জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
২৭মে ২০১২ সালের পূর্বে প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ বাজেটে অঙ্কনভুক্তিসহ ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃতি টিফিনের দাবীতে রংপুরে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন অনুুষ্ঠিত ।
গতকাল রবিবার বেলা ২টায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের মানববন্ধনের বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মামুনুর রশিদ খোকন, কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সুমন কুমার চাকী, শিক্ষক হাসিবুল, সুমন, বুলবুল, রায়হান, এনামুল, তাহের, রফিকুল, রাবু, বক্কর, লিটু, ইব্রাহিম, জ্যোতিষ, বাসন্তি, বেলাল, রবিন, নওশাদ, নাসরিন, রুপসী বেগম, প্রমুখ।
বক্তরা বলেন, বাংলাদেশ বেসরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনার মধ্যে জাতীয়করণ থেকে বাদপড়া বিদ্যালয় সমুহ জাতীয়করণ বাজেটে সভরপুজিপথ ছাত্র- ছাত্রীদের উপবৃত্তি টিফিনের দাবীতে আজকের এই মানবপ্রানে এতে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে হাজার হাজার বেসরকারি আলামত বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ অংশগ্রহন করেন। শিক্ষকরা বলেন শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। আর সেই শিক্ষাদান করে থাকেন প্রাথমিক শিক্ষকেরা।
অধিকার আদায়ে তারা সারা বছর রাজপথে আন্দোলন করে থাকেন, আ একটি দেশের জন্য কামা নয়। গত বছরের ৪-০৩-২০২৩ থেকে ২০-০৪-২০২৩ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭দিন জাতীয়করণের দাবীতে রাজপথে আন্দোলন করেন। শিক্ষকদের দাবি ৯ জানুয়ারি ২০১৩ সনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২৬,১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে জাতির পিতার মত আরও একটি ইতিহাস রচনা করেন কিন্তু অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় যে, জাতীয়করণ কালীন ২৬,১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান করা হয়েছিল তার সংখ্যা যথাযথ না হওয়ায় জাতীয়করণ যোগ্য আরও কিছু সংখ্যক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকগণ জাতীয়করণ হতে বাদপড়া হয়।
৩য় ধাপের বিদ্যালয়সমূহ জাতীয়করণের ক্ষেত্রে ২৭মে ২০১২ সনের পূর্বে প্রতিষ্ঠিত ও পাঠদানের অনুমতির জনা আবেদনকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে। একই সম-পরিমান যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন কিছু কর্মকর্তা কর্মস্থলে না থাকায়, সকল শর্ত পূরণ করার পরেও ৪১৫৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এই বিদ্যালয়গুলোঃ মধ্যে থেকে ২০১২ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীসহ ১৩০০ বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য উপজেলা ও জেলা যাচাই বাচাই করা হয়েছে। যা মন্ত্রণালয় সংরক্ষণ করা আছে। জাতীয়করণ কালীন সময়ে পাঠদানের অনুমতি ও রেজিট্রেশন এর কার্যক্রম স্থগিত রাখায় আমরা বেতন-ভাতা সুবিধা ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপবৃত্তি টিফিন থেকে বাদপড়া।
চলতি সংসদ অধিবেশনে ১৫-০২-২০২৪খ্রিঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম রুমানা আলী সদসদে বলেন ৫১ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আপাতত জাতীয়করনের সুযোগ নাই। মূলত আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করবো যে, ৪১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বাদপড়া। বাকি ৪৭ হাজার কেজি, নার্সারী- প্রি-ক্যাডেটসহ এনজিও পরিচালিক স্কুল তারা ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে বেতনভাতার মাধ্যমে পরিচালনা করে থাকে। শিক্ষকদের দাবি ৪১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিনামূল্যে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান পরিচালনা করে আসছে। এই বিদ্যালয়গুলোর জায়গা জমি খাজনা খারিজ সরকারের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে।
















