সর্বশেষ
সর্বশেষ

Author: Desk Reporter

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হেল্থ ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে ‘ন্যাশনাল হেলথ প্রোটেকশন অথরিটি ইন বাংলাদেশ: ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্রাকচারাল অ্যাসপেক্টস’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তথ্য অধিদপ্তরের তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একসঙ্গে সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন। তাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন ও এর কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি বলেও মত দেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের আইন পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিমার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সাধারণ মানুষকে নিজের পকেট থেকে বিপুল অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। এতে তারা আর্থিক দুর্ভোগে পড়েন, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। গর্ভকালীন সময়ে মা ও নারীদের যেন কোনো ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি বা হেনস্তার শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে স্তন ক্যানসার ও জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তকরণে স্ক্রিনিং ও পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে কম খরচে পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়ে এ সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কর্মশালায় স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও চ্যালেঞ্জ দূর করতে সবাইকে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া দেশের প্রতিটি স্তরে পর্যায়ক্রমে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট আয়োজিত এ কর্মশালায় ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তথ্য সুত্রে.

Read More »

যুদ্ধে পাঠাতে রাশিয়ায় পাচার ২০ বাংলাদেশির প্রাণহানি: এসআরবি

ঢাকা, উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় নিয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে যোগ দিতে বাধ্য করে একটি মানবপাচার চক্র, যার মধ্যে প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান। অধিনায়ক বলেন, রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীদের রুশ সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। ২১ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। শত্রুপক্ষের অবস্থান শনাক্ত করা, বিশেষ করে ড্রোন হামলার লক্ষ্যস্থল ও দূরত্ব নির্ধারণে ভুক্তভোগীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় মানবপাচার চক্রের দুই সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। তারা হলেন চক্রের হোতা জাবালে নূর ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান (৫৫) ও মো. আবু তাহের লেন্টু (৫০)। গত রাতে ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার আটাইল এলাকা ও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তাররা নির্মাণশ্রমিক হিসেবে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রাজন হোসেন (২১) নামের এক তরুণকে আট লাখ ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে রাশিয়ায় পাঠান। গত ৭ মে রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাকে রুশ সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। একটানা ২১ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তিনিসহ প্রায় ৩০ বাংলাদেশিকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। পরে ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হন রাজন। তার পেলভিসের হাড় ভেঙে যায় এবং দুই পায়ে শক্তি হারিয়ে ফেলেন তিনি। চার দিন ধরে কষ্ট ভোগ করার পর চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে পৌঁছাতে সক্ষম হন রাজন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় গত ২৩ আগস্ট দেশে ফেরেন তিনি। আসাদুজ্জামান বলেন, রাজনের পরিবারের সদস্যরা ক্ষতিপূরণ চাইতে গেলে মিজানুর গালিগালাজ ও তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করেন এবং হত্যার হুমকি দেন। রাজনের বাবার অভিযোগের পর মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানায় মামলা হয়। তদন্তের তথ্য তুলে ধরে এসআরবি কর্মকর্তা বলেন, পাচার হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে ২০ জন মারা গেছেন এবং দুজন পালিয়ে দেশে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি আটজনের মধ্যে দুজন রাশিয়ার স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য ছয়জন এখনও যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছেন। ভুক্তভোগীদের রাশিয়ায় পাঠানোর ঘটনায় তদন্তকারীরা মোস্তাফিজুর রহমান ও আলী নামের আরও দুজনের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন বলেও জানান আসাদুজ্জামান। এছাড়া তদন্তে মানবপাচার চক্রটির সঙ্গে হেয়ার্স ইন্টারন্যাশনাল ও টিএস গ্রুপ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া গেছে। এসআরবি কর্মকর্তা বলেন, পাসপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে ভুক্তভোগীদের রাশিয়াগামী বিমানে তুলে দেওয়া পর্যন্ত ৩০ জনের সব ব্যবস্থা করেন মিজানুর। রাশিয়ায় পৌঁছে কাজের প্রকৃত ধরন জানতে পেরে ভুক্তভোগীরা মিজানুরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানালেও তিনি তাদের আবেদন উপেক্ষা করেন। তদন্তকারীরা বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত এই মানবপাচার চক্রে দুই রুশ নাগরিকের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পেয়েছেন বলেও জানিয়েছে এসআরবি। তথ্য সুত্রে.//

Read More »

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা ও রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থার বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা দূর করার উপায় নিয়ে একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। (৮ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠকটি শুরু হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মশিউর রহমান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা দূর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সুত্র. পিএমও / ইউএনবি//

Read More »

রংপুর মহানগর কৃষক দলের সাথে জেলা প্রশাসকের মত বিনিময়

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল রংপুর মহানগরের আওতাধীন থানা কৃষক দল ও মহানগর কৃষক দলের নেতৃবৃন্দদের সাথে রংপুর জেলা রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল ১৪ অক্টোবর দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মতবিনিময়ে আগে জেলা প্রশাসককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মহানগর কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর কৃষক দলের আহবায়ক শাহ্ নেওয়াজ লাবু,রংপুর মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচীব ফিরোজ রহমান পিন্টু, সিঃ সহ-সভাপতি সেলিম চৌধুরী, হারাগাছ থানা কৃষকদলের সভাপতি তারেক উস সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদত লিওন মিয়া পরশুরাম থানার সভাপতি কাজল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান,তাজাহাট থানার সভাপতি মনতাজ মিয়া, সিঃ সহ সভাপতি এনামুল হক, রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার সভাপতি আখেরুজ্জামান মানু, সাধারন সম্পাদক মোঃ রোস্তম আলী, মাহিগঞ্জ থানার ভুট্টু, হাজীর হাট থানার সভাপতি সহ ২১ নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক রতন।সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »

রংপুর মহানগরীর ১৬৪ পূজামণ্ডপে সদর উপজেলার চালের ডিও বিতরণ

জালাল উদ্দিন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুর সদর উপজেলায় রংপুর মহানগরীর ১৬৪টি পূজামণ্ডপে সরকারি অনুদানের চালের ডিও বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে রংপুর সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে চালের ডিও তুলে দেন রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রংপুর মহানগরীর প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে চালের ডিও প্রদান করা হয়েছে। ডিও বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটি, রংপুর জেলার আহ্বায়ক ডা. নিখিলেন্দ্র শংকর গুহ রায়, যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ রায় ও সুনীল রায়, সদস্য সচিব বিপ্লব রায়, সদস্য অরূপ দত্ত, খোকন সরকার, সিতু মহন্ত ও সোমানী; বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রংপুর মহানগর কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পিপাস রায়, সহ-সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষসহ রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।###

Read More »

রংপুরে ১৬৪ পূজামণ্ডপে ৯৮৪ টন চালের ডিও বিতরণ

জালাল উদ্দীন, রংপুর প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুর, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুর সদর উপজেলায় রংপুর মহানগরীর ১৬৪টি পূজামণ্ডপে সরকারি অনুদানের চালের ডিও বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে রংপুর সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে চালের ডিও তুলে দেন রংপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রংপুর মহানগরীর প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬ টন করে চালের ডিও প্রদান করা হয়েছে। ১৬৪টি পূজামণ্ডপের বিপরীতে সর্বমোট ৯৮৪ টন চালের ডিও বিতরণ করা হয়। ডিও বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটি, রংপুর জেলার আহ্বায়ক ডা. নিখিলেন্দ্র শংকর গুহ রায়, যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ রায় ও সুনীল রায়, সদস্য সচিব বিপ্লব রায়, সদস্য অরূপ দত্ত, খোকন সরকার, সিতু মহন্ত ও সোমানী; বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রংপুর মহানগর কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পিপাস রায়, সহ-সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষসহ রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।

Read More »

পীরগঞ্জে ভবন ধসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও অনুদানের অর্থ বিতরণ

নিহতদের পরিবারের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম সাইফুল স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুরের পীরগঞ্জ পৌরসভায় নির্মাণাধীনস্থ ভবন ধসে নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম সাইফুল। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের হাতে অনুদান প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে যান তিনি এবং তাঁদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসক ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং তিনজন আহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় জেলা পরিষদ প্রশাসক নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।###

Read More »

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে বিশেষায়িত আদালত গঠনের পরিকল্পনা করেছে সরকার – আইনমন্ত্রী

ঢাকা, প্রবাসীদের বিভিন্ন আইনি সমস্যা দ্রুত সমাধানে বিশেষায়িত আদালত গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান এমপি। মন্ত্রী আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে শরণার্থী ও অভিবাসন আন্দোলন বিষয়ক গবেষণা ইউনিটের (RMMRU) ৩০ বছরপূর্তি উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে ‘সোনার মানুষ সম্মেলন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীরা বিদেশে উপার্জিত অর্থ দেশে পাঠানোর পর অনেক সময় পরিবারের সদস্যদের সাথে অর্থ বা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে জড়ান। এসব বিরোধের মামলা বছরের পর বছর চলতে থাকে। এতে প্রবাসীদের অর্থ ও সময় ব্যয় হয় এবং তাঁরা ভোগান্তির শিকার হন। এ সমস্যা সমাধানে প্রবাসীদের জন্য বিশেষায়িত আদালত গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এসব আদালতে প্রবাসীদের বিভিন্ন ধরনের মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে একটি খসড়া প্রণয়নের কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে RMMRU-কে সরকারের সাথে যুক্ত থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। প্রবাসীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশে কোনো আইনি সহায়তার প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের ( লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা আইনি সহায়তা দেওয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এজন্য একটি হটলাইনও রয়েছে। প্রবাসীদের প্রাথমিক আইনি দিকনির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় প্রতিকার পেতে RMMRU-কে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সাথে সমন্বয় করার আহ্বান জানান তিনি। অভিবাসী শ্রমিকদের অবদান তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স। তৈরি পোশাক, কৃষি, পাট ও পাটজাত পণ্য কিংবা চা রপ্তানির পাশাপাশি বিদেশে শ্রম রপ্তানি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কায়িক শ্রমের পাশাপাশি বিদেশে বাংলাদেশিদের মেধা ও দক্ষতাভিত্তিক কর্মসংস্থানও বাড়ছে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ ও মজুরি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি দুবাই সফরে শ্রমিকদের অমানবিক পরিশ্রম ও দুর্ভোগের চিত্র তাঁর নজরে এসেছে। অনেক শ্রমিককে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয় এবং কর্মস্থলে যাতায়াতেও উল্লেখযোগ্য সময় ব্যয় করতে হয়। অথচ কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁদের শ্রমের মূল্য অন্য দেশের শ্রমিকদের তুলনায় কম। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। অভিবাসন খাতে অসাধু নিয়োগ ও রিক্রুটিং ব্যবসায়ীদের কার্যক্রমের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করছে। এসব নথির সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা বাতিল কিংবা ভিসা নবায়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের আরো সতর্ক ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। RMMRU-এর তিন দশকের ভূমিকার প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার, কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করার দূরদর্শিতা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার শুরুতেই দেখিয়েছে। গত ৩০ বছরে অভিবাসন ও শ্রমিককল্যাণ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে। মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় RMMRU যে উদ্যোগগুলো গ্রহণ করবে, সেগুলোর সাথে সরকার থাকবে। প্রতিষ্ঠানটির স্বচ্ছতা, নীতিগত অবস্থান এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সীমাবদ্ধতার কারণে সব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হলেও প্রতিষ্ঠানটির ইতিবাচক উদ্যোগগুলোর সাথে সরকার কাজ করতে আগ্রহী। RMMRU-এর উপদেষ্টা ড. সি. আর. আবরারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত Reto Renggli।

Read More »

বাউবি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইটেকনোলজি-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ঢাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর মধ্যে এক দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন এই সমঝোতা স্মারককে দেশের বিজ্ঞান ও গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা বলে অভিহিত করেন। মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) একটি আন্তর্জাতিক মানের জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যার আধুনিক ল্যাবরেটরি ও অবকাঠামোগত সুবিধা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)’র শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের গবেষণার সুযোগ করে দেবে। বিজ্ঞান কেবল তাত্ত্বিক পড়াশোনা বা জার্নাল পাবলিকেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বায়োটেকনোলজির সঠিক ও ব্যবহারিক প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন ওষুধ, জৈব সার (Bio-fertilizer), জলবায়ু-সহনশীল ফসল এবং মৎস্য খাতের দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটিয়ে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, এই চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে বায়োটেকনোলজিতে ডিপ্লোমা, এমএসসি, এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করবে। সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে-যৌথ কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন, জিনোমিক্স, বায়োইনফরমেটিক্স ও মলিকুলার বায়োলজি বিষয়ে যৌথ গবেষণা, পরীক্ষাগার ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং মেধাস্বত্ব (IPR) ও গোপনীয়তা রক্ষা সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। অনুষ্ঠানে এনআইবি-র পক্ষে মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ সগীর আহমেদ এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার টি এম আহমেদ হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল খায়ের মোঃ আক্কাস আলী ও ড.সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী, বাউবি’র স্কুল অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আবদুল মজিদ মন্ডল-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

৭ নভেম্বর ঢাকায় গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ ​

ঢাকা, ২৮ আশ্বিন (১৩ অক্টোবর) ২০১৬ খৃ. – ​ আগামী ৭ই নভেম্বর ঢাকায় শেরেবাংলা নগরে সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ। স্থানীয় সরকার বিভাগের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠেয় এই মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। এই মহাসমাবেশ সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাঃ আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান, মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশের ৬৪ জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে জানান, ইতিহাসে এই প্রথম সরকারি উদ্যোগে সারা দেশের প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশদের সম্মান জানাতে ও তাঁদের কথা সরাসরি শুনতে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। ইতোপূর্বে গ্রাম পুলিশেরা নিজস্ব অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উত্থাপন করলেও এবার প্রধানমন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি তৃণমূলের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কর্মীদের মতামত ও দাবি-দাওয়া শুনতে চান। তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশ আইনি কাঠামোর অধীন একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা। তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং আইনি ক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ের উপপরিচালকদের আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রস্তাবনা পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত সুপারিশের ভিত্তিতে একটি সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং পরবর্তীতে সমাবেশে তা ঘোষণা করা হতে পারে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে বর্তমান সরকার ও স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, সিভিল প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে ইতিপূর্বে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত প্রতিটি নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ যেন গ্রামে গ্রামে একটি আনন্দময় ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরিতে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে সরকার। এই নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কলঙ্কের দায় সরকার নেবে না বলে জানান তিনি। অন্যদিকে দেশব্যাপী ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সংক্রান্ত অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি। এই লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ম্যাসিভ পরিসরে মাইকিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের সমন্বিত অভিযান শুরু হচ্ছে। তিনি আরো জানান, পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে গতি আনতে আগামী ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনিবার উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে বিএনসিসি, স্কাউটস, রোভার স্কাউটস, গার্ল গাইডস, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে। সুত্র. পিআইডি /

Read More »