সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: February 5, 2025

বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মকর্তাদের রক্ষিত লকার ফ্রিজ করতে দুদকের চিঠি

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ভল্টে রক্ষিত কর্মকর্তাদের সেইফ ডিপোজিট সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত (ফ্রিজ) করে কেউ যাতে ওই লকার খুলে রক্ষিত মালামাল নিতে না পারে তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন এই তথ্য জানান।  তিনি জানান, বিগত ২৬ জানুয়ারি আদালতের অনুমতিক্রমে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশনের টিম বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েন ভল্টে রক্ষিত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সাবেক এক ডেপুটি গভর্নরের সেইফ ডিপোজিট তল্লাশি করে। তল্লাশি করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর চৌধুরী জমাকৃত তিনটি সিলগালা কোটা খুলে ৫৫ হাজার ইউরো, ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার, ১০০৫.৪ গ্রাম স্বর্ণ ও ৭০ লাখ টাকার এফডিআর পাওয়া গেছে।’  মহাপরিচালক জানান, তল্লাশিকালে রেজিস্ট্রার পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য কিছু কর্মকর্তারও সেখানে লকার রয়েছে। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানের সাথে সংশ্লিষ্ট আরো অনেকের এ ধরনের যে লকার রয়েছে সেগুলো তল্লাশি করা প্রয়োজন। সে জন্যে অনুসন্ধান দলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে সেই লকারগুলো সাময়িকভাবে স্থগিত (ফ্রিজ) করতে অনুরোধ করা হয়েছে। আদালতের অনুমতিক্রমে পরবর্তী সময়ে অনুসন্ধান দল পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলে তিনি জানান। 

Read More »

পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে কানাডার সহযোগিতা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :  ঢাকা, কানাডায় পাচার হওয়া অর্থ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সেদেশের সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ঢাকাস্থ কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার শাসনামলের ওলিগার্ক ব্যবসায়ী, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ বাংলাদেশ থেকে শত শত বিলিয়ন মার্কিন ডলার চুরি করেছে। যার একটি অংশ কানাডায় পাচার হয়েছে, বিশেষ করে টরন্টোর কুখ্যাত ‘বেগম পাড়া’ এলাকায় সম্পদ কেনার মাধ্যমে।’  তিনি কানাডায় পাচার হওয়া সম্পদ শনাক্ত, জব্দ এবং পুনরুদ্ধারে সহায়তা চান। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘তারা আমাদের জনগণের টাকা চুরি করে বেগম পাড়ায় সম্পদ কিনেছে। আমরা এই সম্পদ পুনরুদ্ধারে আপনাদের সহায়তা চাই। এটি আমাদের জনগণের সম্পদ।’ কানাডার হাইকমিশনার অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চুরি হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তাকে স্বাগত জানান। প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগে কানাডা সরকার সহায়তা করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। তিনি জানান, কানাডার সরকার চিহ্নিত ব্যক্তিদের পাচার করা অর্থ জব্দ এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য একটি ‘প্রক্রিয়া’ চালু রেখেছে।  কানাডার রাষ্ট্রদূত আরো জানান, বাংলাদেশে গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার কর্মসূচিকে সহযোগিতা প্রদানে তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে।  রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচির প্রতি ইঙ্গিত করে অজিত সিং বলেন, ‘আপনারা যে মহৎ কাজ করছেন, আমরা তা সমর্থন করি। ইতোমধ্যে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। আমরা জানতে আগ্রহী, আরো কীভাবে আপনাদের সাহায্য করতে পারি।’  তিনি বলেন, কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। তিনি আরো জানান, পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করতে কানাডার একজন মন্ত্রী শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসবেন।  অধ্যাপক ইউনূস নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকা আরো বেশি কানাডীয় বিনিয়োগ প্রত্যাশা করছে।’  সরকার প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আমরা আপনাদের দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে চাই এবং আমরা চাই কানাডীয় কোম্পানিগুলো তাদের কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তর করুক।’ প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, বর্তমানে বহু বাংলাদেশি কানাডায় বসবাস ও পড়াশোনা করছে। তাই ঢাকায় কানাডার একটি ভিসা অফিস স্থাপন করার প্রয়োজন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »