সর্বশেষ
সর্বশেষ
  • সারাদেশ
  • রংপুরের গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গনরোধ জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি

রংপুরের গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গনরোধ জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি

জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:

রংপুরের গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নের ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনরোধ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট সংস্কার ও মুমূর্ষ রোগিদের পারাপারে স্পিড বোডের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ভুক্তভোগিরা। রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জেলা প্রশাসকের কাছে এই স্মারকলিপি দেন।

পরে তারা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছেও স্মারকলিপি দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ৭ নম্বর ইউপি মেম্বার শহিদুল ইসলাম, বাগডোহারা সততা কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো: আল আমিন, তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো: মোনেইম হোসেন, নোহালী হিজবুল ফুজুল সংঘের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ময়েন মিয়া, স্কুল শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাউন, আবুয়াল ইসলাম, কলেজ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মোক্তারুল ইসলাম, মারজান মিয়া, সমাজ সেবক মুকুল মিয়া, ব্যবসায়ি ইসমাইল হোসেন, কৃষক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বন্যায় ইউনিয়নটির ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা নষ্ট হয়ে চলাচলের অনুপোযোগি হয়ে পড়েছে। এতে গঙ্গাচড়া ও কালিগঞ্জ উপজেলার সাথে ওই এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। হাটবাজার করতে পারছে না। রোগী পারাপার করা যাচ্ছে না। স্মারকলিপিতে আরো বলা হয, চর বাগডোহারা, কাচারিপাড়া, ব্রিফ বাজারসহ স্বেচ্ছা শ্রমে নির্মিত চরনোহালী থেকে মিনারবাজার হয়ে কালিগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত বেড়ি বাঁধের দুইপাশে ভয়াবহ ভাঙন ধরেছে।

এসব ভাংগন রোধ করা না গেলে ওই তিনটি ওয়ার্ডে বসবাসরত প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসতবাড়ি, ভিটেমাটি ও জমি জমাসহ হাটবাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ভাঙগন রোধে পাউবো যে জিওব্যাগ ফেলছে তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই নগন্য। স্মারকলিপিতে বলা হয়, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধ, রাস্তাঘাট সংস্কার ও মুমূর্ষ রোগীদের জন্য স্পিড বোর্ড দেয়ার দাবি জানান এলাকাবাসি।স্মারকলিপি পাওয়ার কথা উল্লেখ করে রংপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মামুনুর রশিদ বলেন, ‘এলাকাবাসি এসেছিলেন।

তারা স্মারকলিপি দিয়েছেন। আমরা ওই এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রশাসক মহোদয়ের সাথে আলোচনা করেছি। আমরা যেটা চিন্তা করেছি যে একটা স্পিডবোট সেখানে দেয়া যায়। যেটা কিনা সম্পূর্ণভাবে জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাহলে অন্তত প্রসূতি মা, গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং পরীক্ষার্থী ছাত্রদের জন্য কাজে লাগবে। যাতে এই নদীর বিচ্ছিন্নতার কারণে হঠাৎ করে কোনো বিপর্যয়ে তারা পড়বে না।

তাদেরকে দ্রুত মেইনল্যান্ডে নিয়ে আসতে পারব এবং তাদের চিকিৎসা অথবা শিক্ষার ব্যবস্থাটা করা যাবে।’ স্মারকলিপি দেয়া প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ‘সেখানে সাম্প্রতিক তিস্তার পানি বৃদ্ধির ভাঙনের ফলে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ১২ কিলোমিটার রাস্তা ক্ষতিগস্ত্র হয়েছে। এরমধ্যে যেটা আমাদের কিছু এলজিইডির আইডিভুক্ত, আবার কিছু রাস্তা আছে আইডি ছাড়া। সেই রাস্তাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতোমধ্যেই আমাকে এলাকাবাসীর পক্ষে একটা স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আমি সেটা রিসিভ করেছি।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে এরই মধ্যে আমি অনুরোধ করেছি আইডিভুক্ত রাস্তাগুলি দ্রুত যাতে মেরামত করা হয়। কিছুক্ষণ আগেই মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী স্যারের সাথেও কথা হয়েছে যাতে আমরা চরাঞ্চলের যে রাস্তাঘাটগুলি যেটা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতায় মেরামতের সুযোগ রয়েছে আমাদের টিআরের মাধ্যমে সেই রাস্তাগুলির জন্য একটি স্পেশাল বরাদ্দের জন্য আমি স্যারকে অনুরোধ করেছি।’

Facebook
Twitter
Pinterest
Reddit
Skype
Email
LinkedIn

লিগ্যাল ভয়েস 24 নিউজ আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
Dhaka, Bangladesh
Thursday, 17th September, 2026
6th Rabi-Al-Thani, 1448
নামাজসময়
ফজর5:29 AM
সূর্যোদয়6:45 AM
যোহর12:53 PM
আসর4:20 PM
মাগরিব7:01 PM
ইশা8:17 PM