সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 2, 2023

চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণায় বিশেষ মনোযোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২ মার্চ ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণায় বিশেষ মনোযোগ দিতে তাঁর আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে নতুন বৈশ্বিক প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতে নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন,“আমরা চাই আমাদের গবেষণা সবসময়ই চলবে। কিন্তু একটা দু:খের কথা না বলে পারিনা, সেটা হলো আমাদের কৃষি গবেষণা চলছে, বিজ্ঞানের চলছে। কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্য খাতে গবেষণা খুবই সীমিত। তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় বিশেষ মনোযোগ দিন।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’, ‘এনএসটি ফেলোশিপ’ ও ‘বিশেষ গবেষনা অনুদান’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। সরকার আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে শ্রমঘন শিল্প গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ডাক্তারদের একটি মহল এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর চিকিৎসা চর্চা ও গবেষনা বাদ দিয়ে সরকারি চাকরি অথবা রাজনীতিতে চলে যান। আর এক শ্রেণী আছেন তারা শুধু টাকা কামাতেই ব্যস্ত। একই সাথে সরকারি চাকরি এবং প্রাইভেটে প্র্যাকটিসও করেন। সরকারি চাকরি আর প্রাইভেট প্র্যাকটিসের পর সেখানে কিন্তু আর গবেষণা হয় না। আমাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণা খুব দরকার। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের গবেষণা খুবই সীমিত কয়েকজন করেন। তবে তাঁর বার বার বলার ফলে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে, আরো বেশি দরকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পরিবর্তিত বিশে^ প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে সরকার প্রধান বলেন, প্রযুক্তির প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে এবং নতুন থিওরি ৪র্থ শিল্প বিপ্লব এসে গেছে । এরফলে আমাদের লোকবল হয়তো কম লাগবে। কিন্তু প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে এবং সেজন্য আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবার আমরা সম্পুর্ণ সেদিকে যেতে চাইনা। আমরা শ্রমঘন শিল্পও করতে চাই। কারণ আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করতে হবে। এই দুটি মিলিয়ে আমাদের দেশকে কিভাবে আমরা এগিয়ে নিতে পারি সেই চিন্তাই সবার মাথার মধ্যে থাকতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের দক্ষ বিজ্ঞানী দরকার। আর সেদিকে লক্ষ্য রেখেই তাঁরা গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। দক্ষ বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশে বিদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত গবেষণা এবং অধ্যয়নের জন্য এমএস, এমফিল, পিএইডডি উত্তর প্রোগ্রামে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ দিচ্ছেন। ২০১০ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত ৬৮২ জনকে প্রায় ২৬৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার ফেলোশিপ দেয়া হয়েছে। এছাড়া এমফিল, পিএইচডি ও পিএইচডি উত্তর পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ দেয়া হচ্ছে। এই ফেলোশি্েপর আওতায় ২০০৯-১০ থেকে এ পর্যন্ত ২৫ হাজার ৭০১ জন গবেষককে প্রায় ১৫৭ কোটি ৫১ লাখ টাকার বৃত্তি বা অনুদান দেয়া হয়েছে। এটা শুধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে। পাশপাশি প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকেও ফেলোশিপ-বৃত্তি-উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ফেলোশিপের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা উন্নয়ন কাজে উৎসাহ প্রদানে বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মাঝে বিশেষ অনুদান দেয়া হচ্ছে। ২০০০৯-১০ থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত ৫ হাজার ৫২১টি প্রকল্পের অনুক’লে ১৭৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা গবেষণা অনুদান দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশাকরি যারা এই গবেষণা বা ফেলোশিপের জন্য অনুদান পেয়েছেন আপনারা একটু আন্তরিকতার সঙ্গে গবেষণা করবেন। আমি জানতেও চাই আপনারা কি কি উদ্ভাবন করলেন বা তা আমাদের দেশে কতটুকু কাজে লাগবে । আসলে গবেষণার কোন শেষ নেই। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল হাসান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ১০ জনকে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, ২১ জনকে এনএসটি ফেলোশিপ ও ১৬ জনকে বিশেষ গবেষণা অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। বিজ্ঞান ও গবেষণা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণাই সাফল্য এনে দিতে পারে, এটা এখন প্রমাণিত। গবেষণার কারণে আমরা আমিষ ও খাদ্য উৎপাদনে সফল হয়েছি। ’৯৬ সালে সরকারে এসেই দেশে প্রথমবারের মত তাঁর সরকার গবেষণার জন্য ১২ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ করে। পরবর্তী বাজেটে তা ১শ’ কোটি টাকায় উন্নীত করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দেশে ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। শুধু তাই নয়, বিদেশ থেকে জ্ঞান আহরণ করে যেন দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে সে ব্যবস্থাও আমরা করেছি। তাছাড়া সমুদ্র বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউট, বায়ো টেকনোলজি ইনষ্টিটিউট এবং নভো থিয়েটার করেছে সরকার । এই নভোথিয়েটার করতে গিয়ে খালেদা জিয়া তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দেয় এবং যে কাজই করতে গেছেন এ ধরনের মামলা মোকদ্দমা মোকাবেলা করেই করতে হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরেও তাঁর সরকার নভো থিয়েটার করে দিচ্ছে। দেশে শুধু একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর

Read More »

রংপুরে প্রতিবন্ধী তরুনদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আলোচান সভা অনুষ্ঠিত

রংপুরে প্রতিবন্ধী তরুনদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আলোচান সভা অনুষ্ঠিত জালাল উদ্দিন ,রংপুর / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : রংপুরে আনানুষ্ঠানিক খাতে প্রতিবন্ধী তরুনদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে ব্র্যাক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচী আয়োজিত অনানুষ্ঠানিক খাতে প্রতিবন্ধী তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি শীর্ষক পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠানে উপস্থাপক মোছাঃ সিদরাতুল মুনতাহা আন্নির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রংপুর জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সচিব উম্মে ফাতেমা, এনডিসি মোঃ দেওয়ান আসিফ পেলে, সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল ফারুক এবং ফারহান লাবীব জিসান, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান ব্যুরোর সহকারী পরিচালক আমেনা পারভীন , ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী একেএম জাহেদুল ইসলাম এবং অন্যান্য সরকারী অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ম্যানেজার, বেসরকারী টিভেট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং প্রতিবন্ধী বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, জেলা চেম্বার্স নেতৃবৃন্দ এবং মার্কেট কমিটির সদস্য। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রংপুর জেলা প্রশাসক ড.চিত্রলেখা নাজনীন তার বক্তব্যে প্রতিবন্ধী মানুষদের উন্নয়নে সবার এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাকের কাজের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচীর ডেপুটি ম্যানেজার আয়শা ইসলাম, ডিভিশনাল ম্যানেজার মো: মাসুদ রানা, এরিয়া ম্যানেজার মো: মফিজুর রহমান, জেলা ব্যবস্থাপক ধর্ম নারায়ন রায় এবং অন্যান্য কর্মকর্তা গন উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

নির্বাচন যাদের মাধ্যমে হবে তারাও সরকারের পক্ষে – রংপুরে জিএম কাদের

নির্বাচন যাদের মাধ্যমে হবে তারাও সরকারের পক্ষে – রংপুরে জিএম কাদের জালাল উদ্দিন রংপুর/ দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, এখন জনগণের প্রতিপক্ষ সরকার। নির্বাচন যাদের মাধ্যমে হবে তারাও সরকারের পক্ষে। সবকিছুই এখন সরকারদলীয় হয়ে গেছে। সরকার যখন পক্ষ হয় তখন অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন আর হয় না, বরং পক্ষপাতিত্ব হয়। সরকারি কর্মকর্তারা, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরাসরি সরকার দলীয় হিসেবে কাজ করে। এ জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন যেমন সম্ভব নয়, তেমনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডও সম্ভব নয়। বৃহস্পকিবার (২ মার্চ) দুপুরে রংপুরের পল্লীনিবাসে শায়িত প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন জিএম কাদের। স্বাধীন নাগরিকদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে একটা অনীহা দেখা দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস। রাষ্ট্রীয় সকল কাজকর্ম জনগণের ইচ্ছেমতো হবে, এটাই আমাদের প্রজাতন্ত্র বা গণতন্ত্র। কিন্তু জনগণের প্রতিনিধি যেভাবে প্রতিনিধিত্ব করবে, তা এখন আর হচ্ছে না। জনপ্রতিনিধি কথা মতো না চললে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাকে পরিবর্তন করবে। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থায় জনগণ এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। একারণে জনগণ এখন রাজনীতি ও নির্বাচন বিমুখ হয়েছে। জিএম কাদের বলেন, দেশের মালিক জনগণ। কিন্তু যেভাবে বি-রাজনীতিকরণ চলছে তা দেশের জন্য কখনোই মঙ্গলজনক নয়। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের যে মূল চেতনা, তা এখন সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। কারণ জনগণ এখন দেশের প্রকৃত মালিক নয়। সঠিক নির্বাচন যতদিন হবে না, ততদিন আমরা প্রজাতন্ত্রে বা গণতন্ত্রে আছি এটা বলা যাবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের সংবিধান এবং ভারতের সংবিধানে মিল রয়েছে। কিন্তু ভারতের মতো আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারছি না। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। একারণে এখন জবাবদিহিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে না। সার্বিকভাবে রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠান এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। সরকার সবকিছু নিজের কুক্ষিগত করে রেখেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্ততির কথা জানিয়ে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, আমরা প্রস্ততি নিচ্ছি। কিন্তু এখন যে দশের সার্বিক অবস্থা তা থেকে উত্তরণে সরকারকে আগে উদ্যোগ নিতে হবে। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সরকারের ইচ্ছা থাকতে হবে এবং সবাইকে নিয়ে বসে এর সমাধানও বের করতে হবে। কারণ এখন সরকারই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। একারণে সামনের দিকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চিত। নির্বাচনের আগের পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে জাতীয় পার্টি সিদ্ধান্ত নিবে। এসময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টি কোনো সুযোগ নেওয়ার রাজনীতি করে না। আমরা দেশ ও জনগণের জন্য রাজনীতি করছি। মানুষ এখনো জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। আমাদের প্রতি জনগণের সমর্থন রয়েছে। আর বিএনপি-আওয়ামী লীগ যেভাবে একে অপরকে কামড়াকামড়ি করছে, একারণে দেশের ৮০ ভাগ মানুষ এখনো সিদ্ধন্ত নেয়নি কাকে ভোট দিবে। কাজেই এটি জাতীয় পার্টির জন্য একটা বড় সুযোগ। আমরা যদি সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রত্যাশার রাজনীতি করতে পারি, তাহলে ৮০ ভাগ মানুষের অনেকেই ভোট দিবে। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, রংপুর জেলা ও মহানগর জাপার সভাপতি রসিক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসীর, জেলার সদস্য সচিব হাজী আব্দুর রাজ্জাক, মহানগরের সহসভাপতি লোকমান হোসেন জাতীয় পার্টিও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী মহানগর যুব সংহতিরসভাপতি শাহিন হোসেন জাকির দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩২তম বৈঠক অনুষ্ঠিত

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩২তম বৈঠক অনুষ্ঠিত ঢাকা, ০২ মার্চ, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ: একাদশ জাতীয় সংসদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৩২তম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য মোঃ আফতাব উদ্দিন সরকার এবং কানিজ সুলতানা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে উপকুলীয় অঞ্চলে বহুমুখী সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ (সংশোধিত) প্রকল্প সম্পর্কে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ; গ্রামীণ রাস্তায় কম-বেশী (১৫ মি: দৈর্ঘ্য পর্যন্ত) সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া, গত বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। গ্রামীণ রাস্তার কম-বেশি (১৫ মি: দৈর্ঘ্য পর্যন্ত) সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের রাস্তাগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা এবং সেতু/কালভার্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত তালিকাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার বিষয়ে বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়। কাবিখা প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি শ্রমিকের নিকট পৌঁছানোর প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা প্রস্তুত করে বাস্তবায়ন করার সুপারিশ করা হয়। “এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না”- প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে গ্রামীণ রাস্তার পাশে ফসল ফলিয়ে খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বৈঠকের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের শাহাদাতবরণকারী সকল সদস্য, ভাষা আন্দোলনে শহিদ ও প্রয়াত সংসদ সদস্যগণের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, অন্যান্য সংসদ-সদস্যদের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করা হয়। বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »