জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরের হাড়িপট্টি রোডের প্রবেশমুখে “মেসার্স খান এন্ড সন্স” নামের বেদখলে যাওয়া দোকানঘরটি পুর্ন উদ্ধার ও রাষ্ট্রের উদ্যোগে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। গতকাল ২৩শে জুলাই রবিবার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল রংপুর মিডিয়া পয়েন্টে সংবাদ সম্মেলনে বিক্তব্য রাখেন নগরীর ২০নং ওয়ার্ডের গোমস্তপাড়ার বাসিন্দা মরহুম তোফাজ্জল হোসেন খানের ছেলে মোঃ হুমায়ুন কবির খান । তিনি বলেন,আমি দীর্ঘ ৮০ বছর ধরে রংপুর শহরের হাড়িপট্টি লিংক রোডের প্রবেশমুখে ‘মেসার্স খান এন্ড সন্স’ নামক দোকানঘরটি নিষ্ঠার সহিত আমার প্রয়াত বাবাসহ পরিচালনা করে আসছি।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে সকাল ১০টায় আকস্মিকভাবে বিনা নোটিশে পুলিশ স্কট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কোর্টের নাজিরসহ আমার প্রতিষ্ঠানে এসে “দোকানঘরটি তখনই ছেড়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ করেন, আমি আদালতের অর্ডারের কাগজ দেখতে চাইলে তারা আমাকে কোনো কাগজ দেখায় নাই। সেসময় তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে আমাকে ধাক্কা মেরে দোকান থেকে বের করে দেয় এবং আমার সাথে অমানবিক আচরণ করে। আমি এই অবস্থায় বাধ্য হয়ে ওখান থেকে চলে যাই। পরে আমার মালামাল কাগজ তারা বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। আমার দোকানে অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র এবং নগদ টাকা ছিল যা আমি পাইনি। দোকানের ডেকোরেশন করা র্যাক ভাংচুর করে আমার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। পরে দোকানঘরটি টিন দিয়ে ঘিরে লাল পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছে। দোকানঘরটি সিল গালা করে রেখেছে।
তিনি আরো বলেন,উক্ত ঘটনার পর আমি রংপুর সদর কোর্ট থেকে মামলার জাবেদা নকল তুলি এবং পরে উকিলকে দেখাই। উকিল দেখে আমাকে বলেন, “মহামান্য হাইকোর্টে আপনি আপোষ-মিমাংসা করেছেন, তাই আপনার স্ট্রে অডার গত ২৩/০৬/২০২২ইং তারিখে ভ্যাকেট হয়েগেছে একথা শুনে আমি হতবাক হয়ে যাই। কারণ, আমি তো কোনো আপোষ করি নাই। আমার উকিল মোজাম্মেল হক, ও বিবাদী পক্ষের উকিল মোঃ হায়দার আলী যোগসাজশ করে মিথ্যা মিমাংসার আপোষনামা তৈরি করে পরিকল্পিত ভাবে আদালতে জমা দেয়। এরই ফলশ্রুতিতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে আমার ৮০ বছরের পরিচালনা করে আসা পুরাতন দোকানঘরটি কেড়ে নেয়।
এছাড়াও হাইকোর্ট সিভিল ডিভিশন মোকদ্দমাটি ডিসচার্জ করে রুল ভ্যাকেট করায়,মামলাটি পরিচালনায় কোনো বাধা নাই। আমাদের প্রতিপক্ষ বাদি ২৬/০২/২০২৩ইং তারিখে এক দখলি পরোয়ানার মাধ্যমে পুলিশ স্কট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে ‘মেসার্স খান এন্ড সঙ্গ’ নামক পুরাতন দোকানঘরটি আমার বেদখলে নিয়েছেন যা পরিকল্পিত পরিলক্ষিত ষড়যন্ত্র। তাই সুপ্রীমকোর্ট এ্যাপিলেড ডিভিশনের চেম্বারের জজ সাহেবের কাছে আবেদন জানান, এবং মহামান্য হাইকোর্টের অর্ডারটি ও রংপুর সদর কোর্ট, রংপুর রায়টির কাগজপত্র দেখে পর্যালোচনা করে। ন্যায় বিচারের দাবি জানান।
















