স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :
ঢাকা, ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৫ মে) ২০২৬ খৃ. –
গতকাল ঢাকায় সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর অফিস কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দিপেন দেওয়ানের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনএফপিএ (UNFPA)-এর প্রতিনিধি বাংলাদেশ এর রিপ্রেসেন্টেটিভ ক্যাথেরিন ব্রিন ক্যামকং (Ms. Catherine Breen Kamkong) সহ পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, ইউএনএফপি’র চিফ অব জেন্ডার শামীমা পারভীন, প্রোগ্রাম এনালিস্ট মিডওয়াইফারী প্রণীতা রাহা, ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার- এমএন্ডই জেফারসন চাকমা, বান্দরবানের ফিল্ড অফিসার তিমথী খিয়াং উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা সমতলের অন্যান্য এলাকা থেকে একটু ভিন্ন। জেলাগুলো অধিকাংশ এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না হওয়া সত্ত্বেও দুর্গম এলাকাগুলোর মানুষদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে সরকারি-বেসরকারি সেবা দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সবসময়ই তৎপর রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকনিক্যাল সাপোর্ট পর্যাপ্ত না থাকায় এখানকার নারী, কন্যাশিশু ও তরুণ সমাজ আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ কাউন্সিল, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সাহায্যকারী সংস্থা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী, কন্যাশিশুদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, বাল্যবিবাহ ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা রোধে কাজ অব্যাহত রাখার জন্য ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি দলকে অনুরোধ জানান মন্ত্রী ।
একই দিন অন্য একটি সভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও-এর প্রতিনিধি দলের সাথে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আইএলও প্রতিনিধি দলের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতির সাথে সংগতি রেখে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার বদ্ধপরিকর। মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নতুন করে পুনর্গঠন করা হলে আইএলও’র এ জনকল্যাণমূলক কাজগুলো সংশ্লিষ্টদের সাথে সমন্বয় করে আরো গতিশীলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। অতীতে বাস্তবায়িত সকল কার্যক্রমের জন্য আইএলও প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষি ও জীবিকার সুরক্ষায় আরো নিবিড়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে নিযুক্ত আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টিউনন এর নেতৃত্বে আইএলও প্রতিনিধি দলের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এএনএম তানজেল আহসান এবং এলেক্সিয়াস চিকাম এসময় উপস্থিত ছিলেন
















