জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরে পৃথক দুটি অভিযানে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী মেরিল সুমন ও ব্লাক রুবেলসহ তাদের সহযোগী ৩ জনকে দেশীয় অস্ত্র পাইপগান ও রিভলবারসহ গ্রেফতার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। বুধবার দুপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হল রুমে সংবাদ সম্মেলনে তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন, উৎপল কুমার রায়। সাংবাদিকদের লিখিত বক্তব্যে জানান, মঙ্গলবার গভীররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালিকাভূক্ত একাধিক মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজিব হোসেন সুমন @ মেরিল সুমন (২৮) ও তার গ্রুপের ১০/১২ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী কোন অজ্ঞাত এলাকায় ডাকাতির জন্য সশস্ত্র হয়ে একত্রিত হয়েছে।
এই সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজার রহমানের নেতৃতে ১২ জনের একটি চৌকস পুলিশ দল কোতয়ালী থানাধীন ২৪নং ওয়ার্ডস্থ কামাল কাছনা তাঁতীপাড়া ইস্টার্ন হাউজিং সংলগ্ন এলাকায় তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ১৫ টির অধিক মামলার আসামী রাজিব হোসেন সুমন উরফে মেরিল সুমনকে আহত অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার দেহ তল্লাশী করে ১ টি লোহার তৈরী পুরাতন পিস্তল ও ১৬ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
এবং তার সঙ্গে থাকা সন্ত্রাসী বিল্লাহ(২৭) আব্দুল মমিন (৪২) জুনায়েদ হোসেন অনিক (২৫) এবং সাজ্জাদ হোসেন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। সেই ঘটনাস্থলের আশপাশে তল্লাশী করে ১ টি লোহ রড, ২ টি ষ্টিলের পাইপ, ২ টি চাপাতি ও ৩টি বাশেঁর লাঠিসহ ২ টি জুতা এবং লায়’লনের রশি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এবং অপরদিকে একই রাতে মেট্রোপলিটন পুলিশের পরশুরাম থানায় প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি পেশাদার ডাকাত দলকে কোবারু মৌজাস্থ মামা- ভাগিনার মোড়ে একটি সাদা রঙ্গের প্রাইভেটকার তল্লাশী করে তালিকভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নওশাদ হোসেন রুবেল উরফে ব্লাক রুবেলকে একটি দেশীয় তৈরী পাইপগান একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি দেশীয় ছোড়াসহ ৮ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পরশুরাম থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলামসহ তার নেতৃত্বে চৌকশ একটি পুলিশ দল এবং ওই প্রাইভেট কারে তার সাথে থাকা অপর আসামি ফিরোজ হোসেন,শহিদুল ইসলাম,মোতাসিম বিল্লাহ লিয়নকে আটক করা হয়।
এবং গাড়ী তল্লাশি করে আরো ২টি দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্রাইভেট কারের পিছনে থাকা আরো ০৩ টি মোটর সাইকেলযোগে আসামী আলম মিয়া ও রঞ্জু মিয়াসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন পালিয়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা ও জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা রুখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে
















