জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুর জেলায় প্রথম রাউন্ডে ৮ উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এজন্য সুপারভাইজার, স্বেচ্ছাসেবী, টিকাদান কেন্দ্র নির্ধারণ করাসহ প্রায় সকল প্রস্ততি সম্পন্ন করা হয়েছে। রবিবার (১০ই ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর সিভিল সার্জন মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিপুটি সিভিল সার্জন কর্মকর্তা ডা.রুহুল আমিন।
মঙ্গলবার (১২ই ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত টিকা কেন্দ্রসহ হাট-বাজার, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও রেলওয়ে স্টেশনের অস্থায়ী এবং ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে রংপুর জেলার সর্বমোট ১হাজার ৮ শত ৩২টি টিকা কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সংবাদ সম্মেলনে ডিপুটি সিভিল সার্জন ডা.রুহুল আমিন আরো বলেন, মঙ্গলবার রংপুরব্যাপী আয়োজিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে আট উপজেলায় ১হাজার ৮শত ৩২টি কেন্দ্রে ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫৮৫জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এবং এই টিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবেন ৩হাজার ৬শত ৩৪জন। এছাড়াও স্বাস্থ্য কর্মী ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মী কাজ করবেন আরো ১ হাজার ৬শত ১০জন। আট উপজেলায় ১ হাজার ৮ শত ৩২টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৩শত ৬২ জন সুপারভাইজার ও তিন হাজার ৬শত ৬৪ জন স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এছাড়াও বাদ পড়া শিশুদের জন্য অতিরিক্ত ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। যদি কোনো শিশু গত ৪ মাসের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে থাকে, তবে সেই শিশুকে আর খাওয়ানোর প্রয়োজন নেই বলে নিশ্চিত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অরবিন্দু কুমার,শামিমা সুলতানাসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
















