জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরে বরাদ্দ অক্ষণ্ন রাখার পাশাপাশি বিভাগের সুযোগ- সুবিধা নিশ্চিৎ করাতে ১৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে রংপুরে সম্মিলিত ছাত্র -জনাতার প্লার্টফর্ম এর আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (৩০ এপ্রিল) বুধবার বেলা ৩টায় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত ছাত্র -জনাতার প্লার্টফর্ম রংপুর এর সভাপতি সামি ইবনে অম্বর, সাধারণ সম্পাদক আয়ন, সহ সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক, মুখপাত্র মোঃ আহসার হাবিব তুহিন, নাসিম, চপল, চান্দু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বিগত পাকিস্থান পালন আমল থেকে ২০২৪ গণ আন্দোলনের পরবর্তী কাল পর্যন্ত রংপুর বিভাগীয় সদর তথা এই মহানগরীর উল্লেখযোগ্য তেমন কোন উন্নয়ন সাধিত হয় নাই। ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ এর ছাত্র আন্দোলন একই সুত্রে গাঁথা যার মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ছিল সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ। ব্রিটিশ আমল থেকে ২০২৪ ছাত্র-জনতার বিপ্লবে কোথায় নেই রংপুর? প্রতিটি বৈষম্যের যুদ্ধে রংপুরভো সর্বাগ্রে।
তাহলে এই কঞ্চনা কেন? মনে রাখতে হবে বঞ্চনা থেকেই বিদ্রোহের জন্ম হয়। আমরা রংপুর মহানগরীর সাধারণ ছাত্র-জনতা তথ্য রংপুরবাসী আশায় বুক বেঁধেছিলাম যেধ দীর্ঘদিনের বৈষম্য এইবার দুরীভূত হবে অথচ আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করলাম যে চীন সরকারের রংপুর সদর উপজেলায় প্রস্তাবিত ১০০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণে টালবাহানা চলমান। আমরা আরও লক্ষ্য করলাম যে বিভিন্ন অযৌক্তিক অজুহাতে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি জেলা সদর থেকে সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। যা ২৪ পরবর্তী রংপুর নগরীর সাধারণ ছাত্র জনতা কখনোই মেনে নিবে না।
ইতিহাসে নজির নেই যে, অন্য স্থানের বরাদ্দ রংপুরে নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু রংপুরের বরাদ্দ বারংবার কেড়ে নেওয়া হয়েছে তার অহরাহ প্রমাণ দৃশ্যমান। বৈষম্যের বিরুদ্ধে আবু সাঈদের আত্মবিসর্জন আমরা কিন্তু ভুলিনি। এই সামগ্রিক বৈষম্যের প্রতিকারে আমরা সরকারের ফয়সালা চাই। তাই আমাদের দাবি ১৮ দফা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া সম্মিলিত ছাত্র -জনাতার প্লার্টফর্ম এর উদ্যোগে ন্যায় সঙ্গত ১৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি পাঠানো হয় ।
















