সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 20, 2025

গাজার ‘প্রধানমন্ত্রীকে’ হত্যার দাবি ইসরাইলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ডি-ফ্যাক্টো প্রধানমন্ত্রী ইশাম দা-লিসকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েল। গতকাল সোমবার মধ্যরাতে গাজাজুড়ে ব্যাপক বোমা হামলা চালায় ইসরায়েল। এ হামলায় ইশাম দা-লিস নিহত হন। গাজায় তার পদবী হলো ‘সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ’ কমিটির প্রধান। যা প্রধানমন্ত্রীর সমপর্যায়ের পদ বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। ইশাম দা-লিস ছাড়াও গাজার হামাস সরকারের বিচার মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আহমেদ আল-খাত্তা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আবু ওয়াতফা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান বাহজাত আবু সুলতান নিহত হয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মাহমুদ আবু ওয়াতফা হামাস সরকারের পুলিশ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করতেন। দখলদার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হামাস সরকারের উচ্চপদস্থ এ চার নেতাকে লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়েছে। আইডিএফ আরও জানিয়েছে, হামাসের মধ্যম সারির কমান্ডারদেরও হামলায় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছিল। যার উদ্দেশ্য ছিল হামাসের সামরিক ও বেসামরিক সরকারের ওপর বড় আঘাত হানা। যেন গাজায় তারা নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দখলদার ইসরায়েলের জন্য কোনো ধরনের হুমকি না হয়। এরআগে গাজার সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাহি মুস্তাহাকে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে হত্যা করে দখলদাররা। এরপর তার স্থলাভিষিক্ত হন ইশাম দা-লিস। দখলদার ইসরায়েল হুমকি দিয়েছে, যদি তাদের জিম্মিদের হামাস ছেড়ে না দেয় তাহলে গাজায় এ ধরনের হামলা আরও অব্যাহত রাখা হবে। সোমবার রাতে ঘুমন্ত এসব মানুষের ওপর বর্বরোচিত বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে চারশরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে অসংখ্য নারী ও শিশু রয়েছে।

Read More »

জমি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি (ল্যান্ড সার্ভে) আপিল ট্রাইব্যুনাল আছে, নেই বিচারক !

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২০ মার্চ ২০২৫ খৃ. – জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসায় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন হলেও নিয়োগ হয়নি বিচারক। ফলে এসব ট্রাইব্যুনালে ঝুলে আছে লাখ লাখ মামলা। দীর্ঘদিন ধরে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিচারাধীন প্রায় চার লাখ মামলার বাদী-বিবাদী মিলিয়ে ভুক্তভোগী মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের আগস্টে প্রথমবারের মতো ৫৪ জেলায় ভূমি জরিপ (ল্যান্ড সার্ভে) আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সরকার। ফলে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ে সংক্ষুব্ধ পক্ষরা আপিলের সুযোগ পাচ্ছেন। আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠনের দেড় বছর পরও বিচারক নিয়োগ হয়নি। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে ৫৪ জেলায় গঠন করা হয় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল সংখ্যা বাড়লেও মামলাজট নিরসন হয়নি। কারণ, ৫৪ ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের মধ্যে বিচারক নিয়োগ করা হয়েছে মাত্র ১৩টিতে। দীর্ঘদিন ধরে বিচারক নিয়োগ না হওয়ায় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা জমেছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৪৭০টি। আপিল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা আছে ৮ হাজার ৫১২টি।        ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবেন জেলা জজ পদ মযর্যদার আইন কর্মকর্তা । এ ছাড়া প্রয়োজনে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের মামলা নিষ্পত্তির জন্য বিচারক নিয়োগ দিতে পারবে সরকার। এসব বিধান যুক্ত করে ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনটি সর্বশেষ ২০২৩ সালে সংশোধন করা হয়েছে। ২০০৪ সালে আইনটি একবার সংশোধন করা হলেও তখন ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়নি। এতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে রায়ের পর আপিল প্রত্যাশীরা দিনের পর দিন দুর্ভোগ পোহাতে থাকেন। ২০২০ সালের অক্টোবরে হাইকোর্ট ৯০ দিনের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।  আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন সংশোধন এবং ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব আইন থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৫৪টি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে ৫৪ জন জজসহ সহায়ক কর্মচারীর পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাত্র ২৬ জন জেলা জজসহ সহায়ক কর্মচারীর পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুমোদন করে। এখন সেই প্রস্তাব আটকে আছে অর্থ বিভাগে। একইভাবে ১৩টি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে যুগ্ম জেলা জজসহ সহায়ক কর্মচারী নিয়োগের অনুমোদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দিলেও অর্থ বিভাগ দেয়নি। অর্থ বিভাগের সাড়া মিললে প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির অনুমোদন লাগবে। পরে প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন পাওয়া গেলে পদ সৃষ্টির প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এর পর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব পদে বিচারক নিয়োগ হবে। ফলে সব কাজ শেষ করে চূড়ান্ত নিয়োগ পেতে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।      এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, এ মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না, ফাইল দেখে বলতে হবে। প্রতিদিন অনেক চিঠি আসে, সব বিষয় মনেও রাখা যায় না। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬৪ জেলায় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৬ হাজার ২০৮টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৪৪ হাজার ১৬৬টি। অন্য আদালতে বদলি হয়েছে ৮০ হাজার ৫৭২টি। ৩ লাখ ৮১ হাজার ৪৭০টি বা ৭৫ শতাংশ মামলা নিষ্পত্তি হয়নি। এর মধ্যে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন ১ লাখ ৪০ হাজার ১৭১টি মামলা।  সবচেয়ে বেশি মামলা আটকে আছে কিশোরগঞ্জে। সেখানে ৪৪ হাজার ১২২ মামলার মধ্যে ৩৪ হাজার ৭০৫টি নিষ্পত্তি হয়নি। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে চলছে এসব মামলা। ৬ হাজার ৮৩০টি মামলা বদলি করা হয়েছে। নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৫৮৭টি। চট্টগ্রামে দায়ের করা হয় ৫৬ হাজার ৫৮০টি মামলা। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৭৭৫টি। বদলি হয়েছে ২৯ হাজার ৬৫৮টি। বিচারাধীন ২৬ হাজার ১৪৭টি। ময়মনসিংহে বিচারাধীন ২২ হাজার ১৬৩টি মামলা। এর মধ্যে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন ১৭ হাজার ১০০টি।  ১০টির বেশি জেলার জিপিরা (গভর্নমেন্ট প্লিডার) বলেন, জেলা পর্যায়ে আদালতের সংখ্যা কম থাকায় বিচারপ্রার্থীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। প্রতি জেলায় আদালত ও বিচারক সংখ্যা বাড়াতে হবে। ঝালকাঠির একজন মসিউর রহমান খান বলেন, ২০২২ সালে নলছিটির চড়ানতলি মৌজার একটি জমির মামলা করা হয়। তিন বছর পার হলেও এখনও শুনানিই শুরু হয়নি। বিচারকের পদ সৃষ্টির কাজ দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের বলেন, নিয়মের অতিরিক্ত কিছু হলে সেটা গোপনীয়, এই মুহূর্তে বলা যাবে না। আমরাও চাই এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হোক।    সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, জমির মামলা নিয়ে মানুষ মহাজটে পড়েছে। এগুলো নিষ্পত্তির জন্য প্রতি জেলায় একাধিক আদালত করতে হবে। পদ সৃষ্টি করে বিচারক নিয়োগ দিতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পদ সৃষ্টিতে বেশি সময় লাগলে মামলার জট আরও বাড়বে। এ জন্য সরকারকে বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত বিচারক নিয়োগ করতে হবে।   আইন তৈরির ৭৩ বছর পর ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার পেতে আগে হাইকোর্টে রিট করেছিল মানুষ। এখন হাইকোর্টের রিট মামলা নিজ নিজ জেলায় আপিল ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হচ্ছে। বিচারক নিয়োগ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনালে মামলার সংখ্যা ও জটিলতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সুত্র. স.অ. // 

Read More »

কোম্পানির নয় ব্যক্তিগত কর বেশি হওয়া উচিত : এনবিআর চেয়ারম্যান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : আগারগাঁও ঢাকা : কোম্পানির নয় ব্যক্তিগত কর বেশি হওয়া উচিত উল্লেখ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, আসছে বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করের সর্বোচ্চ সীমায় ৫ শতাংশ বাড়ছে। বাড়তে পারে করমুক্ত আয়ের সীমাও। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবনের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সঙ্গে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ডিসিসিআইর বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে বলেন, ‘করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ করা উচিত। ব্যক্তির সর্বোচ্চ কর কমানো উচিত। বাড়ানো উচিত কর জাল। বাণিজ্যিক আমদানিতে আগাম কর কমানো উচিত। ভ্যাটের হার একই ও সিঙ্গেল ডিজিট হওয়া উচিত।’ এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোম্পানির নয় ব্যক্তিগত কর বেশি হওয়া উচিত। আসছে বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করের সর্বোচ্চ সীমায় ৫ শতাংশ বাড়ছে। যা বেড়ে দাঁড়াবে ৩০ শতাংশে। এটাকে আরও বাড়ানো দরকার।’ ব্যক্তি শ্রেণির কর কমানো ঠিক হবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ব্যক্তি শ্রেণির কর উন্নত দেশে ৫০-৫৫ শতাংশ। এটাকে কমানো ঠিক হবে না। বাড়াতে হবে। নইলে বৈষম্য কমবে না। উন্নত দেশে ব্যক্তির কর বেশি হওয়ায় বৈষম্য কম। এটা ঠিক তারা বেশি কর দিয়ে বেশি সেবা পান। আমাদেরও সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে মানুষ হাতে কম টাকা রাখবে।’ ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রতিরোধে ভ্যাটের একক হার হয়নি উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ‘তারাই এখন ভুগছে। সবাই একমত হলে হার কিছুটা কমিয়ে হলেও একক হারে যাওয়া উচিত। এফবিসিসিআইয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়া যেতে পারে। দরকার হলে ব্যবসায়ীদের জন্য সফটওয়্যারও করে দিব। যত ঝগড়া ভ্যাটের অনেক হারের কারণে।’

Read More »

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎকালে, সেনাপ্রধান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। পাশাপাশি, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন। আলোচনাকালে, সেনাপ্রধান তাঁর সাম্প্রতিক সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফরটি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং বিবিধ কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্যান্য পদবীর সেনা সদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদ-এর অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এ ছাড়া জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।

Read More »

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, দেশের মোট জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, যা বিভিন্ন ধরনের অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারণ। উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ মোকাবেলায় ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে বিনামূল্যে এ রোগের ওষুধ দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আজ রাজধানীর বিএমএ ভবনে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং করণীয় শীর্ষক কর্মশালায় তথ্য জানানো হয়। উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশের সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করেন আলোচকবৃন্দ। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এ কর্মশালা আয়োজন করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার অংশ হিসেবে অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ হলেও এ খাতে অর্থ বরাদ্দ এবং বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারে সাফল্য দেখাতে পারেনি। প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় ওষুধের সরবরাহ নিয়মিত রাখার বিষয়টিকেও প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বক্তারা বলেন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্ক্রিনিং কার্যক্রম জোরদার করা এবং সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো এনামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের প্রোগ্রাম ম্যানেজার (উপসচিব) ডা. মোহাম্মদ শওকত হোসেন খান, কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার (সিবিএইচসি) এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. গীতা রানী দেবী ও  বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মারুফ হক খান।

Read More »