সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: March 27, 2023

২৮ মার্চ রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস, ৫০ বছরেও মেলেনী স্বীকৃতি

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ২৮ মার্চ ঐতিহাসিক ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস। ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ এই দিনটি রংপুরের মানুষের জন্য অবিস্মরণীয় ও বীরত্ব গাঁথার দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধে এই দিনে বাঁশের লাঠি, তীর-ধনুক নিয়ে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করে এক অনন্য ইতিহাসের জন্ম দিয়েছিল অকুতোভয় বীর বাঙালি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে যথাযথ মর্যাদায় রংপুরে ঐতিহাসিক ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস পালন করা হবে। তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছর পার হলেও এখনো জাতীয়ভাবে সেদিনের স্বীকৃতি মেলেনি। অথচ বাঁশের লাঠি, তীর-ধনুক নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করার নজির বিশ্বে আর কোনো দেশে নেই। এটি ছিল একটি বিরল সাহসিকতার ঘটনা। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ শুরু মাত্র একদিন পরই স্বাধীনতার জন্য মুখিয়ে থাকা রংপুরবাসী পাকিস্তানি বাহিনীর ঘাঁটি ‘ক্যান্টনমেন্ট’ ঘেরাও করে। সেই দিনের বীরত্বগাঁথা, সাহস আর আত্মত্যাগের অনুগ্রেরণার পথ ধরেই সূচিত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র সংগ্রাম। রংপুরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই পাকিস্তান সরকারের শাসন, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল। ৩ মার্চ রংপুরে মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন শিশু শংকু সমজদার। স্বাধীনতার গণআন্দোলন সংগ্রামের প্রথম ‘শিশু শহীদ’ বলা হয় শংকুকে। ২৪ মার্চ নিসবেতগঞ্জ এলাকাতে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ গাড়িতে হামলা করে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে আব্বাসী নামে সেনা সদস্যকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে স্থানীয় শাহেদ আলী নামে এক কসাই। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। বাড়তে থাকে পাকসেনাদের ক্রোধ আর প্রতিশোধের মহড়া। যেন মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই রংপুরে যুদ্ধ শুরু করেছিল মুক্তিকামী দামাল ছেলেরা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর দেশের মানুষ প্রস্ততি গ্রহণ করে সশস্ত্র সংগ্রামের। এরই অংশ হিসেবে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এখানকার স্বাধীনতাকামী মানুষেরা। দিনক্ষণ ঠিক হয় ২৮ মার্চ। ঘেরাও অভিযানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে ঢোল পেটানো হয়। এ আহ্বানে অর্ভূতপূর্ব সাড়া মেলে। পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠার সাজ সাজ রব পড়ে যায় চারিদিকে। যার যা আছে তাই নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট আক্রমণের জন্য প্রস্ততি নেয় ছাত্র, কৃষক, দিনমজুরসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল পেশার সংগ্রামী মানুষ। রংপুরের আদিবাসীরাও তীর-ধনুক নিয়ে প্রস্ততি নিতে থাকে। এক্ষেত্রে মিঠাপুকুর উপজেলার ওরাঁও সম্প্রদায়ের তীরন্দাজ সাঁওতালদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। সেদিন তীর-ধনুক, বল্লম, দা, বর্শা নিয়ে তারা যোগ দিয়েছিল ঘেরাও ক্যান্টনমেন্ট আক্রমণে। ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ রোববার ছিল। সেদিন সকাল থেকে রংপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সংগঠিত হতে থাকে। সময় যত গড়াতে থাকে উত্তাপ আর উত্তেজনা যেন ততই বাড়তে থাকে। বেলা ১১টা বাজতে না বাজতেই সাজ সাজ রব পড়ে যায় চারিদিকে। জেলার মিঠাপুকুর, বলদিপুকুর, ভূরারঘাট মানজাই, রানীপুকুর, তামপাট, পালিচড়া, বুড়িরহাট, গঙ্গাচড়া, শ্যামপুর, দমদমা, লালবাগ, গনেশপুর, দামোদরপুর, পাগলাপীর, সাহেবগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হতে থাকে। সবার হাতে লাঠি-সোটা, তীর-ধনুক, বর্শা, বল্লম, দা ও কুড়াল। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং সে সময় রংপুর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত ২৯ ক্যাভেলরী রেজিমেন্টের মেজর নাসির উদ্দিন তার ‘যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা’ গ্রন্থে সে দিনের বর্ণনায় লিখেছেন, ‘যে দৃশ্য আমি দেখলাম তা চমকে যাওয়ার মতোই। দক্ষিণ দিক থেকে হাজার হাজার মানুষ সারি বেধে এগিয়ে আসছে সেনা ছাউনির দিকে। তাদের প্রত্যেকের হাতেই দা-কাঁচি, তীর-ধনুক, বর্শা, বল্লমের মতো অতি সাধারণ সব অস্ত্র। বেশ বোঝা যাচ্ছিল এরা সবাই স্থানীয়। সারি বাধা মানুষ পিঁপড়ার মতো লাঠি-সোঠা বল্লম হাতে ক্রমেই এগিয়ে আসছে ক্যান্টন মেন্টের দিকে। এ সময় ক্যান্টনমেন্ট থেকে গোটা দশেক জিপ বেরিয়ে আসে এবং মিছিল লক্ষ্য করে শুরু হয় একটানা মেশিনগানের গুলি বর্ষণ। মাত্র ৫ মিনিটে চারিদিক নিস্তব্ধ হয়ে যায়। হাজার হাজার লাশ পড়ে থাকে মাঠে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা মানুষগুলোকে টেনে হিঁচড়ে এনে এক জায়গায় জড়ো করা হলো পুড়িয়ে ফেলার জন্য। কিন্তু তখনো যারা বেঁচে ছিল তাদের গোঙ্গানিতে বিরক্ত হয়ে উঠেছিল পাঞ্জাবি জান্তারা। এ অবস্থাকে আয়ত্বে আনার জন্য বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে চিরতরে তাদের থামিয়ে দিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠল।’ তিনি বর্ণনা করেছেন, ‘আহতদের আর্তনাদে গোটা এলাকার আকাশ বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠল। সেদিন সন্ধ্যার আগেই নির্দেশ মতো ৫ থেকে ৬শ মরদেহ পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হলো। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল আগুন। এ আগুন অন্য যে কোনো আগুনের চেয়ে অনেক বেশি লাল। অনেক বেশি দহন করে এই বহিঃশিখা। খুব কাছ থেকেই সেই আগুন আমি দেখছি। দেখছি কেমন করে জ্বলছে স্বাধীনতাপ্রিয় অসহায় মানব সন্তান।’ সেদিনের ক্যান্টনমেন্ট আক্রমণে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবর রহমান বলেন, মুক্তির নেশায় পাগল এসব মানুষদের সংগঠিত করেন তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সিদ্দিক হোসেন এমপি, আব্দুল গণি, তৈয়বুর রহমান, মুখতার এলাহি, আবুল মনছুর, ইছহাক চৌধুরী, ন্যাপ নেতা সামছুজ্জামান ও কমিউনিস্ট নেতা ছয়ের উদ্দিনসহ আরও অনেকে। সেদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা গ্রামের হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ তীর-ধনুক, দা-কুড়াল, বল্লম ও বাঁশের লাঠি হাতে নিয়ে ক্যান্টনমেন্টের আশপাশের এলাকাসহ ঘাঘট নদীর তীরে জমায়েত হয়। শুরু হয় পাক সেনাদের সঙ্গে সম্মুখ লড়াই। ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ওরাঁও সম্প্রদায়ের তীরন্দাজ সাঁওতালরা এই আক্রমণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে তারা রংপুর ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় ক্যান্টনমেন্ট থেকে আসতে থাকে বৃষ্টির মতো গুলি। গুলিবিদ্ধ হয়ে সেখানেই শহীদ হন হাজারেরও বেশি মানুষ। সেদিন এই সম্মুখযুদ্ধে নাম জানা, অজানা অনেক নিরস্ত্র মানুষ পাকিস্তানি হানাদারদের গুলিতে শহীদ হন। আহত হন অগণিত। এখন এসব শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের খোঁজ রাখে না কেউ। অনেক আহত ব্যক্তি পঙ্গুত্ববরণ করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ২৮ মার্চ ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করতে গিয়ে শহীদ হন রাণীপুকুর ইউনিয়নের দৌলত নূরপুর গ্রামের আয়নাল হক। তার স্ত্রী রওশনা বেগম জানান, বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি তীর-ধনুক নিয়ে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করতে গিয়ে পাকসেনাদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই তার স্বামী (আয়নাল) মারা যান। পরদিন কয়েকজন প্রতিবেশী কাঁধে করে আয়নালের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসে। একই ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামের মৃত. মমদেল হোসেনের ছেলে মনছুর আলী ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করতে গিয়ে পাকসেনাদের গুলিতে পঙ্গুত্ববরণ করেন। বর্তমানে অন্যের ওপর নির্ভর করে চলছে তার সংসার। মনছুর আলী বলেন, দেশকে হানাদারমুক্ত করতে পাকসেনাদের ঘাঁটি দখল করতে ক্যান্টনমেন্ট গিয়েছিলাম। আমাদের হাতে ছিল তীর-ধনুক আর বুকে ছিল দেশ স্বাধীন করার মনোবল। গুলিবিদ্ধ হয়ে আমি সেখান থেকে কোনো রকমে জীবন নিয়ে ফিরে আসি। সেদিন অনেকে শহীদ হয়েছিল। এখন আমাদের খোঁজ-খবর নেওয়ার মতো কেউ নেই। স্বাধীনতার এতো বছর হয়ে গেল তবুও স্বীকৃতি মিলল না। প্রতি বছর এই দিনে রংপুর জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে পালিত হয় ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও দিবস। রংপুরবাসী এই দিনে ‘রক্ত গৌরব’ স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে সাহসী বীর বাঙালি শহীদদের ফুল দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করে। ২৮ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ তথা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে এটাই ছিল মুখোমুখি প্রথম যুদ্ধ। কিন্তু সেদিনের শত শত দেশপ্রেমী জনতার আত্মত্যাগের স্বীকৃতি আজও মিলেনি। প্রতি বছর ২৮ মার্চ এলে কিছু অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে এসব বীর শহীদদের আত্মত্যাগ। তাই রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন শহীদ পরিবারগুলো।

Read More »

“৩০ মার্চ থেকে সরকারি হাসপাতালেই বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা শুরু হবে”- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা: ২৭ মার্চ, ২০২৩ খ্রি. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি বলেছেন, “সরকারি হাসপাতালে সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চিকিৎসকরা বিনামূল্যে রোগী দেখেন। এতে বিকেলে বহু মানুষ চিকিৎসা নিতে না পেরে বাইরে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে দেখান। প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের ‘ফি’ বেশি হওয়ায় দেশের মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বহুগুণ বৃৃদ্ধি পায়। এজন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ৩০ মার্চ, ২০২৩ থেকে পাইলটিং প্রক্রিয়ায় দেশের ১০টি জেলা ও ২০টি উপজেলা হাসপাতালে সরকারি চিকিৎসকদের বিকেল ৩টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত কিছু সম্মানী ফি প্রদানের মাধ্যমে মানুষ চিকিৎসা নিতে পারবে। এর সাথে একই সময়ে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্য পরীক্ষাসমূহও করা যাবে।” আজ দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ইনস্টিটিউশনাল প্রাকটিস নীতিমালা-২০২৩ চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত একটি সভায় সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি। সভায় মন্ত্রী জানান, মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কেন বৃদ্ধি পাচ্ছে সেসব বিষয় নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা করা হয়েছে। দেশের সব বিভাগে গিয়ে জেলা, উপজেলা হাসপাতালে সেবার মান যাচাই করা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে দেশের চিকিৎসক নেতা কর্মীদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ে দফায় দফায় কথা হয়েছে। দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধির বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাও রয়েছে। সব বিষয় মিলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই বৈকালিক ইনস্টিউশনাল প্রাকটিস আপাতত ছোট আকারে শুরু করা হচ্ছে। এই কাজের সুফলতা দেখে খুব দ্রুতই দেশের সকল জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা চালু করা হবে। সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্য সেবায় চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের সম্মানী ফি নির্ধারণ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অধ্যাপক পর্যায়ে ফি ৪০০ টাকা তাঁর সাথে সহযোগী ২ জন পাবে পঞ্চাশ টাকা করে। সহযোগী অধ্যাপক বা সিনিয়র কনসালটেন্টরা পাবেন ৩০০ টাকা, সহকারী অধ্যাপক বা জুনিয়র কনসালটেন্ট বা সমপর্যায়ের চিকিৎসকগণ পাবেন ২০০ টাকা করে যাঁদের সহযোগী ২ জন পাবেন ৫০ টাকা করে। এর পাশাপাশি হাসপাতালে রোগীদের সার্জারী, ডায়াগনস্টিক/ ক্লিনিক্যাল/ প্যারা-ক্লিনিক্যাল টেস্টসহ বিভিন্ন রকম পরীক্ষার জন্যও বৈকালিক ফি নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সরকারি চিকিৎসকদের সপ্তাহে কয়দিন করে ডিউটি থাকবে সে প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, একজন চিকিৎসককে সপ্তাহে মাত্র ২দিন অতিরিক্ত ৩ ঘন্টা করে সেবা দিতে হবে। তবে, এই সেবা যাতে মানুষ সপ্তাহে অন্তত ৬ দিন নিশ্চিত করে পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসকরা অতিরিক্ত ৩ ঘন্টা দায়িত্ব পালন করবেন কিনা সে প্রসঙ্গে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, চিকিৎসকরাসহ সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারি সেবা দানের জন্য সরকারের প্রয়োজন হলে ২৪ ঘন্টা সেবা দিতে হবে। এটিই নিয়ম। সেক্ষেত্রে সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে বাধ্য থাকবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মোঃ আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ টিটো মিঞা, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ)’র মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান মিলন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষাসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

Read More »

রংপুরে নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে ভোটারগনের পাইলটিং কর্মসূচী শুরু

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে নির্বাচন অফিসের আয়োজনে ভোটরগণের পাইলটিং কর্মসূচী শুরু করা হয়। রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ডের ২০১৭ ও ২০১৮ সালের নিবন্ধিত ভোটরগণের বায়োমেট্রিক ( দশ আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশ ) গ্রহনের পাইলটিং কর্মসূচী শুরু করা হয়। গতকাল সোমবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টায় রংপুর মুন্সিপাড়া কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে রংপুর সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের ব্যাবস্থাপনায় ২০১৭ ও ২০১৮ সালের নিবন্ধিত ভোটরগণের পাইলটিং কর্মসূচী উদ্বোধন করেন রংপুরের সিঃ জেলা নির্বাচন আফিসার মোঃ ফরহাদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ রেজাউল করিম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন

Read More »

রংপুরে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে ৫৩ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। রংপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে অর্জন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পমাল্য আর্পন , জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শন, সংবর্ধনা , আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল সহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়। গতকাল রবিবার সুর্যদয়ের সাথে সাথে অর্জন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পমাল্য আর্পন করে শ্রদ্ধা নিবদেন করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাবিরুল ইসলাম, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ¦ মোঃ মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল আলীম মাহমুদ (বিপিএম), রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নুরেআলম মিনা (বিপিএম বার), রংপুর জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নজনীন, রংপুর জেলা পুলিশ সুুপার মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী, রংপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন বাবলু সহ প্রশাসনের আন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ। এরপর রংপুর শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শন ও রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল সহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হয়েছিলো। ১৯৭১ এর ২৬ মার্চে প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে ধ্বংসস্তুপের মধ্যে উঠে দাঁড়িয়ে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক তারবার্তার মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। যা তৎকালীন ইপিআর এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরে চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ২৬ ও ২৭ মার্চ বেশ কয়েকজন শেখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মূল্যবান দলিলটি লিপিবদ্ধ হয়েছে এভাবে ‘ইহাই হয়তো আমাদের শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছে, যাহার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও। শেখ মুজিবুর রহমান। ২৬ মার্চ, ১৯৭১।’ এর পরপরই মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ স্বাধীন করার শপথ নেয় গোটা বাঙালি জাতি। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো। —এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম– সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই বজ্রবাণীকে বুকে নিয়ে ২৫ মার্চ শেষ রাত থেকেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। হানাদার বাহিনী রাজারবাগ পুলিশ ব্যারাকে হামলা করে। পুলিশ তার প্রতিরোধ করে। কামানের গোলায় অনেকে শহীদ হন। কিন্তু প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যান। আসে নতুন ভোর। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে শুরু হয়ে যায় স্বাধীনতা সংগ্রাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়ে ঢাকা থেকে পালিয়ে যায় নরঘাতক পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও সামরিক জান্তা জেনারেল ইয়াহিয়া খান ও পাকিস্তানি পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো। গ্রেফতার হন বঙ্গবন্ধু। পরে তাকে অন্তরীণ করে রাখা হয় পাকিস্তানের জেলে। তার বিরুদ্ধে শুরু হয় রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিচার। বঙ্গবন্ধু জেলে আটক থাকাকালে তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের স্ফুলিঙ্গে উজ্জীবিত সশস্ত্র জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে রচিত হয়েছে আমাদের মুক্তির ইতিহাস-স্বাধীনতার ইতিহাস। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র যুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়। কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সংহত করার নতুন শপথে বলীয়ান হওয়ার দিন আজ। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় একের পর এক মাইলফলক অর্জন এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনকে মহিমান্বিত করেছে।

Read More »

রংপুর জেলা আ’লীগরে মহান স্বাধীনতা দবিস পালতি

জালাল উদ্দনি/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে ৫৩ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দবিস উপলক্ষে রংপুর জেলা আওয়ামীলীগরে উদ্যোগে জাতীয় ও দলয়ি পতাকা উত্তোলন, র্অজন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মুক্তযিোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পুস্তমাল্য র্অপনসহ বভিন্নি র্কমসূচী পালন করা হয়। রববিার ২৬ শে র্মাচ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দবিস উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নবিদেন করনে রংপুর জলো আওয়ামী লীগরে যুগ্ম আহ্বায়ক মাজদে আলী বাবুল, জয়নাল আবদেীন, এ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম। এ সময় উপস্থতি ছলিনে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগরে সদস্য মোতাহার হোসনে মন্ডল মওলা, জাসমে বনি জুম্মন, উৎপল সরকার, এ্যাড. আতকি ঊল আলম কল্লোল, মজিানুর রহমান তুহনি, জন্নিাত হোসনে লাভলু, এ্যাড. আবু সাঈদ সুমন, রফকিুল ইসলাম, এরশাদুল হক রঞ্জু, সজবি প্রামানকি, রংপুর জেলা মহলিা আওয়ামী লীগরে সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. জাকয়িা সুলতানা চতৈী, সহ অন্যান্য নতেৃবৃন্দ।

Read More »

রংপুর মহানগর আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে ৫৩ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় ও দলিয় পতাকা উত্তোলন, অর্জন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পুস্তমাল্য অর্পনসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়। রবিবার ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আহবায়ক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবুল কাশেম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি সাফিউর রহমান সফি, রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য কায়সার রাশেদ খান শরীফ, নওশাদ রশীদ, সফিকুল ইসলাম রাহেল, সাইফুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, এ্যাড. প্রশান্ত কুমার রায়, রসিক ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রফিকুল আলম, রংপুর মেট্রোপিলটন কোতয়ালী থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নাজমুল করিম ডলার, রংপুর মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ বেগম , রংপুর মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন, রংপুর জেলা যুবলীগের সদস্য শেখ মাহাবুব নাসির টুটুল অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »

২৪ নং ওয়ার্ড আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে ৫৩ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে নগরীর ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন চেতনায় বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুস্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীগের সভাপতি ও রসিক কাউন্সিলর মোঃ রফিকুল আলম, রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ডলার, রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সত্যব্রত সরকার উৎপল, চেতনায় বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম মনু, ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, সহ সভাপতি মাসুদুর রহমান, একেএম মোর্সেদ, শুব্রত সরকার মুকুল, দুলাল সর্মা, প্রচার সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, সদস্য জিয়াউল হাসান, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Read More »

(আইডিইবি) রংপুর জেলা শাখার স্বাধীনতা দিবস পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে ৫৩ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ইনিস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) রংপুর জেলা শাখা উদ্যোগে রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভে পুস্প মাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন (আইডিইবি) রংপুর জেলা শাখা সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়ালী, সহ সভাপতি মোঃ শফিউজ্জামান সরকার , সাধারণ সম্পাদক মোঃ খসরু সরকার। এ সময় (আইডিইবি) রংপুর জেলা শাখা সকল সদস্যগন ও বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ রংপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

Read More »

রংপুরে লায়ন্স ক্লাব ও লায়ন্স স্কুলের স্বাধীনতা দিবস পালিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে ২৬ শে মার্চ ৫৩তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অব রংপুর ও লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি স্তম্ভে পুস্প মাল্য অর্পন , আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল রবিবার সকালে রংপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে আলোচনা সভায় অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ রায়হান শরীফের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন লায়ন্স ক্লাব অব রংপুরের প্রেসিডেন্ট একেএম বানিউল আদম বাবু, লায়ন এনামুল হক সোহেল, লায়ন হাসান মাহাবুব আখতার লোটন, লায়ন আজাহারুল ইসলাম দুলাল, লায়ন মনজিল মুরাদ লাভলু, লায়ন বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন, লায়ন ডাঃ আখতারুজ্জামান, লায়ন সফিকুল ইসলাম স্বপন, লায়ন মাসুদ রানা, লায়ন তৌহিদা খাতুন, লায়ন অনিন্দ আউয়াল, লায়ন উম্মে মাহফুজা আখতার। এ সময় লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগন উপস্থিত ছিলেন । আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

Read More »

জুতা পায়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ইউএনও’র শ্রদ্ধা!

জুতা পায়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ইউএনও’র শ্রদ্ধা! স্টাফ রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা জানাতে জুতা পায়ে বেদিতে উঠে পড়লেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। শনিবার (২৫ মার্চ) রাতে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে নাচোল উপজেলা প্রশাসন বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের বেদিতে মোমবাতি প্রজ্বলনের আয়োজন করে। এ সময় জুতা, স্যান্ডেল পরেই নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাইমেনা শারমীনসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাদেরও হাতে মোমবাতি নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের বেদিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ মোবাইলে ছড়িয়ে পড়লে এলাকা জুড়ে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। অনেকে এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করার অভিযোগ তুলেন। এ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এমপি, আব্দুল ওদুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের বেদি অত্যন্ত পবিত্র জায়গা। কেউ জুতা পায়ে দিয়ে উঠতে পারে না। এমনটি যদি হয়ে থাকে তাহলে এটি ঠিক হয়নি। এজন্য সকলকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। এ বিষয়ে ইউএনও মোহাইমেনা শারমীন বলেন, মুল বেদি থেকে আমরা অনেক দূরে ছিলাম,মূল বেদিতে জুতা পায়ে দিয়ে ওঠার কোন প্রশ্নই ওঠে না।

Read More »