সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: December 25, 2025

রংপুর সদর-৩ আসনে বিএনপির চুড়ান্ত এমপি প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৩ (সদর উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন আংশিক) সংসদীয় আসনে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির রংপুর মহানগর কমিটির আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা সামসুজ্জামান সামু। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তকে রংপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। কারণ দীর্ঘদিন ধরে সামসুজ্জামান সামু রংপুরের তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। মাঠের রাজনীতি থেকে কেন্দ্রের আস্থা এমনটাই মনে করছেন তারা। সামুকে চুড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করায় রংপুর মহানগর ও সদর উপজেলা বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলুসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই ঘোষণার পর নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ, উচ্ছাস-উদ্দীপনা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা,সামাজিক অবস্থান, দলের প্রতি ত্যাগ এবং সংগঠন পরিচালনার সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সে বিবেচনায় প্রথমে রংপুর সদর-৩ আসনে মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামুকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেয়া হয়। পরে গত ২৪ ডিসেম্বর তাকে চুড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় দলটি। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষজন বলছেন, রংপুর সদর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সামসুজ্জামান সামুকে চুড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার মধ্য দিয়ে রংপুরের রাজনীতিতে নতুন গতি আসবে। প্রচার-প্রচারণায় আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে। তার চুড়ান্ত মনোনয়নে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষজনও খুশি হয়েছে। আনন্দিত হয়েছে। সর্বমহলে উচ্ছ্¦াস-উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, সামু দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে রংপুরে রাজনীতি করেন। দলের নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষজনের সাথে তার সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে। মানুষের সুখে-দুঃখে ছিলেন, এখনও আছেন। তার রাজনীতি জনগণকে নিয়ে। তিনি মাঠের নেতা। রংপুরের উন্নয়নের ক্ষেত্রে তার প্রয়োজন। জানাগেছে, রংপুর সদর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সামসুজ্জামান সামু বর্তমানে রংপুর মহানগর বিএনপির আহবায়ক পদে দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে তিনি রংপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, জেলার যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির আষ্টেপৃষ্টে বেড়ে ওঠা সামসুজ্জামান সামু ঐহিত্যবাহি কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি এবং পরবর্তীতে রংপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সম্মুখসারিতে থাকা বিএনপির এই নেতা হাসিনাবিরোধী আন্দোলনেও ছিলেন অগ্রভাগে। তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির এই নেতার বিরুদ্ধে ৫০টির বেশি মামলা হয়। তিনি ২০ বার কারাবরণ করেন। শুধু জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ৫ আগস্টের আগে তার নামে ২৫টি মামলা দেওয়া হয়। তার মধ্যে অধিকাংশ মামলায় তিনি প্রধান আসামী বা হুকুমে আসামী ছিলেন। এমএ ডিগ্রি অর্জন করা সামসুজ্জামান সামু বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়া ও পেশাজীবী সংগঠনসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন। রংপুরের সিনিয়র নেতা হিসেবে পরিচিত সামসুজ্জামান সামু পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফর সঙ্গী হিসেবে ওআইসির শীর্ষ সম্মেলনে সেনেগাল সফর করেন। অবহেলিত রংপুরকে এগিয়ে নিতে সমৃদ্ধ রংপুর উন্নয়ন রূপকল্পের ১৯টি প্রস্তাবনা তুলে ধরে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। দলের নেতাকর্মীসহ রংপুর মহানগরের ২৪টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে তিনি ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। এতে দলের নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানাগেছে।

Read More »

রংপুরে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বড়দিন উদযাপন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন অনুষ্ঠিত । প্রার্থনা, উৎসব, উপাসনা, পুঁথি পাঠ, সংগীত পরিবেশন ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে বড়দিন উদযাপন করা হয়। গতকাল (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় নগরীর আরডিআরএস সংলগ্ন রংপুর সদর ব্যাপ্টিস্ট চার্চের বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে কেক কাটেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার ম্ঃো মজিদ আলী,বিপিএম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিসি ট্রাফিক) লিমন রায়, বড়দিন উদযাপন কমিটির আহবায় জেনিথ লিংকন মজুমদার. খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন রংপুুর জেলার সাধারণ সম্পাদক রমিথ কিংসন মজুমদার। রংপুর সদর ব্যাপ্টিস্ট চার্চের পালক প্রধান রেভারেন্ট সখরিয় বৈরাগী নেতৃত্বে উপাসনা, পাঠ ও সংগীতে অংশ নেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা । বড়দিন উপলক্ষে এবং ক্যাথলিক চার্চগুলো বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়। সকাল ৮টা থেকে রংপুরে ব্যাপটিস্ট চার্চগুলোতে উপাসনার জন্য খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা ভিড় করে। বড়দিনের উৎসবে সকলের সম্মিলিত উপাসানলয় থেকে বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি প্রার্থনা করা হয়। বড়দিনকে ঘিরে রংপুরের ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তায় ছিলেন রংপুর টুরিস্ট পুলিশ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র‌্যাব ১৩ সদস্যগণ।

Read More »

জাতীয় ছাত্র সমাজ রংপুর মহানগর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: জাতীয় ছাত্র সমাজ রংপুর মহানগর শাখার ৬১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব কর্তৃক স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে মো. আলমগীর হোসেন জসিমকে সভাপতি এবং এম. জি. আর. বিলাসকে সাধারণ সম্পাদক করে এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়। সদ্য অনুমোদিত কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি: মো. ফিরোজ আহমেদ, সহ-সভাপতি: মো. এমরান হোসেন, মো. মিলন মিয়া, নাজমুল ইসলাম, মো. আরিফ খান আবির, মো. ছালাউদ্দিন হাবিব পাপ্পু, মো. ইউনুস ও মো. রাহাত হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাব্বি ও মো. ইমন হাসান, সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাকিব আল জামান অনিক, মো. জাহানুর ইসলাম, ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি, মো. জোবায়ের আহমেদ ও মেজবাহুল ইসলাম নিলয়, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা ও মেরাজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোর্শেদ হাসান, দপ্তর সম্পাদক হৃদয় ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. কোয়েল আহমেদ, অর্থ সম্পাদক, মো. রিপন বাবু, সহ-অর্থ সম্পাদক, মো. আমিনুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. জোবায়ের আহমেদ, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, মো. জাহিদ হাসান সহ ৬১ বিশিষ্ট সদস্য

Read More »

ইন্টারনেট বন্ধে নিষেধাজ্ঞা, নাগরিক নজরদারি দণ্ডনীয়—নতুন টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ অনুমোদিত

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, কখনোই ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা যাবে না এবং সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে নাগরিককে নজরদারি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এমন ধারা রেখে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশের সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবার মানবৃদ্ধি, এর রেগুলেশন এবং রাষ্ট্রের সার্ভেইলেন্স কাঠামোতে গঠনমূলক পরিবর্তন আনা হয়েছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদে সংশোধিত এই অধ্যাদেশ পাস হয়। পরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাদেশের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। অধ্যাদেশের সংশোধনের মধ্যে যে প্রস্তাবগুলো রাখা হয়েছে সেগুলো হলো- ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ সেবা কখনোই বন্ধ করা যাবে না এরকম বিধান রাখা হয়েছে। ২০১০ সালের বিতর্কিত সংশোধনের কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে বিটিআরসির স্বাধীনতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ক্ষমতা এবং কার্যপরিধির মধ্যে ভারসাম্য আনা হয়েছে। আগে সব লাইসেন্স ইস্যুর অনুমোদন মন্ত্রণালয় থেকে হলেও, এখন থেকে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু লাইসেন্স মন্ত্রণালয় ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টাডির ভিত্তিতে অনুমোদনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে। অন্য সব লাইসেন্স ইস্যু করার এখতিয়ার বিটিআরসির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির সভাপতিত্বে একটি ‘জবাবদিহিতা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। হাদি হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা শঙ্কা: গুরুত্বপূর্ণ ১২৭ নেতা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লাইসেন্সের আবেদন থেকে শুরু করে সিদ্ধান্ত পর্যন্ত সময় কমানো হয়েছে। এছাড়া আগের আইনে বর্ণিত উচ্চ জরিমানা, রিকারিং জরিমানা কমানো হয়েছে, যা টেলিযোগাযোগ খাত বিনিয়োগবান্ধব করবে। এখন থেকে প্রতি চার মাসে বিটিআরসিকে গণশুনানি করতে হবে, তার ফলোআপ ওয়েবসাইটে রাখতে হবে এবং কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট রোধেও বিধান রয়েছে। এতে আরও জানানো হয়, সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে কোনো নাগরিককে নজরদারি বা অযথা হয়রানি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ করা হয়েছে। ‘স্পিচ অফেন’ সম্পর্কিত নিবর্তনমূলক ধারা পরিবর্তন করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারাবাহিকতায় কেবল সহিংসতার আহ্বানকেই অপরাধের আওতাভুক্ত রাখা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ সেবার ক্ষেত্রে আপিল এবং সালিশ বিষয়ক ধারা রাখা হয়েছে। ‘সেন্টার ফর ইনফর্মেশন সাপোর্ট প্রতিষ্ঠা’ করা হয়েছে। আইনানুগ ইন্টারসেপশনের সংজ্ঞা এবং পরিধি স্পষ্টভাবে এবং সুবিস্তারে আইনে নির্ধারিত করা হয়েছে। কেবল বিচারিক ও জরুরি আইনানুগ ইন্টারসেপশনের প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সেন্টার ফর ইনফর্মেশন সাপোর্ট’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা বাধ্যতামূলকভাবে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশের মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালিত হতে হবে। জাতীয় নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খল, জরুরি প্রাণরক্ষার প্রয়োজনে, বিচারিক বা তদন্তের প্রয়োজন এবং আন্তঃসীমান্ত সংক্রান্ত কাজে সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি অনুসরণ করে আইনানুগ ইন্টারসেপশন করতে পারবে। এই কাজ কেবল আইনে স্পষ্টভাবে বর্ণিত নির্দিষ্ট কিছু সংস্থা, সেটিও কেবল নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের মধ্যে করতে পারবে। ‘সেন্টার ফর ইনফর্মেশন সাপোর্টের (সিআইএস)’ মাধ্যমে রোল বেজড অ্যাকসেস কন্ট্রোল ও আধা বিচারিক কাউন্সিলের অনুমোদন ব্যতীত ইন্টারসেপশন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না। নতুন গঠিত সিআইএস (সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট) নিজে কোনো ইন্টারসেপশন পরিচালনা করতে পারবে না, এটি কেবল কারিগরি সহায়তা দেবে। ‘সেন্টার ফর ইনফর্মেশন সাপোর্ট প্রতিষ্ঠা’র জন্য বর্ণিত সংশোধনের মাধ্যমে এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স মনিটরিং সেন্টার) বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আইনানুগ ইন্টারসেপশনের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আধাবিচারিক কাউন্সিল ও সংসদীয় তদারকির বিধান আনা হয়েছে। কাউন্সিলের নিকট বেআইনি ইন্টারসেপশন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। আধাবিচারিক কাউন্সিল আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী (সভাপতি), প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নিয়ে গঠিত হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি আইনানুগ ইন্টারসেপশন বিষয়ে প্রতি বছর একটি জাতীয় বার্ষিক প্রতিবেদন জনগণের নিকট প্রকাশ করবে, যাতে ইন্টারসেপশনের ক্ষেত্রসমূহসহ বর্ণিত থাকবে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি প্রতি বছর কার্যক্রম বাজেট এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা যাচাই করবে। এছাড়া ইমেজ এবং ভয়েস প্রোটেকশন, সিম ডেটা এবং ডিভাইস ডেটা প্রোটেকশনের বিধান রাখা হয়েছে। এই আইনের অধীন সব ব্যবস্থাপনা জাতিসংঘ, আইটিইউসহ আন্তর্জাতিক উত্তম অনুশীলনের সহিত সামঞ্জস্য থাকবে। অধ্যাদেশটি ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নীতিগত অনুমোদন পায়। এরপর স্বরাষ্ট্র, অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বুধবারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তোলা হয়। সেখানে তা চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।

Read More »