জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম আলমের নামে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০মে বৃহস্পতিবার দুপুরে ২৪ নং ওয়ার্ড কামাল কাছনা কাউন্সিলর অফিসে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির শিকার ভুক্তভোগীদের উপস্থিতিতে কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম আলম সাংবাদিকদের লিখিত
বক্তব্যে বলেন, গত ২৮ শে মে জাহিদ হাসান মিন্টু ও তার লোকজন চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর সময় তাঁতীপাড়া ইস্টার্ন হাউজিংয়ে আটক করে মারপিট করে স্থানীয়রা।
আমি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে নিজে উপস্থিত হয়ে তাকে মারধর থেকে পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করার ব্যবস্থা করি। কিন্তু পরবর্তিতে জাহিদ হাসান মিন্টু ও তার স্ত্রী আজিমা বেগম আমার বিরুদ্ধে রংপুরের কিছু প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিককে দিয়ে আমার নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে।
আমি মিন্টুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালাম কিন্তু সে উল্টো আমার নামে আজেবাজে তথ্য দিয়ে খবর প্রকাশ করে সমাজে আমাকে হেও করার পায়তারা করেছে যা যড়যন্ত্রমুলক উদ্দেশ্যে পরিলক্ষিত।
প্রকৃত পক্ষে ওই জাহিদ হাসান মিন্টু নগরীর গুপ্তপাড়া এলাকার একজন চাদাবাজ ও মাদকাসক্ত যুবক, তার নামে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচারে এই এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। ঘটনার দিন সে তার বাহিনী নিয়ে একটি হাউজিং প্রকল্পে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে আটক হয়। এরকম অনেক ঘটনার অভিযোগ রয়েছে মিন্টু বাহিনীর বিরুদ্ধে।
তিনি আরো বলেন,আমি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই এই ওয়ার্ড এর উন্নয়ন ও সন্ত্রাস, ছিনতাই, চাদাবাজ, মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছি। আর এই মহতী উদ্যোগের কারণে এই সন্ত্রাসী বাহিনীদের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছি। ফলে আমার নামে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই সন্ত্রাসী বাহিনীর সমাজ থেকে বিতাড়িত করতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এসময় সংবাদ সম্মেলনেউপস্থিত থেকে মিন্টুসহ তার বাহিনীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান সন্ত্রাসী বাহিনীর শিকার নিমাই বর্মন,রকি,সামাদ, মিজানসহ আরো অনেকে।
















