সর্বশেষ
সর্বশেষ

Day: February 27, 2025

অন্তর্বর্তী সরকারকে স্থানীয় নির্বাচন থেকে সরে আসার আহ্বান- তারেক রহমান

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : জাতীয় সংসদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণ মনে করে, স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে, সেটি হবে সারা দেশে পলাতক স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসনের একটি প্রক্রিয়া, যা সরাসরি গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাবিরোধী। গণহত্যাকারী, টাকা পাচারকারী, দুর্নীতিবাজ, মাফিয়া চক্রকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার এই ফাঁদে বিএনপি পা দেবে না।’ আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের এলডি হল সংলগ্ন মাঠে বিএনপির বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘সারা দেশে খুন, হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি বেড়েই চলেছে। বাজার সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণহীন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। সরকার যেখানে দেশের বাজার পরিস্থিতি কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করতে পারছে না, সেখানে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের নামে কেন দেশের পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করতে চাইছে, এটি জনগণের কাছে বোধগম্য নয়।’ অন্তর্বর্তী সরকারকে স্থানীয় নির্বাচন থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জন-রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে গণহত্যাকারী-মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান, সারা দেশে গণহত্যাকারীদের দোসর মাফিয়া চক্রকে পুনর্বাসনের স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা থেকে সরে আসুন। অবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আগামী দিনের সুনির্দিষ্ট কর্ম পরিকল্পনার রোডম্যাপ ঘোষণা করুন।’ বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য জনমনে ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করলেও জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো কোনো উপদেষ্টার বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণের জন্য হতাশার কারণ হয়ে উঠছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি বিএনপিসহ গণতন্ত্রের পক্ষের সব রাজনৈতিক দলের নিঃশর্ত সমর্থন থাকলেও সরকার এখনও তাদের কর্মপরিকল্পনায় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে পারছে না।’ তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার শাসক টাকা পাচার আর লুটপাট চালিয়ে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর করে দিয়েছিল। অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল দেশের সব সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে জনগণকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাহীন করে দিয়ে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করে তুলেছিল।’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র সরকার এবং রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া ২০১৭ সালে ভিশন-২০৩০ দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে বিএনপি ২৭ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরবর্তীতে গণতন্ত্রের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়ের পর ঘোষণা করা হয় ৩১ দফা কর্মসূচি। এই ৩১ দফা নিয়ে বিএনপির উদ্যোগে সারা দেশে জনগণের সঙ্গে সংলাপ চলছে।’  তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্র-সরকার-রাজনীতি এবং রাজনৈতিক দল মেরামতের জন্য দফা ৩১টি হলেও এর চূড়ান্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো—একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ, একইসঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। এটি নিশ্চিত করা না গেলে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কোনটিই টেকসই হবে না।’ তারেক রহমান আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সমাজে জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার পূর্বশর্ত হলো প্রতিটি নাগরিকের ভোট প্রয়োগের অধিকার বাস্তবায়ন। এজন্যই জনগণের ভোটে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যেই জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানায় বিএনপি।’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, আজ ও আগামী দিনের রাজনীতিতে বিএনপির এই ৩১ দফা হচ্ছে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সনদ। তবে এই ৩১ দফাই শেষ কথা নয়, সময়ের প্রয়োজনে রাষ্ট্র, সরকার, রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলের সংস্কারের জন্য এই ৩১ দফায়ও সংযোজন-বিযোজনের সুযোগ রয়েছে। এমনকি, বিএনপির ৩১ দফার সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার প্রস্তাবনার খুব বেশি মৌলিক বিরোধ নেই।’ তারেক রহমান বলেন, ‘মাফিয়া প্রধান হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর এ পর্যন্ত ১৬ থেকে ১৭টি নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বিএনপি সব নতুন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে স্বাগত জানায়। তবে নির্বাচনের মাধ্যমে গ্রহণ কিংবা বর্জনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে জনগণ। সুতরাং, প্রতিটি দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সবার আগে নির্বাচন কমিশনকে প্রস্তুত রাখতে হবে।’ তারেক রহমান আরও বলেন, ‘দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষতাই হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সবচেয়ে বড় পুঁজি। কিন্তু সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে ইতোমধ্যেই জনমনে সন্দেহ সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। নিজেদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানাই।’  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘এবার আমি সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মী, বিশেষ করে এই বর্ধিত সভায় উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশে কয়েকটি কথা বলতে চাই। দীর্ঘদিন থেকে আমি আপনাদের কাছ থেকে শারীরিকভাবে দূরে থাকলেও যোগাযোগ এবং কর্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে আমি কখনোই আপনাদের কাছ থেকে দূরত্ব অনুভব করিনি। আমার মনে হয়, এখানে উপস্থিত এমন একজনকেও পাওয়া যাবে না, যার সঙ্গে আমার অন্তত একবার হলেও কথা হয়নি কিংবা টেক্সট মেসেজ (খুদে বার্তা) আদান প্রদান হয়নি। তবে আজ এখানে সবাইকে একসঙ্গে পেয়েছি। আপনাদেরকে অভিনন্দন। আমি বিশ্বাস করি, যে দলে আপনাদের মতো ত্যাগী এবং সাহসী নেতাকর্মী রয়েছে সেই দলকে কোনো স্বৈরাচারই দমিয়ে রাখতে পারে না।’   তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে দেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান তথা দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবেন। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই বাংলাদেশ ভূখণ্ডে বসবাসকারী আমাদের সবার একটিই পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রেও বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট। বিএনপি মনে করে, বর্তমান বিশ্বে স্থায়ী শত্রু-মিত্র বলে কিছু নেই। একটি দেশের সঙ্গে অপর দেশের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা, প্রয়োজন ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে। অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের নীতি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ । অর্থাৎ নিজ দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাই হতে হবে প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার।” তারেক রহমান বলেন, ‘আশা করি বর্ধিত সভায় এই আলোকেই আপনাদের বক্তব্য উপস্থাপিত হবে। এই মুহূর্তে বিএনপিই দেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। ফলে বিএনপির কাছে জনগণের যেমন প্রত্যাশা রয়েছে, তেমনি বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরাও থেমে নেই। সুতরাং চক্রান্তকারীদের মোকাবিলা করে কীভাবে দলকে আরও শক্তিশালী এবং সুসংহত করা যায়, আমি আশা করি, আপনাদের আলোচনায় সেই সম্পর্কেও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা থাকবে।’   বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘সারা দেশে তৃণমূল পর্যায়ের কৃষক-শ্রমিক, দরিদ্র-মেহনতি, স্বল্প আয় কিংবা মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্তের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রী, তথা সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থ রক্ষা এবং জীবন মানোন্নয়নে আপনাদের নিজ নিজ এলাকাভিত্তিক কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, আপনাদের বক্তব্যে সেসব বিষয়ও থাকবে।’  নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমের পক্ষে বিপক্ষে অবশ্যই আপনারা সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তুলে ধরবেন। তবে একটি বিষয়ে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, সেটি হলো—বিএনপি একটি বৃহৎ পরিবার। এই পরিবারের নানা বিষয়ে আমাদের মতের অমিল থাকতেই পারে। সুতরাং, বক্তব্য দেওয়ার সময় ব্যক্তিগত পর্যায়ের বিরোধকে এড়িয়ে যাওয়া বাঞ্ছনীয় বলেই আমি মনে করি।’ বিএনপি নেতাকর্মীদের ত্যাগের শিকারের বিষয় উল্লেখ করে তারেক রহমান আরও বলেন, ‘গত দেড় দশকে সারা দেশে বিএনপিসহ গণতন্ত্রের পক্ষের ভিন্ন দল ও মতের নেতাকর্মীদেরকে অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে। কেবল বিএনপিরই প্রায়

Read More »

জুলাইয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয় : জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খৃ- জুলাই মাসে বিক্ষোভকালে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল। এ সময় কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের খুব কাছে থেকে গুলি করে হত্যা করে।  জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার (ওএইচসিএইচআর) কার্যালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘…রোম সংবিধির ৭ নং অনুচ্ছেদ  অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সমর্থকরা যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে- তা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।’  এতে আরও বলা হয়, কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার উদ্দেশ্যেই খুব কাছে থেকে তাদের গুলি করে । ওএইচসিএইচআর-এর অফিস গত ১২ ফেব্রুয়ারি জেনেভা কার্যালয় থেকে ‘২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতন’ শীর্ষক তথ্য অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে যে, অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে, নিরাপত্তা বাহিনী সামরিক রাইফেল ও স্বয়ংক্রিয় পিস্তল থেকে জনতার ওপর প্রাণঘাতি গুলি চালিয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের মাথা ও শরীর লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের শরীরের এ সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে শটগানের গুলি  ছোঁড়ে। সাধারণত একাধিক বন্দুকধারী কয়েক রাউন্ড করে গুলি ছুঁড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘যারা হামলা চালাতেন তারা ও  তাদের কমান্ডাররা লক্ষ্যবস্তুতে থাকা জনতার কিছুসংখ্যক যেন মারা যায়, সে ব্যাপারে বিশেষ লক্ষ্য রাখতেন।’ এতে আরও বলা হয়, ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড আত্মরক্ষা বা অন্যদের প্রতিরক্ষা হিসেবে দেখানোর কোনো যুক্তি নেই। কারণ হতাহতরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলেন। তারা সম্পত্তি ভাঙচুর করছিলেন না বা দাঙ্গাকারীও ছিলেন না। তারা কোন হুমকিও ছিলেন না।’ ওএইচসিএইচআর জানায়, জুলাই মাসের বিক্ষোভের সময় বাংলাদেশে বিক্ষোভকারীদের ও অন্যান্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণের অংশ হিসেবে হত্যা, নির্যাতন, কারারুদ্ধতা ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ডের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধির অনুচ্ছেদ ৭ (১) অনুযায়ী, একটি বেসামরিক জনসংখ্যার বিরুদ্ধে পরিচালিত ব্যাপক বা পদ্ধতিগত আক্রমণই মানবতাবিরোধী অপরাধ।  এতে আরও বলা হয়, ‘যে কোনো বেসামরিক জনগণের ওপর পরিচালিত আক্রমণ’ বলতে এমন একটি আচরণের ধারা বোঝায়, যা একাধিক হত্যা, নির্যাতন বা অন্যান্য কর্মকাণ্ড যখন তা রাষ্ট্র বা সাংগঠনিক নীতি অনুসরণ করে এ ধরণের আক্রমণের জন্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং এটি রোম সংবিধির ধারা ৭ এর আওতায় নিষিদ্ধ। ওএইচসিএইচআর জানায়, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনের সময় নির্দিষ্ট কিছু বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে একের পর এক হত্যা, নির্যাতন, কারাদণ্ড ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছিল যা রোম সংবিধির ধারা ৭ এর আওতায় পড়ে।  এতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকালে নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সদস্যরা তাদের হেফাজতে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তিদের ওপরও নির্যাতন চালিয়েছে। ওএইচসিএইচআর দাবি করে বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণটি একটি সরকারি নীতি অনুসরণ করে পরিচালিত হয়েছিল বলে তাদের বিশ্বাস করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিক্ষোভকে সহিংস ও বেআইনিভাবে দমন করার এবং ক্ষমতায় থাকার উদ্দেশ্য আক্রমণটি সংগঠিত করেন ও নির্দেশনা দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা পরিষেবা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বও সেই নীতি অনুসরণে সংঘটিত অপরাধ গোপন করার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা চালায়, ইচ্ছাকৃতভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়, অন্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে এবং মিডিয়া, ভুক্তভোগী, ভুক্তভোগীর পরিবার ও আইনজীবীদের ভয় দেখায়।’

Read More »

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদগণ ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহতগণ ‘জুলাই যোদ্ধা’ সিন্ধান্ত গৃহীত

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া : ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খৃ. – জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদগণ ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহতগণ ‘জুলাই যোদ্ধা’ নামে অভিহিত হবেন। গত ৯ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আজ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।  এতে জানানো হয়, ৮৩৪ জন জুলাই শহীদের তালিকা গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। জুলাই শহীদ পরিবার এককালীন ৩০ লাখ টাকা পাবেন। এরমধ্যে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জুলাই, ২০২৫-এ জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা পাবেন। শহীদ পরিবারকে প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান করা হবে। শহীদ পরিবারের সক্ষম সদস্যগণ সরকারি ও আধা-সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবেন। জুলাই-২৪ এর যোদ্ধাগণ তিনটি মেডিক্যাল ক্যাটাগরি যথা- ক্যাটাগরি এ, ক্যাটাগরি বি এবং ক্যাটাগরি সি অনুযায়ী সুবিধাদি পাবেন। ক্যাটাগরি এ. (অতি-গুরুতর আহত): ক্যাটাগরি এ (অতি-গুরুতর আহত) ৪৯৩ জন জুলাই যোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়েছে। যাঁরা চিকিৎসার পরও শারীরিক অসামর্থ্যতার নিরিখে অন্যের সহায়তা ব্যতীত জীবন যাপনে অক্ষম। ক্যাটাগরি এ শ্রেণি নিম্নোক্ত প্রক্রিয়ায় আর্থিক অনুদান ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাবেন- তাদের এককালীন ৫ লাখ টাকা প্রদান করা হবে। ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে নগদ (ব্যাংক চেকের মাধ্যমে) ২ লাখ টাকা প্রদান করা হবে। ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে নগদ (ব্যাংক চেকের মাধ্যমে) ৩ লাখ টাকা প্রদান করা হবে। তাদের মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হবে। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আজীবন চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। এছাড়া উপযুক্ত মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে দেশি বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা পাবেন। কর্মসহায়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন সুবিধা পাবেন। তারা পরিচয়পত্র পাবেন এবং পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সুবিধাদি পাবেন। গুরুতর আহত ক্যাটাগরি বি’তে ৯০৮ জন জুলাই যোদ্ধা তালিকাভুক্ত, যারা পর্যাপ্ত চিকিৎসার পর শারীরিক অসামর্থ্যতার নিরিখে অন্যের আংশিক সহায়তায় জীবনযাপনে সক্ষম হবেন বলে প্রতীয়মান। গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাদের এককালীন ৩ লাখ টাকা প্রদান করা হবে। এরমধ্যে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে নগদ (ব্যাংক চেকের মাধ্যমে) ১ লাখ টাকা প্রদান করা হবে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে নগদ (ব্যাংক চেকের মাধ্যমে) ২ লাখ টাকা প্রদান করা হবে। তাদের মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হবে। কর্মসহায়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি অথবা আধা-সরকারি কর্মসংস্থান পাবেন। তারা পরিচয়পত্র পাবেন এবং পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধাদি পাবেন। আহত ক্যাটাগরি সি তে ১০ হাজার ৬৪৮ জন জুলাই যোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়েছেন, যারা চিকিৎসার পর বর্তমানে সুস্থ হয়েছেন। আহত জুলাই যোদ্ধারা নিম্নোক্ত প্রক্রিয়ায় আর্থিক অনুদান ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাবেন- তাদের এককালীন ১ লাখ টাকা প্রদান করা হবে, মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতা দেয়া হবে, পুনর্বাসন সুবিধা পাবেন, পরিচয়পত্র পাবেন এবং পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধাদি পাবেন।

Read More »

রংপুর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বৈষম্য আগামী বাজেটে কমানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এফসিএমএ বলেছেন, রংপুর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বৈষম্য আসন্ন ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেটে কমানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। গতকাল (২৭ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার দুপুরে আরডিআরএস এর বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে রংপুর চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়োজনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রংপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মোঃ আকবর আলীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর ( করনীতি) সদস্য একেএম বদিউল আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর (ভ্যাটনীতি) ড. মোঃ আবদুর রউফ, ঠাকুরগাঁও চেম্বারের সভাপতি আলহাজ্ব শরীফ হোসেন, গাইবান্ধা চেম্বারের পরিচালক আব্দুল লতীফ হক্কানী, লালমনিরহাট চেম্বারের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান বকুল, কুড়িগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া, রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বারের পরিচালক আলী আহমেদ চাঁন্দ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাওসার জামান বাবলা, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি মামুন ইসলাম, বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেশনারী মালিক সমিতি, রংপুর বিভাগীয় সভাপতি মোঃ রিয়াজ শহিদ শোভন, বৃহত্তর রংপুর জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আমিন উদ্দিন বিএসসি, আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি, সোনাহাট স্থল এর আহ্বায়ক মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শ্যামা, রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাতি মোঃ সালেকুজ্জামান সালেক, বেরোবির একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ এর সহযোগী অধ্যাপক ওমর ফারুক, রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম বারী রাজ, ও চেম্বারের সাধারণ সদস্য মোঃ রশিদুস সুলতান বাবলু। বক্তারা রংপুর চেম্বারের পক্ষ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে আমদানি শুল্ক, মূল্যসংযোজন কর, আয়কর ও অন্যান্য কর সম্পর্কিত বিষয়ে যেসব প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে তা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে আসন্ন বাজেটে অন্তর্ভূক্ত করে পিছিয়ে পড়া রংপুর অঞ্চলকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এফসিএমএ বলেন, এবারের বাজেটে জনগণের চাওয়া পাওয়ার প্রতিফলন ঘটবে । রংপুর অঞ্চল খুবই সমৃদ্ধ এখানে নূরল দীন, বেগম রোকেয়া ও আবু সাইদের মতো বীরের জন্ম। কোন অঞ্চলকেই বৈষম্যের বেড়াজালে পড়তে হবে না। সকল এলাকাকে ট্যাক্সের আওতায় আনা হবে। গত বছর ৪ লাখ ট্যাক্স রিটার্ণ ছিল এবার সাড়ে ১৪ লাখ ট্যাক্স রিটার্ণ অনলাইনে পেয়েছি। ভ্যাট কমানোর বিষয়টি কঠিন হলেও এ বিষয়ে কাজ করা হবে। ব্যবসায়ীদের সারচার্জ বিষয়েও এবার কাজ করা হ”েছ। সেরা করদাতা ও কর বাহাদুরসহ বিভিন্ন পুরস্কার প্রাপ্তদের সম্মান জানানোর বিষয়টি সরকারের বিভিন্ন বিভাগকে জানানো হবে। ভ্যাট রিটার্ণ প্রক্রিয়া আরো সহজীকরণ ও ট্যাক্স প্রদানের বিষয়টি আরো কাজ করা হবে। এছাড়া তিনি বলেন, ল্যান্ড রেজিষ্ট্রেশন বিষয়ে আমরা কাজ করছি। এটি সহজীকরণ করা হবে। রংপুরের উন্নয়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ করা হবে। ১৮ কোটি মানুষের চোখকে ৩৬ লাখ মানুষের চোখ বানাতে হবে। আয়কর ও ভ্যাট নেট আরো বাড়ানো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, ড. আবু নূর রাশেদ আহম্মেদ, কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুর, মোঃ আব্দুস সবুর খান, বিদায়ী কর কমিশনার, কর অঞ্চল, রংপুর, মোঃ মহিদুল ইসলাম, সদ্য যোগদানকৃত কর কমিশনার, কর অঞ্চল, রংপুর, বিভিন্ন সরকারি অফিসের উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, কর ও ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ, রংপুর চেম্বারের কর্মকর্তা ও পরিচালকবৃন্দ, সাবেক সভাপতি ও পরিচালকবৃন্দ, রংপুর বিভাগের সকল জেলা চেম্বারের নেতৃবৃন্দ, আমদানি-রপ্তানিকারকবৃন্দ, সিএন্ডএফ এজেন্টবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিবৃন্দ, সুধীজন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপ¯ি’ত ছিলেন।

Read More »

রংপুর জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর ইউনিয়নের (রেজিঃ নং-রাজঃ ৯২১) এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে নব-নির্বাচিত কমিটির সংবর্ধনা ও শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় নগরীর কলেজ রোড রংপুর জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গনে নব নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওয়াসিম বারী রাজ। শপথ গ্রহন করেন রংপুর জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নব নির্বাচিত কমিটির সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ, কার্যকরী সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম মানিক, সহ সভাপতি মোঃ বাবলু মিয়া, মোঃ নুরুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাদশা মিয়া, মোঃ আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মকবুলার রহমান আজাদ, অর্থ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান ফারুক, সড়ক সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন, মোঃ শাহরিয়ার কবির রাজ, মোঃ হামিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম খলিল, প্রচার সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ ভুট্টু, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক মোঃ জাহেদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান আনিছ, কার্যকরী সদস্য মোঃ সোনা মিয়া, মোঃ মাহাতাব আলী, মোঃ সহিদুল ইসলাম, মোঃ শফিকুল ইসলাম টিপু, মোঃ সহিদ মিয়া সাঈদ । এ সময় অনুষ্ঠনের বিশেষ অতিথি ছিলেন কারমাইকেল বিশ্বঃ কলেজের সাবেক ভিপি আলা উদ্দিন মিয়া, ডেইরী ফার্মাস এসোসিয়েশনের রংপুর জেলা ও বিভাগীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার লতিফুর রহমান মিলন, রংপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর মালিক সমিতির সভাপতি এসএ জোবায়ের হোসেন বুচ্চু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দেলনের রংপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমেদ, রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির কোষাধক্ষ মোঃ সাইদুর রহমান, বায়তুল আমান মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক, ২২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শাহ জালাল করিম বকুল, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ( সাবেক কাউন্সিলর) মোঃ মাহাবুবার রহমান মঞ্জু, সদস্য আলহাজ্ব আমির হোসেন, আলহাজ্ব আশিকুর রহমান, রবিউল ইসলাম, আফজাল হোসেন, রংপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর ইউনিয়ন অফিসের সিনিয়র সচিব মহি উদ্দিন চিশতি, সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম সনজু প্রমুখ।

Read More »

পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবেন বেরোবি শিক্ষার্থীরা

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ।বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে বেরোবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান। সৈয়দ আহমেদ মারুফ বলেন, পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহে বাংলাদেশের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রায় ৩০০ বৃত্তির ব্যবস্থা আছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ থাকছে। পাকিস্তানের হাইকমিশনার সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আরও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।এ সময় বেরোবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম উন্নত, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে পরিচালনার পাশাপাশি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়ন কার্যক্রমে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ ছাড়াও তিনি পাকিস্তানের সাথে যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ ও প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা, একাডেমিক কর্মশালা, সেমিনার আয়োজন ও শিক্ষামূলক বিনিময় কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন । মতবিনিময়কালে পাকিস্তান হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সিলর কামরান দঙ্গল এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক অ্যাটাসে জাইন আজিজ। বেরোবির কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শফিকুর রহমান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর কমলেশ চন্দ্র রায়, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এমদাদুল হক, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. ফেরদৌস রহমান, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর রশিদ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াছ প্রামানিক, প্রক্টর ফেরদৌস রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধি দলকে স্মারক উপহার প্রদান করেন। এর আগে পাকিস্তান হাইকমিশনারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলকে উত্তরবঙ্গের বিদ্যাপীঠ শহীদ আবু সাঈদের ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান বেরোবি উপাচার্য। তিনি অতিথিদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

Read More »

রংপুর জেলা ওলামা দলের কর্মী সমাবেশ ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল রংপুর জেলা শাখার কর্মী সমাবেশ কেন্দ্রীয় ওলামা দলের সিনিয়র সদস্য ও রংপুর বিভাগীয় টিম প্রধান মাওলানা কাজী মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।বৃহস্পতিবার ( ২৭ ফেব্রুয়ারী) রংপুর নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এতে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার শাহাদত ও ফজলুর রহমান বাদল। এসময় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ওলামা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ড. সৈয়দ খলিলুর রহমান, মাওলানা মিম খিজির আহমদ, মাওলানা ফজলুল করিম, মাওলানা মেজবাহ উদ্দিন মাসউদ, মাওলানা আশরাফ আলী, ওলামা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সদস্য ও রংপুর বিভাগীয় টিম প্রধান মাওলানা মোহা: ইনামুল হক মাজেদী, কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা জামাল উদ্দিন ফয়জি, মাওলানা কাজী মোখলেসুর রহমান। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত পাঠ করেন পীরগাছা উপজেলার ওলামা দলের নেতা মাওলানা মাইদুল ইসলাম, আরোও বক্তব্য রাখেন রংপুর জেলার সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মাওলানা হোসেন সোহরাওয়ার্দী, সদস্য সচিব মাওলানা আব্দুল মমিন জিহাদী, পীরগাছা উপজেলা সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম, রংপুর সদর উপজেলা সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, গংগাছড়া উপজেলা সাবেক সভাপতি মাওলানা আজিজুল ইসলাম, তারাগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কিবরিয়া, পীরগাছা উপজেলা সভাপতি মাওলানা মুফতি মোঃ নুরুন নবী মিঞাজী, মিঠাপুকুর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মাওলানা এরশাদুন্নবী , বদরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ ইমদাদুল হক, কাউনিয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালাউদ্দিন প্রমুখ। দ্বিতীয় পর্বে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে মাওলানা মোঃ ইনামুল হক মাজেদীকে আহবায়ক ও মাওলানা মুফতি নুরুন নবী মিঞাজীকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করে ওলামা দল রংপুর জেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়। পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল কেন্দ্রীয় প্রয়াত নেতৃবৃন্দ, রংপুর মহানগর শাখার সাবেক আহ্বায়ক মাওলানা আফজালুল হক নোমান ও মহানগর শাখার সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক,জেলার সাবেক সদস্য সচিব মাওলানা নুরুল আবছার দুলাল সহ মরহুম সকল নেতৃবৃন্দের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় রংপুর জেলা শাখার বিভিন্ন উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Read More »

রংপুরে যানজট কমাতে অনিবন্ধিত অটোরিকশা বন্ধের বিকল্প নেই

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর মহানগরীর যানজট কমাতে হলে অনিবন্ধিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের বিকল্প নেই বলে মতে দিয়েছেন এক গোলটেবিল আলোচনার বক্তারা। ‘রংপুর মহানগরীর যানজট নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এই মত দেন বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, জেলা প্রসাশন ও বিআরটিএ ও সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী, এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর একটি রেঁস্তোরায় এই গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে ও যুক্তরাজ্যের এফসিডিও’র সহযোগিতায় এই গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে রংপুরের মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম (এমএএফ)। আলোচনায় বক্তারা বলেন, রংপুরে নিবন্ধিত সংখ্যার চেয়ে প্রায় দশগুণ অটোরিকশা চলাচল করছে, যেগুলো যানজটের প্রধান কারণ। তাছাড়া, চালকদের ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে ন্যুনতম ধারণা নেই। ফুটপাতগুলো সব দখল করে বিভিন্ন দোকানপাট গড়ে উঠেছে, পথচারিরা হাঁটছেন মূল রাস্তা দিয়ে। সব মিলিয়ে শহরের ভিতরের রাস্তাগুলোতে একটা বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। অনিবন্ধিত অটোরিকশা চলাচল বাতিল করতে না পারলে যানজট নিরসন সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদী নগর পরিকল্পনা না থাকার কারনে যানজট বেড়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে আলোচনায় বক্তারা বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থাপনা ও সড়কগুলো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়া গড়ে উঠেছে। অসংখ্য বেসরকারী হাসপাতাল গড়ে উঠেছে যাদের কোনো নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা নেই। এছাড়াও, নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়ির স্টপেজ না থাকার কারণে যেখানে-সেখানে গাড়ি দাঁড়াচ্ছে। ফলে যানজট আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে। এসময় নগরীর রাস্তাগুলো পারাপারের জন্য জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবি জানান আলোচকরা। এসময় যানজট নিরসনে সবার দাবিগুলোকে আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন রংপুর সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, রংপুর সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগে কর্মকর্তারা। নতুন করে কোনো অটোরিকশার নিবন্ধন প্রদান করা হবে না জানিয়ে তারা বলেন, নিবন্ধনবিহীন অটোরিকশা চলাচল বাতিল করলে যানবাহনের মনিটরিং এবং চালকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা সহজ হবে। এছাড়াও, যানজট নিরসনে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা। বিআরটিএ সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) শফিকুল আলম সরকার বলেন, বৈধভাবে লাইসেন্স দেয়ার কথা বিআরটিএ’র কিন্তু লাইসেন্স দিচ্ছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন। অথচ এটা নিয়মের মধ্যে পরে না। যানজট সৃষ্টির মূল করণ অটোরিকশা। চালকদের কোনো প্রশিক্ষণ নেই, কোনো অভিজ্ঞতাও নেই। তারা জানে না কিভাবে অটোরিক্সা চালাতে হবে। আমার অটোরিক্সাগুলো রং করে বৈধ রিক্সাগুলো চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নিয়েছি। রংপুর এমএএফ’র ইয়ুথ ফেলো আল আমিন ইসলামের সঞ্চালনায় এসময় আলোচনা করেন, রংপুর সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক শফিকুল আলম সরকার, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী বিপ্লব বিশ্বাস, পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক কেরামত আলী এবং কারমাইকেল কলেজ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার আলী ইজাদ।

Read More »

রংপুরে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: রংপুর ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ খৃ. – বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ রংপুর জেলা শাখার সভাপতি শ্রী রাম জীবন কুন্ডুর সভাপতিত্বে গতকাল রংপুর নগরীর ধাপ হরিসভা মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি শ্রী অশোক মাধক রায়, সাধারণ সম্পাদক শ্রী সন্তোষ শর্মা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্যামল রায়, শ্রী গোপাল দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সাগর হালদার, সহ প্রচার সম্পাদক শ্রী অনয় মুখার্জি। উল্লেখ্য, প্রতিনিধি সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলাসহ রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

Read More »

রংপুরে শহীদ তাহির জামান প্রিয়’র হত্যার বিচার ও স্বীকৃতি চেয়ে বাবা মোস্তফা জামান পপির সংবাদ সম্মেলন

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম: শহীদ ফটো সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়’র হত্যার বিচার ও জন্মদাতা বাবার স্বীকৃতির দাবিতে শহীদ প্রিয়’র বাবা মোস্তফা জামান পপি সাংবাদ সম্মেলন করেন। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে নগরীর প্রেসক্লাব সংলগ্ন সুমি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শহীদ প্রীয়’র বাবা আবু হেনা মোস্তফা জামান পপি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি মোঃ আবু হেনা মোস্তফা জামান পপি রংপুর মহানগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের ডুয়ার্সলেন কামালকাছনা এলাকার বাসিন্দা। আমার ছেলে ফটো সাংবাদিক শাহীদ তাহির জামান প্রিয় জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে (১৯ জুলাই২০২৪) ইং তারিখে ঢাকায় আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। পরবর্তীতে আমার সাবেক স্ত্রী মোছাঃ সামসি আরা জামান কলি আমার ছেলের নাম ব্যবহার করে সরকারী-বেসরকারী দপ্তর হতে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছে। যা আইন বহির্ভূত। এ সময় তিনি আরও বলেন, আমার সাবেক স্ত্রী সামসি আরা জামান কলি বিগত ২০ বছর আগে আমাকে ও আমার ছোট্ট শিশু পিয়কে ছেড়ে দিয়ে সে অন্য পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং সেই ব্যাক্তির সাথে ঘরসংসার করে আসছে। এমতঅবস্থায় আমি অতি কষ্টে (ছোট্ট শিশু) আমার ছেলে তাহির জামান প্রিয়কে ছোট হতে লালন পালন করে বড় করছি। আমার ছেলেকে আমার আদর্শে মানুষ করেছি। কিন্তু আমার ছেলে শহীদ হওয়ার পর কিভাবে সেই সাবেক স্ত্রী আমার শহীদ ছেলের স্বত্বাধীকারীর অংশিদার হয়। তাই আমি বর্তমার অন্তর্বতীকালিন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, আমি পিতা হিসেবে আমার ছেলের স্বীকৃতি চাই এবং সরকারী ও বেসরকারী সকল দপ্তরে আমার ছেলের পাশে অভিভাবক হিসেবে আমার নাম চাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রিয়র চাচা আবুল কালাম সামসুদ্দিন রনি, চাচাতো ভাই রাফিফ, এলাকাবাসী আশফাক টিটু, শাহ আলম, সেলিম, মিল্টন প্রমূখ।

Read More »