সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: December 14, 2024

১৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ : জরুরি মামলা শুনানিতে অবকাশকালীন বেঞ্চ

সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ, সরকার ঘোষিত ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ দিন পর আগামী ২ জানুয়ারি থেকে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রমে ফিরবে সুপ্রিম কোর্ট। এ সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ের মধ্যে জরুরি মামলা সংক্রান্ত বিষয়াদি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে বেশকটি বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। হাইকোর্ট বিভাগে জরুরী মামলা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে কয়েকটি বেঞ্চ গঠন সংক্রান্ত বিস্তারিত সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। বিচারপতি কে, এম, কামরুল কাদের ও বিচাররতি মো. আবদুল মান্নান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে অতীব জরুরি দেওয়ানি মোশন বিষয়ে শুনানি ও নিষ্পত্তি হব। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখের পূর্বে দায়েরকৃত, স্থানান্তরিত বা চলমান সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমা বা কার্যধারা এ বেঞ্চেই শুনানি ও নিষ্পত্তি হবে। বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে অতীব জরুরি সকল প্রকার রিট মোশন সংক্রান্ত শুনানি হবে। বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি মো. যাবিদ হোসেন সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং আইন সংক্রান্ত বিষয়াদিসহ ডিভিশন বেঞ্চে গ্রহণযোগ্য অতীব জরুরী ফৌজদারি মোশন, ফৌজদারি আপিল মঞ্জুরীর আবেদন এবং এ সংক্রান্ত জামিনের আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন। বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি এ, কে, এম, রবিউল হাসান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক, কাস্টমস, ইনকামট্যাক্স, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অর্থ ঋণ আইন সংক্রান্ত বিষয়াদিসহ অতীব জরুরি সকল প্রকার রিট মোশন শুনানি করবেন। বিচারপতি আহমেদ সোহেলের একক বেঞ্চ অতীব জরুরি আদিম অধিক্ষেত্রাধীন বিষয়, সাকসেশন আইন, বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, প্রাইজ কোর্ট বিষয়সহ এ্যাডমিরেলটি কোর্ট আইন সংক্রান্ত রুল ও আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন। বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলাম ও বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং আইন সংক্রান্ত বিষয়াদিসহ গ্রহণযোগ্য অতীব জরুরি ফৌজদারি মোশন শুনানি করবেন। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট একক বেঞ্চ অতীব দেওয়ানি মোশন এবং একক বেঞ্চে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং আইন সংক্রান্ত বিষয়াদিসহ অতীব জরুরি সকল প্রকার ফৌজদারি মোশন শুনানি করবেন। বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেনের হাইকোর্ট একক বেঞ্চ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানি লন্ডারিং আইন সংক্রান্ত বিষয়াদি ছাড়া একক বেঞ্চে গ্রহণযোগ্য ফৌজদারি বিষয় শুনানি করবেন।

Read More »

সারাদেশে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস।  ১৯৭১ সালের এইদিনে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধা শূন্য করতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এই দেশীয় দোসররা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। এদিন দেশের সূর্য সন্তান শিক্ষক, বিজ্ঞানী, চিন্তক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, ক্রীড়াবিদ, সরকারি কর্মকর্তাসহ দেশের বহু কৃতী সন্তানকে হত্যা করা হয়।  স্বাধীনতার পর থেকে ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। আজ সারাদেশে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।  বিদেশে বাংলাদেশের হাইকমিশন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ছাত্র সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ রায়ের বাজার বধ্যভূমি, মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধসহ বিভিন্ন স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।  এছাড়াও আলোচনা সভা, মৌন মিছিল ও বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও  দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।  ইসলামাবাদস্থ  বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযথ মর্যাদায় আজ ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ, আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী এতে অংশ নেন। আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাইকমিশনার ইকবাল হোসেন খান ও উপ হাইকমিশনার  মোঃ আমিনুল ইসলাম খান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)  ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এক  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। সভার শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ এবং শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এতে শহিদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সাজেদা বানু । তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবী ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. গিয়াসউদ্দিন আহমেদের বোন।  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) পক্ষ থেকে আজ সকালে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।  এসময় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীম উদ্দিন খান ও প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, ইউজিসি সচিব ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশন বিভাগের পরিচালক মোছাঃ জেসমিন পারভীনসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।  শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে সকাল ৮:০০ টায় মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল ১০:০০ টায় রায়ের বাজার বধ্যভূমি শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এ সময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, রেজিস্ট্রার, ডিন, পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে আজ ভোরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোল, কালো ব্যাজ ধারণ এবং দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস ভবনসমূহে বিভিন্ন ব্যানার প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও যোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশে বাউবি’র আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিকে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে কোরআন খানি ও আলোচনা সভা এবং  বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মো: মিজানুর রহমান। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।  শহিদ বুদ্ধজীবী দিবস উপলক্ষে সামাজিক সংগঠন আমরা একাত্তর, ডিসেম্বর ১৯৭১ উদযাপন পরিষদ,  বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, ছায়ানট ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।  এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ বুদ্ধজীবী পরিবারের সদস্য, ছাত্র, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ ব্যক্তিগত উদ্যোগে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। 

Read More »

গুমে শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা পেয়েছে কমিশন : র‌্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন (দ্য কমিশন অব এনকোয়ারি অন এনফোর্সড ডিসাপিয়ারেন্স) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। ‘আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ’ শিরোনামে জমা দেওয়া রিপোর্টে কমিশন সদস্যরা এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ১,৬৭৬টি অভিযোগের মধ্যে ৭৫৮ জনের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করেনব বলে জানানো হয়। গুমের ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে কমিশন। এ ছাড়াও হাসিনা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং পুলিশ কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরুসহ র‌্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে কমিশন। কমিশন প্রধান মইনুল ইসলাম চৌধুরী জানান, গুমের সাথে জড়িত কর্মকর্তারা কাজটি এমনভাবে করেছেন যাতে এগুলো শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়। বিভিন্ন ফোর্স নিজেদের মধ্যে ভিকটিম বিনিময় করেছে এবং পরিকল্পনা ভিন্ন ভিন্নভাবে বাস্তবায়ন করেছে। তিনি আরও জানান, গুমের শিকার অনেকে এখনো শঙ্কামুক্ত হতে পারছেন না। তাদের ওপর এতটাই ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হয়েছে যে তারা এখনো ট্রমায় ভুগছেন। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সর্বশেষ বক্তব্যে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও সঠিক বিচারের আশ্বাস দেওয়ার পর রিপোর্টের সংখ্যা অনেক বেড়েছে উল্লেখ করে কমিশনের সদস্যরা অধ্যাপক ইউনূসকে আয়নাঘর পরিদর্শনের অনুরোধ জানান। তারা বলেন, ‘আপনি আয়নাঘর পরিদর্শন করলে ভিক্টিমরা অভয় পেতে পারেন।’ প্রধান উপদেষ্টা তাদের এ অনুরোধে সম্মতি দিয়ে জানান, স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল যা আয়নাঘর নামে পরিচিতি পেয়েছে সেগুলো দেখতে যাবেন। তিনি কমিশন সদস্যদের তাদের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং কাজটি এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতার আশ্বাস দেন। কমিশন প্রধান মইনুল ইসলাম চৌধুরী জানান, তারা তিন মাস পর মার্চে আরও একটি ইন্টেরিম রিপোর্ট দেবেন। কাজটি শেষ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে কমপক্ষে আরও এক বছর সময় প্রয়োজন বলে জানান তিনি। কমিশনের সদস্য হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, মানবাধিকারকর্মী নূর খান, র্ব্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস ও মানবাধিকার কর্মী সাজ্জাদ হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ।

Read More »

বিনামূল্যে ৪৮ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, দৈনিক ভাতাও দেবে সরকার

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ৪৮ জেলায় শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য লাগবে না কোনো ফি। উল্টো দৈনিক মিলবে ২০০ টাকা করে ভাতা। প্রশিক্ষণ শেষে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থী সনদপত্র পাবেন। সম্প্রতি জারি করা এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৮টি বিভাগের ১৬টি জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ চলমান। এসব জেলায় ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে বিনা মূল্যে ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্প’–এর আওতায় এবার দেশের ৮টি বিভাগের ৪৮টি জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে নতুন বছরের প্রথম দিন (১ জানুয়ারি ২০২৫) থেকে। জেলাগুলো হলো ঢাকা বিভাগে নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর; ময়মনসিংহ বিভাগে ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা; চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া; রাজশাহী বিভাগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ; খুলনা বিভাগে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া; রংপুর বিভাগে রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়; বরিশাল বিভাগে বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা; সিলেট বিভাগে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার।

Read More »