সর্বশেষ
সর্বশেষ
  • স্বাস্থ্য
  • দেশের সব নাগরিকের জন্য শিগগিরই আলাদা হেলথ আইডি চালু হবে : স্বাস্থ্য মহাপরিচালক

দেশের সব নাগরিকের জন্য শিগগিরই আলাদা হেলথ আইডি চালু হবে : স্বাস্থ্য মহাপরিচালক

সিনিয়র রিপোর্টার / দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর :

ঢাকা, দেশের সব নাগরিকের জন্য শিগগিরই আলাদা হেলথ আইডি চালু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর। মিশরের নতুন প্রশাসনিক রাজধানী নিউ কায়রোতে প্রথম ডি-৮ স্বাস্থ্যমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে এ কথা বলেনি তিনি।

উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলাতেও বাংলাদেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে‌ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্য শিগগিরই ইউনিক হেলথ আইডি চালু করা হবে।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আরও স্থিতিস্থাপক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গঠনে কাজ করছে। সাম্প্রতিক যৌথ বাহ্যিক মূল্যায়ন (জেইই) শেষে চলছে নতুন পাঁচ বছরের জাতীয় স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।

তিনি জানান, আলমা-আতা (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও ও ইউনিসেফের আন্তর্জাতিক ঘোষণা) ঘোষণার অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অনেক আগেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার কেন্দ্রে স্থান দিয়েছে।

বর্তমানে দেশের ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক জনসাধারণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে মাতৃমৃত্যু ৭০ শতাংশ ও শিশুমৃত্যু ৬০ শতাংশ কমে এসেছে এবং গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ বছর, যা সীমিত সম্পদের একটি দেশের জন্য বিশ্বমানের অর্জন।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি বর্তমানে ৯৫ শতাংশের বেশি কভারেজ ধরে রেখেছে, যা বৈশ্বিকভাবে সবচেয়ে সফল মডেলগুলোর একটি। এ ছাড়া দেশজুড়ে ৪০০টির বেশি এনসিডি কর্নার স্থাপন এবং ৩৫টি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে অ-সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বড় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

কমিউনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা অন্তর্ভুক্ত করা এবং টেলিহেলথ সেবা সম্প্রসারণকেও বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর জানান, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে দেশের ৯৮ শতাংশ চাহিদা পূরণ করছে এবং ১৬০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যবাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

ডি-৮ সদস্যদের জন্য বাংলাদেশের চারটি যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব করেন‌ অধ্যাপক জাফর। এগুলো হলো—যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ভ্যাকসিন-ওষুধ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডি-৮ ফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স; ডিজিটাল স্বাস্থ্য উদ্ভাবন ও তথ্যভিত্তিক রূপান্তরে যৌথ অগ্রযাত্রার জন্য ডি-৮ ডিজিটাল হেলথ কোলাবোর‍্যাটিভ; জলবায়ু অভিযোজন, জরুরি প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে জয়েন্ট ইনিশিয়েটিভ অন হেলথ সিস্টেম রেজিলিয়েন্স এবং রোহিঙ্গা সংকটে যৌথ সহায়তা।

বাংলাদেশ জানায়, মানবিক বিবেচনায় তারা এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গাকে পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে, যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ডি-৮ সদস্যদের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানানো হয়।

অধ্যাপক জাফর বলেন, কায়রোর এই বৈঠক হোক ডি-৮ সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য সহযোগিতার নতুন যুগের সূচনা। জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও ন্যায্য, স্থিতিস্থাপক ও টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি।

Facebook
Twitter
Pinterest
Reddit
Skype
Email
LinkedIn

লিগ্যাল ভয়েস 24 নিউজ আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
Dhaka, Bangladesh
Friday, 18th September, 2026
7th Rabi-Al-Thani, 1448
নামাজসময়
ফজর5:30 AM
সূর্যোদয়6:46 AM
যোহর12:53 PM
আসর4:19 PM
মাগরিব6:59 PM
ইশা8:15 PM