সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 15, 2025

রংপুরে বিশ্ব বাবা দিবস পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (১৫ জুন) রবিবার বিকালে রংপুর প্রেসক্লাব সংলগ্ন সুমি কমিউনিটি সেন্টারে বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মেনস এন্ড চাইল্ড রাইটস ফাউন্ডেশন রংপুর কমিটির মহাসচিব মোঃ ফররুখ শাহজাদা শুভ’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আমন্ত্রিত অতিথি বাংলার চোখ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তানবীর হোসেন আশরাফী, বাংলাদেশ মেনস এন্ড চাইল্ড রাইটস ফাউন্ডেশন রংপুর কমিটির সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন সোহাগ, যুগ্ম আহবায়ক মাহাফুজার রহমান বিটুল, মোখলেছুর রহমান মুকুল, আল হারুন বাপ্পী, সাংবাদিক আব্দুর রহমান মিন্টু, প্রেস ক্লাব ব্যাবসায়ী সমিতির মোঃ মোশাররফ হোসেন মনি, সাধারণ সম্পাদক এমএকে আজাদ, সাবেক সভাপতি রোস্তম আলী, আরবিসি এর সাবেক সহ সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক হোসেন। সভা বক্তারা বাবা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন শাহিন হাফেজ।

Read More »

বর্তমান পুলিশ মানবিক ও আগের থেকে সক্রিয়

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১ আষাঢ় (১৫ জুন) ২০২৫ খৃ. – বর্তমান পুলিশ মানবিক ও আগের থেকে সক্রিয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। উপদেষ্টা আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেন। উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের সময়ে মারধর করলে পুলিশকে সচল বলে ভাবা হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার মানবিক পুলিশ চাইছে। যারা সবার সাথে ভালো আচরণ করবে। তিনি বলেন, এখনকার পুলিশ হচ্ছে মানবিক পুলিশ। তারা এখন ভালো ব্যবহার করে দেখেই সাধারণ জনগণ ভাবছে পুলিশ সচল হয়নি। বর্তমান পুলিশ কিন্তু আগের থেকে আরো বেশি সক্রিয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কতটা প্রস্তুত-এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন যখন নির্বাচনের সময় ঘোষণা করবেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সে অনুযায়ী প্রস্তুত রয়েছে। ভারতের পুশ-ইন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেছি। আমাদের দেশের নাগরিক যদি ভারতে থেকে থাকে তাহলে উপযুক্ত চ্যানেলে তাদের পাঠালে আমরা নিবো। কিন্তু তাদের জঙ্গলের ভিতর-নদীতে ফেলে যাওয়া কোন সভ্য দেশের আচরণ হওয়া উচিত নয়। ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মোঃ খোদা বখস চৌধুরী, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

জমি নিয়ে জালিয়াতি করলেই কঠিন শাস্তি! নতুন বিধিমালা কার্যকর হবে

ডেস্ক রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : জমি নিয়ে প্রতারণা, জালিয়াতি ও বেদখল রোধে কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে নতুন বিধিমালা কার্যকর করা হয়েছে। এ বিধিমালার আওতায় জমি সংক্রান্ত জালিয়াতি প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনজীবী সিরাজ প্রামাণিক জানান, “সারাদেশে ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি, প্রতারণা ও বেদখল বন্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে বিধিমালার ধারা ৬(১)-এর আওতায় বলা হয়েছে, কেউ যদি প্রতারণামূলকভাবে দলিল তৈরি করেন বা জালিয়াতি করেন এবং সেটি আদালতে প্রমাণিত হয়, তাহলে আদালত মামলার আদেশের কপি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠাবেন।” তিনি আরও বলেন, “যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতারণার অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ প্রদান করা হবে।” এছাড়া অবৈধ দখল প্রতিরোধে ধারা ৭ অনুযায়ী, যদি কোনো দখলদারকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্ছেদ বা ভূমি থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়, অথবা তাকে ভূমিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে ভুক্তভোগী দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। এই বিধিমালার মাধ্যমে জমি নিয়ে সংঘাত ও জালিয়াতির প্রবণতা রোধে প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

Read More »

বার কাউন্সিল ১৪ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছেন আইন মন্ত্রণালয়

সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ‘এক্সিকিউটিভ কমিটির’ চেয়ারম্যান হলেন ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ‘লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির’ চেয়ারম্যান হলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন। বার কাউন্সিল সচিব অফিসের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বাসস’কে এ তথ্য জানান।  তিনি বলেন, বার কাউন্সিলের বিভিন্ন কমিটি গঠিত হয়েছে। এসব কমিটি বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে দেয়া হবে। বার কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ কমিটি এক্সিকিউটিভ কমিটি। এই কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচন হলেন সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান হলেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন। ইতোমধ্যে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সিনিয়র এডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এর আগে সারাদেশে আইনজীবীদের সনদ প্রদান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। গত ২৪ সেপ্টেম্বর বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত পাঁচ সদস্যের এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম। এছাড়া এই কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

Read More »

আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় আদেশ ও বিধিমালা যেভাবে পড়বেন

ডেস্ক রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীদের সুবিধার জন্য লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির পরামর্শ প্রকাশ করা হচ্ছে। আজ পঞ্চম পর্বে থাকছে বার কাউন্সিল আদেশ ও বিধিমালা ১৯৭২ বিষয়ে প্রস্তুতির পরামর্শ। পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী রিয়াজুর রহমান। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ ও বিধিমালা ১৯৭২ মূলত আইনজীবীদের পেশাজীবনের অনুসরণীয় বিধিমালা। এ আইন থেকে আইনজীবী তালিকাভুক্তি লিখিত পরীক্ষায় দুটি প্রশ্ন আসবে। উত্তর দিতে হবে একটি। নম্বর থাকবে ১০। প্রশ্নপত্রের মানবণ্টন দেখেই বোঝা যাচ্ছে আইনটি কেমন হতে পারে। মূলত বার কাউন্সিলের গঠন, আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা এবং একজন আইনজীবী হিসেবে সমাজের প্রতি, মক্কেলের প্রতি, সহকর্মীদের প্রতি যেসব দায়িত্ব পালন করতে হবে, তা এ আইনে বলা হয়েছে। বাস্তবধর্মী ও পেশাজীবনে অতি চর্চিত একটি আইন হলো বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ ও বিধিমালা ১৯৭২। এ আইন থেকে বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনা করলে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব। যেমন বার কাউন্সিল কীভাবে গঠিত হয়, বার কাউন্সিলের কার্যবালি কী, সদস্যরা কীভাবে নির্বাচিত হন, কতগুলো কমিটি রয়েছে, কমিটির কাজ কী কী—এগুলো পড়তে হবে। অনেকেই আছে বার কাউন্সিল ও বার অ্যাসোশিয়েশনের মধ্যে পার্থক্য বোঝেন না। এটি ভালো করে রপ্ত করতে হবে। এমন প্রশ্ন হরহামেশা পরীক্ষায় আসে। এ ছাড়া বার ট্রাইব্যুনালের গঠন ও কার্যাবলি, আইনজীবীদের পেশাগত অসদাচরণের জন্য কী কী ধরনের শাস্তি রয়েছে, বার কাউন্সিল কি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে সুয়োমোটো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে—বিষয়গুলো কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না। অনুচ্ছেদ ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩২ এবং বিধি ৪১, ৪১ক ও ৫০–এ এসব বিষয়ে বিস্তারিত বলা আছে। সেগুলো ভালো করে পড়তে হবে। অনুসন্ধান করার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা, একজন আইনজীবী হিসেবে আরেক আইনজীবীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তর জানতে হবে। এসব বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। পেশাগত বিধি অংশে রচনামূলক প্রশ্ন আসতে পারে। যেমন পেশাগত বিধি এবং নীতিমালার আলোকে আদালতের প্রতি, মক্কেলের প্রতিসহ আইনজীবীদের প্রতি ও জনসাধারণের প্রতি একজন আইনজীবীর দায়িত্ব ও কর্তব্য পর্যালোচনা করতে বলা হয়। বর্তমান ঢাকা বারসহ বেশ কয়েকটি বার অ্যাসোশিয়েশনে এডহক কমিটি রয়েছে। এডহক বার কাউন্সিলের গঠন ও ফাংশনস সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে। এগুলো ভালো করে পড়তে হবে। অনেক সময়ে আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরসংক্রান্ত মুসাবিদা করতে দেওয়া হয়। তাই এই মুসাবিদা নিয়মিত অনুশীলন করবেন। মনে রাখবেন, মামলার মুসাবিদা ও আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগের মুসাবিদার ধরন কিন্তু এক নয়। তাই যেকোনো ভালো একটি বই থেকে ফরমেটটি দেখে নেবেন এবং অনুশীলন করবেন। একই সঙ্গে বিগত কয়েক বছরের প্রশ্ন সমাধান করবেন। এ আইন থেকে বিগত বছরের প্রশ্ন রিপিটও হয়। একটি বিষয় মনে রাখবেন, আইনটি সহজ বলে অবহেলা করার সুযোগ নেই। কারণ, কৃতকার্য হওয়ার জন্য এই ১০ নম্বর অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে। // সুত্র.পরি//

Read More »