জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরের বাজারে কমছে না পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা। এছাড়া সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে টমেটো, শসা, বাঁধাকপি ও ফুলকপির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ সবজি রবিবার (১৮ নভেম্বর) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। রংপুরে পেঁয়াজের কেজি ১২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৫০ সিটি বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা বকুল মিয়া বলেন, বাজারে পাতা পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে।
কেজি ৫৫-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে পাতা পেঁয়াজ। তবে সরবরাহ কম। আর দুই সপ্তাহের মধ্যে পাতা পেঁয়াজের আমদানি বাড়বে। এছাড়া মুড়িকাটা পেঁয়াজ মাসখানেকের মধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করবে। ফলে এখন যে পেঁয়াজের বাজার দর তা আর থাকবে না। তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজের এখন মৌসুম শেষ দিকে। এ কারণে দাম বেড়েছে। এছাড়া ভারত বা অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে না। তবে আমদানি ছাড়াই এবার দেশি পেঁয়াজ দিয়েই চাহিদা পূরণ হয়েছে। এটা অত্যন্ত সুখবর। সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে টমেটোর দাম ১১০-১৩০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকা, গাজর গত সপ্তাহের মতোই ১৮০-২০০ টাকা, কাঁকরোল ৭০-৮০ টাকা,
ঝিংগা ৪০-৫০ টাকা, মুলা ৩৫-৪০ টাকা, ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০-৬০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২০-২৫ টাকা, দুদকুষি ৩৫-৪০ টাকা, চিকন বেগুন ৪০-৫০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০-০ টাকা, পটল ৩৫-৪০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, শিম ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ২০-২৫ টাকা, শসা ৩০-৪০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৫০-৬০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, লাউয়ের দাম কমে (আকারভেদে) ৪০-৬০ টাকা, কচুরলতি ৫০-৬০ টাকা, কচুর ৩০-৪০ টাকা, লেবুর হালি ১৫-২০ টাকা, ধনেপাতা ৮০-১০০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৪০-১৫০ টাকা টাকা, আমদানি করা আদা ১৪০-১৬০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতোই ১০০-১২০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১৮০-২০০ টাকা, শুকনা মরিচ আগের মতো ৩৫০-৪০০ টাকা এবং প্রকারভেদে শাকের আঁটি ১৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
















