জালাল উদ্দিন ,/ দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর মিডিয়া :
রংপুর-৩ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটি। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রংপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ অভিযোগপত্র সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে তুলে দেন দাড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কাওছার আলী। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত আচরণবিধি অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়ম ব্যতীত রঙিন ফেস্টুন, ব্যানার ও পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ। অথচ রংপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. সামসুজ্জামান সামু (প্রতীক—ধানের শীষ) আচরণবিধি অমান্য করে গাছ ও বিদ্যুৎ খুঁটিতে রঙিন ফেস্টুন, ব্যানার ও অন্যান্য প্রচার সামগ্রী টানিয়ে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিশেষ করে সদ্যপুস্করনী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কেশবপুর উত্তরপাড়া ও মধ্যপাড়া এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের কেশবপুর বানিয়াপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া ও পূর্বপাড়ায় এ ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগের সঙ্গে রঙিন ফেস্টুনের সাতটি ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক আরেকটি আবেদনে রংপুর-৩ আসনের বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অতীত নির্বাচনে এসব কেন্দ্রে সহিংসতা, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ ছিল। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনেও এসব কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে, যা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। আবেদনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বখতিয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়বাড়ী সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, আরপিএমপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পার্বতীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া সরকারি কলেজসহ মোট ৩২টিরও বেশি কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, উল্লিখিত কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার মোতায়েন, প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও বিশেষ টহল জোরদার করা হলে ভোটারদের নিরাপত্তা ও অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
















