সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: October 7, 2024

গণঅভ্যূত্থানে আহতদের চিকিৎসার জন্য বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মেডিকেল টিম আনার প্রক্রিয়া চলমান- স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

ডা. আসিফ শাহরিয়ার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, যারা আহত হয়েছেন বিশেষত যারা চোখে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পায়ে আঘাত পেয়েছেন, অঙ্গহানি হয়েছে, তাদের চিকিৎসার জন্য বিদেশ থেকে ডাক্তারদের মেডিকেল টিম এনে (চীন, নেপাল, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশ হতে) চিকিৎসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে চীনের এডভান্স মেডিকেল টীম বাংলাদেশে এসেছেন। তারা হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে চিকিৎসায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়া, Need Based Assessment-পূর্বক পরবর্তীতে কি ধরণের সেবা/সাপোর্ট দেয়া হবে সে বিষয়েও তারা অবহিত করবেন। এছাড়া, বিভিন্ন দেশ এবং বহুজাতিক উন্নয়ন সংস্থার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। আজ ০৭/১০/২০২৪ সোমবার বিকাল ৪ টায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আরো বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আহত চক্ষু রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য সেবা ফাউন্ডেশন ও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উদ্যোগে নেপাল হতে ০৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ও ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, আগারগাও, ঢাকায় এসেছেন। এছাড়া, আজ ০৭ অক্টোবর ২০২৪ ফ্রান্স এর একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও আসছেন। যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন ১৫ দিনের ভেতর যুক্তরাজ্য হতে অর্থোপেডিক ডাক্তার চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য বাংলাদেশে আসবেন।নেপাল হতে আগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎকগণ জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মোট ১৯২ (একশত বিরানব্বই) জন চক্ষু রোগীকে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন এবং ০৪ (চার) জন জটিল রোগীর অপারেশন সম্পন্ন করেন। ইনজুরড রেটিনা রোগীদের রেটিনার অস্ত্রোপচার শেষ হলে প্রায় ছয়মাস পর কর্ণিয়া অপারেশনের প্রয়োজন পড়তে পারে। কর্ণিয়া সরবরাহে সেবা ফাউন্ডেশন সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া বিদেশি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ বলেছেন, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসকগণ রোগীদেরকে যে চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন তা ছিল সঠিক।এই ধরনের রোগীদেরকে নেপালেও একইভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। চোখের ভিতরের Pillet/ গুলি যে পদ্ধতিতে অপারেশনের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ সঠিক। ছাত্র জনতার অভ্যূত্থানে দেশের বিভিন্ন স্থানে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে নীতিমালা প্রনয়ণ এবং শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিচিতিসহ একটি পূর্নাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে একটি খসড়া নীতিমালা এবং আহত-নিহতদের একটা প্রাথমিক তালিকা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেছেন জানিয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রস্তুতকৃত তালিকা সর্বসাধারণের যাচাইয়ের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে ডাটাবেইজ তৈরির সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সারাদেশে (০৬ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত) মোট শহীদের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৭৩৭ জন এবং আহতের সংখ্যা ২২,৯০৭ জন। ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশের সকল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসমূহে ডেঙ্গু কর্নার স্থাপন, প্রয়োজনীয় ঔষধ এবং অন্যান্য সামগ্রির সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, ল্যাবরেটরিতে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয় ও অন্যান্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া DNCC ও মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হবার আহবান জানিয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ডেঙ্গুর দুটি দিক আছে। একটি হচ্ছে প্রতিরোধ, আরেকটি চিকিৎসা। আমরা যদি প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে সচেতন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গুর প্রতিকার করা সম্ভব। এছাড়া দেশের সকল সরকারি হাসপাতালে (জেলা পর্যায় পর্যন্ত) ডেঙ্গু বিষয়ে ‘ফোকাল পারসন’ নির্ধারণ করা হয়েছে, যাদের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে সারা দেশের ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ডেঙ্গু টেস্ট কিট, আইভি ফ্লুইড (স্যালাইন) এবং অন্যান্য লজিস্টিক এর স্টক এবং চাহিদা সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সারা দেশে সকল সরকারি হাসপাতালের Statistician ও Lab. Technician গণকে ডেঙ্গু অ্যাপ- বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস শাখা কর্তৃক Dengue Tracker Application- তৈরী হয়েছে। যার মাধ্যমে ল্যাবে পরীক্ষাকৃত ডেঙ্গু রোগীর পরীক্ষার ফলাফল সাথেসাথেই (Real Time) পাওয়া যাবে। সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ডা: মো: সারোয়ার বারী, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. টি. এম. সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

কালুরঘাটে ১১,৫৬০ কোটি টাকার রেল-কাম-সড়ক সেতু নির্মাণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

 সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৪ খৃ. চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নির্বিঘ্ন নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর বিদ্যমান পুরাতন সেতুর পাশে ১১,৫৬০.৭৭ কোটি টাকার নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতু প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চলতি অর্থবছরের (অর্থবছর ২৫) তৃতীয় ও অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, দিনের বৈঠকে মোট আনুমানিক ২৪ হাজার ৪১২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অংশ থেকে ৭,৭৪৬.৬৬ কোটি টাকা, প্রকল্প সহায়তা থেকে ১৬,০১২.৩৩ কোটি টাকা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৬৫৩.৯৫ কোটি টাকা আসবে। অনুমোদিত চারটি প্রকল্পের মধ্যে দু’টি নতুন ও দু’টি সংশোধিত প্রকল্প। এছাড়া বৈঠকে ব্যয় না বাড়িয়ে সাতটি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। রেলপথ মন্ত্রণালয় ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রেল-কাম-সড়ক সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে । মোট ১১,৫৬০.৭৭ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৪,৪৩৫.৬২ কোটি টাকা আসবে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে এবং বাকি ৭,১২৫.১৫ কোটি টাকা আসবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল (ইডিসিএফ) এবং ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটিজ (ইডিপিএফ), কোরিয়া থেকে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, কালুরঘাটে বিদ্যমান সেতুটি পুরনো ও জরাজীর্ণ হওয়ায় এ ব্যাপারে নতুন প্রকল্পের কথা বিবেচনা করা হয়েছে।তিনি বলেন, সরকার কক্সবাজারকে আরও উন্নত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করতে চায়। এছাড়াও মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্যও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন। এ জন্য সরকার মনে করেছে, এ ক্ষেত্রে একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত। পরিকল্পনা কমিশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নির্বিঘ্ন ও নিরবচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগ নিশ্চিত করা এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ তৈরি করা। রেলপথ মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে পুরানো ও জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারে না। এছাড়া মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর চালু হলে, এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন চাঙ্গা হবে, তেমনি এ রুটের গুরুত্বও বাড়বে। ইতোমধ্যেই দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন চালুর মাধ্যমে ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। ফলে পর্যটন নগরীর সঙ্গে নির্বিঘ্নে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান পুরাতন সেতুর পাশে কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন রেল-কাম-সড়ক সেতু নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে এবং এইভাবে কোরিয়ান সরকারের অর্থায়নে অনুমোদিত হয়েছে। বর্তমানে দেশের আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে নির্বিঘœ  রেল যোগাযোগ এবং পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নতুন সেতুটি নির্মিত হলে, এই অঞ্চলের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবস্থিত কল-কারখানার পাশাপাশি শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য পরিবহন করতে সক্ষম হবে। মূল প্রকল্পের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ৭০০ মিটার রেল-কাম-রোড ব্রিজ নির্মাণ, ৬.২০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট নির্মাণ, ২.৪০ কিলোমিটার সড়ক ভায়াডাক্ট, ৪.৫৪ কিলোমিটার বাঁধ, ১১.৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক কাজ। অতিরিক্ত ৬,৫৭৩.৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় সংশোধিত মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়নের অনুমোদন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, এটি একটি বড় প্রকল্প। প্রকল্পটির ভূ-রাজনৈতিক দিকও রয়েছে। তিনি বলেন, এই বন্দরের অর্থায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চীন ও ভারতের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, মাতারবাড়ী বন্দরে প্রয়োজনীয় কাজ এখনো শুরু হয়নি এবং বন্দরের উন্নয়নে রাস্তা নির্মাণ করা হবে। সভায় অনুমোদিত অন্য দুটি প্রকল্প হল- সাজেক রোড কানেক্টিভিটি, প্রকল্প-২: এলেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, ৩৭৬.৯৯ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে দ্বিতীয় সংশোধিত ও ৫,৯০১.২২২ টাকা দিয়ে রেসিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইইউটিডিপি)।

Read More »

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুর জেলা মটরশ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: হিন্দু সম্প্রাদায়ের শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুর জেলা মটরশ্রমিকদের সাথে হিন্দু শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকালে নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন পৌরবিপনি মার্কেটের সামনে রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক কোষাধ্যক্ষ মশিয়ার রহমানের উদ্যাগে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও মটর শ্রমিকে হিন্দু শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন নগরীর ১৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম মিঠু, পৌরবিপনি মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি মতিয়ার রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক শিক্ষা ও ক্রীড়া সম্পাদক মনু, মহানগর যুবদলের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মুরাদ হোসেন, বিএনপি নেতা আরিফুল ইসলাম, শাহাজাদা ইসলাম, আজিজুল ইসলাম, মমিনুল ইসলাম প্রমূখ। এ সময় মশিয়ার রহমান বলেন, আমি প্রতি বছর আমাদের হিন্দু শ্রমিক ভাইদের মাঝে সহযোগীতা করে থাকি। এ বছরও ব্যতিক্রম হয়নি। আমার সাধ্যের মধ্যে থেকে আমি সকলের মাঝে নারিকেল ও চিনি বিতরণ করলাম। সকলে দোয়া করবেন সামনে যেনো তাদের জন্য ভালো কিছু করতে পারি।

Read More »

রংপুরে ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: ৩২-৩৩ মানিনা মানবনা, এক দফা এক দাবি ৩৫ এর প্রজ্ঞাপন, পদ্মা-মেঘন-যমুনা ৩৫ আমার ঠিকানা, আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই, সারা বাংলায় ডাক দে ৩০ কে কবর দে শ্লোগানে মূখরিত হয়ে আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা নূন্যতম ৩৫ এর দ্রুত প্রজ্ঞাপন চেয়ে ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১২ টায় নগরীর প্রেসক্লাব চত্বরে ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানবন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক শাহাজাদা (সিসিআর), নুর আলম (বেরোবি), হিরা (সিসিআর), রাসেল (সিসিআর), আলমগির (সিসিআর), আযম (সিসিআর), অভি (সিসিআর), আজিজুল (সিসিআর) প্রমূখ। মানববন্ধনে বক্তারা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করে বলেন, আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবি চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করতে হবে। কেননা আমাদের সেশন জটসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে পড়াশুনা করতেই ২৬-২৮ বছর হয়ে যায়। এরপর দেখা যায় সরকারি চাকরিতে আবেদন ২-৩বার করতেই চাকরির বয়স শেষ হয়ে যায়। তাই আমরা দীর্ঘদিন হতে সরকারের কাছে দাবি করে আসছি সরকারি চাকরির বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ করা হোক। কিন্তু আমাদের দাবি অজ্ঞাত কারণে মানা হচ্ছে না। তাই বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে দাবি সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক। তা নাহলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।

Read More »

এবার একনেকে উঠছে ২৪ হাজার কোটি টাকার চার প্রকল্প

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) দ্বিতীয় সভায় সোমবার। সভায় দুটি নতুন ও দুটি সংশোধিত প্রকল্প উঠছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জানিয়েছেন, এসব প্রকল্পের বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। আরও আটটি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন চাওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি, তবে মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম একনেক সভা হয় গত ১৮ সেপ্টেম্বর । উক্ত সভায় আগের সরকারের আমলে ‘রাজনৈতিক কারণে’ নেওয়া প্রকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা ও ‘অপ্রয়োজনীয়’ প্রকল্প থেকে সরে আসার কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। সেই সভায় ৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি ছিল দুটি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের। ‘বাখরাবাদ-মেঘনাঘাট-হরিপুর গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পে ৭০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ‘দুটি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (সুন্দলপুর-৪ ও শ্রীকাইল-৫) এবং দুটি অনুসন্ধান কূপ (সুন্দলপুর সাউথ-১ ও জামালপুর-১) খনন প্রকল্পে’ ৫৮৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)’ এর জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৯৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা সরকারি তহবিল থেকে এবং ১০০ কোটি ১৬ লাখ টাকা ইউনিসেফের অনুদান। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘তথ্য আপা: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়, দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পটির মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি ব্যয় পুনঃ প্রাক্কলন করার নির্দেশনা দিয়ে অনুমোদন করা হয়েছে। প্রকল্পটিতে দুই বছরের জন্য ১৬৩ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্যয়ও কমানো হবে।

Read More »

বিচার বিভাগ সংস্কারে কমিশন সদস্যদের নিজ নিজ এজেন্ডার তালিকা পরবর্তী মিটিং উপস্থাপনের সিন্ধান্ত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, বিচার বিভাগ সংস্কারের লক্ষ্যে প্রথম বৈঠক করেছে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন। বৈঠকে বিচার বিভাগ সংস্কারে শুরুতে এজেন্ডা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংস্কার কমিশনের প্রধানসহ সদস্যরা নিজ নিজ পক্ষ থেকে এজেন্ডার একটি তালিকা প্রণয়ন করবেন। ওই তালিকা ধরে পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করে এজেন্ডা চূড়ান্ত করা হবে বলে একাধিক সদস্য এ তথ্য জানান। রোববার (৬ অক্টোবর) সকালে বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের প্রধান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি এমদাদুল হক ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদ শিবলী, সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানিম হোসেন শাওন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক (সুপন)। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) কমিশনের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রসঙ্গত, গত ৩ অক্টোবর আট সদস্যের বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন গঠন করে দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিচার বিভাগকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাব প্রণয়নের লক্ষ্যে এ কমিশন গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সব মতামত বিবেচনা করে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে কমিশনকে।

Read More »

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৪ উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :   ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৪ খৃ : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৪-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। আইএসপিআর রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রথম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন। প্রধান উপদেষ্টা পদোন্নতি পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সিক্ত নতুন বাংলাদেশে সকলকে স্বাগত জানান। এসময় তিনি জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সকলকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহিদসহ সকল বীর সেনানীদেরও স্মরণ করেন, যাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। প্রধান উপদেষ্টা পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্ব অরোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া সৎ, নীতিবান ও নেতৃত্বের অন্যান্য গুণাবলি সম্পন্ন অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাছাড়া রাজনৈতিক মতাদর্শের উর্ধ্বে থেকে যে সমস্ত অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সেই সকল অফিসারদেরকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে দেশকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করেছে। ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও দেশের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে বলে তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। প্রধান উপদেষ্টা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী, চীফ অব জেনারেল স্টাফ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার তাকে স্বাগত জানান। শত কর্মব্যস্ততার মাঝেও উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনাবাহিনী প্রধান, প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সচিবও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।

Read More »

জনবান্ধব করতে ১৫০ বছরের পুরানো পুলিশ আইন সংস্কার করা হবে : কমিশন চেয়ারম্যান 

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, পুলিশ সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান সফর রাজ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ পুলিশকে একটি যুগোপযোগী, গণমুখী ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ১৫০ বছরের পুরনো পুলিশ আইন সংশোধনসহ বিভিন্ন প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে।  সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আজ  বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য আমাদের একটি ভালো পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে হবে এবং এর প্রধান কাজ হবে জনগণের সেবা করা। এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, পুলিশের সংস্কারে তারা সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করবেন। চেয়ারম্যান বলেন, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে পুলিশ সংস্কার প্রস্তাবে সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে পুলিশ কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। আমরা পুলিশ সংস্কারের প্রস্তাবে সেসব দেশের সেরা অনুশীলনগুলি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করব। তিন মাসের মধ্যে প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সফর রাজ হোসেন বলেন, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের কাজগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করবেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত করতে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজ করছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ ১৫০ বছরের পুরনো আইন, পুলিশ আইন ১৮৬১ এবং পুলিশ প্রবিধান ১৯৪৩ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, এই আইনগুলো অনেক পুরনো। আইনে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। কমিশনে যারা আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে কাজ করছে তারা জনগণের সঙ্গে আলোচনা করবে। তিনি বলেন, পুলিশ সংস্কারের লক্ষ্যে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য সুশীল সমাজের কর্মী, বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, সাধারণ মানুষ এবং পুলিশের মতো অংশীজনদের কাছ থেকে মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা কমিশনের রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা শুধু সরকারকে পরামর্শ দেব যে, পুলিশ আইনের বিভিন্ন ধারা সময়  উপযোগী এবং আধুনিক করার জন্য কী পরিবর্তন করা দরকার। গত ৩ অক্টোবর সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব সফর রাজ হোসেনের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন করে পুলিশ এবং কাজগুলো সম্পন্ন করতে ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র সচিব (জননিরাপত্তা বিভাগ) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিএনসি) মোহাম্মদ ইকবাল, সাবেক বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হারুন চৌধুরী, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক শেখ সাজ্জাদ আলী ও মো. গোলাম রসুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শাহনাজ হুদা, মানবাধিকার কর্মী এ এস এম নাসিরউদ্দিন এলান ও ছাত্র প্রতিনিধি।

Read More »

আইনি প্রক্রিয়া সম্পুর্ন করে যথাসময় তারেক রহমান দেশে আসার সিন্ধান্ত নিবেন

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মামলাগুলো মোকাবেলা করা হবে এবং তিনি যথাসময়েই দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেবেন। তারেক রহমানের দেশে ফেরা ও মামলাগুলোর বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে রোববার (৬ অক্টোবর) বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল একথা বলেন। এসময় বিএনপির আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো হয়েছে তার প্রত্যেকটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মামলাগুলো আমরা মোকাবেলা করবো। কারন, আইন-আদালত ও সংবিধানের প্রতি তারেক রহমান সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল।’

Read More »