জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
জমি সংক্রান্ত জের ধরে আপন চাচা শশুরদের হাতে সন্ত্রাসী কায়দায় অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছে এক গৃহবধূ। তিনি বর্তমানে আশংকা জনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী ও পরিবার সূত্রে জানাগেছে কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পায়রা ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে হারুন অর রশিদ তার আপন চাচা রফিকুল ইসলামের নিকট গত ২০২৩ সালের মার্চ মাসে জমি ক্রয় করেন ৯ শতক। তার কিছুদিন পর থেকেই জমি দাতা রফিকুল ইসলাম তার বিক্রয়কৃত সম্পত্তি বুঝায় না দিয়ে উল্টো জমি গৃহিতা হারুনের পরিবারের সাথে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত(৫ই জুন বুধবার) বিকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হারুন অর রশিদের স্ত্রী আশা পারভিন ও তার দেবর মামুন অর রশিদসহ তার স্ত্রী শাহানাজ বেগমের উপর জমি দাতা রফিকুল ইসলাম ও তার ভাই খায়রুল ইসলাম, এমদাদুল হক, জাহাঙ্গীর আলমসহ আরো অনেকে সন্ত্রাসী কায়দায় অতর্কিত হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হয় হারুনের স্ত্রী আশা পারভিন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নাগেশ্বরী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়।
আশা পারভিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।ভুক্তভোগী আশার স্বামী সেনা সদস্য হারুন অর রশিদ প্রতিবেদককে বলেন, জমি দাতা রফিকুল ইসলাম আমার আপন চাচা হয়, তার আর্থিক সমস্যার কারণে আমার নিকট দলিল মূলে জমি বিক্রয় করলেও সেই জমি বুঝায় দিতে টালবাহানা শুরু করে দেয়। এনিয়ে পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কমিশনার সজীব মিয়ার কার্যালয়ে কয়েক দফায় সালিশী বৈঠক করেও কোন প্রতিকার হয়নি।
এবিষয়ে কমিশনার সজীব প্রতিবেদককে বলেন,অত্র এলাকার মধ্যে তাদের পরিবার অনেক বড়। কিন্তু কারো সাথে কারো তেমন বনিবনা নাই। ফলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র অনেক সময় বড় ধরনের বিবাদ লাগে তাদের। তবে হারুন জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আছে তা সত্য।তবে তার চাচা জেঠোরা ক্রয়কৃত জমিটি মাপযোগ না করে দেয়ার জন্য এই সমস্যা। আমি বুধবারের ঘটনার কথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি। এ ঘটনায় নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রূপ কুমার সরকার প্রতিবেদককে বলেন, আমাকে মোবাইল ফোনে হারুন অর রশিদ বিষয়টি অবহিত করে। তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি কেউ। লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
















