সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 8, 2026

“০৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস”- প্রধানমন্ত্রীর বাণী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৭ মার্চ): ২০২৬ খৃ. – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন: “০৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’। দিবসটি উপলক্ষ্যে আমি বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি। বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে ‘নারী বিষয়ক দফতর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তরিত হয়েছিল। নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছে। সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা। সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। সম্মান ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করবে। আমাদের বিদ্যমান সমাজে সমতা হোক অঙ্গীকার, মর্যাদা হোক বাস্তবতা, আর ক্ষমতায়ন হোক উন্নয়নের ভিত্তি। আমি ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।”

Read More »

দেশে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেনসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে – বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, ‘দেশে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেনসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আগামী ৯ মার্চ দেশে আরো দু’টি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আসছে। ঘাটতিপড়ার কোনো সুযোগ নাই। তারপরও যেহেতু যুদ্ধ চলছে আমাদের হিসাব করে চলতে হবে। তাই সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।’ আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আশঙ্কা থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে অনেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংকট এড়াতে সরকার কাতার ছাড়াও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে সেসব বিকল্প উৎস ব্যবহার করা হবে।’ ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, অগ্রিম সতর্কতা হিসেবে কিছুটা রেশনিং করা হচ্ছে। কিন্তু মানুষ এই রেশনিংকে ভয় পেয়ে স্টক করা শুরু করেছে। মন্ত্রী সবাইকে বিশেষ করে গণমাধ্যমকে অনুরোধ করেন জনগণকে এই বার্তা দিতে হবে যে, তাড়াহুড়ো করে কোনো কিছু করার দরকার নেই, আমাদের কাছে মজুত আছে, আমরা পেট্রোল পাম্পকে তেল দিচ্ছি, এটা চলবে, এটার জন্য লাইন দিয়ে সারারাত জেগে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই; মানুষ তেল পাবে’। পাম্পের পাম্প ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল দেওয়া হচ্ছে, ঐদিন তেল শেষ হয়ে গেলে সেদিন আর তেল পাবে না; পরের দিন এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এজন্য মনিটর করা হচ্ছে এই ধরনের সমস্যা কম হয়; এগুলো দেখা হবে।’ মন্ত্রী বলেন, জনভোগান্তি কমাতে আগামীকাল থেকে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। জ্বালানি তেল সরবরাহে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ এড়াতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছে।

Read More »

আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬, কোন কোন ক্যালকুলেটর পরীক্ষা কক্ষে ব্যবহার করা যাবে : শিক্ষা বোর্ড

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : আগামী ২১ এপ্রিল ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা রুটিন অনুযায়ী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে। এই পরীক্ষায় নির্ধারিত ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। এ ছাড়া সাধারণ ক্যালকুলেটরও ব্যবহার করা যাবে। গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬–এর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে আবার ৩ মার্চ প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ক্যালকুলেটরের নির্দিষ্ট মডেল উল্লেখ করে এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ শুরু ২১ এপ্রিল, রুটিন প্রকাশ মডেলগুলো হলো— ১. এফএক্স ৮২এমএস ২. এফএক্স ১০০এমএস ৩. এফএক্স ৫৭০এমএস ৪. এফএক্স ৯৯১এমএস ৫. এফএক্স ৯৯১ইএক্স ৬. এফএক্স ৯৯১ইএস ৭. এফএক্স ৯৯১ইএস প্লাস ৮. এফএক্স ৯৯১সিডব্লিউ। এসব মডেলের ক্যালকুলেটর এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবহার করা যাবে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আর ১৮ জুনের মধ্যে হাতে লেখা নম্বরফর্দ এবং ব্যবহারিক উত্তরপত্র, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও স্বাক্ষরলিপি বিভাগ অনুযায়ী রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে হাতে হাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে। এদিকে এসএসসি পরীক্ষার বর্ধিত সময়ের ফরম পূরণ চলছে। ফরম পূরণ শেষ হবে ২৪ জানুয়ারি। ‘সোনালী সেবার’ মাধ্যমে ফরম পূরণ ফি পরিশোধ করা যাবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কাজ শেষ করতে হবে। তথ্য সুত্র.

Read More »

ঢাবি সাংবাদিক সমিতির আলোচনা ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঢাবি প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৬ মার্চ, ২০২৬ খৃ. – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়ে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। ইফতার মাহফিলে প্রায় ২০টি ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ এক ছাদের নিচে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক সহাবস্থান, সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা এবং সম্প্রীতির পরিবেশ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার: প্রত্যাশিত শিক্ষাঙ্গন’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহাদি হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ডুজার আহ্বানে প্রতি বছরই বিভিন্ন মত ও দলের প্রতিনিধিরা একত্রিত হওয়ার সুযোগ পান। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে মতানৈক্য থাকলেও এমন আয়োজনে তাদের এক ছাদের নিচে আনা সম্ভব হয়, যা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, ডুজা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করে এবং অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতিও তুলে ধরে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়। উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, এই ধরনের আয়োজন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সংলাপের সুযোগ তৈরি করে, যা ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ শক্তিশালী করতে সহায়ক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্প্রীতির ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকরা সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি আবু সাদিক কায়েম বলেন, “আজকের গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস ও দেশ আমরা পেয়েছি জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাদের আত্মত্যাগের কথা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে।” তিনি ডাকসু নির্বাচনকে বার্ষিক ক্যালেন্ডারের আওতায় আনার দাবি জানান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, “ক্যাম্পাসে যে ‘মব সংস্কৃতি’ তৈরি হয়েছিল, তা আসন্ন ছাত্রসংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। ঢাবিতে যেন অযথা কোনো মব তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।” তিনি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানান এবং ভুয়া ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান, ছাত্রপক্ষের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আরমানুল হক, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মুনতাসীর আহমেদ এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্কসবাদী)-এর সভাপতি সালমান সিদ্দিকী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ।

Read More »

যাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৭ মার্চ, ২০২৬ খৃ. – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত দেওয়া হলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুধু যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।’ তিনি বলেছেন, ধনী-দরিদ্র সবমিলিয়ে দেশে বর্তমানে পরিবারের সংখ্যা কমবেশি ৪ কোটি। এসব পরিবারগুলোর মধ্যে যদি দরিদ্র কিংবা হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে ৫ লাখ পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে যাকাত দেওয়া হয়, আমার বিশ্বাস— এসব পরিবারগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ পরিবারকে পরের বছর আর যাকাত নাও দিতে হতে পারে। লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত দেওয়া হলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুধু যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এতিম শিশু এবং ওলামা-মাশায়েখদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আয়োজিত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইফতার পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ইসলামের বিধান অনুযায়ী আমাদের সমাজে অনেক বিত্তবান নিজ উদ্যোগেই যাকাত দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ সরকারের ‘যাকাত বোর্ডের’ মাধ্যমেও যাকাত পরিশোধ করে থাকেন। বিভিন্ন গবেষণা রিপোর্টে দেখা গেছে, প্রতি বছর বাংলাদেশে এই যাকাতের পরিমাণ ২০-২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হয়ে থাকে। কেউ কেউ এর পরিমাণ আরো অনেক বেশি বলেছেন। তবে, সুপরিকল্পিত এবং সুসংগঠিতভাবে যাকাত বন্টন না করায় বিত্তবান ব্যক্তির যাকাত আদায় হয়ে গেলেও যাকাতের অর্থ দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে এটি একটি বড় প্রশ্ন।’ তিনি বলেন, ‘যতদূর জানি, যাকাত দাতাদেরকে ইসলামী বিধান এমনভাবে যাকাত বন্টনে উৎসাহিত করে, যাতে একজন যাকাত গ্রহীতা প্রথম বছর যাকাত গ্রহণের পর পরের বছর আর যাকাত গ্রহণ করতে না হয়। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, পরিকল্পিতভাবে যাকাত বন্টন করা গেলে দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাত যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে। এমন বাস্তবতায় সরকার যাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর এবং লক্ষ্যভিত্তিক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’ আলেম-ওলামা মাশায়েখ এবং এতিমদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের চলমান বাস্তবতায় এবার আমাদেরকে একটু দেরি করেই আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ইফতারের আয়োজন করতে হয়েছে। তবে, বৈশ্বিক পরিস্থিতিটির কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যায় সংকোচন এবং কৃচ্ছতা সাধনের অংশ হিসেবে এবারের রমজানে আজ এবং গতকালের ইফতার মাহফিলসহ মোট দু’টি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছি।’ বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবারের রমজানে এটিই হয়তো শেষ ইফতার মাহফিল। আজকের এই ইফতার মাহফিলের অংশগ্রহণকারী ‘ইয়াতিম সন্তানেরাই’ আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেহমান। পবিত্র কোরআন এবং হাদিসে ‘এতিমের হক’ আদায়ের ব্যাপারে মুমিন মুসলমানদের প্রতি ইসলামের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এতিমের প্রতি ‘হক আদায়ে’র গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতিমদের ব্যাপারে রাষ্ট্র এবং সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই ইফতার মাহফিলের অবশ্যই প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে। এই ইফতার মাহফিল এতিমদের প্রতি বিত্তবানদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দায়-দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিজন বিত্তবান যদি অসহায় এতিমদের প্রতি পবিত্র কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট থাকেন, তাহলে আমি বিশ্বাস করি পিতৃহারা এতিম সন্তানেরা এক বুক বেদনা বুকে নিয়েও রাষ্ট্র এবং সমাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা খুঁজে পাবে।’ পবিত্র রমজান ত্যাগ এবং সংযমের মাস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘অপ্রিয় হলেও সত্য— রমজান আসলেই আমাদের কেউ কেউ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। রমজান মাসকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন। পবিত্র রমজান মাসেও যারা অসাধু পন্থা অবলম্বন করছেন, আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান, অনুগ্রহ করে আপনারা মানুষের কষ্টের কারণ হবেন না।’ এতিম শিশু ও ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী প্রফেসর ডা এজেডএম জাহিদ হোসেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক প্রমুখ অংশ নেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। সুত্র. বাসস

Read More »

রংপুরে মূল্য বৃদ্ধির গুজব রোধে ফিলিং স্টেশনে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট ও মূল্য বৃদ্ধির গুজব রোধে রংপুরে ফিলিং স্টেশনে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারিমুল মওলার নেতৃত্বে নগরীর প্রায় ১০টি ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তেলের মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রি না করা, তেল বিক্রির যন্ত্র বন্ধ রাখার অভিযোগে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতামূলকভাবে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় জ্বালানি তেলের মজুদ, সরবরাহ অবস্থা ও বিক্রির বিষয়ে ফিলিং স্টেশনগুলোরা কার্যক্রম দেখাসহ ক্রেতাদের সচেতন করা হয়। এদিকে সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন তেল পাম্প ঘুরে মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস চালকদের যানবাহন নিয়ে তেলের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও মোটরসাইকেলের লম্বা লাইন ছিল। গ্রাহকেরা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করেন। কয়েকজন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালক জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। ঈদের আগে এই সংকট প্রকোপ হতে পারে। এ কারণে অনেকেই আগাম তেল নিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। যদিও তেল পাম্পগুলো থেকে সরকারের নির্দেশনার আলোকে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারিমুল মওলা বলেন, সরকার জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছে। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ ও মজুদ থাকলেও ক্রেতাদের মাঝে তেল সংকটের গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এটিকে পুঁজি করে তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেই সাথে জনসাধারণকে বলব, দেশে এখন পর্যন্ত তেলের কোন সংকট নেই। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল মজুদ ও সরবরাহ ঠিক রয়েছে।

Read More »

রংপুরে আল মদিনা ইসলামিক রিসার্চ মাদরাসার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে আল মদিনা ইসলামিক রিসার্চ মাদরাসার আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার নগরীর ১৩ নং ওয়ার্ডের পীরজাবাদ বালাপাড়া আল মদিনা ইসলামিক রিসার্চ মাদরাসায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলার চোখের প্রতিষ্ঠাতা ও মেয়র প্রার্থী হাজী তানবীর হোসেন আশরাফী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদরাসার দাতা সদস্য আলহাজ্ব মোফাজ্জল হোসেন (মোফা)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার সেক্রেটারী নিজান উল বারি, অনুষ্ঠানের আহবায়ক মোঃ আবুল কাশেম মাস্টার, মাদরাসার প্রিন্সিপাল শায়খ মুফতি জাহিদ আল জামি। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন জেএসডি নেতা এবিএম মসিউর রহমান।

Read More »

লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের উদ্যোগে ৪টি মাদ্রাসায় চাল ও ঈদ উপহার বিতরণ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের উদ্যোগে ৪টি মাদ্রাসায় চাল বিতরণ, দুঃস্থ্য মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার রংপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ঢাকা ডিস্ট্রিক গভর্ণর লায়ন সংকর কুমার রায় মনা, ১ম ডিস্ট্রিক গভর্ণর মহসিন ইমাম চৌধুরী, ২য় ভাইস গভর্ণর মঈন রানা, কেবিনেট সেক্রেটারী সঞ্জয় কান্তি, ট্রেজারার এ্যাড. সফিক, লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের প্রেসিডেন্ট নাসরিন হক ববি, পরিচালক ও লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বোডির চেয়ারম্যান লায়ন এনামুল হক সোহেল এমজেএফ, লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের ১ম ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন মনজিল মুরাদ লাভলু এমজেএফ , ক্লাব পরিচালক ও রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ মিরাজুল মহসিন, পরিচালক একেএম বানিউল আদম বাবু এমজেএফ, পরিচালক এ্যাড. আহসানুল হক মিলন এমজেএফ, পরিচালক লায়ন শাহিন পারভেজ এমজেএফ, পরিচালক আরমান আহমেদ, ট্রেজারার মোঃ তৌহিদ হোসেন, পরিচালক খন্দকার মাহামুদ এলাহী বিপ্লব,পচিালক হিরম্ব কুমার, পরিচালক জাহেদা খাতুন, এলসিআই কো চেয়ারপার্সন লায়ন উম্মে হাবিবা মাহফুজা আখতারী স্মৃতি, লিও এভিাইজার অনিন্দ আউয়াল, লায়ন আফসানুল ফেরদৌস সনি, লায়ন ডা. জেরিন, লায়ন মাহামুদা আখতার মিতু, লায়ন নেহা, প্রমুখ।

Read More »

রংপুরে মহানগর নাগরিক কমিটির প্রিপেইড মিটার স্থাপনা বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: প্রিপেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি পাঠিয়েছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি। এ দাবিতে শনিবার বেলা ১২টায় নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর প্রেরিত খোলা চিঠি পাঠ করেন রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ। এ সময় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নীপেন্দ্র নাথ রায়, আব্দুল জব্বার, এবিএম মসিউর রহমান, বিজয় প্রসাদ তপু, আব্দুল হামিদ বাবু, আমিন মোর্শেদ, সুবাস রায়, সবুজ রায়, ফিরোজ চৌধুরী, মাহফুজার রহমান, আশিক চন্ডালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। খোলা চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে প্রিপেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ গ্রাহকদের আপত্তি ও অসন্তোষ থাকা সত্ত্বেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যা জনমতের প্রতি উপেক্ষা প্রদর্শনের শামিল। নাগরিক কমিটির নেতারা অভিযোগ করেন, প্রিপেইড মিটার পদ্ধতিতে গ্রাহকদের আগাম টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হয় এবং ব্যালেন্স শেষ হলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা বিদ্যমান বিদ্যুৎ আইনের নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একই সঙ্গে মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ও বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, প্রিপেইড মিটার স্থাপনের বিষয়ে গ্রাহকদের মতামত গ্রহণ বা গণশুনানির আয়োজন না করেই একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে সাধারণ গ্রাহকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং বিদ্যুৎ সেবাকে একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থায় পরিণত করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা। এছাড়া খোলা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রিপেইড মিটার নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে একটি রিট পিটিশন বিচারাধীন রয়েছে। সেই রিট নিষ্পত্তির আগেই দ্রুতগতিতে মিটার স্থাপন কার্যক্রম চালানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অবিলম্বে বিতর্কিত প্রিপেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম স্থগিত করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা এবং গ্রাহকদের মতামত গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে লাগাতার আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

Read More »