জালাল উদ্দিন/দ্যা লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর ডটকম:
রংপুর জেলায় দুই হাজার ১২৯টি কেন্দ্রে চার লাখ ৮৮ হাজার ৩৩৮ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পুরাতন সদর হাসপাতাল সংলগ্ন সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াজেদ আলী বলেন, শনিবার (১ জুন) জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে রংপুরের আট উপজেলায় তিন লাখ ৫৮ হাজার ৪৮৮ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৪০ হাজার ৮২৫ শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী তিন লাখ ১৭ হাজার ৬৬৩ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব শিশুর মধ্যে এক হাজার ৭১৫ জন প্রতিবন্ধী রয়েছে। প্রতিটি টিকা কেন্দ্রে এবং বড় হাট-বাজার, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট এবং রেলওয়ে স্টেশনের অস্থায়ী/ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সেদিন তিন হাজার ৬৬৪ জন স্বেচ্ছাসেবী, এক হাজার ৩০৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৩০৩ জন পরিবার-পরিকল্পনাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যেতে অভিভাবকদের অনুরোধ জানান। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ালে শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কমবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পেইনের দিন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মায়েদেরকে শিশুর জন্মের পর পর শাল দুধ খাওয়ানো, শিশুর ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ বাচ্চাকে খাওয়ানো, ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি পুষ্টিকর এবং সুষম বাড়তি খাবার শিশুকে খাওয়ানোসহ পুষ্টি সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে।
শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ অন্ধত্ব প্রতিরোধ করাসহ শিশু মৃত্যু রোধ করে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক অরবিন্দু কুমার মোদক, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (সমন্বয়কারী) ডা. নূরজাহান বিনতে ইসলাম, ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট সুলতান আহমেদসহ জেলা পুষ্টি কার্যক্রম ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
















