জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুর জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের ক্ষতিগ্রস্ত ৬৪টি পরিবারের মাঝে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুর করা ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এ সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান। এতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খৃষ্টফার হিমেল রিছিল, বিআরটিএ রংপুর সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. শফিকুল আলম সরকার এবং মোটরযান পরিদর্শক মো. মাহবুবার রহমান। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নিহত বা আহত হলে পুরো পরিবার আর্থিক ও সামাজিক সংকটের মধ্যে পড়ে।
সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আর্থিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সংকট কিছুটা হলেও লাঘব করবে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খৃষ্টফার হিমেল রিছিল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে দেওয়া এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে। ভবিষ্যতেও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।বিআরটিএ রংপুর সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. শফিকুল আলম সরকার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে সহায়তার অর্থ পৌঁছে দিতে বিআরটিএ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।বিআরটিএর মোটরযান পরিদর্শক মো. মাহবুবার রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের আবেদন যাচাই-বাছাইসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
এ সহায়তা দুর্ঘটনাকবলিত পরিবারের সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।সংশ্লিষ্টরা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা লাঘব এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবেই এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
















