জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক ছাত্রিকে ৬ বছর ধরে ভোগ করার পর প্রেমিক লাপাত্তা বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ৪দিন ধরে অনশন করছে ভুক্তভোগী কলেজ পড়–য়া এক শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুর নগরীর ১৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ী ডারারপার গ্রামে। সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে বড়বাড়ী ডারারপার গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ সাব্বির হোসেন শাকিল কয়েক বছর ধরে মরিচটারি এলাকার মোঃ আব্দুল করিম মিয়ার কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী মোছাঃ পলি আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সম্প্রতি সময়ে মেয়ের পরিবার তার অন্য জায়গায় বিয়ে ঠিক করার প্রস্ততি কালে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পলি আক্তা র প্রেমিক শাকিলের বাড়িত গিয়ে উঠে । এ ঘটনা শুনেই শাকিলের পরিবার বিচলিত হয়ে তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। ৪ দিন ধরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী পলি শাকিলের বাড়ির গেটের সামনে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছেন। এঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যকর অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা বলছেন, যে ছেলের সাথে তার সম্পর্ক সেই ছেলে ব্যতিরেখে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না। তবে ছেলের অভিভাবকদের উচিত তাকে হাজির করা। ভুক্তভোগী পেমিকা পলি আক্তার প্রতিবেদককে বলেন, শাকিল আমাকে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত গৃহশিক্ষক হিসাবে লেখাপড়া করান।
সেই সময়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, সেই থেকেই অন্তরঙ্গ ভাবে মেলামেশা করি। কয়েক মাস পূর্বে একটি এনজিও তে তার চাকরি হলে সে দিনাজপুরে চলে যায়। এমতঅবস্থায় আমার পরিবার অনত্রে বিয়ে ঠিক করেন । বিষয়টি শাকিলের সাথে শেয়ার করার পর থেকেই সে মোবাইল বন্ধ করে রাখে। আমি উপায় অন্ত না পেয়ে শাকিলের বাড়িতে উঠতে বাধ্য হই ।
শাকিলের মা প্রতিবেদককে বলেন, আমার জানা মতে শাকিল কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে কখনোই শুনিনি। এখন আমার ছেলে শাকিল না আসা পর্যন্ত কিছুই বলতে পারবো না। এদিকে এ ঘটনার খবর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়লেও এলকাবাসী দ্বায় এড়িয়ে চলছে বলে জানাগেছে। তবে স্থানীয় ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মমদেল সরকার প্রতবেদককে বলেন, এঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিকবার উভয় পরিবারসহ পলি আক্তারের সাথে কথা বলেছি এখনো সমঝোতার চেষ্টা চলমান রয়েছে।














