সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: November 16, 2024

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিতে ৪৩,৩৪৮

ডেস্ক রিপোর্ট / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সরকারি-আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৩৪৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের দেওয়া তালিকা সমন্বয় করে এ সংখ্যা পাওয়া গেছে। আরো দু-একটি মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত তালিকা আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোটায় সরকারি চাকরিজীবীর তালিকা আরো লম্বা হতে পারে। এসব তালিকা যাচাই-বাছাই করছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কারা সরকারি চাকরি বাগিয়েছেন তা জনগণকে জানাতে শিগগিরই এই তালিকা অ্যাপসের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। তাঁদের মধ্যে কেউ ‘ভুয়া সনদে’ চাকরি নিয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট অ্যাপসে সে বিষয়ে অভিযোগ করার সুযোগ রাখা হবে। জাল সনদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের খুঁজে বের করতেই এ তালিকা করা হচ্ছে বলে সূত্র বলছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ‘আমরা প্রায় সব মন্ত্রণালয়ের তালিকা পেয়েছি। ৪০ হাজারের বেশি নামের তালিকা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই করছেন। যাচাই শেষে এগুলো শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হতে পারে, যাতে যে কেউ এসব সনদের বিষয়ে অভিযোগ করতে পারেন। এ জন্য অভিযোগ করার সুযোগ রাখার চিন্তা-ভাবনা চলছে।’ গত ৯ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীতে বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদ জাল করে চাকরি নেওয়ার দায়ে মোরশেদ আলম নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরো আট মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খান এই রায় দেন। দণ্ড পাওয়া আসামি পলাতক। আদালত সূত্র জানায়, ২০১২ সালে ফেনী জেলায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় স্থানীয়ভাবে ৭৩ প্রার্থীকে ফেনী পুলিশ লাইনস মাঠে প্রাথমিক বাছাই করা হয়। বাছাই করা প্রার্থীদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে ৪৫ জন পুরুষের মধ্যে ৯ জনকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্বাচিত করা হয়। এর মধ্যে মোরশেদ আলম মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ছিলেন। চূড়ান্ত হওয়ার পর তাঁকে ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে পাঠানো হয় এবং প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পদায়ন করা হয়। এরই মধ্যে তাঁর দাখিল করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যাচাইয়ের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পাঠানো হলে সনদটি জাল হিসেবে ধরা পড়ে। এতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। শুধু মোরশেদ আলমই নন, জাল সনদের মাধ্যমে সরকারি চাকরি বাগিয়েছেন হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারী। অভিযোগ আছে, যুদ্ধ না করেও অনেকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্যদের ‘ম্যানেজ’ করে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়েছেন। এমনকি জামুকার মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ গ্রহণের অভিযোগ তোলা হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকারের আমলে খোদ সংসদীয় কমিটিতেও। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এর তিন দিন পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক-ই-আজম বীরপ্রতীক। এরপর গত ১৫ আগস্ট সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি তালিকা তৈরি হবে। সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কতজনের চাকরি হয়েছে, এখানে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা এবং মুক্তিযুদ্ধ না করে যাঁরা মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এর পরই ১৫ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ক্যাডার, নন-ক্যাডার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য চেয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়। এতে সরকারি চাকরিতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাঠাতে বলা হয়। ২৯ আগস্ট ফের তাগিদ দিয়ে দুটি চিঠি পাঠানো হয় সব মন্ত্রণালয়ে। একটিতে প্রথম শ্রেণি (ক্যাডার ও নন-ক্যাডার) ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদের তথ্য চাওয়া হয়। অপরটিতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে তার মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা, করপোরেশন ও দপ্তরে নিয়োগপ্রাপ্তদের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে বলা হয়। ১৫ আগস্টের চিঠির স্মারক উল্লেখ করে ওই চিঠিতে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তথ্যাদি পাঠানো নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়। এরপর মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ভাগ করে সরাসরি ফোনে তাগিদ দেওয়া শুরু করেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। প্রায় সব মন্ত্রণালয়ের তথ্য পাওয়া গেলেও এখনো কোটায় চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া যায়নি কোনো কোনো মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের। তাদের ফের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য, ১০ শতাংশ নারীদের জন্য, ১০ শতাংশ পিছিয়ে থাকা জেলার মানুষের জন্য, ৫ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য এবং ১ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ছিল। ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর কোটাবিরোধী আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভা সরকারি চাকরিতে নবম থেকে ১৩তম গ্রেডে (যেসব পদ আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরি বলে পরিচিত ছিল) নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। চলতি বছর সংস্কারের দাবিতে ফের আন্দোলন শুরু হয় ৫ জুন। সেই আন্দোলন এক পর্যায়ে সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান। সুত্র.কালের কন্ঠ

Read More »

‘যে বৈষম্য দূর করার জন্য আমরা আন্দোলন করেছি তা এখনো হয়নি’ – ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর : ঢাকা, ৫ আগস্টের পরও বিচার বহির্ভূত হত্যা, দখল, জুলুম, অত্যাচার নির্যাতন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। যে বৈষম্য দূর করার জন্য জুলাই আন্দোলন হয়েছিল তা এখনও দূর হয়নি বলে তিনি সমাবেশে উল্লেখ করেন। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোতোয়ালি থানা শাখার আয়োজনে গণসমাবেশে এ কথা জানান তিনি। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর বলেন, ক্ষমতার মসনদে বসে ফারুকীসহ বিতর্কিতদের উপদেষ্টা বানানো হচ্ছে অভিযোগ করে ফয়জুল করীম বলেন, ‘ফারুকীকে কোন যোগ্যতা ও কোন গুণে উপদেষ্টা করা হলো তা আমার প্রশ্ন। যদি ফারুকীকে পদত্যাগ করতে বাধ্য না করা হয় তাহলে কর্মসূচি দেয়া হবে।’ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৫ আগস্টের গণবিপ্লবের অংশীদার দাবি করে তিনি বলেন, ‘বৈষম্য দূর করার জন্যই আন্দোলন করেছিলাম। ’৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কেউ বৈষম্য দূর করতে পারেনি। তারা দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে; গুম, খুন, লুট করেছে। কিন্তু আজও সবাই বৈষম্যের শিকার। শ্রমিকরা অধিকার আদায়ের আন্দোলন করছে, শিক্ষকরা রাস্তায় নেমেছেন।’ বিএনপির রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতার জন্য ইউটার্ন মেরেছে। আওয়ামী লীগের অত্যাচারে কথা ভুলে তারা এখন আবার আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার চেষ্টায় করছে। “চোরে চোরে হালি এক চোরে বিয়ে করে আরেক চোরের শালি”। বিএনপির অবস্থাও তাই।’

Read More »

অন্তর্বর্তী সরকার কোনো ক্ষমতা নয়, আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি : উপদেষ্টা ফাওজুল কবির

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : চট্টগ্রাম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং সড়ক পরিবহন, সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী  সরকার কোনো ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। আমরা একটা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমরা এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।’ তিনি বলেন, দায়িত্ব ও ক্ষমতার মধ্যে একটা মৌলিক পার্থক্য আছে। ক্ষমতা হলে গায়ে একটু গরম, গরম লাগে। নিজেকে খুব বড় মনে হয়। অন্যদিকে আপনি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, নিজেকে খুব খাটো মনে হয়। সবসময় মনে হয়, আমি আমার কাজটি করতে পারছি কিনা।’ ফাওজুল কবির আজ বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। আরও একটি রিফাইনারি নিমার্ণের উদ্যোগের কথা জানিয়ে ফাওজুল কবির বলেন, ‘আমাদের একটা রিফাইনারি আছে, অনেক পুরানো। যেকোনো মুহুর্ত ভেঙে পড়তে পারে। আমরা আরেকটি রিফাইনারির উদ্যোগ নিয়েছি। আপনারা জানেন যে, দুর্বৃত্তায়নের কারণে আরেকটি রিফাইনারি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। এটা একদম দখল করে নিয়েছে। এই যে দখলের মানসিকতায় জমি, বিভিন্ন ব্যাংক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল, আমরা সেটির অবসান ঘটিয়েছি। ইস্টার্ন রিফাইনারির কাজটা আমরা সহসা হাতে নেবো।’ বিদ্যুৎ খাতের সুখবর জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে কিছু সুখবর আছে। একটা সুখবর হচ্ছে- সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল আইনের মাধ্যমে। ২০১০ সালে এই আইন করা হয়েছিল। এটি হলো দ্রুত লেনদেনের আইন। এটা হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ হয়েছিল। শাহদীন মালিক এটাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। হাইকোর্ট এই আইনটিকে সংবিধান বিরোধী বলেছেন। আপনারা জানেন আমাদের চুক্তিগুলো আন্তর্জাতিক চুক্তি। চাইলেই বা সহজেই বের হওয়া যায় না। এজন্য আমরা ধীরস্থির ভাবে এগুচ্ছি। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য আমরা একটা জাতীয় কমিটি করেছি। জাস্টিস মইনুল ইসলামকে সভাপতি করে এ কমিটি করা হয়েছে। তারা অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখবে। অনিয়মগুলো যদি না জানেন, আবেগ বা রাগের বশীভূত হয়ে যদি লাইন কেটে দিই, তাহলে মামলায় জড়াতে হবে। এসব মামলায় বাংলাদেশের কখনো ভালো করে নাই। সবসময় ক্ষতিপূরণ দিয়ে আসতে হয়েছে। উপদেষ্টা বলেন, গ্যাসের সংকটের কারণে প্রতিবছর ৬ হাজার কোটি টাকার গ্যাস আমদানি করি। এ বছরই আমরা ৫০টি কূপ খনন করবো। আগামী দুই বছরে আরও একশ’টি কূপ খনন করবো। জ্বালানী আমদানী করাটা সহজ। কিন্তু কূপ খনন করে গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার করার চেষ্টাটা হয়নি। আমরা নবায়নযোগ্য একটি শক্তিতে বিনিয়োগ করতে চাই। চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের চাওয়া নতুন কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ কাজ আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে জানিয়ে ফাওজুল কবির বলেন, কালুরঘাট সেতুর কাজ কখন চালু হবে সেটা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল একজন। আমরা আশা করছি, ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কালুরঘাট সেতু কাজ শুরু হবে। এরপর আমি আরেকটি কাজ দেখতে এসেছি, টানেল আছে। ওটা পার হই নাই। কোনো গাড়ি দেখলাম না। এই যে একটা অপরিকল্পিত পরিকল্পনা। তিনি বলেন, আসলে কি জানেন, পরিকল্পনা ছিলো- মাতারবাড়িতে একটা গভীর সমুদ্রবন্দর হবে এবং সেখানের সঙ্গে একটা সড়ক সংযাগ হবে। সেখানে একটা ইকনোমিক জোন হবে। কিছুই হয়নি। শুধু সেখানে একটা বিদ্যুৎ প্লান্ট হয়েছে আর এখানে একটা টানেল হয়ে গেছে। অপচয়ের উন্নয়ন আমরা করতে রাজি না। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম উন্নয় কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম, সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ হাসান, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হোসেন।

Read More »

জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : ডা. জাহিদ

ডেস্ক রিপোর্ট / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : গাজীপুর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার গাজীপুর মহানগর বিএনপি আয়োজিত র‌্যালি শুরুর আগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি মানুষ যেমনভাবে আস্থা রেখেছিলো, ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়েও মানুষ তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রাখতে চায়। জনগণ যদি স্বাধীনভাবে ভোট দেয়ার সুযোগ পায় ধানের শীষ বিজয়ী হবে। গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম রনির সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল আলম বাবুল। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার, ডা. মাজহারুল আলম প্রমুখ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আফজাল হোসেন কায়সার, ড. সহিদুজ্জামান, রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, মাহবুবুল আলম গোলাপ, মাহবুব আলম শুক্কুর, মেহেদী হাসান এলিস, সুরুজ আহাম্মেদ, হাসান আজমল ভূইয়া, বশির আহাম্মেদ বাচ্চু, প্রভাষক বশির উদ্দিন,  আকম মোফাজ্জল হোসেন, জয়নাল আবেদীন তালুকদার, সরকার জাভেদ আহমেদ সুমন, সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন, আরিফ হোসেন হ্ওালাদার, সাহাদাত হোসেন শাহীন, সাজেদুল ইসলাম, মাহমুদ হাসান রাজু, আতাউর রহমান, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম মোল্লা, নজরুল ইসলাম, রুহানুজ্জামান শুক্কুর প্রমুখ।

Read More »

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় উল্লেখ যোগ্য ১০০ দিনের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, অন্তবর্তী কালীন সরকার গত ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণ করে। সে হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার ১০০  দিনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের কার্যক্রম ও অর্জনগুলো তুলে ধরা  হলো: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত নানা প্রকল্প প্রণয়ন, ব্যয় নির্ধারণ, টেন্ডার প্রক্রিয়া, কাজের গুণগতমান বজায় রাখা, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সমাপ্ত করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুনীর্তি প্রতিহত করা এবং দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসমূহের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এসব পদক্ষেপ সংক্রান্ত আরো  কার্যক্রম  চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগস্ত এলাকায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, উপকূলীয় পোল্ডার, নদী তীর এবং অন্যান্য অবকাঠামোর তালিকা প্রণয়ন করে প্রাথমিক প্রাক্কলনসহ একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় ৮৯ কিলোমিটার বাঁধ মেরামত করা হয়েছে। এছাড়া আরো ৫৬ কিলোমিটার বাঁধ মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে নোয়াখালী জেলার মুসাপুর রেগুলেটর পুনঃনির্মাণ ও বামনি ক্লোজার নির্মাণ কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে সম্ভাব্য সমীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মুহুরী-কহুয়া-সিলোনিয়া-ফেনী অববাহিকায় সমীক্ষার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সুপারিশের আলোকে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। নদ-নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বিভিন্ন সংস্থা বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে অবকাঠামো নির্মাণ বা অবৈধ দখলের ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে এমন অবকাঠামো ও নির্মাণকারীদের তালিকা ইতোমধ্যেই সংগ্রহ করা হয়েছে। নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও দূষণমুক্ত করার কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও সব নদীর জন্য হেলথ কার্ড প্রস্তুতের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।   জেলা ভিত্তিক নদী দখল ও দূষণমুক্তকরণের কর্মপরিকল্পনা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্লাস্টিক দূষণ আক্রান্ত নদ-নদীর তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ তিন বিষয় সমাধানের লক্ষ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বিআইডব্লিউটিএ, সব বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে সভা করে কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এদিকে জাতীয় যুব দিবস- ২০২৪ উপলক্ষে ১ নভেম্বর পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৬৪ জেলায় ১টি করে মোট ৬৪ টি খাল পরিস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয় যা ১৫ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। নদীর সঠিক সংখ্যা নিরূপণে নদীকে জীবন্ত সত্ত্বা বিবেচনা করে নদীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভাগওয়ারি তালিকা অনুযায়ী নদ-নদীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে আট বিভাগের কমিশনার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলীরা স্টেক হোল্ডারদের সাথে সভা করে বিভাগীয় পর্যায়ের নদীর তালিকা করেছেন। এক্ষেত্রে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নদী কমিশনের ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের মতামত নিয়ে নদীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। ভবদহ বিল এলাকায় জলবদ্ধতা সমস্যার সার্বিক সমাধানের লক্ষ্যে সামগ্রিকভাবে আমডাঙ্গা খাল উন্মুক্তকরণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আমডাঙ্গা খাল সংস্কারের জন্য এ খালকে একটি উন্নয়ন প্রকল্পে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। ভবদহ বিলের জলাবদ্ধতা প্রশমনে ইতোমধ্যে দুটি ভাসমান খনন যন্ত্রসহ মোট ৯টি খনন যন্ত্রের মাধ্যমে হরি নদী পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঢাকার চারপাশের নদ ও নদীসমূহের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বালু নদীর পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রিন্সিপ্রাল কমপোন্যান্ট এনালাইসিসের মাধ্যমে ওয়াটার কোয়ালিটি ইনডেক্স (ওয়াইকিউআই) নিরূপণের প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পূর্বাভাস পদ্ধতি বিশ্লেষণপূর্বক পূর্বাভাস প্রদানে তথ্য-প্রযুক্তির যুগোপযোগী ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বন্যার সম্ভাব্য মাত্রা অনুযায়ী সিগনালিং বা অ্যালার্ট সিস্টেম চালুকরণ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে সম্ভাব্য বন্যা ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় টোল ফ্রি এসএমএস ব্যবস্থা চালুকরণ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তী সরকারের এই ১০০ দিনের কাজের অংশ হিসেবে প্রশাসনিক সংস্কার কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতীয় পানি নীতি-১৯৯৯ হালনাগাদ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা করেছে। বাংলাদেশ পানি আইন-২০২৩ মোবাইল কোর্টের তফসিলভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনগণের পানি অধিকার নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ পানি আইন-২০১৩-এর প্রচার এবং সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সময়াবদ্ধ সংস্কার কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সময়াবদ্ধ সংস্কার কর্ম-পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তব কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ত্বরান্বিত করতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে। তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগাতে বাপাউবোর আপৎকালীন জরুরি কাজে তদারকির জন্য তরুণদেরকে অন্তভূুক্ত করা হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রেজাউল করিম বাসসকে জানান, এ মন্ত্রণালয়ের ৯১টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এগুলো উন্নয়ন প্রকল্প। নতুন কোন প্রকল্প গত তিন মাস ১০ দিনে অনুমোদন পর্যায়ে যায়নি। কেননা অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের কারণে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চলমান প্রকল্পগুলো পরিকল্পনা কমিশনের নির্দেশনার আলোকে উচ্চ, মধ্য ও নিম্ন অগ্রাধিকারভুক্ত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সেচ, বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট এবং বর্তমান অর্থবছরে সমাপ্য বিবেচনায় ৩৮টি প্রকল্পকে উচ্চ অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। এছাড়া ৪৩টি প্রকল্পকে মধ্যম এবং ১০টি প্রকল্পকে নি¤œ অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এই ৯১টি প্রকল্পের মধ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করছে ৮৮টি, পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা ১টি এবং বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ২টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপিভুক্ত (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) প্রকল্পসমূহের অনুকূলে মোট বরাদ্দ ৮৩৩৭.০৯ কোটি টাকা (স্থানীয় ৭৮২৮.৩৫ কোটি টাকা) এবং বৈদেশিক সাহায্য ৫০৮.৭৪ কোটি টাকা। থোক বরাদ্দ ৩৫০ কোটি টাকা। এছাড়া চলমান প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা অর্থ সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ঢাকার খালগুলোর প্রবাহমানতা ফিরিয়ে আনতে খাল পুনরুদ্ধার করে দখল-দূষণমুক্ত এবং খাল কেন্দ্রিক ব্লু নেটওয়ার্ক গঠন করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে তা কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়নের পর্যায়ে রয়েছে। এ লক্ষ্যে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি ওয়ার্কিংগ্রুপ গঠন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লা জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পানি সম্পদ অবকাঠামো মেরামত ও পুনঃনির্মাণের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি করণীয় বিষয়ে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বল্প ও মধ্যম মেয়াদে জরুরী পুনঃগঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক ৫৫০০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে। এছাড়া চলতি বছরে ইমার্জেন্সি ফ্লাড রিকভারি, রিকন্সট্রাকশন এন্ড রেস্টোরেশন (বিডব্লিউডিবি-পার্ট) প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। যশোরের ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষাসহ ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার এন্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট (সিএসএডব্লিউএম) প্রজেক্টে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বোপাউবো) আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

Read More »