সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 27, 2024

সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হলেন নেয়ামত উল্যা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪ খৃ. – সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হলেন ড. মো. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া। আজ রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারি সচিব মো.উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়,‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা-৪৯ অনুযায়ী ড. মো. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়াকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ হতে দুই বছর মেয়াদে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য পদে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।’

Read More »

সাবেক ১০ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৭ অক্টোবর ২০২৪ খৃ. – বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পতন হওয়া আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১০মন্ত্রী, দুই উপদেষ্টা, অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতি ও সাবেক এক সচিবসহ মোট ১৪ জনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে (শোন এরেস্ট) আগামী ১৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন পেশ করেন। বর্তমানে অন্য মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা যাদের ট্র্যাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে তারা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, আব্দুর রাজ্জাক, গোলাম দস্তগীর গাজী, শাহজাহান খান, দীপু মনি, ফারুক খান, কামাল আহমেদ মজুমদার, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তৌফিক এলাহি, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়া আলাদা আরেক আবেদনে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানসহ ছয়জনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ট্র্যাইব্যুনালে হাজিরেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে ২০ নভেম্বর হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। অপর একটি আবেদনে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানসহ ১৭ জন পুলিশ কর্মকর্তার বিষয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এখানে বাকি আসামিদের নাম প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের (পুরাতন) মূল ভবনের সংষ্কার কাজ চলমান থাকায় ভবন সংলগ্ন (অস্থায়ী) ট্রাইব্যুনালে আজ বেলা সাড়ে বারোটায় আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অন্য মামলায় গ্রেফতার থাকা ১৪ জনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ট্র্যাইব্যুনালে হাজিরের আবেদন করেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল ১৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আগামী ১৮ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন তিনটি আবেদন পেশ করে। আদালতে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সাথে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম ও বি এম সুলতান মাহমুদসহ অন্য প্রসিকিউটররা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন নির্মূলে গত ৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে প্রসিকিউশন অফিসে ৭৫টির মতো অভিযোগ জমা পড়ে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা বরাবরও অভিযোগ জমা পড়ছে। গত ১৭ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম আজ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আজ তিনটি আবেদন পেশ করেছি। শুনানি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দেয়। তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে হত্যা গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তাদের বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আমরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। কোন নিরাপরাধ ব্যক্তি যেন কোনরূপ হয়রানির শিকার না হোন সে বিষয়ে আমরা সচেতন থাকবো।

Read More »

বাংলাদেশি সাংবাদিকরা ব্যক্তিগত পর্যায়ে এআই ব্যবহার করলেও নিউজরুমে পিছিয়ে : সমীক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বাংলাদেশের অনেক সাংবাদিক ব্যক্তিগত কাজের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করলেও নিউজরুমের কার্যক্রমে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের হার এখনও খুব কম বলে নতুন এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশের ২৫টি সংবাদমাধ্যমের ৫৩ জন সাংবাদিকের উপর পরিচালিত একটি জরিপের ফলাফল এবং ১৩ জন সম্পাদক এবং সংবাদমাধ্যম সিদ্ধান্তগ্রহীতাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ফোকাস গ্রুপ আলোচনা এবং বিষয় বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকার নিয়ে করা “মিডিয়া মেটামরফোসিস: এআই এবং বাংলাদেশি নিউজরুম ২০২৪” শীর্ষক এই মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এর উদ্যোগে ডিজিটালি রাইট-এর সহযোগিতায় এবং এশিয়া ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত এই মূল্যায়নে বাংলাদেশে সংবাদ মাধ্যমের মধ্যে এআই ব্যবহারের ধরণ, নৈতিক চিন্তাভাবনা এবং সংবাদ মাধ্যমগুলোতে আরও বেশি এআই ব্যবহারে জন্য প্রয়োজনীয় কার্যাদি ও ঘাটতির বিষয়গুলো তুলে আনা হয়েছে। আজ শনিবার ঢাকার দ্য ডেইলি স্টার অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এর ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। এতে সম্পাদক, সংবাদমাধ্যম সিদ্ধান্তগ্রহীতা, সংবাদমাধ্যমের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের প্রধান, সাংবাদিক, সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, ফ্যাক্ট-চেকার এবং সুশীল সমাজ ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ডিজিটালি রাইট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ আহমেদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস-এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মালিহা তাবাস্সুম যৌথভাবে এ মূল্যায়ন ফলাফল উপস্থাপন করেন। জরিপকৃত সাংবাদিকদের অর্ধেকেরও বেশি (৫১%) তাদের কাজের জন্য এআই ব্যবহার করেছেন তবে নিউজরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে এআই ব্যবহারের হার বেশ কম (২০%) বলে জরিপে পাওয়া গেছে। এআই ব্যবহারকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল চ্যাটজিপিটি যার ব্যবহার হার ৭৮%। এরপর রয়েছে গ্রামারলি (৫২%) এবং গুগল ট্রান্সলেট (৪৪%)। অন্যান্য জনপ্রিয় টুলগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যানভা (৩৭%), গুগল জেমিনি (১৯%), ডাল-ই এবং অ্যাডোবি সেনসেই (প্রতিটি ১৫%), মিডজার্নি, টেবুলাও, ফ্যাক্টমাটা এবং টার্নিটিন (প্রতিটি ৭%)। এছাড়া অন্যান্য টুলস ব্যবহার করেছেন ১১% সাংবাদিক। ব্যাকরণ ও লেখার ধরন উন্নত করার জন্য বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলো সমন্বিতভাবে এআই ব্যবহার করছে সবচেয়ে বেশি (৫২%)। এর পাশাপাশি গবেষণা ও ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাইয়ে এআই ব্যবহারের হার ৪৮%। স্বাগত বক্তব্যে এমআরডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমের ডিজিটাল রূপান্তরে সহায়তায় এই উদ্যোগটি এমআরডিআই-এর কৌশলগত উদ্দেশ্যগুলোরই একটি অংশ। সংবাদমাধ্যমে বর্তমানে এআই ব্যবহারের ধরন, কারা কী ধরনের এআই ব্যবহার করছেন এবং ভবিষ্যতে কী করা যেতে পারে তা নিরূপণ করাই এই সমীক্ষার উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি। মূল উপস্থাপনায় মিরাজ আহমেদ চৌধুরী এআই ব্যবহারের নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে ডিসক্লোজারের ভূমিকা এবং এআই প্রয়োগের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের নিউজরুমে এআই-এর কাঠামোগত সংযোজনের অভাব এবং দৈনন্দিন কাজের প্রবাহে এআই সংযুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন এআই ব্যবহারে তাদের দক্ষতা এবং কন্টেন্টের মান উন্নত হয়েছে এবং ৫২% মনে করেন যে এটি তাদের কাজের চাপ হ্রাস করেছে। অর্ধেক অংশগ্রহণকারী ভবিষ্যতে এআই তাদের সাংবাদিকতার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, এআই ব্যবহারের ফলে সাংবাদিকদের মধ্যে চাকরি হারানোর আশঙ্কা মাঝারি, তবে অতিরিক্ত নির্ভরতা সমালোচনামূলক চিন্তাধারার উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং কন্টেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা কমাতে পারে বলে চিন্তা রয়েছে। সাংবাদিকরা প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রতি বিশেষ করে এআই-কে একটি হুমকি হিসেবে দেখেন যা তাদের উদ্ভাবনের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বলে ফোকাস গ্রুপ আলোচনায় উঠে এসেছে। এছাড়াও বিষয় সংস্লিষ্ট ধারনার অভাব, প্রক্রিয়ার পরিবর্তে ফলাফলের দিকে মনোযোগ, এআইকে কিভাবে কর্মপ্রবাহে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে ও এসংক্রান্ত নির্দেশিকার বিষয়ে বোঝার ঘাটতি এবং ভুল করার ভয় যা উদ্ভাবনের ইচ্ছাকে দমিয়ে রাখে- এই বিষয়গুলোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে বেশিরভাগ সাংবাদিকই এআই এর নৈতিক সচেতনতার বিষয়ে অসচেতন বলে প্রকাশ পেয়েছে এই সমীক্ষায়। এআই ব্যবহার সংক্রান্ত নৈতিকতার বড় বাঁধাগুলোর মধ্যে রয়েছে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সহায়তার অভাব (৮৫%), এআই সম্পর্কে ধারণার অভাব (৭৪%), বাজেট সীমাবদ্ধতা (৪৭%) এবং স্পষ্ট নৈতিক নির্দেশিকার অভাব (৪৫%)। মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহনকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন যেখানে এর সুবিধা এবং ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত উদ্বেগ উভয় বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হয়। ব্যবস্থাপনার তরফ থেকে এআই গ্রহণের প্রতি মৌখিক সমর্থন এবং প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাজেটের ক্ষেত্রে অনীহা সকল সংবাদমাধ্যমের একটি উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। এছাড়া, এআই দ্বারা তৈরি কন্টেন্টের পাঠক/দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা এআই ব্যবহারের জন্য একটি প্রকাশনীতি বাস্তবায়ন, অভ্যন্তরীণ নির্দেশিকা তৈরি, একটি ডেডিকেটেড পাঠ্যক্রম প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যক্রমে এআই বিষয়াবলী অন্তর্ভুক্ত করা এবং কন্টেন্ট তৈরি ছাড়াও ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা, বিজ্ঞাপন এবং এসইও অপ্টিমাইজেশনের মতো এলাকায় এআই-এর সুযোগগুলো তুলে ধরার সুপারিশ করেন। এআই নিউজরুমের উন্নয়নের জন্য বড় ভূমিকা পালন করতে পারে জানিয়ে গাইডলাইন প্রণয়ন, স্বচ্ছ এআই ডিসক্লোজার প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার আয়োজন এবং সাংবাদিকতা শিক্ষাকে আধুনিকায়নের সুপারিশ উঠে এসেছে সমীক্ষায়। সুত্র. বাসস

Read More »