সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 1, 2025

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম রংপুর মহানগর শাখার শান্তিপুর্ণ মিছিল

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম রংপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে নগরীরতে শান্তিপুর্ণ মিছিল বের করা হয়। গতকাল (২৮ ফ্রেব্রুয়ারি) বাদজুম্মা রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে শান্তিপুর্ণ মিছিলে অংশ গ্রহন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম রংপুর মহানগর শাখার আমীর এটিএম আজম খান, সেক্রেটারী আনোয়ারুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক এাড. কাওসার আলী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মিছিলটি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সামন থেকে শুরু করে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রংপুর শাপলা চত্বর গিয়ে শেষ হয়। ৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃ

Read More »

রংপুরে পবিত্র রমজান উপলক্ষে অতি দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভসেস টোয়েফর ডটকম: রংপুরে পবিত্র রমজান উপলক্ষে অতি দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। (২৮ ফেব্রুয়ারি) শুকৃবার বিকাল ৩টায় নগরীর কামারপাড়া ইদগাহ মাঠে সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিট্রারিয়ান এইড এন্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে সুনবুলাহ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (এস.ডাব্লিউ.এ) ঢাকা বাংলাদেশ এর বাস্তবায়নে কামারপাড়া কুতুবিয়া জামে মসজিদ এর সভাপতি ও ঈদগাহ মাঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, একে এম দৌলত আকবর দুলাল এর সহযোগিতায় রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানাধীন কামার পাড়া এলাকায় প্রায় ৩০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরণ অনুুষ্ঠানে সৌদি সরকার ও সুনবুলাহ ওয়েলফেয়ারে পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আবদুল্লাহ বিন ওসমান ঘানি, কামারপাড়া কুতুবিয়া জামে মসজিদের খতিব মওলানা আশরাফুল আলম, প্রভাষক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, সদ্য পুস্কুরনী ইউনিয়ন সচিব সাইফুর রহমান বাবু , বিশিষ্ট সাংবাদিক মমিনুল ইসলাম রিপন, মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা হেলাল হোসেন ভুট্টু, হেলাল মাহামুদ , বিশিষ্ট সমাজে সেবক কামরুল হাসান বকুল, জাহিদুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, ফরহাদ হোসেন নয়ন, আফজাল হোসেন রনি, প্রমুখ।

Read More »

সনাতনীদের ধর্মীয় পরিচয় যেন কেউ নিজেদের হীনস্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে: তারেক রহমান  

অভি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : চট্টগ্রাম, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খৃ. – সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় পরিচয়কে ভবিষ্যতে যাতে আর কেউ নিজেদের হীনস্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার জন্য সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর জে এম সেন হলে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরো বলেন, গত ১৭ বছর সনাতনীদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সত্যিকার অর্থেই এই গভীর সত্যটি যদি সনাতন ধর্মের অনুসারীগণ বুঝতে পেরে থাকেন, অবশ্যই এটি আপনাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলব্দি। শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান অধ্যাপক প্রদীপ কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।   বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রমতে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টম তিথিতে জন্ম নিয়েছিলেন হিন্দু ধর্মের প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ। হিন্দু ধর্মের অবতার শ্রীকৃষ্ণ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে মথুরায় এমন এক সময় জন্মগ্রহন করেন যখন মথুরার ক্ষমতায় ছিল অত্যাচারী নিষ্ঠুর শাসক কংস। গত একদশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কংসের মত নৃশংস স্বৈরাচারি শাসক জনগণের ওপর জগদ্বল পাথরের মতন চেপে বসেছিল। দল মত ও ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে গণতন্ত্রকামী বীর জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পালায় সেই কংসরূপী নৃশংস গণহত্যাকারী স্বৈরাচারী।  তিনি বলেন, সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু এটি কোন একটি দেশের জনসংখ্যার চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ের জন্য কেবলমাত্র একটি শব্দ, এরচেয়ে বেশি কিছু নয়। এই বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের একটাই পরিচয়, আমরা বাংলাদেশী, এই বাংলাদেশ আমাদের সবার। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সকলক্ষেত্রে সমঅধিকার ভোগ করবে। এটাই বিএনপির নীতি, এটাই বিএনপির রাজনীতি। তারেক রহমান বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং আমাদের দল বিএনপি বিশ্বাস করে, দল-মত, ধর্ম-দর্শন যার যার, রাষ্ট্র কিন্তু সবার। ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। সুতরাং এই নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের সবার সামনে আগামী জাতীয় নির্বাচন একটি বিরাট সুযোগ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার জন্য বিএনপি আপনাদের সমর্থন ও সহযোগীতা চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, স্বৈরাচার পালালেও গণতন্ত্র কিন্তু এখনো শংকামুক্ত নয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র কিন্তু অব্যাহত রয়েছে। পলাতক স্বৈরাচারের দোসররা নানা কৌশলে পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার প্রচেষ্টায় প্রতিনিয়ত লিপ্ত। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ সংসদ এবং সরকার যতক্ষণ না গঠিত হবে ততক্ষণ পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়।  তিনি বলেন, গত দেড় দশকে বিতাড়িত স্বৈরাচারের সময়ে দেশের সংখ্যালঘু কেন্দ্রিক প্রত্যেকটি ঘটনা নিবিড়ভাবে তদন্ত করলে স্পষ্ট হয়ে যাবে, অধিকাংশ ঘটনার নেপথ্যে ছিল অবৈধ লোভ-লাভের জন্য দুর্বলের ওপরে সবলের হামলা, কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।  প্রধান বক্তার বক্তেব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আপনারা লক্ষ্য করবেন শেখ হাসিনা পলায়নের পরে দেশের মধ্যে চরম বিভক্তি, অস্থিরতা, আনন্দ একসাথে বিরাজ করছিল, সহনশীলতার প্রশ্ন আসছিল। তখন তারেক রহমান সাহেবের একটি বক্তব্য আপনারা কতজন শুনেছেন আমি জানিনা। উনি বলেছেন যুদ্ধে যারা জয়ী হয় সেই জয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে যাবে যদি পরাজিতদের নিরাপত্তা দেওয়া না যায়, সুতরাং যুদ্ধ শেষে যদি আপনি পরাজিতের নিরাপত্তা দিতে না পারেন সেটা ম্লান হয়ে যায়। সেই জাতি কোনদিন সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে না। বিএনপির রাজনীতির যে ভাবনা ও দর্শন, যে আকাঙ্ক্ষা তার একটুখানি আমি তুলে ধরলাম।  তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিগত বছরগুলোতে এমন একটি বিভক্তির রাজনীতি হয়েছে, ধর্ম ও জাতিগত বিভক্তি, রাজনৈতিক বিভক্তির মাধ্যমে কোন দল ও ব্যক্তি স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই বিভক্তির মধ্যে পড়েছিল দেশ। বাংলাদেশের মানুষের সেখান থেকে বেরিয়ে আসার আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবের আজকের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ, নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, শ্রী উমেষানন্দ গিরি মহারাজ, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইস্রাফিল মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ। 

Read More »

‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশ- নেতৃত্বে নাহিদ ও আখতার

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খৃ. – তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের ঘোষণা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি)। জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন এই রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিশাল এক জনসভার মধ্য দিয়ে এ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ হয়। জুলাই শহীদ মো. ইসমাইল হোসেন রাব্বির বোন মিম আক্তার জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নাম ঘোষণা করেন। পরে আংশিক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন আখতার হোসেন। নতুন এ কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা ও নাহিলা সারওয়ার নিবা, মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ (দক্ষিণাঞ্চল) ও সারজিস আলম (উত্তরাঞ্চল), মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে আব্দুল হান্নান মাসউদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সকাল থেকেই স্লোগানে স্লোগানে মিছিল নিয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা। নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পতাকা হাতে নিয়ে, মাথায় পতাকা বেঁধে মিছিল নিয়ে তাদেরকে উচ্ছ্বাস করতে দেখা গেছে। বিকেল সাড়ে ৪টায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারেক রেজার কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের মূল পর্ব শুরু হয়। এরপর অন্যন্য ধর্মগ্রন্থসমূহ পাঠ এবং জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। তারপর জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহীদদের স্বরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং জুলাই অভ্যত্থানের ওপর নির্মিত ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়েছে। পরে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আকবর খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন্দ ও হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের নির্বাহী সভাপতি মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, খেলাফত মজলিসের নেতা আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব সাখাওয়াত হোসেন রাজী, ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আজহারুল ইসলাম, এবি পার্টির নেতা দিদারুল আলম ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল। অনুষ্ঠানে কূটনীতিবিদদের মধ্যে ঢাকায় ভ্যাটিকান সিটির রাষ্ট্রদূত কেভিন এস রেন্ডাল, পাকিস্তান হাই কমিশনের কাউন্সেলর কামরান ধাঙ্গালও এসেছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মাধ্যমে এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জেঁকে বসা ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটিয়েছে। কিন্তু আমাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই নতুন স্বাধীনতা কেবল একটি সরকার পতন করে আরেকটি সরকার বসানোর জন্যই ঘটেনি।’ জাতীয় নাগরিক পার্টি হবে একটি গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল। রাজনীতিতে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান হবে না। তিনি বলেন, ‘জনগণ বরং রাষ্ট্রের আষ্টেপৃষ্ঠে জেঁকে বসা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আকাঙ্ক্ষা থেকে এই অভ্যুত্থানে সাড়া দিয়েছিলো, যেন জনগণের অধিকারভিত্তিক একটি রাষ্ট্র পুনর্গঠিত হয়। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিচ্ছি।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, সারাদেশের মানুষের কাছে আহ্বান থাকবে আজকের তরুণরা যে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে আপনারা সবাই দোয়া করবেন যেন মহান রব্বুল আলামীন, মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের এই তরুণদের স্বপ্নকে বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করার তৌফিক দান করেন। এই তরুণরা যেন তাদের নেতৃত্বে যারা বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে সেই খুনী, গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসরদের বিচার করতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশে ৫৪ বছর পরে আমরা যে সুযোগ পেয়েছি, এতে একটি নতুন সংবিধানের বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, এই তরুণরা স্বপ্ন দেখে আগামীর বাংলাদেশ এক নতুন সংবিধানের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পাটির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, জুলাই এর আন্দোলনে আমরা সকল শ্রেণীর মানুষ খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করেছি। আমরা শুধু আপানাদের একটা কথা বলতে চাই, ৫ আগস্টে খুনি হাসিনা পালিয়ে যাবার পর দেশ গঠনের যে স্বপ্নগুলো দেখেছিলাম সেই স্বপ্ন পুরণের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যদি সম্মানবোধ থাকে আগামীর বাংলাদেশ হবে অপ্রতিরোধ্য। খুনি হাসিনা রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো নিজ হাতে ধ্বংস করে দিয়েছে। সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলো সংস্কার করতে হবে। এসকল প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেই মানুষদের বসাতে হবে যারা যোগ্য। কোন ‘মাই ম্যান’কে বসানো যাবে না। এই খুনি হাসিনার বিচারের ব্যাপারে আমাদের   ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোন অপরাধীর জন্য যেন কেউ সুপারিশ না করি। নতুন রাজনৈতিক দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যতদিন না পর্যন্ত এদেশ থেকে পরিবারতন্ত্র কবরস্থ হবে, আমরা ততদিন লড়ে যাবো। এদেশে কামারের ছেলে মন্ত্রী হবে, কুমারের ছেলে প্রধানমন্ত্রী হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশের নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, এখানে ভেদাভেদ থাকবে না, মতামত-দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে। তিনি বলেন, বিদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকবে কিন্তু প্রেসক্রিপশনের সম্পর্ক থাকবে না। আমরা সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই। নতুন রাজনৈতিক দলের সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে গণতন্ত্রের বাংলাদেশ। তরুণরা নেতৃত্ব দিয়ে চাঁদাবাজ ও দখলদারমুক্ত বাংলাদেশ গড়বে। আগামীর বাংলাদেশে আর আগের মতো রাতে ভোট হবে না। সব দলমত নির্বিশেষে সুখে শান্তিতে বসবাস করবে। আজ যেভাবে রাজনৈতিক দলগুলো এখানে এসেছে, আগামী দিনে ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে সব দল মিলে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে। এটা দেশবাসীর কাছে আমাদের প্রতিশ্রুতি। নতুন এ কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসাবে নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, মাহবুব আলম, সারওয়ার তুষার, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, তুজরুবা জাবিন, সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, ড. আতিক মুজাহিদ, আশরাফ উদ্দিন মাহদি, অর্পিতা শ্যামা দেব, তানজিল মাহমুদ, অনিক রায়, খালেদ সাইফুল্লাহ, জাবেদ রাসিম, এহতেশাম হক এবং হাসান আলীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যুগ্ম সদস্য সচিব হিসাবে আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফ সোহেল, রশিদুল ইসলাম রিফাত, মাহিন সরকার, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, আকরাম হোসাইন, এস এম সাইফ মুস্তাফিজ, সালেহ উদ্দিন সিফাত (দপ্তরে সংযুক্ত), আলাউদ্দিন মুহাম্মদ, ফরিদ উদ্দীন, মোহাম্মদ ফারহাদ আলম ভুইয়া, মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া, লুৎফর রহমান, মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম তুহিন, মুশফিকুর সালেহিন, ড. জাহিদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম মুসা, হুমায়রা নুর, মুশফিকুর রহমান জুহান, মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, শাগুপ্তা বুশরা বিসমা, আহনাফ সাঈদ খান, আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন, মীর আরশাদুল হক, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, তারেক রেজা, মশিউর রহমান, জয়নাল আবেদিন শিশির, মোহাম্মদ মুনতাসির রহমান, গাজী সালাউদ্দিন তানভীর, তামিম আহমেদ এবং তাহসিন রিয়াজের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। যুগ্ম মূখ্য সংগঠন দক্ষিণাঞ্চলের দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতু, মোল্লা রহমতুল্লাহ, এম এম শাহরিয়ার, জোবায়ের আরিফ দায়িত্ব

Read More »