সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: May 26, 2026

প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাড়ায় ছাড় উদ্বোধন, আন্তনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ চালুর ঘোষণা – সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৫ মে) ২০২৬ খৃ. – ঢাকা, রাজধানীর ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনে আজ সোমবার প্রবীণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য মেট্রোরেল ও ট্রেন ভ্রমন ভাড়ার ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: ফাহিমুল ইসলাম ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব করতে কাজ করছে। প্রবীণ নাগরিক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের যাতায়াত সহজ ও সম্মানজনক করতে এই বিশেষ ভাড়া ছাড় কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এসময় সড়ক ও সেতু মন্ত্রী আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আন্তনগর ট্রেনে নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে আলাদা কোচ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আজ থেকে সোনার বাংলা এক্সপ্রেস এবং জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে একটি করে কোচ শুধুমাত্র নারী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। ঈদের পর পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি আন্তনগর ট্রেনে এ সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকা মেট্রোরেলে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক এবং প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা একক যাত্রা টিকিটে ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় পাবেন। প্রবীণদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘সুবর্ণ’ পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে এই সুবিধা গ্রহণ করা যাবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, প্রবীণ যাত্রীরা অনলাইন ও কাউন্টার উভয় মাধ্যম থেকেই ২৫% ছাড়ে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে টিকিট কেনার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে বয়স যাচাই করা হবে। তবে সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাটসহ অন্যান্য চার্জ বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য থাকবে। প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য আন্তনগর ট্রেনের সুলভ ও শোভন শ্রেণিতে বিদ্যমান ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড় বহাল থাকবে। পাশাপাশি সব শীতাতপনিয়ন্ত্রিত শ্রেণিতে নতুন করে ২৫ শতাংশ ছাড় কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও যাত্রীবান্ধব করে তুলবে।

Read More »

পার্বত্য মন্ত্রীর সাথে ইউএনএফপিএ ও আইএলও প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৫ মে) ২০২৬ খৃ. – গতকাল ঢাকায় সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর অফিস কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দিপেন দেওয়ানের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনএফপিএ (UNFPA)-এর প্রতিনিধি বাংলাদেশ এর রিপ্রেসেন্টেটিভ ক্যাথেরিন ব্রিন ক্যামকং (Ms. Catherine Breen Kamkong) সহ পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, ইউএনএফপি’র চিফ অব জেন্ডার শামীমা পারভীন, প্রোগ্রাম এনালিস্ট মিডওয়াইফারী প্রণীতা রাহা, ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার- এমএন্ডই জেফারসন চাকমা, বান্দরবানের ফিল্ড অফিসার তিমথী খিয়াং উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা সমতলের অন্যান্য এলাকা থেকে একটু ভিন্ন। জেলাগুলো অধিকাংশ এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না হওয়া সত্ত্বেও দুর্গম এলাকাগুলোর মানুষদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে সরকারি-বেসরকারি সেবা দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সবসময়ই তৎপর রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকনিক্যাল সাপোর্ট পর্যাপ্ত না থাকায় এখানকার নারী, কন্যাশিশু ও তরুণ সমাজ আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ কাউন্সিল, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সাহায্যকারী সংস্থা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী, কন্যাশিশুদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, বাল্যবিবাহ ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা রোধে কাজ অব্যাহত রাখার জন্য ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি দলকে অনুরোধ জানান মন্ত্রী । একই দিন অন্য একটি সভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও-এর প্রতিনিধি দলের সাথে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আইএলও প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতির সাথে সংগতি রেখে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার বদ্ধপরিকর। মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নতুন করে পুনর্গঠন করা হলে আইএলও’র এ জনকল্যাণমূলক কাজগুলো সংশ্লিষ্টদের সাথে সমন্বয় করে আরো গতিশীলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। অতীতে বাস্তবায়িত সকল কার্যক্রমের জন্য আইএলও প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষি ও জীবিকার সুরক্ষায় আরো নিবিড়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশে নিযুক্ত আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টিউনন এর নেতৃত্বে আইএলও প্রতিনিধি দলের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এএনএম তানজেল আহসান এবং এলেক্সিয়াস চিকাম এসময় উপস্থিত ছিলেন

Read More »

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির বাণী

স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৫ মে) ২০২৬ খৃ. – রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিম্নোল্লিখিত বাণী প্রদান করেছেন: “বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার পথিকৃত শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্মের মূল উপজীব্য ছিল বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও তাদের চিরন্তন প্রাণশক্তি। মানুষের দুর্দশা, কষ্ট ও সংগ্রামের পাশাপাশি গ্রামীণ জীবনের সৌন্দর্য ছিল তাঁর শিল্পের প্রধান উপকরণ। জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্মে প্রতিভাত হয়েছে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে গ্রাম-বাংলার মানুষের অদম্য সংগ্রাম এবং তাদের ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিভাবান এই শিল্পী বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলা আন্দোলনের অগ্রদূত। বরেণ্য এই শিল্পীর কল্পনার রেখা ও তুলিতে ভাস্বর হয়ে উঠেছে ১৯৪৩ সালের ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ‘নবান্ন’, ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে লাখো উপকূলবাসীর মৃত্যুতে ‘মনপুরা’র মতো হৃদয়স্পর্শী ও কালজয়ী শিল্পকর্ম-যা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বিপুল প্রশংসা ও স্বীকৃতি লাভ করেছে। অসাধারণ শিল্প-মানসিকতা ও কল্পনাশক্তির জন্য তিনি শিল্পাচার্য উপাধিতে ভূষিত হন। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে গভর্নমেন্ট আর্ট ইনস্টিটিউট (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ) প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৭৫ সালে সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় লোকশিল্প জাদুঘর। ময়মনসিংহে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা গ্যালারি। আমি আশা করি, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম, আদর্শ, সৃজনশীলতা ও মানবিক চেতনা আগামী প্রজন্মকে আরো মানবিক, সংস্কৃতিমনস্ক ও দেশদরদী হতে উদ্বুদ্ধ করবে। শিল্পাঙ্গনে তাঁর অনবদ্য অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। আমি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।”

Read More »

নতুন করে ৩ বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচিতে সম্মত বাংলাদেশ ও আইএমএফ

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৫ মে, ২০২৬ খৃ. – বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংস্কারসমূহ যাতে বাস্তবসম্মত, পর্যায়ভিত্তিক এবং বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন করে তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচির কাজ শুরু করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আজ (সোমবার) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ মে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান আইএমএফ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী সরকারের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঠামোগত সংস্কার অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে বর্তমান আইএমএফ কর্মসূচি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও নীতিগত প্রেক্ষাপটে গ্রহণ করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তীতে উদ্ভূত দেশীয় বাস্তবতা, রাজনৈতিক অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, সরকার সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে এগোনোর পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যা বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপটকে প্রতিফলিত করে। এ প্রসঙ্গে তিনি নবনির্বাচিত সরকারের অধীনে নতুন করে তিন বছরের কর্মসূচি প্রস্তাব করেন, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেবে। বৈঠকে নাইজেল ক্লার্ক বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগ এবং নতুন কর্মসূচি গ্রহণের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফের গঠনমূলক ও ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষ দ্রুত নতুন কর্মসূচি প্রণয়নের কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে একমত হয়। অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক গ্রুপ-আইএমএফ বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সরকার ওই বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে। বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রস্তাবিত সংস্কার কর্মসূচির সফলতা নিশ্চিতে উভয় পক্ষ অঙ্গীকার ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়।

Read More »