সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: February 7, 2023

বেলজিয়ামের রাণীর সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে স্পীকারের অংশগ্রহণ

বেলজিয়ামের রাণীর সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে স্পীকারের অংশগ্রহণ ঢাকা, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বেলজিয়ামের রাণী মাতিলদ মেরি ক্রিস্টিন জিলেইনের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সূচনা বক্তব্য রাখেন। এসময় তারা সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়ে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন, বাংলাদেশের অগ্রগতিতে বেলজিয়ামের সহযোগিতা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

Read More »

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তৃণমূল মানুষের শাসন নিশ্চিত করে- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

এসএম রবিন / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং, মঙ্গলবার। জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপনের ফলে জাতীয় উন্নয়নে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে জনগণ সর্বোত্তম সেবা পায়। জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্ককে আরো নিবিড় করার লক্ষ্যে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালনের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এক মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এ কথা বলেন। আজ স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। এ সময় তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তৃণমূল মানুষের শাসন নিশ্চিত করে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমেই শহরের সকল নাগরিক সুবিধা গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এ কারণে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালনের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং শহরে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালন করবে। মন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা এবং জনমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা যাবে। এ সময় তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপনে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি এবং জনগণের সম্পৃক্ততার প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমান সরকার সেবা সহোজীকরণ এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর জন্য বদ্ধপরিকর। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব জনাব মুহম্মদ ইবরাহিম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডক্টর সেলিনা হায়াত আইভি।

Read More »

জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনের অত‍্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

অভি পাল,প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলাস্থ পূর্ব গোমদন্ডীর চৌধুরী পাড়ার অলি বিশ্বাসের ভিটা বাড়ীতে অবস্থিত মোঃ নাসিফের পিতা মোঃ নাসির উদ্দিনের ফার্মঘরকে কেন্দ্র করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি মোঃ নাসিফ ও তার চাচা জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে দ্বন্দের সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঘটনার এক পর্যায়ে জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন অতর্কিত ভাবে লাথি কিল ঘুষি ও লোহার রড় দিয়ে মোঃ নাসিফ ও তার চাচাত ভাই, নাইম মোস্তফাও মোঃ আবদুল আজিজের উপর হামলা চালায় এবং অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেন। মোঃ নাসিফ বলেন,গত ৫ ফেব্রুয়ারি ফার্মঘরে গাছ গাছালিসহ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র রাখার জন্য তার চাচা মোঃ জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনের কাছে ফার্ম ঘরের চাবি চাইলে তারা আমার সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়।জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন খুবই ঝগড়াবাজ, অত্যচারী ও খারাপ প্রকৃতির লোক। তারা আমাকে এবং আমার চাচাত ভাই, নাইম মোস্তফা(১৭) ও মোঃ আবদুল আজিজ (১৭) কে অতর্কিত ভাবে লাথি কিল ঘুষি মারিয়া ও লোহার রড় দিয়ে পিঠাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে।পাশাপাশি সাদ্দাম হোসেন আমার মা রুনা আক্তার কে লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। মোঃ নাসিফের পিতা নাসির উদ্দিন বলেন,আমার মালিকানাধীন ফার্মঘরকে কেন্দ্র করে জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম প্রায়ই আমার সাথে ঝগড়া লিপ্ত হয়।তারা আমার ফার্মঘরের জিনিসপত্র,বাড়ির জানালাসহ আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।তারা আমার বউ ও বাচ্চার উপর নির্যাতন করে।এছাড়াও আমার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানদের উপর নির্যাতন করে। তাছাড়াও কষ্টাজির্ত উপার্জনে ক্রয়কৃত তিনটি গরু চুরি হওয়ায় পিছিনে জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনের যোগসূত্র রয়েছেন বলে তিনি মনে করেন।ঘটনার বিষয়ে আমরা কোথাও কোন অভিযোগ বা মামলা মোকদ্দমা করিলে আমাদের কে মারিবে, কাটিবে, মারধর করিয়ে ভিটা বাড়ী ছাড়া করবে বলে হুমকি দেয়। আইরিন আক্তার বলেন, জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম কথায় কথায় পরিবারের লোকজন সহ প্রতিবেশী লোকজনের সাথে খারাপ আচার আচরন করে, অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে, বাড়ী ঘর ভাংচুর করে এবং আমাদের ভিটা বাড়ী থেকে জোর করে গাছ পালা কর্তন করে। আমরা কোন প্রকার প্রতিবাদ করিলে মারধর করার চেষ্টা করে। বিবাদী অত্যাচার থেকে পরিবারের ছোট ছেলে মেয়েরাও রেহায় পায় না। এক কথায় আমরা তাহার অত্যাচারে খুবই অতিষ্ঠ। উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন। ঘটনার বিষয়ে জানতে জমির উদ্দিন ও সাদ্দামকে একাধিকবার কল করা হলেও মোবাইল রিসিভ করেননি তারা।

Read More »

কর প্রশাসন ও নীতি প্রণয়নকারি প্রতিষ্ঠান আলাদা করার সুপারিশ

কর প্রশাসন ও নীতি প্রণয়নকারি প্রতিষ্ঠান আলাদা করার সুপারিশ সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, রাজস্ব সম্মেলনের আয়কর বিষয়ক সেমিনারে কর রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি ও করনেট সম্প্রসারণে কর প্রশাসন এবং কর নীতি প্রণয়নকারি প্রতিষ্ঠান পৃথকীকরণ, তৃণমূল পর্যায়ে কর অফিস স্থাপন, ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো ও ভীতিমুক্ত কর ব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ বেশ কিছু সুপারিশ উঠে এসেছে। সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৩ উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়কর বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। সেমিনারে প্যানেল আলোচক ছিলেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিল্ড এর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সহসভাপতি এম এ মোমেন, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক আসিফ আশরাফ ও এনবিআর সাবেক সদস্য মো. আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে ‘আয়কর ব্যবস্থার ক্রম বিকাশ ও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় আয়করের ভূমিকা’ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কর কমিশনার মো. ইকবাল হোসেন এবং ‘আয়কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা’ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কর কমিশনার মো. ইকবাল বাহার। সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো.তাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর অর্থনীতির নানা ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। তাই অর্থনীতির এই বিকাশমান ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে দেশে ভীতিমুক্ত কর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। বন্দরে পণ্য খালাস থেকে শুরু করে অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ও করদাতাদের সহযোগিতা করতে হবে। তিনি কর কর্মকর্তা ও করদাতাদের মধ্যে সম্প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সেই সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব, যার ফলে নতুন করদাতা তৈরি হবে ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, কর সংগ্রহকারি বা কর প্রশাসন ও কর নীতি-নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান আলাদা করা জরুরি। তবে সেটা কিভাবে করা যায়, সেটি বড় প্রশ্ন। করদাতাদের ট্যাক্স রিফান্ড করার ক্ষেত্রে এখনও অনেক জটিলতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই জায়গায় অব্যশই উন্নতি করতে হবে। করদাতার জমানো টাকা পরিশোধে বিলম্ব করা যাবে না। মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী ভীতিমুক্ত কর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর কর কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এনবিআরের সক্ষমতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, বিভিন্ন করাঞ্চলে করমেলা আয়োজনের মাধ্যমে করদাতাদের জন্য করসেবা অনেক সহজ করা হয়েছে।

Read More »

ডাটা সুরক্ষা আইন থাকা প্রয়োজন : আইনমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বলেছেন, প্রত্যেক দেশের ডাটা সুরক্ষা আইন থাকা প্রয়োজন। আজ ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের ‘১১তম ওরিয়েন্টেশন কোর্স’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। গত রবিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, ডাটা সুরক্ষা আইন পাস হলে, অনেক মার্কিন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হবে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার এই আইন পাস করা থেকে পিছিয়ে আসবে কিনা ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডাটা সুরক্ষা আইন প্রত্যেক দেশের থাকা প্রয়োজন। সেটা তিনিও (পিটার হাস) বলেছেন। আনিসুল হক বলেন, এ আইনের বিষয়ে পুনরায় স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হবে। এই খসড়া আইনে যদি কোনো অসুবিধা থেকে থাকে, তাহলে আলোচনার মাধ্যমে তা সংশোধন করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করবো, ডাটা সুরক্ষা আইন পাস হলে অনেক মার্কিন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে চলে যাবে- ঢালাওভাবে এমন কথা বলা থেকে সবাই বিরত থাকবো।’ এর আগে বিচারকদের অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, বিচার বিভাগ প্রায় ৩৭ লাখ মামলার বোঝা নিয়ে যথাসম্ভব স্বল্প সময় ও খরচে বিচারিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। বিচারাধীন মামলার জট কমিয়ে আনা বিচার বিভাগের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিচারকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে কীভাবে মামলার জট কমিয়ে এনে দ্রুত মানসম্পন্ন বিচার সেবা প্রদান করা যায় সেই পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী। প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার।

Read More »

দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন

দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২-এর পোস্ট এনুমারেশন চেক (পিইসি)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জনে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ নগরীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে জনশুমারি সংক্রান্ত পিইসি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। পরিকল্পনা বিভাগের সচিব সত্যজিৎ কর্মকার, পরিসংখ্যান ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। বিআইডিএস মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। পাওয়ার-পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে বিআইডিএস-এর মোহাম্মদ ইউনুস দেখিয়েছেন যে, গত জনশুমারিতে নেট কভারেজ ত্রুটি ছিল ২.৭৫ শতাংশ। আর ২০১১ সালে ৫ম জনশুমারিতে ত্রুটি ছিল ৩.৯৭ শতাংশ এবং ২০০১ সালের চতুর্থ আদমশুমারিতে ছিল ৪.৯৮ শতাংশ। তিনি বলেন, নেট কভারেজ ত্রুটির হার ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত জনশুমারির তুলনায় ১.২৩ শতাংশ কম। শহরাঞ্চলের তুলনায় এটি গ্রামীণ এলাকায়ও কম। অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, জাতি বিবিএসের কাছ থেকে হালনাগাদ তথ্য পেতে চায়। বিবিএস গত জনসংখ্যা শুমারি আন্তর্জাতিক পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বৈজ্ঞানিক তথা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করেছে। ড. আলম বলেন, ‘বিবিএসের তথ্য এখন আরও নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য এবং তাদের এই নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’ পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, ২.৭৫ শতাংশ নেট কভারেজ ত্রুটি খুব সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি বিবিএসের সক্ষমতাও নির্দেশ করে, কারণ এটি ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত আগের জনশুমারির তুলনায় ১.২৩ শতাংশ কম। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সঠিক পরিসংখ্যান পেলে আমরা আরও সঠিক পরিকল্পনা করতে সক্ষম হব এবং এভাবে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও স্মার্ট উন্নত বাংলাদেশ গড়তে পারবো।’ পরিকল্পনা সচিব বলেন, সর্বশেষ জনসংখ্যার পরিসংখ্যান ব্যবহার করে জিডিপি, মাথাপিছু আয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান আরও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। পরিসংখ্যান ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন বলেন, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে বিবিএস সঠিক পরিসংখ্যান জাতির সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। বিবিএসের মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমান জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে তারা তাদের ওয়েবসাইটে জনশুমারির বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন। বিআইডিএস মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন বলেন, ২.৭৫ শতাংশ পয়েন্টের নিম্ন নেট কভারেজ ত্রুটি বিবিএসের সক্ষমতা নির্দেশ করে। আরও বক্তব্য রাখেন জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন। দেশে প্রথমবারের মতো জনশুমারি ও গৃহগণনা কাজ পরিচালিত হয় গত বছরের জুনে। পূর্ববর্তী জনশুমারি ২০১১ অনুসারে, ২০১১ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯৭ জন। দেশের প্রথম জনসংখ্যা ও খানাশুমারি ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এর পরে ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় জনশুমারি, ১৯৯১ সালে ৩য় জনগণনা, ২০০১ সালে ৪র্থ শুমারি এবং ২০১১ সালে ৫ম জনগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সর্বশেষ জন শুমারির রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে। ১৯৮১ সালে এই হার ছিল ২.৮৪ শতাংশ, ১৯৯১ সালে ২.০১ শতাংশ, ২০০১ সালে ১.৫৮ শতাংশ, ২০১১ সালে ১.৮৬ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ১.২২ শতাংশ। দেশের আটটি বিভাগের মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৭৪ শতাংশ এবং বরিশালে সর্বনিম্ন ০.৭৯ শতাংশ। ১৫ জুন ২০২২ সালে একযোগে সারা দেশে ৬ষ্ঠ জনশুমারি এবং খানা গণনা কার্যক্রম শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এক অনুষ্ঠানে সপ্তাহব্যাপী আদমশুমারির সূচনা করেন। ২১শে জুন জনশুমারি শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বন্যার কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে ২৮ জুন পর্যন্ত জনশুমারি চলে। বিবিএস ১১ বছরেরও বেশি সময় পর এই জনশুমারি করে। জনশুমারি কার্যক্রমের অধীনে, জনসংখ্যাগত এবং আর্থ-সামাজিক তথ্যের মতো পরিবারের সংখ্যা এবং তাদের প্রকৃতি, বাড়ির মালিকানা, পানীয় জলের প্রধান উৎস, টয়লেট সুবিধা, বিদ্যুৎ সুবিধা, রান্নার জ্বালানীর প্রধান উৎস, অর্থনৈতিক কর্মকান্ড, রেমিট্যান্স, পরিবারের সদস্যদের বয়স, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম, বাধা, শিক্ষা, কাজ, প্রশিক্ষণ, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার, ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, জাতীয়তা এবং জেলাভিত্তিক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

Read More »

তিন ফসলী জমিতে কোন ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, দেশের তিন ফসলী জমিতে কোনো ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মলনে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কাছ থেকে তিন ফসলি জমিতে উন্নয়ন ও স্থাপনা তৈরির কাজের জন্য আবেদন পাওয়া যাচ্ছে। সোলার প্যানেল থেকে শুরু করে ভবন তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেনে যে, কোনো তিন ফসলী জমি নষ্ট করা যাবে না এবং প্রকল্প নেওয়া যাবে না। এগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা এখন মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত হিসেবে চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। মাহবুব হোসেন বলেন, বিভিন্ন অপরাধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন পর্যন্ত সাজার বিধান রেখে ওষুধ ও কসমেটিক আইন-২০২৩ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী অসৎ উদ্দেশ্যে ওষুধের কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে, কোনো নকল ওষুধ উৎপাদন ও জ্ঞাতসারে বিক্রি, মজুত, বিতরণ বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রদর্শন, ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, বিক্রি ও মজুতের মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন পর্যন্ত সাজা পেতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি প্রথমে শুধু ওষুধ আইন থাকলেও শেষে তাতে কসমেটিকের বিষয়টিও যুক্ত করে ওষুধ ও কসমেটিক আইন করার সিদ্ধান্ত হয়। এর ফলে এখন কসমেটিক উৎপাদনের জন্যও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। প্রস্তাবিত আইনে অন্যান্য সাজার বিষয়ে তিনি বলেন, লাইসেন্স ছাড়া বা লাইসেন্সের শর্তের বাইরে গিয়ে ওষুধ উৎপাদন, নিবন্ধন ছাড়া ওষধু উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি, মজুত বা প্রদর্শন এবং সরকারি ওষুধ বিক্রি বা মজুত বা প্রদর্শন করলে ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধেরও বিধান রয়েছে প্রস্তাবিত এই আইনে। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সেটি অপরাধ হবে এবং সেজন্য শাস্তি পেতে হবে। এ রকমভাবে প্রস্তাবিত এই আইনে মোট ৩০টি অপরাধের জন্য বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে কপিরাইট আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এতে সংজ্ঞায় কিছু সংযোজন-বিয়োজন করা হয়েছে। আর পাইরেসি প্রতিরোধে জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ডিজিটাল বা কম্পিউটার ভিত্তিক কর্মকান্ডকে প্রস্তাবিত আইনের আওতায় আনা হয়েছে । এ ছাড়া অপরাধের ধরন অনুযায়ী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।

Read More »

স্পীকারের সাথে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ আলদুহাইলানের সাক্ষাৎ

স্পীকারের সাথে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ আলদুহাইলানের সাক্ষাৎ ঢাকা, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি-এর সাথে আজ তাঁর সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ আলদুহাইলান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে তাঁরা বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন, সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, সৌদি আরবের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় করোনা ও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অনেক দেশের অর্থনীতি হিমশিম খেলেও বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। সৌদি আরব বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ও অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। সৌদি আরবের সহায়তায় বাংলাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ কাম ইসলামিক সেন্টার নির্মিত হচ্ছে, যা দুইদেশের দৃঢ় বন্ধুত্বের প্রমাণ। সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে দুইদেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে। এসময় বাংলাদেশ হতে সৌদি আরবে অধিক জনশক্তি রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্পীকার। বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতির প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ আলদুহাইলান বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে সৌদি আরব সবসময় সহযোগিতা করে থাকে। সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের পারস্পরিক সফর বিনিময় হলে দুইদেশের সংসদ সদস্যগণ অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হবেন। বাংলাদেশের জনশক্তিকে অধিকতর দক্ষ করে তুলতে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। এসময়, ভবিষ্যতে অধিক জনশক্তি আমদানির আশাবাদ ব্যক্ত করে সৌদি আরবের এক্সপো ২০৩০-এর জন্য বাংলাদেশ সমর্থন করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রদূত। স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকহণ অত্যন্ত দক্ষ। সৌদি আরবে অনেক হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে বাংলাদেশি চিকিৎসকগণ সুচিকিৎসা দিতে পারে। রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ আলদুহাইলান বাংলাদেশকে আঞ্চলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এসময় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »