সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 19, 2024

রংপুরে নিজ জমিতে কাজ করতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে নিজ জমিতে কাজ করতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৯ অক্টোবর) শনিবার বেলা ১টায় রংপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী জমিমালিক মোঃ কাওছার জামান বাবলা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার পরিবারের নামে ক্রয়কৃত জমি যাহার জমি দাতা শ্রী মহেন্দ্র নাথ অধিকারী, মৌজা- মাহিগঞ্জ, জেএল নং-১৩৯, হোল্ডিং নং-১৭৭১, সিএস খয়িান নং-৫৪৩, এসএ খতিয়ান নং- ৪২১, ডিপি খতিয়ান নং-৬২৮ কৃত বটে। আমি গত ১৪/০৮/২০২৩ ইং তারিখে ১৮১৮০ দলিলমূলে ১৮ (আঠার) শতক জমি বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী উক্ত জমি রেজিষ্টারী করিয়া লই। পরবর্তীতে আমি উক্ত জমি নামজারী করিয়া খাজনা পরিশোধ করি যাহার খারিজ খতিয়ান নং-১০৭৭, হোল্ডিং নং-১০৩৭। উক্ত জমি দাতার ছোট ভাই শ্রী মধুসুধন অধিকারী, তার ছেলে শ্রী মানিক অধিকারী সে নিজেকে একজন আইনজীবী হিসাবে দাবী করেন। আমি জানাচ্ছি যে, উক্ত ব্যক্তি শ্রী মানিক অধিকারী বিভিন্ন কুট কৌশল অবলম্বন করিয়া সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির লক্ষ্যে ওই জমিতে হিন্দু সম্প্রদায়কে সাম্প্রদায়িক উস্কানিকে পুঁজি করে সাম্প্রদায়িক এর মাঝে মিথ্যা শ্রী মানিক অধিকারী আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের উল্কানিমূলক বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এলাকায় আমার নামে মিথ্যা অপপ্রচার করে আমাকে সমাজে হেয় ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসন ও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ ও সহায়তা কামনা করছি।

Read More »

রংপুরে সোনালী ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে সোনালী ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির আয়োজনে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৯ অক্টোবর) শনিবার সকাল ১১টায় রংপুর মহানগরীর সালেক পাম্প সংলগ্ন সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয় চত্বরে সাধারণ সভা অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা ও সোনালী ব্যাংকের এজিএম (অবঃ) মোঃ আব্দুর রশিদ ডাকুয়া’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম (অবঃ) মোঃ শহিদুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার (অবঃ) খন্দকার আল আমিন, সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম (অবঃ) মোঃ জিয়াউল ইসলাম আনোয়ারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলোমগীর হোসেন, মোঃ শাহ আলম প্রধান, মোঃ সদরুল আমিন, মোঃ জয়নাল আবেদীন, মোঃ মোন্তাফিজুর রহমান , মোঃ তাজুল ইসলাম, তৈয়বুর রহমান, মোঃ রমিজ উদ্দিন, মোঃ শাহজাহান তালুকদার, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ আফজাল হোসেন সহ সকল সদস্যগণ ।

Read More »

এলপিজি রংপুর জোনাল কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: এলপিজি রংপুর জোনাল কমিটির আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৯ অক্টোবর) শনিবার বেলা ১২টায় নগরীর আরকে রোডস্থ এনজিও ফোরাম হলরুমে মতবিনিময় সভা রংপুর জোনাল কমিটির সভাপতি মোঃ রেজাউল হক লালুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাহমুদ ইলাহী বিপ্লবের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সেন্টাল কমিটির কমিটির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ সেরাজুল মওলা, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সেন্টাল কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট কৃষ্ণ কান্ত দাস, টি মাসাহফু ববি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসইন পারভেজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পদাক মোঃ মকবুল হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ন কবির, মোঃ মসিউর রহমান, কার্যকরি সদস্য মোহাম্মদ আলী রুমি, সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

Read More »

জমিজমা কোন্দলে উত্তাপ বাবুপাড়া রংপুরে ভুয়া নিলামে দখল করা জলাশয় পুনঃউদ্ধার নিয়ে দ্বন্দ্ব

জালাল উদ্দীন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: মহানগরীর বাবুপাড়া এলাকায় কয়েকদিন থেকে প্রভাবশালী দুই গ্রুপের জমিজমা দখল নিয়ে বড়ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন সেখানকার সচেতন মহল।এক পক্ষের দাবি ব্যক্তি মালিকানার ক্রয়কৃত সম্পত্তি তাদের,ওপর পক্ষের দাবি জেলা প্রশাসক কর্তৃক নিলামে কেনা সম্পত্তি। এই মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চলছে চরম উত্তেজনা। স্থানীয়দের দাবি সমস্যা নিরসন না হলে বড়ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে এলাকায়। যদিও বিষয়টি সেনাবাহিনীর তৎপরতায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেখানকার জনমনে রয়েছে এখনো শঙ্কা। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, উৎখাত হয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার আমলের ২০১৪সালে তর্কিত নিলাম দেখিয়ে বাবুপাড়ায় অবস্থিত সোনালী ফ্লাওয়ার মিলস এর স্বত্বাধিকারী হাজী আসলামগং একই ওয়ার্ড পীরপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত নুর মোহাম্মদ উরফে লালু মিয়ার ক্রয়কৃত জলাশয় ভরাট করে জবরদখলে নেয়। সেই জমি পুনঃ উদ্ধার করতে ১৮ই অক্টোবর শুক্রবার সকালে প্রয়াত লালু মিয়ার ছেলে জুয়েল হোসেনসহ তার পরিবারের লোকজনেরা স্কেভটর ভাড়া করে নিয়ে ভরার পুকুর খনন করতে গেলে উভয়ের মধ্যে ঘটে বাক-বিতণ্ডা। এরই একপর্যায়ে সেনাসদস্যবৃন্দ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে স্কেভটরটি জব্দ করে নিয়ে যায়। এঘটনায় জুয়েল হোসেন প্রতিবেদককে অভিযোগ করে বলেন, এই এলাকার জমিদার পরিবার হাজী তছির উদ্দিনের নিকট থেকে আমার বাবা নুর মোহাম্মদ উরফে লালু মিয়া বিগত ০৯/০৯/১৯৯০ ইং তারিখে দলিল মূলে ৩০ শতাংশ ও বায়না সূত্রে আরো ২৩ শতক মোট ৫৩ শতক জলাশয়সহ জমি ক্রয় করে নিজ নামে রেকর্ড ও নামজারি করে মাছ চাষ করে আসেন, যার দাগ নং-৪৩১৩, খতিয়ান নং- ২১৭৪, হালদাগ নং-২০৬৬। বিগত ২০০১ সালে লালু মিয়া মৃত্যু বরন করলে তার ছেলে জুয়েল হোসেন বাবার ন্যায়ে তিনি নিজেই মাছের চাষ করেন ওই জলাশয়ে। যা লালু মিয়ার “দিঘি” নামে বেশ পরিচিত হয়। তিনি আরো বলেন,আমাদের প্রতিপক্ষ হাজী আসলামগং হঠাৎ ২০১৪ সালে রংপুর জেলাপ্রশাসক কর্তৃক দাবিকৃত নিলামের বিতর্কিত কাগজপত্র দিয়েই মাছভর্তি ভরাপুকুরে মাটি ভরাট করে জবরদখল করেন। প্রয়াত লালু মিয়ার ওয়ারিশ গোলাম মোস্তফা, সবুর খানসহ শাহারিয়া খানম শিউলি বেগম প্রতিপক্ষের মালিকানা কাগজপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি দেখিয়ে ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ আসলামগংদের নিলাম কৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার জন্য গত ২০২৩ সালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুসন্ধান ফরম পুরন করে তথ্য চাইলে কর্তৃপক্ষ লিখিত আকারে বর্ননা দিয়ে জানান ওই ধরনের কোনো নিলাম হয়নি জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে। এই ঘটনার বিষয়ে অধিকাংশ স্থানীয়দের অভিযোগ, উৎখাত হওয়া সরকারী দল আওয়ামীলীগ নেতাদের আঁতাতে প্রশাসনের কথিত লোকজনকে অর্ধকোটি টাকা দিয়ে বিগত ১৪ সালে জুয়েলগংদের ভোগ দখলে থাকা সম্পত্তি জবরদখল করে নেয় তারা। তবে ওপর পক্ষ সোনালী ফ্লাওয়ার মিলস এর স্বত্বাধিকারী হাজী আসলাম উদ্দিন এর ছেলে ইরফান ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের উপস্থিতিতে তিনি দাবী করে বলেন, ১৯৯০ সালে আমরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পৃথক তিন দাগে ৭০ শতক জমি নিলামে ক্রয় করি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে লোকজনএসে লাল পতাকা লাগায়া বুঝায় দিয়ে গেছে। আমার যতটুকু জানা- এখানে তসীর উদ্দিনের পুকুর ছিল সেটা দেখার লোকজন রাখছিল। তারাই একটা বায়না দলিল মারফতে মামলা রুজু করে, আমরা সেটার রায় পেয়ে যাই। রায় পাওয়ার পর আমরা ভোগদখলে করে আসছি। ২০১৩ সালে আবার পুকুর ভরাট করে মাপযোগ করলাম তখন তারা আবার একটা মামলা রুজু করে,আমরা ২০১৬ সালে সেই মামলার রায় পাই। পরে আমরা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করি ২০১৯ সালে সেটারও রায় পাই তার কপি আছে আমাদের কাছে। তবে সোনালী ফ্লাওয়ার মিলস এর স্বত্বাধিকারী হাজী আসলাম উদ্দিন এর ছেলে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে দখল করে দেয়ার কথাসহ মামলার ডিগ্রির কথা বললেও এই প্রতিবেদককে তাদের মামলার রায়ের কপি ও নিলামকৃত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমির মালিকানার সুস্পষ্ট কাগজপত্র দেখতে পারেন নি। এদিকে ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা কাল্লু মিয়া,জাবেদ আলী,রানী বেগমসহ আরও অনেকেই প্রতিবাদ করে বলেন, হাজী আসলামগংরা এই এলাকার নাম করা ভূমিদস্যু, তারা যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন সেই সরকারের লোকজনদের ম্যানেজ করে অপরের জমি জবরদখল করেন। এই আসলামগং আমাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দেয়াসহ উচ্ছেদ করার জন্য অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। আমরা তাদের ক্ষমতার কাছে অসহায়। যেখানেই বিচারের জন্য যাই সেখানেই আসলামগং মোটা টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে। এজন্য আমরা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান প্রতিবেদককে বলেন,আমরা জমিজমা সংক্রান্ত কোন্দলের খবর জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যাই এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করি, তবে এসংক্রান্ত বিষয়ে কোনো পক্ষেই লিখিতভাবে অভিযোগ দেইনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Read More »

নিরীহ লোকের বিরুদ্ধে মামলা করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪ খৃ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, যারা নিরীহ লোকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা করছে, টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে- তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন,যারা হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাম্প্রতিক সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। উপদেষ্টা আজ দুপুরে রাজশাহী বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। পুলিশ পুরোদমে কাজ করতে পারছে না বলে জনগণের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, গত ৫ আগস্টের পর পুলিশের যে অবস্থা হয়েছে, সে অবস্থা থেকে অনেকটা উত্তরণ ও উন্নতি ঘটেছে। তিনি বলেন, পুলিশের মধ্যে একটা ট্রমা কাজ করেছে। তবে আস্তে আস্তে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। আমাদের আরো কিছুদিন সময় দিতে হবে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে-সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, শুধু কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ক্ষেত্রে নয়, সারের ক্ষেত্রে বিরাট দুর্নীতি হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি। যারা দোষী সাক্যস্ত হবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে দু’একজনকে ইতোমধ্যে কাস্টোডিতে নেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্পর্কে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে কিনা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের কাছে তাদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য নাই। তবে আপনাদের কাছে এ ধরনের তথ্য থাকলে তা দিয়ে আপনারা সহায়তা করতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনাদের পুরস্কৃত করা হবে। তিনি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে সাংবাদিকদের এসব তথ্য খুঁজে বের করার অনুরোধ করেন। উপদেষ্টা এসময় জানান, ৫-৭ আগস্ট কোনো সরকার ছিলো না। সে সময় বেশিরভাগ অপরাধী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার প্রেক্ষিতে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এ বিষয়ে মিডিয়ায় বিস্তারিত বলেছেন। ভারতের সঙ্গে এ সংক্রান্ত আমাদের চুক্তি রয়েছে। এ চুক্তিকে আমরা অবশ্যই অনুসরণ করবো। এসময় বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, রংপুর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদুর রহমান, রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. ইমরান ইবনে এ রউফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে উপদেষ্টা বিজিবি রাজশাহী সেক্টর সদর দপ্তর ও রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১বিজিবি)-এ কর্মরত অফিসারদের জন্য অনুষ্ঠিত দরবারে বক্তব্য রাখেন। তিনি সেখানে হাউজ গার্ড পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। তাছাড়া উপদেষ্টা আজ সকালে নওগাঁ জেলার পতœীতলা উপজেলায় ১৪ বিজিবি পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি কৃষি জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং বিজিবি পরিচালিত কৃষি খামার ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

বাজার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের আহ্বান আসিফ মাহমুদের

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : চট্টগ্রাম, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪ খৃ : দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের উৎস চিহ্নিত করে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।  চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর হতে হবে। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা থাকার পরও আপনারা যদি কাজ করতে না পারেন তাহলে আমরা নতুনদের নিয়ে আসি। আপনাদের রেখে আমরা কী করবো।’  উপদেষ্টা বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে আপনারা বলছেন ভোক্তা অধিকারের আইন কঠোর না, কিন্তু আমাদের তো বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটকের বিধান আছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটগুলোর উৎস চিহ্নিত করে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করতে হবে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগ এবং জেলা দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ আহম্মদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ. এন. এম ওয়াসিম ফিরোজ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই বিপ্লবের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, মোহাম্মদ রাসেল ও জুবাইদুলসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রশাসনকে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। যতবড় ক্ষমতাধরই হোক না কেনো তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে বাজার ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে।  তিনি আরও বলেন, প্রাইভেট সেক্টর ও উদ্যোক্তাদেরকে নিয়ে সিন্ডিকেটকে বাইপাস করে একটা স্থায়ী সমাধানের পথে এগোতে হবে। বিগত কিছু বছর ধরে কৃষি উদ্যোক্তা এবং শ্রমজীবী থেকে শুরু করে তরুণ সমাজ পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। কোন সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী দল যাতে আপনাদের বাঁধা দিতে না পারে সেজন্য সরকার এবং প্রশাসন সর্বোত্তম সহযোগিতা করবে। সরকারের সবগুলো দপ্তরের মাঝে সমন্বয় ঘটাতে হবে উল্লেখ করে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা বলেন, মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। দ্রব্যমূল্য বা আইন শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাঝে জবাবদিহিতা ও সমন্বয় থাকতে হবে। নতুন বাংলাদেশে মানুষের ভোগান্তি কমানোর ক্ষেত্রে আমাদের সর্বোত্তম চেষ্টা করে যেতে হবে। এতে মানুষের মাঝে কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে এবং বৈষম্যহীন এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে কর্মকর্তাদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে জানিয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘টাস্কফোর্স বা ভোক্তা অধিকার আপনারা কয়টা অভিযান চালিয়েছেন, কি পরিমাণ কাজ করেছেন সে বিষয়ে আমি কিছুই পাইনি। আমাকে বাণিজ্য সচিব তিনদিনের টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন পাঠিয়েছিলেন। আমি একদিন সেখানে চট্টগ্রামের নাম পেয়েছি, বাকি দুইদিন চট্টগ্রামের নামই নেই। ৪০-৪৫টা জেলার মধ্যে টাস্কফোর্সের অভিযান হয়েছে কিন্তু চট্টগ্রামে তিনদিনের মধ্যে দুইদিন আসলে কোনো অভিযানই হয়নি। আমার মনে হয় এই জায়গায় আপনাদের সদিচ্ছার ঘাটতি আছে কিংবা সরকারের প্রতি অসহযোগিতার একটা ব্যাপার আছে।’ সমন্বয়করা তাদের বক্তব্যে বলেছেন, দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতির কারণে মানুষের জীবনযাপন কষ্টকর হয়ে উঠেছে। সেজন্য ছাত্ররা নিজ উদ্যোগে আগামীকাল থেকে বাজারে পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার জন্য কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি পণ্য নিয়ে এসে আমরা বাজারজাত করব। রিয়াজউদ্দিন বাজার ও কর্ণফুলী মার্কেটে পণ্য ক্রয়ের রশিদ ব্যবসায়ীদেরকে দোকানের সামনে টাঙিয়ে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও পণ্যের দাম কমানোর ক্ষেত্রে অব্যশই সিন্ডিকেটদের পাশাপাশি যারা স্লিপ বাণিজ্য করে তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালাতে হবে। এরআগে সকালে একদিনের সফরে এসে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এম এ আজিজ স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 

Read More »

আগামী বছরের মধ্যে নির্বাচন করাটা সম্ভব হতে পারে : আসিফ নজরুল

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪ খৃ : নির্বাচনের সময় নিয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।  তিনি বলেন, নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘পলিসি ডিসিশন’ (নীতিনির্ধারণী ঘোষণা)। এর সময় সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে ঠিক হবে। তিনিই একমাত্র নির্বাচনের সময় ঘোষণার এখতিয়ার রাখেন। চ্যানেল আইয়ের ‘আজকের পত্রিকা’ অনুষ্ঠানে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা গত বৃহস্পতিবার রাতে বলেছিলেন, আগামী বছরের মধ্যে নির্বাচন করাটা সম্ভব হতে পারে। তবে এতে অনেকগুলো ‘ফ্যাক্টর’ আছে বলে তিনি মনে করেন। এটি তার প্রাথমিক অনুমান বলেও তিনি জানান। আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো ব্যাখ্যায় আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সম্প্রতি একটি টিভি আলোচনায় আমি বলেছি নির্বাচন হয়তো আগামী বছরের মধ্যে সম্ভব হতে পারে, তবে এ ক্ষেত্রে অনেকগুলো ফ্যাক্টর রয়েছে। সেখানে এসব ফ্যাক্টর পুরোপুরি ব্যাখ্যা করার সুযোগ পাইনি। কিন্তু আমাদের সরকারের কথা থেকে সবাই বুঝবেন যে নির্বাচনের জন্য সংস্কার ও রাজনৈতিক সমঝোতার কথা বলা হয়। এগুলোই সেই ফ্যাক্টর।’ আসিফ নজরুল বলেন, ‘সংস্কারের কথা আমিও অনুষ্ঠানে বলেছি। আরও কিছু ফ্যাক্টর আমি ওই অনুষ্ঠানে ব্যাখ্যা করেছি, যেমন  সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন ইত্যাদি। এসব ফ্যাক্টর ঠিক থাকলে নির্বাচন হয়তো হতে পারে আগামী বছর। বলেছি এটাও আমার প্রাথমিক অনুমান।’ তিনি বলেন, এই শর্তভিত্তিক ধারণা ও অনুমানকে কিছু গণমাধ্যম নির্বাচনের সময় ঘোষণা হিসেবে দেখাচ্ছে। বিনয়ের সঙ্গে তিনি বলছেন, এটা সঠিক নয়।সূত্র. বাসস

Read More »