সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 8, 2025

ম্যাটস শিক্ষার্থীদের ৪ দফা দাবিতে রংপুর বিভাগীয় সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ম্যাটস শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি নিয়ে মিথ্যাচার ও কটূক্তির প্রতিবাদে রংপুর বিভাগীয় সংবাদ সম্মেলন করেছে সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ। শনিবার বিকেলে রংপুর নগরীর এনজিও ফোরাম হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশন রংপুর জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ মোঃ রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ আব্দুল মতিন , কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ ওমর ফারুক। এ সময় বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশন ও ডিপ্লোমা মেডিকেল প্রাইভেট প্র্যাকটিশনার এসোসিয়েশন শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি ঐক্যমত প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেয়। সংবাদ সম্মেলনে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা চার দফা দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে, ১। শূন্য পদে দশম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া। ২। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পদ সৃজন। ৩। কোর্স কারিকুলাম সংশোধন এবং ইন্টার্নশিপ ভাতা প্রদান। ৪। প্রস্তাবিত হেলথ প্রফেশনাল বোর্ড বাতিল করে স্বতন্ত্র মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড গঠন ও বিএমএন্ডডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা। বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুই দফা প্রতিশ্রুতি দিলেও এসব দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। বরং, কিছু এমবিবিএস গ্রাজুয়েশন চিকিৎসক উচ্চ আদালতের বিচারাধীন বিষয়ে হস্তক্ষেপের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, যা নিন্দনীয়। বৈষম্যের শিকার ডিপ্লোমা চিকিৎসকরা সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, কর্মক্ষেত্রে এমবিবিএস ডাক্তারদের বৈরী আচরণের কারণে ডিপ্লোমা চিকিৎসকরা নানাভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সকল প্রকার বৈষম্য দূর করবে এবং তাদের দাবি মেনে নেবে। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ম্যাটস শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

রংপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে ”অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন: নারী ও কন্যার উন্নয়ন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে রংপুর জেলা প্রশাসন ও উপ পরিচালকের কার্যালয়, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর রংপুর এর আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সেলাইমেশিন বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (৮ মার্চ) শনিবার সকাল ১০ টায় রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখের রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম এনডিসি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মজিদ আলী, রংপুর জেলা প্রলিশ সুপার মোঃ আবু সাঈম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রমিজ আলম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর রংপুরের উপ পরিচাল মোছাঃ সেলোয়ারা বেগম, হিসাব রক্ষক হাসানুর ইসলাম, স্বর্ন নারী এসোসিয়েশন রংপুরের সভাপতি মঞ্জুশ্রী শাহা, শহীদ জননী সামসি আরা কলি, টিআইবি (সনাক) প্রতিনিধি সামসাদ বেগম, ডাঃ সমর্পিতা ঘোষ তানিয়া, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রংপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ রুমানা জামান, নাগরিক উদ্যোগ এর এরিয়া সমন্বয়কারী শিল্পী রানী সরকার, একাউন্স এন্ড এডমিন রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর, দেবী চৌধুরানী পল্লী উন্নয়ন কেন্দ্র রংপুরের সমন্বয়কারী মোঃ ইকবাল হোসেন, আরডিআরএস বাংলাদেশ এর ডিষ্ট্রক কো অডিনেটর মেজবাহুন নাহার, সীড এর নির্বাহী পরিচালক শারতি সাহা, ব্র্যাক আইডিপির ডিষ্ট্রিক কো অডিনেটর একেএম জাহিদুল ইসলাম, এডাব এর প্রতিনিধি আহসান হাবিব রবু । এ সময় রংপুরের দলিত নারী প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠা ও এনজিও প্রতিনিধি, আরজেএমএফ, কমিউনিটি প্যারালিগাল রংপুর সদর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি ১০ জন নির্বাচিত নারীকে সেলাইল মেশিন বিতরণ করেন।

Read More »

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ১৫ ব্যক্তিকে সাক্ষ্য দেয়ার আহ্বান তদন্ত কমিশনের

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৮ মার্চ, ২০২৫ খৃ. ঢাকায় পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে (বর্তমানে বিজিবি) ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত হত্যাকাণ্ড বিষয়ক জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন ঘটনার তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ১৫ জন ব্যক্তিকে সাক্ষ্য দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে কমিশন উপরোক্ত ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম এই বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন করতে চায় বিধায় সাক্ষীগণকে তাদের সুবিধানুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে প্রস্তাবিত সময়সূচি ফোন অথবা ই-মেইল অথবা পত্রের মাধ্যমে কমিশনের ঠিকানায় লিখিতভাবে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে যাদের সাক্ষ্য গ্রহণ অপরিহার্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, জামালপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা আজম, ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ৪৪ রাইফেল ব্যাটালিয়নের তৎকালীন অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ শামসুল আলম, সাবেক ডিজি ডিজিএফআই লে. জেনারেল (অব.) মোল্লা ফজলে আকবর, সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল (অব.) মঈন উ আহমেদ, সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক ডিজি র‌্যাব ড. হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল কাহ্হার আকন্দ, সাবেক পুলিশ মহা-পরিদর্শক নুর মোহাম্মদ, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কমিশনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে পারবেন। সাক্ষ্য দিতে আগ্রহী ব্যক্তিগণ +৮৮০১৭১৪০২৬৮০৮ মোবাইল নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করে অথবা commission@bdr-commission.org  ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাক্ষাতের সময়সূচি নির্ধারণ করে কমিশনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে পারবেন। এছাড়া, আগ্রহী ব্যক্তিগণ অনলাইনেও সাক্ষ্য দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে, +৮৮০১৭১৪০২৬৮০৮ মোবাইল নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করে অথবা commission@bdr-commission.org  ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাক্ষাতের সময়সূচি নির্ধারণ করে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে  পারবেন। কমিশনের সরাসরি যোগাযোগের ঠিকানা-বিআরআইসিএম, ভবন ৭ম তলা, (সায়েন্স ল্যাবরেটরি) ড. কুদরত-ইখুদা রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫। বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সাক্ষীগণের অসহযোগিতার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আইন অনুযায়ী কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সুত্র. বাসস/

Read More »

লিগ্যাল এইড’র মাধ্যমে ৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা শ্রমিকদের অনুকূলে ক্ষতিপূরণ আদায়

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৮ মার্চ, ২০২৫ খৃ. – জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে ৬ কোটি ৬৩ লাখ ২৬ হাজার ২১৫ টাকা শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেয়া হয়েছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।  ২০০৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড’র মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য এ আইনি সেবা প্রদান শুরু হয়। পরবর্তিতে সুপ্রীমকোর্ট, ঢাকা ও চট্রগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, দেশের কারাগারগুলোতে এ সেবা চালু হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, লিগ্যাল এইড-এ ঢাকা ও চট্রগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ২৯ হাজার ৭৫ জনকে সরকারি খরচায় আইনি সেবা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ হাজার ৩৬৩টি আইনি পরামর্শ সেবা দেয়া হয়। ৪ হাজার ৪১২ মামলায় আইনি সহায়তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ৮০১টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৩০০ মামলায়, যার মধ্যে ১৯১৩ মামলা এডিআর-এ নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রি ও পোস্ট কেইসে ৬ কোটি ৬৩ লাখ ২৬ হাজার ২১৫ টাকা শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিয়েছে লিগ্যাল এইড। দেশে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনণকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচায় এ সেবা দেয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সুত্র. বাসস

Read More »

পতিত স্বৈরাচার দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে : প্রধান উপদেষ্টা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৮ মার্চ, ২০২৫ খৃ. – প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। আমাদেরকে এখন ততটাই সতর্ক থাকতে হবে যেমনটা আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে ছিলাম।  তিনি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে সামাজিক ঐক্য গড়ে তুলুন। একে অন্যের পাশে দাঁড়ান। একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়তে সরকারকে সহযোগিতা করুন।’ আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অধ্যাপক ইউনূস আরো বলেন, ‘আজকের বিশ্বে নারীরা যতটুকু অধিকার আর স্বাধীনতা চর্চা করতে পারছেন এর পুরোটাই তাদের আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সূচনা হয়েছিল নারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশেও নারীরা ন্যায্য অধিকারের জন্য যুগ যুগ ধরে সংগ্রাম করে এসেছে। তেভাগা থেকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নারীসমাজ সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে।’ তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের অনেক বীর নারীদের আমরা ভুলে গেছি, তাদের অবদানের কথা জানি না। কিন্তু জুলাই কন্যাদের নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগের কথা আমরা কিছুতেই ভুলে যেতে দেব না।’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নারীরা বিভিন্ন সময়ে আমাকে তাদের সংগ্রাম ও আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছে। আমরা যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি, নারীদের অংশগ্রহণ ও তাদের অধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া তা সম্ভব হবে না। এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারীদের সাথে পুরুষদেরও সহযোদ্ধা হয়ে কাজ করতে হবে। সমাজে নারীদের ন্যায্য স্থান প্রতিষ্ঠার জন্য পুরুষদেরকে উৎসাহী হয়ে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ’ এ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত পরিবারকে নতুনভাবে গড়তে চাই। যেটা সব বাবা-মা’র, ভাই-বোনের নিশ্চিত ও স্বীকৃত অধিকারের পরিবার। প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস আমাদের নতুন করে নারীদের সংগ্রামের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়, অনুপ্রেরণা আর সাহস যোগায়। সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় যারা কাজ করছেন তাদের প্রতি আহ্বান জানাই, যত বাধাই আসুক না কেন ইতিহাস আমাদের যে সুযোগ করে দিয়েছে, সে সুযোগ আমরা পরিপূর্ণভাবে ব্যবহার করবোই। আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বই। এই আমাদের প্রতিজ্ঞা।’

Read More »

প্রয়োজনীয় সংস্কার, স্বৈরাচারারের বিচার ও পিআর পদ্ধতিতে দূত নির্বাচন আয়োজন করুন – পীর সাহেব চরমোনাই

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংবিধান, নির্বাচন কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে ‘সংস্কার হতেই হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, সংবিধান, নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিচার বিভাগের প্রয়োজনীয় সংস্কার না হলে আগের তিমিরে ফেরত যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। তাই এসব ক্ষেত্রে সংস্কার হতেই হবে। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে চরমোনাইয়ের পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম এ কথাগুলো বলেন। রাজনীতিক, বিদেশি কূটনীতিক, সাংবাদিক, পেশাজীবীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে ওই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নির্বাচনহীন পরিস্থিতি দীর্ঘ হোক, ইসলামী আন্দোলন তা চায় না-—এ মন্তব্য করে রেজাউল করীম বলেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ করতে এবং নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুসৃত সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) নির্বাচন পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘আমরা মনে করি, জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হলে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে। এতে কার্যকর ও যথাযথ প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ গঠিত হবে। নির্বাচনে কালোটাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ হবে।’ চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে চরমোনাইয়ের পীর বলেন, দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর একটি গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রাহুমুক্ত হয়েছে। এখন সময় হলো বাংলাদেশ গড়ার। পতিত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের আমলের অপরাধীদের যথাযথ বিচারেরও দাবি জানিয়েছেন সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ইসলামী আন্দোলনের ইফতার মাহফিলে বিএনপির নেতাদের মধ্যে দলটির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য আবদুল মঈন খান ও সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু যোগ দেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও আবদুল হালিম অংশ নেন। আরও ছিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ ও মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তরুণদের নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ একাধিক নেতা ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ইসলামী দলগুলোর মধ্যে খেলাফত মজলিসের আমির আবদুল বাসেত আজাদ ও মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ইসলামি বক্তা মাওলানা হাফিজুর রহমান, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদসহ অনেক আলেমও ইফতার মাহফিলে যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, আফগানিস্তান, ইরান, ভুটান, কসোভোর কূটনৈতিক মিশনের প্রধান ও প্রতিনিধিরা ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। এ ছাড়া দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন, খবরের কাগজ সম্পাদক মোস্তফা কামালসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকেরা ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।

Read More »

বার কাউন্সিল ও বিজেএস পরীক্ষার ফি কমানোর দাবিতে জবিতে মানববন্ধন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : জাবি ক্যাম্পাস সাভার ঢাকা, বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষা ও বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার ফি কমানোর দাবিতে মানববন্ধন। বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনেছবি: প্রথম আলো বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষা ও বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার ফি কমানো এবং বিজেএসে নন-ক্যাডার পদ চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন অনুষদের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে আইন অনুষদের দুই বিভাগের (আইন বিভাগ, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগে) শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টাকা এবং বিজেএস পরীক্ষার ১ হাজার ২০০ টাকা ‘ফি’ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল নয় এমন অনেক শিক্ষার্থী টিউশনি ও খণ্ডকালীন চাকরির মাধ্যমে পড়াশোনার খরচ চালান। এ ধরনের ‘উচ্চ ফি’ তাদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। এটি আইন পেশায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া, বিজেএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য বিসিএস পরীক্ষার মতো নন-ক্যাডার পদের সুযোগ চালুরও দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী নিপা রাণী বলেন, ‘আমাদের অনেক শিক্ষার্থী টিউশন বা পার্ট-টাইম (খণ্ডকালীন) চাকরির মাধ্যমে নিজেদের খরচ চালান। সাড়ে চার হাজার টাকা ফি দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া আমাদের জন্য কঠিন। এই বৈষম্যমূলক ফি দ্রুত কমিয়ে ২০০ টাকার মধ্যে আনতে হবে।’ আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোশতাক আহমেদ বলেন, ‘অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার মতো বিজেএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রকাশ করতে হবে। এ ছাড়া নন-ক্যাডার পদের মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য আইনি সংস্থায় নিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে হবে।’ শিক্ষার্থীরা বলেন, ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বার কাউন্সিলের পরীক্ষা ও বিজেএস পরীক্ষার ফি অবশ্যই কমাতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষা বর্জনের মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

Read More »

সাংবাদিক ও মানবাধিকার সুরক্ষা কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৭ মার্চ, ২০২৫ খৃ. – জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে সাংবাদিক, আইনজীবী, ট্রেড ইউনিয়নকর্মী, সুশীল সমাজ কর্মী এবং মানবাধিকার সুরক্ষা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের সংস্থাটি সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার অধিকারসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন দ্বারা সুরক্ষিত আচরণ বিধির প্রেক্ষিতে সাংবাদিক, আইনজীবী, ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী, সুশীল সমাজ কর্মী এবং অন্যান্য মানবাধিকার সুরক্ষা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে।  জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার (ওএইচসিএইচআর) এর কার্যালয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি জেনেভা অফিস থেকে ‘২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশে বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন’ শীর্ষক তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওএইচসিএইচআর বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের সমর্থক, ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী, নাগরিক সমাজের কর্মী এবং মানবাধিকার সুরক্ষা কর্মীদের উপর যে কোনো বেআইনি নজরদারি অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিতে বলেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘প্রতিশোধমূলক সহিংসতা থেকে তাদের কার্যকরভাবে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করুন এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির ওপর আক্রমণ, নাগরিক ক্ষতির দাবিসহ এই ধরনের হামলার অপরাধীদের তদন্ত ও বিচার করুন।’   জাতিসংঘের অধিকার অফিস রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক নাগরিকদের ওপর নজরদারি সম্পর্কে একটি স্বাধীন গণতদন্ত শুরু করার এবং তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করার প্রস্তাব করেছে। প্রতিবেদনে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বন্ধ করার এবং নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনাকারী নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের বাধ্যবাধকতা কঠোরভাবে মেনে কাজ করছে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ওএইচসিএইচআর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের অস্পষ্ট বিধানগুলো সংশোধন করার সুপারিশ করেছে যা নিয়ন্ত্রণহীন নজরদারির ভিত্তি হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। জাতিসংঘের তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী স্থগিত রেখে ইন্টারনেট বন্ধের উপর অবিলম্বে স্থগিতাদেশ আরোপ করা হোক, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে, ইন্টারনেট বন্ধ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন ব্লক করার বিষয়টি সুস্পষ্ট মানদণ্ড, স্বচ্ছতা ও উপযুক্ত বিচারিক এবং অন্যান্য স্বাধীন তত্ত্বাবধান সাপেক্ষ বিষয় এবং শুধুমাত্র একটি বৈধ উদ্দেশ্যে ও একটি গণতান্ত্রিক সমাজে প্রয়োজনীয় সুষমভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।’   ওএইচসিএইচআর ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন সংশোধন করারও পরামর্শ দিয়েছে, যাতে কমিশন প্যারিস নীতিমালা সম্পূর্ণভাবে প্রতিপালিত হয় এবং এর প্রতি জনসাধারণের আস্থা জোরদার করা যায়। প্রতিবেদনে নাগরিক সমাজ সহ বাংলাদেশের সকল প্রাসঙ্গিক স্টেকহোল্ডারদের প্রকৃত ও গ্রহনযোগ্য সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় কমিশনের স্বাধীন সদস্যদের নিয়োগ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।    জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা  হয়েছে, ‘সুস্পষ্ট করতে হবে যে, কমিশনের কাজের মধ্যে সামরিক, পুলিশ, আধাসামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, কমিশনকে কার্যকরভাবে, নিরপেক্ষভাবে ও স্বাধীনভাবে কাজ সম্পাদন করার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও মানব সম্পদ সরবরাহ করা হয়েছে।’   প্রতিবেদনে বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩, অফিসিয়াল গোপনীয়তা আইন, সন্ত্রাস বিরোধী আইন এবং দণ্ডবিধির ফৌজদারি মানহানির বিধান অনুযায়ী সমালোচনামূলক মিডিয়া রিপোর্টিং বা নাগরিক ও রাজনৈতিক ভিন্নমত দমন করার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ফৌজদারি বিধানের অধীনে গ্রেপ্তার, তদন্ত বা বিচারের ওপর তাৎক্ষণিক স্থগিতাদেশ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।  সুত্র. বাসস।

Read More »