সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: August 27, 2024

রংপুরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব পূন্যতিথী জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিক হয়। গতকাল (২৬ আগস্ট) সোমবার বিকালে ৪টায় নগরীর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে সাহিত্য মঞ্চে আয়োজিত আলোচনা সাভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সায়ফুজ্জামান ফারুকী। উদ্বোধক ছিলেন রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রেজাউল ইসলাম, ধর্মিয় আলোচক রংপুর জেলা ইসকনের সভাপতি প্রভু শ্রী গোবিন্দ গিরিধারী দাস, আমন্ত্রিত অতিথি রংপুর মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু, সদস্য সচিব এ্যাড. মাহাফুজ উন নবী ডন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রামকৃষ্ণ সোমানী, রংপুর মহানগর বৈষম্য নাগরিক ঐক্য কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার লতিফুর রহমান, বাংলাদেশ ক্ষত্রিয় সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এ্যাড. ধীরেন্দ্রনাথ বর্মন, রংপুর মহানগর বৈষম্য নাগরিক ঐক্য কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ তৌহিদুর রহমান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বেরোবির সমন্বয়ক মোঃ শাহরিয়ার সোহাগ, বাংলার চোখের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তানবীর হোসেন আশরাফী, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ রংপুর মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. প্রশান্ত কুরাম রায়। অনুুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব কমিটির আহবায়ক ডাঃ নিখিলেন্দ্র শংকর গুহ রায়, সঞ্চালনা করেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব কমিটির সদস্য সচিব খোকন সরকার। আলোচনা শেষে রংপুর নগরীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

Read More »

‘ছাত্র-জনতার অর্জিত বিপ্লবকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে’

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুরের সমন্বয়ক ইমরান আহমেদ বলেছেন, ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত গণঅভ্যুত্থানে অর্জিত বিপ্লবকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। তিনি বলেন, যখন দেশের স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অন্তর্র্বতী সরকারের সঙ্গে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে চলছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ঠিক তখনই ওই মহলটি ব্যক্তি ক্রোধ মেটাতে মামলা বাণিজ্য, শিক্ষাঙ্গনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির মতো নানা রকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করাসহ যেকোনো অন্যায়-অনিয়ম ও আইনবহির্ভূত অপরাধ প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সর্বদা জাগ্রত আছে। গতকাল রংপুর নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এমন হুঁশিয়ারি দেন। ইমরান আহমেদ বলেন, আবু সাঈদের রক্তে রঞ্জিত রংপুরের এই ভূমিতে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা সন্ত্রাসীরা কোনো ধরনের অপকর্ম করলে তা প্রতিহত করার জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর সবসময় প্রস্তুত থাকবে। একটা বিষয় সবার হয়ত নজরে এসেছে যে, আমাদের রংপুরে যারা শহীদ হয়েছে ; তাদের পরিবার যে মামলাগুলো করেছে। এতে করে অনেকে চাপে পড়ে কিছু মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিদের নামও যোগ করেছে, তাদের বিভিন্নভাবে অর্থ ও বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে প্রভাবিত করেছে একটি আইনজীবী গোষ্ঠী। যা একটি দেশের সুশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট। বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার এই আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। সমাজের যেখানে অন্যায়,অনিয়ম সংঘটিত হবে সেখানেই আমাদের প্লাটফর্ম দায়িত্ব নিয়ে তা সমাধানে সচেষ্ট থাকবে। ছাত্র সমন্বয়করা বলেন, বিগত সময়ে রংপুরে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। মামলা বাণিজ্যের মতো অপকর্ম করেছে একটি মহল। মামলার বিষয়ে আদালতের কাছে অনুরোধ, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন কাঠগড়ায় না দাঁড়ান। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মামলার বিষয়ে চাপ দিলে রংপুরের ছাত্র জনতা তাকে বা তাদেরকে একতাবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন সমন্বয়ক ইমরান আহমেদ, মোতাওয়াক্কীল বিল্লাহ শাহ, ইমতিয়াজ আহম্মদ ইমতি, আলী হোস্ইন, আরাফাত, নাহিদ, মাহির ফয়সাল, ডা. লিমন পাঠান, রিনা মুরমু। এ সময় আন্দোলনে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয়করা উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

বানভাসী মানুষের পাশে দাঁড়ান : রাষ্ট্রপতি সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : বঙ্গভবন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দেশের চলমান সংকটকালে বানভাসী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি পরোপকারের মহান ব্রত নিয়ে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা দিয়েই অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাই এগিয়ে আসবেন।’ রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১টি জেলা ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। অসহায় এসব লোকদের নিরাপদ আশ্রয়ের পাশাপাশি জীবন ধারণের জন্য খাদ্য, পানি ও ওষুধসহ বহুমুখী সহায়তা প্রয়োজন।’ সরকার বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তায় সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতাও তাদের সাধ্যমতো সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষ্যে দেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সবাই দেশকে এগিয়ে আসতে একযোগে কাজ কারার আহ্বান জানান। শ্রীকৃষ্ণকে হিন্দু ধর্মের একজন পরোপকারী ও মানবদরদী মানুষ এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, সমাজ থেকে অন্যায়-অত্যাচার, নিপীড়ন ও হানাহানি দূর করে মানুষে মানুষে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলাই ছিল শ্রীকৃষ্ণের মূল দর্শন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের সংস্কৃতির অনন্য বৈশিষ্ট্য জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সমাজে বিদ্যমান সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য অটুট রাখতে হবে।’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সকল নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দিয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ তিনি বলেন, সকল ধর্মের মূল বাণী হচ্ছে মানবকল্যাণ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকে দেশ ও জনকল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের বন্ধনে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি প্রগতিশীল ও শান্তিপূর্ণ সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হোক এবারের জন্মাষ্টমীর অঙ্গীকার। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি পরমতসহিষ্ণু ও সহনশীল আচরণ করতেও  সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান শেষে রাষ্ট্রপতি দরবার হলে সকল অতিথিগণের সাথে কুশল বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আফম খালিদ হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর, বিচারপতি বিশ্বজিৎ দাস, কূটনৈতিক মিশনের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, হিন্দু ধর্মীয় গুরু রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ মহারাজ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব ড. কৃষ্ণেন্দু কুমার পাল, উপপরিচালক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক শ্রী সন্তোষ শর্মা এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শ্রী জয়ন্ত কুমার দেব ও সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস কুমার পাল অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নাসিমুল গনি, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী এবং প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।

Read More »