অভি পাল,প্রতিনিধি / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলাস্থ পূর্ব গোমদন্ডীর চৌধুরী পাড়ার অলি বিশ্বাসের ভিটা বাড়ীতে অবস্থিত মোঃ নাসিফের পিতা মোঃ নাসির উদ্দিনের ফার্মঘরকে কেন্দ্র করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি মোঃ নাসিফ ও তার চাচা জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে দ্বন্দের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঘটনার এক পর্যায়ে জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন অতর্কিত ভাবে লাথি কিল ঘুষি ও লোহার রড় দিয়ে মোঃ নাসিফ ও তার চাচাত ভাই, নাইম মোস্তফাও মোঃ আবদুল আজিজের উপর হামলা চালায় এবং অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেন।
মোঃ নাসিফ বলেন,গত ৫ ফেব্রুয়ারি
ফার্মঘরে গাছ গাছালিসহ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র রাখার জন্য তার চাচা মোঃ জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনের কাছে ফার্ম ঘরের চাবি চাইলে তারা আমার সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়।জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন খুবই ঝগড়াবাজ, অত্যচারী ও খারাপ প্রকৃতির লোক। তারা আমাকে এবং আমার চাচাত ভাই, নাইম মোস্তফা(১৭) ও মোঃ আবদুল আজিজ (১৭) কে অতর্কিত ভাবে লাথি কিল ঘুষি মারিয়া ও লোহার রড় দিয়ে পিঠাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে।পাশাপাশি সাদ্দাম হোসেন আমার মা রুনা আক্তার কে লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে।
মোঃ নাসিফের পিতা নাসির উদ্দিন বলেন,আমার মালিকানাধীন ফার্মঘরকে কেন্দ্র করে জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম প্রায়ই আমার সাথে ঝগড়া লিপ্ত হয়।তারা আমার ফার্মঘরের জিনিসপত্র,বাড়ির জানালাসহ আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।তারা আমার বউ ও বাচ্চার উপর নির্যাতন করে।এছাড়াও আমার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানদের উপর নির্যাতন করে। তাছাড়াও কষ্টাজির্ত উপার্জনে ক্রয়কৃত তিনটি গরু চুরি হওয়ায় পিছিনে জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেনের যোগসূত্র রয়েছেন বলে তিনি মনে করেন।ঘটনার বিষয়ে আমরা কোথাও কোন অভিযোগ বা মামলা মোকদ্দমা করিলে আমাদের কে মারিবে, কাটিবে, মারধর করিয়ে ভিটা বাড়ী ছাড়া করবে বলে হুমকি দেয়।
আইরিন আক্তার বলেন, জমির উদ্দিন ও সাদ্দাম কথায় কথায় পরিবারের লোকজন সহ প্রতিবেশী লোকজনের সাথে খারাপ আচার আচরন করে, অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে, বাড়ী ঘর ভাংচুর করে এবং আমাদের ভিটা বাড়ী থেকে জোর করে গাছ পালা কর্তন করে। আমরা কোন প্রকার প্রতিবাদ করিলে মারধর করার চেষ্টা করে। বিবাদী অত্যাচার থেকে পরিবারের ছোট ছেলে মেয়েরাও রেহায় পায় না। এক কথায় আমরা তাহার অত্যাচারে খুবই অতিষ্ঠ।
উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে জমির উদ্দিন ও সাদ্দামকে একাধিকবার কল করা হলেও মোবাইল রিসিভ করেননি তারা।
















