সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: May 27, 2024

রংপুরে যুবদল নেতা জহির আলম নয়নের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুরে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃ শর্ত মুক্তি সহ রংপুর মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক জহির আলম নয়নের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মহানগর যুবদল। সোমবার দুপুরে নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত মানববন্ধন সমাবেশে মহানগর যুবদলের আহবায়ক নুরুন্নবী চৌধুরী মিলনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রংপুর মহানগর বিএনপির আহবায়ক শামসুজ্জামান সামু, সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম নাজু, রংপুর মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক ইমরান খান সুজন, মহানগর কৃষক দলের আহবায়ক শাহ্ নেওয়াজ লাবু, মহানগর যুবদলের সদস্য ওয়াহেদ মুরাদ সহ কৃষকদল, সেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা, অবিলম্বে বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল কারাবন্দী নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী জানান।

Read More »

স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার অগ্রযাত্রায় মার্কিন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৭ মে ২০২৪ খৃ. : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি ‘উন্নত ও স্মার্ট’ দেশে পরিণত করতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে একটি ‘উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট’ বাংলাদেশের আমাদের অগ্রযাত্রায় অংশীদার হওয়ার জন্য আমি আপনাদের আহ্বান জানাচ্ছি।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তাদের উদ্দেশে ভাষণে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে একটি ‘স্মার্ট নেশন’ হয়ে উঠতে আকাঙ্খা পোষণ করি। আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বাড়াতে এবং রপ্তানির ভিত্তি সম্প্রসারণে আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে ‘স্বল্পোন্নত’ থেকে ‘উন্নয়নশীল’ দেশে পরিণত হবে। সরকার প্রধান বলেন, তাঁরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। তাদের প্রচেষ্টা গত ১৫ বছরে বাংলাদেশকে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত। এটা সম্ভব হয়েছে সুশাসন, আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতা, গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, নারীর ক্ষমতায়ন, এবং আইসিটি, যা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রুপান্তর ঘটিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী। তিনি আরো বলেন, উভয় দেশের অনেক ক্ষেত্রেই নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যৌথ লক্ষ্য হল জনগণের জন্য পারস্পরিক সুবিধা এবং সমৃদ্ধি অর্জন করা। এটি আমাদের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে আমাদের রপ্তানির বৃহত্তম একক-দেশীয় গন্তব্য, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের বৃহত্তম এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ তিনি বলেন, আগামী দিনে এই অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী। এই প্রসঙ্গে সরকার প্রধান বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের এবং পারস্পরিক সুবিধার জন্য একটি মসৃণ এবং অনুমানযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরির মাধ্যমে আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদার হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, ‘অতএব, আমি আপনাদেরকে আমাদের অনেক প্রাণবন্ত এবং উচ্চ-সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র যেমন নবায়নযোগ্য জ¦ালানী, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইলস, ফার্মাসিউটিক্যালস, হালকা ও ভারী যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক সার, আইসিটি, সামুদ্রিক সম্পদ আহরণএবং চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি’। শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল আমাদের দুই বন্ধু প্রতীম দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘পরিশেষে, তিনি সকল মার্কিন ব্যবসায়ী নেতাদের বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ নিতে এবং বিনিয়োগের অনুরোধ জানান।’ এছাড়া, তিনি বলেন, তাঁর সরকার দেশে ১শ’টি ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) এবং ২৮টি হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। এর মধ্যে কয়েকটি চালু রয়েছে। তিনি বলেন, বিশেষকরে আইটি সেক্টরে, ১০ লাখেরও বেশি ফ্রি-ল্যান্সিং আইটি পেশাদারসহ, বাংলাদেশ আইটি খাতে বিনিয়োগের জন্য সঠিক গন্তব্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিযোগিতামূলক মজুরিতে একটি তরুণ, দক্ষ এবং প্রাণবন্ত কর্মশক্তির প্রাপ্যতা একটি বিশাল সুবিধা। তিনি বলেন, ‘এখানে, আমি আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই বাংলাদেশে এই অঞ্চলের সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ নীতির মর্যাদা রয়েছে। তিনি আরো বলেন নিশ্চিত থাকুন আমরা আমাদের বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য লেখক এম. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে অবহিত করেছেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। এই সময় নজরুল বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য মার্কিন বিনিয়োগকারীরা উচ্চাকাঙ্খা ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কিছু চ্যালেজ্ঞ উল্লেখ করেন।’ ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান স্টিভেন কোবোস স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং এর প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেসাপ ধন্যবাদ প্রস্তাব উন্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প এবং বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান,বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ও অ্যাম্বাসেডর এট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এই সময় উপস্থিত ছিলে।  প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এম. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে নারীর ক্ষমতায়নে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ দেশ এবং বিশ্বব্যাপী নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে রেটিং দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ১৭ কোটি মানুষের বাজার এবং এর অবস্থান (ভৌগলিক) এটিকে ৩ বিলিয়ন মানুষের বাজারের কেন্দ্রস্থলে পরিণত করেছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে এর বর্ধিত সংযোগ এটিকে এই অঞ্চল এবং এর বাইরে বিনিয়োগ এবং বাণিজ্যের জন্য একটি আদর্শ জায়গা করে তুলেছে। সরকার প্রধান বলেন, ‘আমাদের ফোকাস এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথেও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নত করা।’ গত ১৫ বছরে বেশ কয়েকটি মেগা-অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কয়েকটির নাম বলতে গেলে, পদ্মা নদীর ওপর সেতু, ঢাকায় মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকায় একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদি। আইনি ও আর্থিক অবকাঠামোও উন্নত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এইগুলো আমাদের অভ্যন্তরীণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বাড়িয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি। তিনি আরো বলেন, ‘এটি এখন ৩৫ তম বৃহত্তম অর্থনীতি, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫ তম হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। এই বৃদ্ধি একটি প্রাণবন্ত বেসরকারি খাতের কারণে যেখানে মার্কিন ব্যবসায়ীদের একটি উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ অনেক আর্থ-সামাজিক সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় নেতৃত্ব দেয়। তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রচেষ্টার কারণে দারিদ্র্যের হার ২০০৫ সালে থাকা ৪১ শতাংশ থেকে ২০২২ সালে ১৮ দমমিক ৭ শতাংশে এবং হতদরিদ্রের হার ৫ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। গত এক দশকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি হয়েছে।’ আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো- প্রত্যাশিত গড় আয়ু যা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর ছিল ৪৬ দশমিক ৬ বছর তা বর্তমানে বেড়ে ৭৩ দশমিক ৪ বছরে উন্নীত হয়েছে। ‘এখন প্রায় সব শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষ করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, নারী সাক্ষরতার হার ৭৩ দশমিক ২৫ শতাংশ যা দক্ষিণ এশিয়ার গড় ৬৫ শতাংশের চেয়ে বেশি।’ সুত্র. বাসস

Read More »

বেসরকারী সদস্যদের বিল এবং বেসরকারী সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি’র প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

সঙসদ প্রতিবেদক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৭ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদের বেসরকারী সদস্যদের বিল এবং বেসরকারী সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি’র প্রথম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য আলী আজম, তারানা হালিম, মোঃ সোহরাব উদ্দিন এবং হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকের শুরুতেই ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল হাই এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও দ্বাদশ জাতীয় সংসদের বেসরকারী সদস্যদের বিল এবং বেসরকারী সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি’র প্রথম বৈঠক হওয়ায় উপস্থিত সকল সদস্য ও কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি এর ২২২,২২৩ এবং ২২৪ বিধিতে বেসরকারী সদস্যদের বিল এবং বেসরকারী সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির গঠন ও কার্যাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রথম জাতীয় সংসদ থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের(২১-০৫-২০২৪) তারিখ পর্যন্ত বেসরকারী বিল, উত্থাপিত বিল, পাশকৃত বিলের সংখ্যা এবং বিভিন্ন সংসদে পাশকৃত বেসরকারী বিলসমূহের বিবরণী নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ শহীদ পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদ, সম্ভ্রম হারানো ২ লক্ষ মা-বোন, জাতীর চার নেতা এবং ভাষা আন্দোলনে সকল শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাত করা হয়। বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব(ড্রাফটিং)সহ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : দ্য হেগ, ২৭ মে, ২০২৪ খৃ. /এএফপি): গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) সোমবার বলেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) ফিলিস্তিনের গাজায় সাংবাদিকদের হত্যা ও আহত করার দায়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তারা অভিযোগ এনেছে। আজ সোমবার এই খবর জানায় এএফপি। আরএসএফ জানিয়েছে, তারা ডিসেম্বর ১৫ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের তদন্ত করার জন্য আইসিসির কৌঁসুলিকে আহ্বান জানিয়েছে। জানুয়ারিতে আইসিসি জানায়, তারা গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ নিয়ে তদন্ত করছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১শ’ জনেরও বেশি সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। আরএসএফ জানিয়েছে, তাদের কাছে বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ রয়েছে ‘কিছু সাংবাদিককে স্বেচ্ছায় হত্যা করা হয়েছে এবং বাকিরা বেসামরিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী নির্বিচার হামলার শিকার’ অভিযোগে আরএসএফ ২০ ডিসেম্বর থেকে ২০ মে’র মধ্যে নিহত ৯ ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের কথা উল্লেখ করে। পাশাপাশি আহত হয়ে পরবর্তী নিহত হয়েছেন এমন একজনের কথাও বলেছে সংস্থাটি। আরএসএফআরো জানায়, ‘নিজ নিজ দায়িত্ব পালনকালে এসব সাংবাদিকরা হতাহত হন।’ আরএসএফের অ্যাডভোকেসি ও সহকারি পরিচালক অ্যান্টন বার্নার্ড বলেন, ‘যারা সাংবাদিকদের হত্যা করে, তারা জনগণের তথ্যের অধিকারের বিরুদ্ধে হামলা করছে। যেই অধিকার রক্ষা করা সংঘাতের সময় অত্যন্ত জরুরি।’ গত সপ্তাহে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান আইসিসি’কে শীর্ষ ইসরায়েলি ও হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে আলোচনায় এসেছেন। ইসরায়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নিউইয়র্ক ভিত্তিক সাংবাদিক সুরক্ষা কমিটি জানিয়েছে, গাজার যুদ্ধে অন্তত ১০৭ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। সংস্থাটি ১৯৯২ সাল থেকে এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের পর এত কম সময়ে এত জন সাংবাদিক নিহতের ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করে। এই সময়টাকে ‘সাংবাদিকতার জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ সময়’ বলে অভিহিত করে সংস্থাটি। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখ-ে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস। এতে ১ হাজার ১৭০ জন নিহত হন। হামাসের হাতে জিম্মি হন ২৫২ জন। জিম্মিদের মধ্যে ১২৪ জন এখনো গাজায় আছেন এবং ৩৭ জন ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন। এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে সেদিনই গাজার বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ও নির্বিচার বিমানহামলা শুরু করে ইসরায়েল। পরবর্তীতে স্থলবাহিনীও এতে যোগ দেয়। গত ৭ মাসে ইসরায়েলের হামলায় ৩৫ হাজার ৯৮৪ জন বেসামরিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

Read More »