সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: July 8, 2024

রংপুর জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বন্যা কবলীত এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার সুরক্ষা ও বানভাসি মানুষের ত্রানের ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, ড্রেন এর সুরক্ষা, বানভাসি মানুষের চিকিৎসাসেবা বিশেষ করে সাপের কামরে তাৎক্ষনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রংপুর জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার রায়হান কবীর। সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) আব্দুল মান্নান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) নজরুল ইসলাম, জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ তামান্না, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (জেলা পরিষদ) মামুন অর রশীদ প্রমূখ।এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ছাড়াও পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, এলজিইডি, সওজ, পাউবি, প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর, মৎস সম্পদ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে তাদের পরামর্শ প্রদান করেন।

Read More »

কোটা সংস্কার আন্দোলনে বেরোবির সাধারন শিক্ষার্থীরা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েফর ডটকম: ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুততম সময়ে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্বিবদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীবৃন্দরা পদযাত্রা ও ছাত্র সমাবেশ কর্মসূচী পালন করেছে। সোমবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে হতে একটি মিছিল নিয়ে মডার্ন মোড়ে এসে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ^ বিদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীরা। অবরোধের ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১ টার দিকে অবরোধ তুলে নিয়ে যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়। অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা কোটা প্রথা মানি না মানব না, কোটা প্রথা বাতিল করকরতে হবে, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই, সারা বাংলায় খবর দে কোটা প্রথা কবর দেসহ কোটা পুনর্বহালের বিপক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে।সমাবেশ হতে জানা যায়, ২০১৮ সালের কোটা সংস্করণে আন্দোলনের ফলে যে ইতিবাচক পরিবর্তন আমরা পেয়েছিলাম সেই কোটা ২০২৪ সালে আবার ফিরিয়ে আনা হয় তাই এরই প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আবার গর্জে উঠে। কোটা যতদিন পর্যন্ত সংস্কারের কোন ফলাফল আমরা না পাচ্ছি ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি চলতেই থাকবে। আমরা জানি আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন বৈষম্য মূলক বাংলাদেশ চায় নাই, কিন্তু বর্তমানে কোটা নামক এক প্রথা চালু করে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে যে বৈষম্য তৈরী করেছে এটা আমরা সহজে মেনে নিবো না। বৈষম্যমূক কোটা একটি দেশের জন্য অভিশাপস্বরূপ। যেখানে মেধার ভিত্তিতে মেধাবীদের চাকরি হয় না, সেখানে অমেধাবীদের দখলে চলে যাচ্ছে কর্মক্ষেত্রগুলো। প্রকৃত মেধাবী ও গরিব শিক্ষার্থীরা ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই কোটা পদ্ধতি চালু থাকলে আগামী প্রজন্ম ধ্বংস ডেকে আনবে, দেশ মেধাশূন্যতায় ভুগবে। আমরা চাই, ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল রেখে কমিশন গঠন করে সরকারি চাকরিতে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কোটা রেখে সংস্কার করতে হবে। কোটার গেড়াকলে পড়ে যোগ্য মেধাবীরা বঞ্চিত হতে পারে না এই সোনার বাংলায়। তাই আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে কোটা সংস্কার করার জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করছি। এ সময় বেগম রোকেয়া বিশ্বিবদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

সরকারের উপর আস্থাহীনতার কারণেদেশে কোটা ও পেনশন নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে….রংপুরে জিএম কাদের

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বিরোধী দলীয় নেতা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, সরকারের উপর আস্থাহীনতার কারণে দেশে কোটা ও পেনশন নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে। এ আন্দোলন যৌক্তিক ও সমর্থনযোগ্য। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আস্থাহীনতা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ সরকারের প্রতি আস্থা পাচ্ছে না। সরকার তাদের অনুগতদের চাকুরীতে নিয়ে আসছে মুক্তিযোদ্ধা কোটাকে ব্যবহার করে। আর এ জন্য ছাত্ররা আন্দোলন করছে সরকার যেন চাঁপের মুখে সেটি তুলে নেয়। সোমবার (৮ জুলাই) বিকেল ৩টায় রংপুরে দু’দিনের সফরে এসে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গনে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারের ঘনিষ্ঠজন। সরকারের সাথে তারা সব সময় থাকে এবং সরকারের কর্মকান্ডকে সমর্থন করে। সরকার বলছে নতুন পেনশন স্কিমে আরও বেশি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে।কিন্তু এরপরেও শিক্ষকরা আস্থাহীনতার জায়গা থেকে আন্দোলন করছে। জিএম কাদের বলেন, তিস্তা প্রকল্প বিষয়টি সরকার জটিল করে তুলেছে। আমরা বিভিন্নভাবে বাহিরের শক্তির কাছে পরনির্ভর হয়েছি। সরকার জনগণের স্বার্থ চিন্তা না করে নিজেদের ক্ষমতায় থাকার চিন্তা করেছে। যদি পদ্মাসেতু ঋণ নিয়ে তৈরী করা হয়, তবে কেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা ঋণ নিয়ে করা হবে না। এটি হলে গোটা দেশের মানুষ উপকৃত হবে। জিএম কাদের বলেন, আমরা বলতে পারি ঋণ নিয়ে ঘি খাওয়ার মত অবস্থা দেশে বিরাজ করছে। ফলে ঋণের বোঝা জনগণের উপর পড়বে। ইতোমধ্যেই আমাদের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধ্বস নেমেছে। সরকার করোনা, ইউক্রেন যুদ্ধের অযুহাত দেখাচ্ছে। অথচ ভারতের মুদ্রাস্ফিতি অর্ধেকে নেমেছে, নেপালে মুদ্রাস্ফিতি কমেছে।দেউলিয়া দেশ শ্রীলংঙ্কা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সব দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আর আমরা পিছিয়ে পড়ছি। সরকার দূর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর জাতীয় পার্টিরসহ-সভাপতি লোকমান হোসেন, জাহেদুল ইসলাম, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্মসাধারণসম্পাদকশাফিউল ইসলাম শফি যুব সংগতি রংপুর জেলা সভাপতি হাসানুজ্জামান নাজিম সহ অন্যরা।

Read More »