সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: June 8, 2026

রংপুর মেডিকেলের ছয় দ-ফা দাবিতে কর্ম-বি-রতি, বি-ক্ষো-ভ ও মানববন্ধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা প্রদানসহ ছয় দফা দাবিতে কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি রংপুর মেডিকেল কলেজের সভাপতি সাদমান মির মিরাজ, সাধারণ সম্পাদক নাঈম শাহরিয়ার, কোষাধ্যক্ষ আবু বক্করসহ অন্যরা। কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদের যে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে, তা বর্তমান ঊর্ধ্বগতির বাজারের সঙ্গে সামঞ্জ্যপূর্ণ না। ফলে পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা কিংবা সংসার চালাতে ইন্টার্নদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই ইন্টার্নদের ৩০ হাজার টাকা এবং এফপিসিএস ট্রেইনিদের ৫০ হাজার টাকা ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে। এ ছাড়া, কর্মক্ষেত্রে প্রায়ই বিনা কারণে চিকিৎসকদের হামলার শিকার হতে হচ্ছে। তাই হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। রংপুর মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা. সাদমান মির মিরাজ বলেন, বর্তমান সরকারের ফার্স্ট লেডি একজন চিকিৎসক। তাই সরকার প্রধান চিকিৎসকদের মূল্যায়ন করবেন প্রত্যাশা করছি। আজ ঢাকাস্থ মেডিকেল কলেজগুলোর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলোচনায় বসবেন। সেখানে ফলপ্রসূ আলোচনা হলে আমরা কর্মবিরতি তুলে নেব। তিনি বলেন, রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে রোগীরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। আমরা চাই না আমাদের কোনো কর্মসূচির কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়ুক। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চলবে। তবে জরুরি সেবা চালু রাখা হয়েছে। এ সময় ছয় দফা দাবি না মানলে মঙ্গলবার থেকে কলেজের ৫১ থেকে ৫৫ ব্যাচের সব শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করবে বলেও জানান তিনি। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ধর্মঘটে গেলেও হাসপাতালের অন্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমাকে একটি স্বারকলিপি দিয়েছিল। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

Read More »

রংপুরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে লি-জের ব-ন্ধে-র দা-বি-তে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ৫ নম্বর লক্ষীটারী ইউনিয়নের প্রায় ৩ হাজার ৬০০ একর কৃষিজমি ও বসতভিটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্যারাগন কোম্পানির কাছে লিজ দেওয়ার উদ্যোগ বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ। সোমবার (৮ জুন) দুপুর ২টার দিকে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ আল হাদীর নেতৃত্বে স্থানীয় জনগণের পক্ষে স্মারকলিপিটি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, লক্ষীটারী ইউনিয়নের ১, ২, ৩, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছয়টি মৌজাজুড়ে অবস্থিত প্রায় ৩ হাজার ৬০০ একর ফসলি কৃষিজমি ও বসতভিটা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত লিজ এলাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ওই এলাকায় সাতটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৫টি মসজিদ, সাতটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা, তিনটি মন্দির এবং পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ হাট-বাজার রয়েছে। এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। লিজ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে হাজার হাজার মানুষ তাদের বসতভিটা ও জীবিকার একমাত্র অবলম্বন কৃষিজমি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। স্থানীয়দের দাবি, বিপুলসংখ্যক শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং হাট-বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়বে। পাশাপাশি একটি বাণিজ্যিক প্রকল্পের কারণে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়তে পারে। স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণ না করে গোপনে ও একতরফাভাবে লিজ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এর প্রতিবাদে গত ৬ জুন মহিপুর তিস্তা সেতুর উত্তর পাশে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। স্মারকলিপিতে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্যারাগন কোম্পানির কাছে ৩ হাজার ৬০০ একর জমি লিজ দেওয়ার সব ধরনের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করা, স্থানীয় সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের বসতভিটা ও কৃষিজমি রক্ষার নিশ্চয়তা প্রদান, লিজ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্তে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং স্থানীয় জনগণের মতামত ও জনস্বার্থ উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করা। এতে জেলা প্রশাসকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, লক্ষীটারী ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে জনস্বার্থে প্রস্তাবিত লিজ কার্যক্রম বাতিল করে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

Read More »

নান্দাইলের নারী ফুটবলারদের সংসদ ভবন ভ্রমণের স্বপ্ন পূরণ করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : সংসদ ভবন, ৭ জুন ২০২৬ খৃ. – ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার উদীয়মান নারী ফুটবলারদের জাতীয় সংসদ ভবন ঘুরে দেখার স্বপ্ন পূরণ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। নান্দাইলের এই খুদে নারী ফুটবলারদের সংসদ ভবন ঘুরে দেখার আবদার ছিল। বিষয়টি জানার পর তথ্য প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তার কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় নান্দাইলের এই ‘সূর্যকন্যারা’ আজ দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে প্রবেশ এবং তা ঘুরে দেখার ঐতিহাসিক সুযোগ লাভ করেন। সংসদ ভবন পরিদর্শনের সময় নান্দাইলের এই নারী ফুটবলারদের চোখে-মুখে আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা যায়। উপস্থিত ক্রীড়ানুরাগী জানান, প্রতিমন্ত্রীর এই আন্তরিকতা, ত্বরিত পদক্ষেপ এবং অনুপ্রেরণা প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই মেয়েদের পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। নারী ফুটবলারদের এই স্বপ্ন পূরণের অনন্য উদ্যোগের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর প্রতি গভীর ধন্যবাদ ও অন্তহীন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে দলটি। প্রসঙ্গত, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে (বালিকা) গত ৪ জুন জয় পায় ময়মনসিংহ বিভাগের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঢাকার মিরপুরে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে আচারগাঁও উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১-০ গোলের ব্যবধানে রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট জেলার পেকুরগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে। জাতীয় পর্যায়ের প্রথম রাউন্ডে লালমনিরহাট জেলা দলকে হারিয়ে নান্দাইল উপজেলা দল সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হয়।

Read More »

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকার কোনো বিকল্প নেই – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকার কোনো বিকল্প নেই। গণমাধ্যম শুধু রাষ্ট্রের আয়নাই নয়, আধুনিক সভ্যতা ও সমাজব্যবস্থার একটি অপরিহার্য উপাদান। রাষ্ট্র, সমাজ ও অর্থনীতির বাস্তব চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তার বস্তুনিষ্ঠতা, জবাবদিহিতা ও গুণগত সক্ষমতাও সমানভাবে জরুরি। রাজধানীর পল্টনে আজ ইআরএফ মিলনায়তনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের আয়না। কিন্তু সেই আয়না যদি সঠিক প্রতিবিম্ব দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা সমাজের জন্য আরো বিপজ্জনক হতে পারে। তাই গণমাধ্যমের বিল্ট-ইন সিস্টেম, তথ্য যাচাই ও পেশাগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা কোনো বিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া নয়; এটি দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী না হলে কেবল গণমাধ্যমের উপস্থিতি দিয়ে একটি খাতে পূর্ণাঙ্গ সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। মন্ত্রী আরো বলেন, অর্থনৈতিক সাংবাদিকরাই কার্যত ব্যাংকিং সুশাসনের অন্যতম প্রধান পাহারাদার। তাদের অনুসন্ধান ও তথ্য প্রকাশের কারণেই জনগণ ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম, খেলাপি ঋণ ও আর্থিক অনিয়ম সম্পর্কে জানতে পারে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তথ্য মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ভিত্তি হতে হবে তথ্য যাচাই ও বস্তুনিষ্ঠতার ওপর। শুধু বিশ্বাস -এমন দাবি পেশাদারিত্বের সঙ্গে যায় না। গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি থাকতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার বিভিন্ন খাতে কমিশনভিত্তিক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে এবং ব্যাংকিং খাতও এর বাইরে থাকবে না। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত অর্থনীতির রক্তপ্রবাহের উৎস। এটি সংস্কার ও মেরামত ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ব্যক্তি খাতভিত্তিক ও উদ্যোক্তাকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো নির্মাণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক অংশগ্রহণ ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির যে ধারা শুরু হয়, তা আজ আরো বিস্তৃত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ব্যাংকিং খাত, পুঁজিবাজার এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নকে একই ধারায় শক্তিশালী করতে হবে, যাতে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিশ্চিত করা যায়। তিনি শেয়ারবাজার ও ব্যাংকিং খাতকে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত উল্লেখ করে বলেন, বিগত দিনে ব্যাংকিং খাতের লুটপাটকারীরাই শেয়ার বাজারে সুযোগ নিয়েছে। তিনি উদ্যোক্তা তৈরিতে ব্যাংকের পাশাপাশি শেয়ারবাজারকেও শক্তিশালী পুঁজির উৎস হিসেবে গড়ে তোলার উপর জোর দেন। সেমিনারে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, ডেইলি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর মহাপরিচালক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও।

Read More »

অপরাধ দমনে ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ও গাফিলতিতে তিরস্কারের নীতি বহাল থাকবে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, অপরাধ দমনে ভালো কাজের জন্য পুরস্কার ও গাফিলতিতে তিরস্কারের নীতি বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশকে যেমন পুরস্কৃত করা হবে, ঠিক তেমনি কোনো গাফিলতি বা অন্যায়ের জন্য তিরস্কার ও বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থাও বহাল থাকবে। তিনি বলেন, সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর রামিসা ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডসহ বেশ কয়েকটি জটিল মামলার দ্রুততম সময়ে তদন্ত সম্পন্ন ও আসামি গ্রেফতারে পুলিশ বাহিনী অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও পেশাদারী ভূমিকা পালন করেছে। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পুলিশের ভালো কাজের যেমন মূল্যায়ন করা হবে, তেমনি কোনো সদস্যের নিষ্ক্রিয়তা বা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাকেও ছাড় দেওয়া হবে না। রামিসা হত্যা মামলার রায়কে দেশের বিচারিক এবং পুলিশের তদন্তের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ‘মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে নিখুঁতভাবে ডিএনএ টেস্ট ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এমনকি আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ তাঁদের ঈদের ছুটি (জুডিশিয়াল লিভ) বাতিল করে এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। এটি একটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অনন্য দৃষ্টান্ত। বিজ্ঞ আদালতের রায় দ্রুত কার্যকরের বিষয়ে তিনি বলেন, রামিসা হত্যা মামলার বর্বরতা ও গুরুত্ব বিবেচনা করে এর ডেথ রেফারেন্স শুনানিটি যেন আইনগত প্রক্রিয়া মেনেই সিরিয়ালে কিছুটা এগিয়ে আনা যায়, সেজন্য সুপ্রিম কোর্ট এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গোয়ালন্দ (দৌলতদিয়া) ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের আন্তরিক ও বিচক্ষণ ভূমিকার কারণে অন্তত ৫০ জন বাসযাত্রীর প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। এছাড়া মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি কিশোরী হত্যার ক্লুলেস মামলার দ্রুততম রহস্য উদ্‌ঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। নয়াদিল্লিতে ০৮ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিজিবি ও বিএসএফ-এর মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের চার দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন (DG Level Talk) প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে অবৈধ পুশ-ইন, সীমান্ত হত্যা এবং অন্যান্য সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়সহ সামগ্রিক বিষয়গুলো এই বৈঠকে গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, আমাদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ পুশ-ইন বা অনুপ্রবেশের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। গতকাল অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদ সদস্যদের আলোচনার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, অপরাধ ও মাদক দমনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান সবসময়ই চলমান রয়েছে। তবে কৌশলগত কারণে বিশেষ অভিযানের আগাম তথ্য প্রকাশ করা হয় না। তিনি আরো জানান, প্রচলিত কিছু আইনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা যেন পার পেয়ে যেতে না পারে, সেজন্য সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী ও আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ করছে। আইনগত এই সংস্কারগুলো সম্পন্ন হলে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা আরো সহজ হবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৬ কার্যদিবসে সম্পন্ন ঘোষিত রায়ে সন্তোষ প্রকাশ আইনমন্ত্রীর

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রামিসা হত্যা মামলার বিচার দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন দ্রুততায় সম্পন্ন হয়েছে। মাত্র ছয় কার্যদিবসের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে রায় ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আজ সচিবালয়ে রামিসা হত্যা মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, গত ১৯ মে সংঘটিত ঘটনার তদন্ত ২৪ মে’র মধ্যেই সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ১ থেকে ৪ জুনের মধ্যেই অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির জবানবন্দি ও যুক্তিতর্ক শেষে ৭ জুন রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই এক মাসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে শিশু সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলের প্রস্তাব প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। প্রধান বিচারপতির সম্মতিতে শিশু সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক ট্রাইব্যুনালগুলোকে ছুটির আওতার বাইরে রাখা সম্ভব হওয়ায় বিচারকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া গেছে। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষের জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাতে বিচার প্রক্রিয়ার কোনো ধাপ নিয়ে ভবিষ্যতে প্রশ্ন না ওঠে। বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে অনুসরণ করেই এই রায় হয়েছে। আইনমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে। তিনি জানান, আইন অনুযায়ী মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানো হবে। সরকারের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট আদালত বিষয়টিকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিবেচনা করলে পরবর্তী বিচারিক ধাপগুলোও দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতে রাজন, রাকিব ও আছিয়া হত্যা মামলাসহ কয়েকটি আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হলেও উচ্চ আদালতে নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। সরকার এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তিনি আরো বলেন, শুধুমাত্র কঠোর আইন প্রণয়ন করলেই এ ধরনের অপরাধ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব নয়। সামাজিক মূল্যবোধ, পারিবারিক শিক্ষা এবং সামগ্রিক সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে। আইনমন্ত্রী বলেন, শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার বিশেষায়িত বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে এবং শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক আদালত ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হচ্ছে। শেষে মন্ত্রী বিচার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রসিকিউশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

Read More »

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে সম্পৃক্ত হতে হবে

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৪ জ্যৈষ্ঠ (৭ জুন) ২০২৬ খৃ. – স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সহযোগিতায় আজ ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ড. মিলন হলে ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক একটি জাতীয় ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স কার্যক্রমের প্রথম ব্যাচের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো রোগ নয়; এটি পুরো জাতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলা কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা হাসপাতালের দায়িত্ব নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিককে এতে সম্পৃক্ত হতে হবে। তিনি বলেন, আমি সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসকদের ওপর চাপ দিতে পারি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে বলতে পারি। কিন্তু শতভাগ মশা বা লার্ভা ধ্বংস করা সম্ভব কি না, তা নিশ্চিত করতে পারি না। মশা ২০০ মিটার পর্যন্ত উড়তে পারে, যেকোনো ফাঁকফোকর দিয়ে ঘরে ঢুকে যেতে পারে। তাই এটি অত্যন্ত কঠিন একটি লড়াই। ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে ‘টোটাল ফাইট’ আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি নালা-নর্দমা, ডোবা, জলাবদ্ধ স্থান এবং কচুরিপানাযুক্ত এলাকা পরিষ্কার না করলে এই যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়। একক কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির পক্ষে এ সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব নয়; প্রয়োজন সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ। ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচির বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং বাস্তবায়নও কঠিন। তিনি বলেন, যদি ব্যাপক ভ্যাকসিনেশনে যেতে হয়, তাহলে বিপুল বাজেট প্রয়োজন হবে। চার মাস পর পর টিকা দেওয়ার প্রয়োজন হলে দেশের স্বাস্থ্য বাজেটের ওপর বিশাল চাপ সৃষ্টি হবে। তাই চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। ডেঙ্গুর বিস্তারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, শহর ও গ্রামে অসংখ্য ছোট ছোট স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকে, যা এডিস মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়। গ্যারেজে গাড়ি ধোয়ার পর জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত টায়ার, অব্যবহৃত ক্যান, রাস্তার ছোট গর্ত কিংবা বড় ড্রেন ও খালে জমে থাকা ময়লাযুক্ত পানি সবখানেই লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, প্রতিরোধ ব্যবস্থা শতভাগ কার্যকর করা কঠিন। তাই আমাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর। চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্লাজমা লিকেজ সময়মতো শনাক্ত করা। রোগীর অবস্থা কখন সংকটজনক পর্যায়ে যাচ্ছে, সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখতে হবে। সোসাইটি অব মেডিসিনের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের সঠিক চিকিৎসা প্রটোকল অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির বার্তা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের কাছেও পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎ সার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এফ. এম. সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের কনভেনর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ ম্যানেজার ড. রিয়াদ মাহমুদ। কার্যক্রমটি সামগ্রিকভাবে সমন্বয় করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হালিমুর রশিদ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। উল্লেখ্য ২০২৩ সালে বাংলাদেশে ৩,২১,১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং ১,৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৪ সালে ১,০১,২১৪ জন আক্রান্ত এবং ৫৭৫ জনের মৃত্যু, এবং ২০২৫ সালে ১,০২,৮৬১ জন আক্রান্ত এবং ৪১৩ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে — যা নিশ্চিত করে যে ডেঙ্গু এখন বাংলাদেশে একটি সারা বছরব্যাপী জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হয়েছে। আজকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি কাঠামোবদ্ধ তিন মাসব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা ২০২৬ সালে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রাথমিক, টেকসই এবং ক্লিনিক্যালভাবে সুদৃঢ় পদক্ষেপের প্রতিফলন।

Read More »

রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হওয়ায় আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৭ জুন, ২০২৬ খৃ. – শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের আসামি শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি পাবে। তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একই ধরনের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান। সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দও এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সুত্র. বাসস।

Read More »

রংপুরে শহীদ “জিয়া ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ” শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে শহীদ “জিয়া ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ” শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার ( ৭ জুন) দুপুরে নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়স্থ বিএনপি কার্যালয়ে এই সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন জিয়া সংসদ, রংপুর। এতে সভাপতিত্ব করেন রংপুর-৩ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি প্রার্থী, রংপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও প্রবীণ বিএনপি নেতা এডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম মন্ডল। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রংপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও কারমাইকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস শহিদুল ইসলাম মিজু। বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সদস্য ও রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন- আরপিইউজের সভাপতি আলহাজ্ব সালেকুজ্জামান সালেক, রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পিপি এডভোকেট আফতাব উদ্দিন, রংপুর মেডিকেল কলেজ সাবেক ড্যাব সভাপতি ডা. মাহমুদুল ইসলাম সরকার, জেলা বিএনপির সদস্য সাবেক কাউন্সিলর লিটন পারভেজ, মহানগর বিএনপির সদস্য সেলিম চৌধুরী, আশফাকুল বসুনিয়া আজাদ, আবু আলী মিঠু, রংপুর মেডিকেল কলেজ ছাতদলের সভাপতি আল মামুন, এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডা. সরকার তানভীর, জেলা বিএনপির সদস্য ফজলুর রহমান বাদল, মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ উন নবী খান বিপ্লব, মির্জা বাবর বাবলু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মোকছেনুল আরেফিন রুবেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আখতারুজ্জামান তিতু, মহানগর তাতীদলের সাবেক সদস্য সচিব সাহেদ ইকবাল, রংপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শাহ ফিরোজ, রংপুর মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক ও তামপাট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, শ্রমিক দল নেতা মনিরুল ইসলাম মিন্টু সহ মহানগর ও জেলা বিএনপি সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শ এবং দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর আদর্শ ও কর্মধারা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এসময় জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Read More »

রংপুর মেডিকেল কলেজ ইন্টার্নদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ ও চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। রোববার (৭ জুন) দুপুরে হাসপাতালের পরিচালকের সাথে সাক্ষাত শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা দেন ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির নেতৃবৃন্দ। এর আগে দুপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মেডিকেল কলেজ চত্বর থেকে একটি মৌন মিছিল বের করেন। মিছিলটি হাসপাতালের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা. সাদমান মিয়া মিরাজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম শাহরিয়ারসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, চিকিৎসকদের প্রতি সংঘটিত বিভিন্ন অন্যায় ও বৈষম্যের প্রতিবাদে গত ৩ জুন থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের হাসপাতালে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিসিপিএস কর্তৃক প্রকাশিত নোটিশের মাধ্যমে আমাদের ৬টি দাবির মধ্যে একটি দাবির বিষয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করা হলেও বাকি দাবিগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমরা ভীষণভাবে আশাহত হয়েছি।এ সময় আগামী ১ থেকে জুলাই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করা হয়। একই সাথে ২ জুলাই দুপুরে মেডিকেল কলেজের প্রধান ফটকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়। মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ, চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর করা এবং কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ছয়টি দাবি তুলে ধরেন ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই ধরণের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দাবি ও ঘোষিত কর্মসূচির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

Read More »