাতা ও কল্যাণভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্বের সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিক রয়েছে। তিনি আজ সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত স্বতন্ত্র সদস্য মোসা. তাহমিনা বেগমের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি জানান, এ খাতে পর্যাপ্ত অর্থ সংস্থান না থাকায় মূলত বেশি সময় লাগছে এবং সমস্যা তৈরি হচ্ছে। অনিষ্পন্ন আবেদনের সংখ্যা বিবেচনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের অনুকূলে ৩০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। তাই এখন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ সব শিক্ষকদের অবসর গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে অবসরভাতা দেওয়া সম্ভব নয়। মন্ত্রী জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সমস্যার উত্তরণে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং গঠিত কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

Read More »

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩য় বৈঠক অনুষ্ঠিত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৬ জুন, ২০২৪ খৃ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩য় বৈঠক কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান নূর, এমপি এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।           কমিটির সদস্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান এমপি, ফেরদৌস আহমেদ এমপি, মোছা: জান্নাত আরা হেনরী এমপি, মো: নাইমুজ্জান ভুঁইয়া এমপি, মোঃ কামারুল আরেফিন এমপি এবং অনিমা মুক্তি গমেজ এমপি অংশগ্রহণ করেন।      বৈঠকের শুরুতে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনসহ সর্বস্তরের স্বাধিকার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।      বৈঠকে দ্বিতীয় বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়।     বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রোজ গার্ডেনে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক আয়োজনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আন্তরিকভাবে কাজ সম্পন্ন করায় কমিটির পক্ষ থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।         কাজের মানোন্নয়ন ও সুনিপুণভাবে কাজের তদারকিকরণে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনকে (এফডিসি) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার জন্য কমিটির পক্ষ থেকে পুনরায় সুপারিশ করা হয়।         বৈঠকে গত একাদশ জাতীয় সংসদের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।         বৈঠকে সংস্কৃতি মন্ত্রলায়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক, গণগ্রন্থাগার ও আর্কাইভ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অন্যান্য অধিদপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

জাতীয় সংসদ ভবনে এসপিসিপিডি’র কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংসদ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৬ জুন ২০২৪ খ্রিঃ আজ জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এসপিসিপিডি প্রকল্প আয়োজিত ‘রোল অব পার্লামেন্টারিয়ানস ইন একসিলারেটিং পলিসি একশনস টু এচিভ দ্য আইসিপিডি গোলস ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন, নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণ ও পরিবার পরিকল্পনা’ সাব-কমিটির আহ্বায়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বিষয়ক কমিটির সভাপতি আ,স,ম, ফিরোজ এমপি- এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু এমপি এবং হুইপ সানজিদা খানম এমপি, ইউএনএফপিএ এর পিপিআর প্রধান ড. মো: শহীদুল ইসলাম এবং ইউএনএফপিএ এর স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধান বিভবেন্দ্র রঘুবংশী বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে. এম. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর পর্বে মাদ্রাসা শিক্ষা, সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার কোন স্তরে বাল্যবিবাহ ও কৈশোর গর্ভধারণের প্রবণতা বেশি তা জরিপের মাধ্যমে তুলে ধরার পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া রোহিঙ্গাদের চাপে কক্সবাজারের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অবকাঠামোগত সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচকরা এলাকাভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রত্যেক গর্ভবতী মায়ের সমস্যাগুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী সেবা প্রদানের মাধ্যম নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণ এবং মায়েরদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি লাঘবে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক কামাল বিল্লাহ এর সঞ্চালনায় এ পলিসি ডায়লগে অপরাজিতা হক এমপি, দ্রৌপদি দেবী আগরওয়ালা এমপি, আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার এমপি, বিপ্লব হাসান এমপি, ডাঃ সামিল উদ্দিন শিমুল এমপি, মো: আসাদুজ্জামান এমপি, আরমা দত্ত এমপি,বাসন্তী চাকমা এমপিসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যগন ও ইউএনএফপিএ’র প্রতিনিধিসহ জাতীয় সংসদের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩য় বৈঠক অনুষ্ঠিত

সংসদ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৬ জুন, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩য় বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি সাগুফতা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রিমি), মোঃ আব্দুল আজিজ, শাহিদা তারেখ দীপ্তি, সৈয়দা জাকিয়া নূর, পারুল আক্তার, মোসাঃ তাহমিনা বেগম , রেজিয়া ইসলাম এবং সাবেরা বেগম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম; জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত বর্তমানে কতগুলো প্রকল্প/কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং কতগুলো প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে সেগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। Household নারীদের কাজগুলোকে Economic Activities হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য কমিটি কর্তৃক মন্ত্রণালয়কে পুনরায় সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে জাতীয় মহিলা সংস্থা পরিচালিত ‘‘তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্প’’কে গুরুত্ব দেয়াসহ আরও সফলকামী হতে পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য কমিটি কর্তৃক মন্ত্রণালয়কে পুনরায় সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে দেশের ৬৪ টি জেলা ও ৫০ টি উপজেলায় জাতীয় মহিলা সংস্থা যে সকল কার্যক্রম গ্রহণ করেছে তা সচল রাখার জন্য মনিটরিং এর ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য কমিটি কর্তৃক সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন সংস্থা প্রধানগণসহ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

চলতি বছরে প্রশাসনে শীর্ষসহ খালি হচ্ছে দুই ডজন সচিবের পদ

সিনিয়র রিপোর্টাে / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : এ বছর প্রশাসনের শীর্ষ দুটি পদ মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদার অন্তত দুই ডজনের বেশি পদ খালি হচ্ছে। অর্থাৎ কেউ নিয়মিত অবসরে যাবেন আবার কারও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর মধ্যে নতুন করে কেউ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ না পেলে নিচের স্তর থেকে অনেকেই পদোন্নতি পেয়ে প্রশাসনের শীর্ষ পদের চেয়ারে বসতে পারবেন। এতে করে অতিরিক্ত সচিবদের অনেকেই সচিব হওয়ার স্বপ্ন বুনছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী ছয় মাস অর্থাৎ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ২৬ কর্মকর্তার অবসরে যাওয়ার কথা। এর মধ্যে চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ৯ কর্মকর্তার। চলতি বছরে বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবসান হবে। নতুন করে চুক্তির মেয়াদ না বাড়লে এই পদে দেখা যাবে নতুন মুখ। ইতোমধ্যেই এই শীর্ষ পদে কারা আসতে পারেন তা নিয়ে নানামুখী আলোচনা চলছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে। এর বাইরেও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিব অবসরে গেলে কেউ কেউ চুক্তিতে নিয়োগও পেতে পারেন। তবে আমলাদের অনেকেই মনে করছেন সরকার চতুর্থবারের মতো ধারাবাহিক ক্ষমতায় এসেছে। নতুন এই সময়ে চুক্তিতে নিয়োগ যতটা সম্ভব কম দেবে। একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, একটা আশা নিয়েই তো আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের ওপরে যারা আছেন তারাও সরকারের জন্য কাজ করেন, আমরা ও আমাদের নিচে যারা আছে সবাই। এখানে চুক্তি হলে আমাদের অনেকেই বঞ্চিত হয়, কষ্ট বাড়ে। কাক্সিক্ষত পদে যেতে না পেরে নীরবেই বিদায় নিতে হয়। এটি আমরা সরকারের কাছে প্রত্যাশা করি না। সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান বলেন, প্রত্যেক পদ পূরণের জন্য রাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত জনবল আছে। পদোন্নতি দিয়ে পূরণ করা উচিত। চুক্তি নিয়োগ না দেওয়াই ভালো। চুক্তিতে কেউ নিয়োগ পেলে যিনি দীর্ঘদিন পদোন্নতির আশার কাজ করছেন তার মধ্যে হতাশা দেখা দেবে। সামনে খালি হওয়া পদগুলো উপযুক্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিয়ে পূরণ করলে সরকারের কাজেও যেমন গতি থাকবে, কর্মকর্তাদের মধ্যেও কর্মচাঞ্চল্য থাকবে। আগামী জুলাই মাসে মুখ্য সচিবের পদসহ চারটি পদ খালি হওয়ার কথা রয়েছে। আগস্টে খালি হবে দুই সচিবের পদ, সেপ্টেম্বরে তিনটি, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পদসহ অক্টোবরে তিনটি, নভেম্বরে তিনটি এবং ডিসেম্বরে ১০ সচিবের পদ ফাঁকা হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের নিয়মিত চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছিল গত বছরের অক্টোবরে। পরে তাকে জাতীয় নির্বাচনের আগে আরও এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেয় সরকার। আগামী ১৩ অক্টোবর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। ফলে এ পদে কেউ নতুন আসবেন নাকি তাকেই আরও এক বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে, তা নিয়ে জল্পনার যেন শেষ নেই। চুক্তির বিষয়টি একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। আগামী ৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এদিকে কোনো সচিবের পদ ফাঁকা হলে নতুন করে সচিব পদোন্নতি পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যেই এই ব্যাচ থেকে সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে আগের ব্যাচ থেকেও কেউ কেউ নিয়োগ পেতে পারেন। চলতি মাসের ৩০ জুন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরীর। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আলী হোসেন ২ জুলাই অবসরে যাবেন। ৫ জুলাই মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ। ওএসডিতে থাকা সিনিয়র সচিব খাজা মিয়া ৪ জুলাই অবসরে যাবেন। বিডার চেয়ারম্যান সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুনের চুক্তি শেষ হবে ৬ জুলাই। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন অবসরে যাবেন ২৭ আগস্ট, একদিন পরে ২৮ আগস্ট অবসরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন। সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আবদুস সালামের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৬ সেপ্টেম্বর। ২৮ সেপ্টেম্বর চাকরি শেষ হচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদের। পরের দিন ২৯ সেপ্টেম্বর চুক্তি শেষ হচ্ছে ইরাকের রাষ্ট্রদূত (সচিব মর্যাদা) ফজলুল বারীর। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী সদস্য (সচিব) মো. খায়রুল ইসলামের চুক্তি শেষ হবে ১ অক্টোবর। বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিুবর রহমান অবসরে যাবেন ৯ অক্টোবর। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের চুক্তি শেষ হবে ১৩ অক্টোবর। ধর্ম সচিব মু. আবদুল হামিদ জমাদ্দার ৪ নভেম্বর, ভূমি সচিব খলিলুর রমহান ২৪ নভেম্বর, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) আবদুল বাকী ৩০ নভেম্বর অবসরে যাবেন। এ ছাড়া সংস্কৃতি সচিব খলিল আহমেদ ৭ ডিসেম্বর, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধূরী ৩০ ডিসেম্বর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার ৩০ ডিসেম্বর অবসরে যাবেন। রাষ্ট্রপতির সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খানের চুক্তি শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর। একই দিনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেনের চুক্তি শেষ হবে। এ ছাড়া ওই দিন অবসরে যাবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ, আইএমইডি সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী, বাণিজ্য সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নবীরুল ইসলাম।

Read More »

কথা নয়, কাজের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : কথা নয় কাজের মাধ্যমে নিজ নিজ জায়গা থেকে স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষায় ভূমিকা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতাধীন দপ্তর সংস্থাগুলোর সঙ্গে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আশা করি স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন এই দপ্তর ও সংস্থাগুলো আস্থা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের এই প্রতিশ্রুতি পালন করবে। আমার তদারকি ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। আমাদের মনে রাখতে হবে কথা কম, কাজ বেশি। চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন আটটি প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের পাঁচটি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে নিজ নিজ বিভাগের সচিবরা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষরকারী স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আটটি প্রতিষ্ঠানের নাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট, এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড, ন্যাশনাল ইলেক্ট্রোমেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউএন্ডটিসি), ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট মেইনটেইন্যান্স অর্গানাইজেশন (টেমো)। এছাড়াও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের আওতাধীন আরও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান চুক্তি স্বাক্ষর করে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, নার্সিং ও মিডওয়াফারি অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি নিয়ে অনুষ্ঠিত পৃথক এ দুটি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান।

Read More »

কুয়েত ও সৌদি আরব দূতাবাসের প্রতারণার ফাঁদে নিঃস্ব প্রবাসী

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার মাঠেরহাট গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মোঃ বিপুল মিয়া কুয়েত ও সৌদি আরব দূতাবাসসহ বাংলাদেশ এম্বাসির দ্বারা প্রতারণার ফাঁদে পরে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুর ১টায় রংপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বিপুল মিয়া বলেন, বিগত ২০০৪ সালে বাংলাদেশ হইতে বৈধভাবে কুয়েতে গিয়ে আল ওতাইবি কোম্পানীতে লাইট জেনারেল ওয়ার্কার হিসেবে যোগদান করে সুনামের সহিত ৬০ ডিনারে প্রদেয় বেতন ৪৫ দিনানে ০৬ বছর চাকুরী/কাজ করিয়া আসিতেছিলাম। আমি পাসপোর্টে আকামা লাগিয়ে অন্যত্র কাজ করার জন্য আল ওতাইবি কোম্পানীকে বললে আল ওতাইবি কোম্পানী এ ব্যাপারে কোন সাহায্য না করিয়া আল ওতাইবি কোম্পানীতে বেআইনী ভাবে জোরপূর্বক কাজ করতে বাধ্য করেন। বাধ্য হয়ে আমি কুয়েত আদালতে আল ওতাইবি বিরুদ্ধে মামলা করি। আদালত আমার পক্ষে রায় দিলে আমার পাওনা টাকা পরিশোধসহ পাসপোর্ট ফেরত দিতে আদেশ দেয়। কোম্পানী আমার পাওনা টাকা আদালতে জমা দেয়। যা এম্বাসির মাধ্যমে আমাকে বুঝিয়ে দেবে বলে জানান। এর মধ্যে হঠাৎ কুয়েত পুলিশ অবৈধভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে আমাকে আটক করে ও আমার বৈধ কাজগপত্র না দেখে কুয়েতের আদালতে সোর্পদ না করে আমার পূর্বের আল ওতাইবি কোম্পানী, কুয়েত পুলিশ ও বাংলাদেশ এম্বাসি আমার পাসপোর্ট আমার জাল স্বাক্ষর করে আমার অর্থ বাংলাদেশে আমার নিজ ঠিকানায় না পাঠিয়ে বাংলাদেশের কবিরহাট হাজীগঞ্জে চাদপুরের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন। যাহা সম্পূর্ণ বেআইনী ও আইন বহির্ভূত। তিনি আরো বলেন, কুয়েতের আদালত আমাকে সে দেশে বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি দিলেও কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশী এম্বাসির কর্মকর্তাদের যোগ সাজোসে আমার টাকা আত্মসাত করে। এতে আমি আর্থিকভাবে প্রায় ১৮কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখিন হই। কুয়েতে আমার বৈধ উপার্জিত ৭ লক্ষ ৪৫হাজার ৯৮৫ দিনার কোম্পানী এম্বাসির মাধ্যমে পরিশোধ করলেও এম্বাসির কর্মকর্তাগণ আমাকে আমার উপার্জিত টাকা না দিয়ে আমাকে জোর পূর্বক দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। কুয়েত ও সৌদি আরবের এম্বাসিতে তাদের সহযোগিতা নিতে গিয়ে তারা আমার কাগজপত্রাদি জমা দিতে বলে। পরবর্তীতে আমি কাগজপত্রাদি জমা প্রদান করি। কিন্তু আমার কাগজ পত্রাদি চাইতে গেল ৩ মাস অতিবাহিত করে এবং বলে তোমার ম্যাসেজ ওয়েতে পাঠানো হয়েছে যাহার উত্তর এখনো আসেনি। এই প্রবাসী বলেন, কুয়েত থেকে দেশে ফেরার ৬ মাস পর সৌদি আরবে যাই। সেখানে কোম্পানীতে ৪ বছর চাকুরী করার ৪৮ মাসের মধ্যে ১৩ মাসের বেতন যাহা ১৯হাজার ৫০০ রিয়াল বকেয়া রাখে। আমি আমার উপার্জিত পাওনা টাকা আদায়ের আমি সেদেশের আদালতের মামলা করি। আদালত আমার উপার্জিত পাওনা টাকা কোম্পানীতে পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে আমার পক্ষে রায় দেয়। সেখানেও বাংলাদেশ এম্বাসির কর্মকর্তাগণ যোগসাজস করে আমার টাকা পরিশোধ না করে আদালতের মাধ্যমে ঝুলিয়ে রাখে এবং আমাকে দেশে ফিরিয়ে আসতে বাধ্য করে। বিপুল মিয়া বলেন, আমি দুই দেশে প্রায় ১৭ বছর প্রবাস খাটি। আমি একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা। আমার অধিকার আদায়ে দুই দেশের মামলার রায় আমার পক্ষে পেলেও কুয়েত ও সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তার দূর্নীতি, অনিয়ম ও প্রতারণায় আমি এখন পর্যন্ত আমার উপার্জিত অর্থ বুঝিয়া পাই নাই। আমি সরকারের কাছে দাবী জানাই। আমার অধিকার আদায়ে দুই দেশের দুতাবাসের কর্মকর্তাদের প্রতারণা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করে আমার পাওনা টাকা বুঝিয়ে দিয়ে আমি ও আমার পরিবারকে বাচাঁতে সাহায্য করুন। সংবাদ সম্মেলনে বিপুল মিয়ার মা হালিমা বেগম, ভাই আব্দুর রশিদ, বোন শিল্পিসহ এলাকার শুভাকাঙ্খিরা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »