জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরে আলু বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে কোল্ডস্টোরেজের উপদেষ্টা ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার বিকেলে সিটি প্রেসক্লাবে আলু বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগি নগরীর মাহিগঞ্জ মেকুরা জুম্মাপাড়ার মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র মোঃ ফরহাদ হোসেন। এসময় তার স্ত্রী মোছাঃ খাইরুন নাহার উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এই মৌসুমে সুপ্রীম সীড কোল্ড ষ্টোরেজে আমি ১৯২ বস্তা আলু রাখি।
বাজার স্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে সরকার আলু প্রতি কেজি মুল্য ২৭ টাকা বিক্রয় মুল্যে বিক্রয়ের আহবান জানালে আমি সরকারের আহবানে সাড়া দিয়ে কোল্ড স্টোরেজে আলু উত্তোলন করতে গেলে কোল্ড স্টোরেজের উপদেষ্টা খাজা আহম্মেদ ও ম্যানেজার ফিরোজ আহমেদ আলু উত্তোলনে বাধা দেয়। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উপ পরিচালকের দপ্তরে আলু উত্তোলনের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করি। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫ অক্টোবর ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উপ পরিচালকের নেতৃত্বে একটি দল সুপ্রীম সীড কোল্ড স্টোরেজে উপস্থিত হয়।
এসময় স্থানীয় ৩৩ নং ওয়ার্ডের রসিক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এসময় স্থানীয় তছলিম উদ্দিন ঘটনাস্থলে ১৫ থেকে ২০ টি মোটরসাইকেলে করে অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গাহাঙ্গামা করায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উপপরিচালকের নেতৃত্বে দলটি স্থান ত্যাগ করে। পরে আমাকে এলোপাতারি মারপিট করে। মারপিট শেষে ৪ টি ১০০ টাকা মুল্যের ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সাক্ষর করতে বলে এবং আলু রাখার মুল রশীদ তিনটি ছিনিয়ে নেন।
পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে একটু সুস্থ্যতাবোধ করলে গত ৯ অক্টোবর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিলে বাড়িতে চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নেই। পরে জানা যায়, সুপ্রীম সীড কোল্ড স্টোরেজের উপদেষ্টা খাজা আহম্মেদ ও ম্যানেজার ফিরোজ আহমেদ এবং তছলিম উদ্দিন তিনজনে যোগসাজসে আমার আলু বিক্রি করে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। বিষয়টি জানিয়ে রংপুর আদালতে মামলা দায়ের করি। বর্তমানে মামলা দায়েরের পর পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগীরা।
















