জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুরে পান্ডার দীঘি শিরিন পার্কের পিছনে কেশুরবাড়ির দোলা নিয়ামত এলাকায় ভুক্তভোগী পরিবার ও থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ১ একর ৩৩ শতক যার খতিয়ান নং-১৩০, জেএল নং-৫১, দাগ নং-৪২৯ জমির পরিমান-৭৪ শতক সি,এস ও এস,এ খতিয়ানের মালিক আব্দুল ওহাব। তাহার মৃত্যুর পর দুই পুত্র তিন কন্যার মধ্যে মৃত আবুল হোসেন, মৃত আমিনা বেগম,মৃত আনোয়ারা বেগম, রাহিলা বেগম ও আফজাল হোসেন ।
এমতাবস্থায় তাহার জমিজমা যে যার মত ভোগ করে আসছে। আব্দুল ওহাব এর ওয়ারিশ গনেরা যখন জমিজমা ভাগবন্টন করতে যায় তখন দেখে জমির পরিমান কম, আরএস খতিয়ানে জমি নাই। তফশীলে বর্নিত ৭৪ শতক জমির মধ্যে ৫০ শতক আব্দুল ওহাব পিতা মৃত খোকা মিয়াজি এবং ২৪ শতক রেজাউল করিম পিতা মৃত আকবর হোসেন সাং ধাপ হাজীপাড়া থানা কোতয়ালী, মহানগর, রংপুর ভোগ করে। আব্দুল ওহাব মৃত্যু কালে তাহার জমিজমার সকল কাগজ ও খাজনাদী সম্পন্ন করেন।
তাহা দেখে রেজাউল করিমের নিকটে গিয়ে রেকর্ড সংশোধনীয় নোটিশ বলে কোটের লোক জিজ্ঞাসা করলে সে সম্পুর্ন অস্বীকার যায় এবং সে জানায় তার নিকট কোন কাগজপত্র নাই। জমি বিক্রয় করার সময় সে ক্রেতার কাছে সবকিছু দিয়াছে। অতঃপর আমরা সেটেলমেন্ট ও ভূমি অফিস হইতে জমির দলিল ও বিভিন্ন কাগজপত্র সংগ্রহ করি। এতে রেজাউল করিমের দলিল, পর্চা ও খতিয়ান সংগ্রহ করি। সেই দলিলে আছে ১২৯ খতিয়ান দিয়ে রেজাউল করিম আমাদের জমি ১৯৯১ সালে জনৈক মৃত আব্দুল মজিদের নিকট বিক্রয় করিয়াছে।
তারপর ১২৯ খতিয়ান এস এ সেটেলমেন্ট অফিস থেকে উঠানোর পর দেখি ১২৯ খতিয়ানটি আব্দুর রহমানের নামে, রেজাউল করিমের নামে নয়। তাহা দেখে আমরা বুঝতে পারি যে, বিবাদী রেজাউল করিম ভূয়া, জাল ও বানোয়াট কাগজপত্র দিয়া আব্দুল ওহাবের ১৩০ খতিয়ানের ৪২৯ দাগের ৭৪ শতকের মধ্যে ২৪ শতক নিজ নামে আর এস রেকর্ড ভুক্ত করেন। আমাদের সর্বশেষ খাজনার রশিদের তারিখ ০৮/০৫/১৯৯০ ইং। রেকর্ড সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করি যাহার নং- অন্য-০৯/২৫।
বর্তমানে উক্ত জমি অপর বিবাদী মোখলেছুর রহমান, পিতা-মৃত মজিবুর রহমান, সাং-ধাপ সর্দার পাড়া, কোতয়ালী,মহানগর, রংপুর কে পরশুরাম থানাধীন নিয়ামত পান্ডারদিঘী মৌজাস্থ কামাল এর ঔষধের দোকানে সামনে দেখা হলে বলি যে আপনি আমাদের জমি অন্যায়ভাবে ভোগ করছেন। আমি ও আমার অন্যান্য ওয়ারীশগণ সহ ১১/০২/২০২০ ইং সন্ধ্যা ৭ টা ত্রিশ মিনিটে বিবাদী মোখলেছুর রহমানকে জিজ্ঞেস করি তিনি কি মূলে আমাদের তফশীল বর্ণিত জমি ভোগ করছেন তার কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা বসার সিদ্ধান্ত নেয় এবং গত ১৫/০২/২০২৫ ইং তারিখে উভয় পক্ষ সিরিন পার্কের ভিতরে বসি, আমরা আমাদের কাগজ দেখাই বিবাদি মোকলেছুর রহমান এর কাগজ দেখতে চাইলে তিনি রেজাউল করিমের তিনটা দলিল দেখায়,আবদুল ওহাবের দলিল নং- ১২৭৪৩, ভলিউম নং- ১৬৮ পেজ নং ১১৯- ১২২, এই সম্পুর্ন বিষয় গুলো আমাদের সন্দেহ হলে আমরা রেজিষ্টার অফিসে খোজ খবর নিয়ে দেখি এই নামে দলিল আছে কিন্তু অন্য নামে।
বিবাদী কাগজপত্র দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করে আমাদেরকে আদালতে যাইতে বলে। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি হুমকী দিয়া তাড়িয়ে দেয়। এরই প্রেক্ষিতে আমরা ওয়ারিশগণ গত ১৮/০২/২০২৫ ইং তারিখে এলাকা বাসিকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধভাবে দখলকৃত জমি উদ্ধার করি।
জমি জমা এবং হুমকি ধামকি সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষথেকে নুরুজ্জামান হোসেন বাদি হয়ে গত ১১/০২/২০২৫ ইং তারিখে পরশুরাম থানায় একটি অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে পরশুরাম থানার অফিসার্স ইনচার্জ শাজাহান আলী বলেন তারা একটি জিডি করেছে আমাদের তদন্তের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।।
















